āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3797

ষষ্ট ইন্দ্রিয়
লেখা> Abir Hasan Niloy
.
"তোমার নাম আবির তাই না"

দুইটা ক্লাস শেষ করে শহীদ মিনারের উপর এসে বসেছি। চারিদিকটা কেমন যেন সব ফাকা মনে হচ্ছে। হয়ত সবাই ক্লাস করতে ব্যস্ত। তাই কানে হেডফোন গুজে গান প্লে করতেই একটি লোক আমার সামনে এসে কথাটি বললো..
কান থেকে হেডফোনটা খুলতেই শুনি উপরের কথাটি।
আমিও মাথা নাড়িয়ে হ্যা সুচক জবাব দিলাম।

- এখনি চলো আমার সাথে। তোমাকে খুজতে খুজতে শেষ আমি। (লোকটি)

লোকটির কথা শুনে আমি হাবার মত চেয়ে রইলাম। বুঝতে চেষ্টা করলাম কথাগুলো আমাকেই বলছে কিনা। হুমম আমাকেই তো বলছে। কিন্তু কেনো বলছে সেটা তো বুঝলাম না।
- কি হল চলো.
- দেখুন আমি আবির, তবে মনে হয় কারো সাথে গুলিয়ে ফেলছেন। কারন, আমি আপনাকে চিনি না। আর মনে তো হচ্ছে আপনিও আমাকে চেনেন না

লোকটি আমার কথা শুনে আমার পা থেকে মাথা অবদি ভালো করে দেখলো।
- তোমাকে চিনতে আমার কোনো অসুবিধাই হবে না। কারন, আমি তোমাকে রোজই দেখি।
- মানে?
- যেতে যেতে বলি??

লোকটির পিছন এ হাটছি। কলেজ থেকে যখন বের হলাম দেখি কালো রং এর গাড়ি দাড়ানো। লোকটি সেই গাড়িটাতে আগে উঠে আমাকে ডাকলো। আমিও উঠে বসলাম..
- কোথায় যাচ্ছি আমরা? (আমি)
- গেলেই বুঝতে পারবা।
- তো বলুন আমাকে কিভাবে চিনেন?
- নেহা ম্যাম এর ফোন থেকে তোমার পিক দেখেছি অনেকবারই
- নেহা..?
- হুমম

নামটা শুনে একটু চমকে উঠলাম। কারন, নেহাকে আমি খুব ভালো করেই চিনি। আমি তাকে ভালোবাসি। এমনকি দুজন রিলেশনশীপেও ছিলাম। কিন্তু গত ১০ দিন আগে নেহা নিজেই ব্রেক আপ করে দিয়েছে।
তবে আবার এখানে নেহা কেনো আসছে? ওর সাথে তো আমার কোনো যোগাযোগ নেই। কথা হয় না, তাহলে নেহার জন্যই কি আমাকে নিয়ে যাচ্ছে? কিন্তু কেনো..?গাড়িতে থাকা লোকটির দিকে তাকিয়ে বললাম..

- তাহলে নেহার জন্য আমাকে নিয়ে যাচ্ছেন তাই না?
- হুমম
- কেনো?
- নেহা অসুস্থ
- ওহ,
- আসলে আজ প্রায় ৭ দিন হল নেহা ম্যাম কিছুই খাইনা। শুধু ওর রুমে বসে অন্ধকার করে কান্না করে। একটু আগে সে অনেকগুলো ঘুমের ঔষধ খেয়েছে। তখনি বুঝে গেছিলাম আমি যে এসব তোমার জন্যই হয়েছে। তোমাদের মধ্য অনকিছু চলছে। তাই স্যার মানে নেহা ম্যামের আব্বুকে তোমার ব্যপারে বলেছি। আর তিনি তোমাকে নিতেতে পাঠিয়েছেন।
- কিহহ,,মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন নেহা সব আমার জন্যই করেছে??
- হুমম

লোকটির কথা শুনে খানিকটা অবাক হয়ে চেয়ে রইলাম। তখনি জোরে হেসে উঠলাম। আমার হাসি দেখে তিনি আরো বেশি অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো..
- হাসছো কেনো?
- আপনি বুঝবেন না।
- নেহার অসুস্থতায় তুমি হাসছো?
- হুমম হাসছি, কারন সে আমার জন্য এমন কিছুই করবে না দেখেন কোনো বড় আবদার হয়ত আপনারা পুরন করতে পারেননি বলে সে এমনটা করেছে।
- তাই নাকিকি,,তাহলে রোজ তোমার ছবি দেখে কাদে কেনো? রোজ তোমার কথা বলে কেনো?

লোকটির কথা শুনে চুপ হয়ে গেলাম। কিছুই মাথায় আসছে না। যে মেয়ে আমার নিজেই এসে বলে তোমার মত ট্র্রিপিকাল ননসেন্স টাইপ ছেলের সাথে যায় না, এক কথায় ব্রেক আপ করে। আর সেই কিনা আমার জন্য কাদে? আমান জন্য খাই না? মনে মনে হাসি পেলেও সেটা আর প্রকাশ করলাম না।

- আচ্ছা বলোতো, আমি কেনো এসব জানি?
- কেনো?
- কারন, ওর মা মারা যাবার পর আমি আর ওর আব্বু বড় করেছি। ওর আব্বুর সময় থাকে না মেয়েটাকে দেখার। তাই আমিই আগলে রেখেছি সববসময়। তাই সব কিছু সে আমাকেই বলতো।

চুপ হয়ে ওনার কথা শুনছি। তবে মাথায় আমার এখনো আসছে না সে কেনো আমার জন্য এমন করেছে? তাহলে কি সে আমায় ভালোবাসে এখনও? তাহলে ছেড়ে চলে গেলো কেনো?
- এই নামো, চলে এসেছি।

লোকটির কথায় নামলাম। একটি বড় বাড়ির সামনে গাড়িটি থেমেছে। বোঝায় যাচ্ছে, এটা কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়ি। গেট খুলে দিলো তিনি। আমি প্রবেশ করলাম বাড়িটার মধ্যে। বাড়ির অনেকখানি জায়গায় মানে উঠানে টবে ফুলগাছ লাগানো।
সাথে থাকা লোকটি বললো, ওনার সাথেই যেন আমি আসি।  তাই উনি আগে হাটছেন আর আমি পিছনে।
বাড়ির মধ্যে ঢুকতেই দেখি একজন সাদা পান্জাবি পরা লোক পায়চারি করছে।
- স্যার, এনেছি।

পায়চারি করা লোকটি আমার দিকে সোজা তাকালো। আমার পা থেকে মাথা অবদি দেখে নিল। তারপর বললো..
- ঠিক আছে, রহিম, এখন তুমি যাও।
- আচ্ছা স্যার..
পাশে থাকা আগের লোকটি আদেশ পালন করলো। আমি চুপ হয়ে বাড়ির ভিতরটা দেখছি। কি সুন্দর বাড়ি রে বাবা। তখনি শুনি..
- তুমিই তাহলে সেই মেইন কালপ্রিট?

লোকটির কথা শুনে চমকে উঠলাম। বলে কি তিনি? আমি নাকি আসামি?
- ঠিক বুঝতে পারিনি।
- তোমার বুঝতে হবে না। তোমার জন্য আমার মেয়েটা আজ মরতে বসেছে। ইচ্ছে করছে তোমাকে এখনি পুলিশে দেই। কিন্তু আমার মেয়ে কষ্ট পাবে বলে সেটা আর করবো না। তবে পরেরবার যদি এমন হয় তাহলে তোমারর খবর আছে। চলো এখন আমার সাথে।

নেহার আব্বু বাড়িটির সিড়ি বেয়ে উপরে উঠছেন। আমি তার পিছনে হাটছি। তবে আমি এখনও জানিনা, কি হতে যাচ্ছে।
- নেহা, এইদেখ কাকে নিয়ে এসেছি।

হাটতে হাটতে উনি একটি রুমে প্রবেশ করলেন। রুমের মধ্যে ডক্টর আর নার্স এ ভর্তি। নেহা বিছানাতে হেলান দিয়ে মাথা নিচু করে বসে আছে। ওর আব্বুর কথা শোনা মাত্রই সে আমাদের দিকে তাকালো।
- সবাই এখন বাইরে যান, (আংকেল)

নেহার আব্বুর কথা শোনা মাত্রই সবাই চলে গেল। নেহা চেয়ে আছে আমার দিকে। আর আমি চেয়ে আছি ওর দিকে। আসলেই সে শুকিয়ে গেছে অনেকখানি।
- তোরা কথা বল, আমি পরে আসবো। (আংকেল)

উনি চলে যাওয়ার সময় রুমের দরজা আটকে দিয়ে গেল। আমি হাবার মত দাড়িয়ে সবকিছু দেখছি। ঘাড় ঘুরে নেহার দিকে তাকাতেই সে বললো..
- আমি তো ভেবেছিলাম তুমি আসবে না।
-......
- আর আসবেই বা কেনো? আমি তো তোমার কেউ না।

ফিক করে হেসে উঠলাম। ব্রেকআপ হওয়ার পর এই মেয়ে এসব কেনো বলছে? আমার হাসি দেখে সে আরো রেগে গেল।।
আমি হেটে ওর বেডটার পাশে যেয়ে বসলাম...
- ব্রেক আপ করেছি বলে কি পার পেয়ে যাবেবে ভাবছো? তোমার সব অন্য মেয়েদের সাথে প্রেম ছুটাবো বুঝেছো?

আমি নেহার কথা শুনে হেসেই চলেছি। কয়েকদিনের আগের কথা মনে পড়ে গেল।
একদিন নেহাকে বললাম..
- আচ্ছা নেহা, যদি দেখো বা শোনো, আমি অন্য কোনো মেয়েদর সাথে কথা বলছি বা প্রেম করছি। তাহলে তুমি কি কষ্ট পাবে
- হাহাহাহাহা,,,তোমার কি মনে হয় আমি অন্য সব ট্রিপিকাল মেয়েদের মত কান্নানা করে বলবো..
"বাবু প্লীজ এমন করো না,আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না, তুমি কোনো মেয়ের দিকে তাকাবা না কথা বলবা না। আমি খুব কষ্ট পাবো"" এসব বলবো ভাবছো তাই না? যত্তসব আজাইরা প্যাচাল। আরে তোমার লাইফ, তুমি কি করবা না করবা সেটা তোমার ব্যাপার। তুমি কার সাথে প্রেম করবা না করবা সেটা তোমার ব্যাপার।
- কেনো তুমি কি আমায় ভালোবাসো না?
- হুমম বাসি,,তাই বলে কি তোমার জন্য কাদবো নাকি আমি? তুমি যার সাথে প্রেম করবা তাতে আমার কি? আমি কেনো কষ্ট পাবো?
- ওহ,  নাহ ভাবলাম হয়ত আমার মত তুমিও কষ্ট পাবে। তুমি যদি অন্য ছেলের সাথে এমন করো আমি কষ্ট পাবো তাই..
- ঐ থামো তো..

সেদিন নেহার কথা শুনে কষ্ট পেয়েছিলাম। মেয়েটি কেমন যেন। তার মনে কি কোনো অনুভুতি নেই?
তার কদিন পর যখন দেখি নেহা অন্য একটি ছেলের সাথে কথা বলছে..
- ছেলেটি কে?
- বন্ধু..
- আমাকে তার ব্যাপারে বলোনি কেনো?
- কেনো বলবো..?
- তুমি অন্য ছেলের সাথে কথা বলবা না।
- তোমার কথায় নাকি? যত্তসব..
সেদিন নেহা আমাকে ক্ষ্যাত, ট্রিপিকাল ছেলে বলে ব্রেক আপ করে দেই।
.
- এই কি ভাবছো?
নেহার কথা শুনে বাস্তবে ফিরলাম। নেহা তখনও হেলান দিয়ে বসে আছে আমার দিকে তাকিয়ে। আমি তখন বললাম,
- আচ্ছা ফান অনেক করেছো, এখন আমি যাই?
- মানে? ফান মানে
- এই যে এসব ফান না তো কি?
- তোমার কাছে ফান মনে হচ্ছে?
- হুমম,,এসব তো তোমার সাথে যায় না।এসব তো ট্রিপিকাল মেয়েদের কাজ, কারো জন্য না খেয়ে থাকা। কান্না করা,
- আবির সরি, আমি আসলে বুঝিনি যে ভালোবাসা হয় অনুভুতি ফিলিংকস দিয়ে।
- ওহ, ভালো।
- মানে কি? এখন তো সরি বলছি। আর প্লীজ আমাকে আজ ফিরিয়ে দিও না।
- হিহিহিহি,,,ক্ষ্যাত মার্কা কথা বলো না তো। তোমার যার সাথে ইচ্ছে কথা বলবা। কিছুই মনে করবো না।
- এই আবির, আমি সেদিনের পর বুঝেছিলাম ভালোবাসা কি, তাই জানতাম তোমার কাছে তখন ফিরে গেলে তাড়িয়ে দিতা। তাই আব্বুকে সব বলেছি। যাতে তোমাকে এনে দেয়। প্লীজ আবির, আমি তোমাকে এখন সত্যিই ভালোবাসি। শোনো, মাঝে মাঝে ভালোবাসাটা বুঝতেেও তো সময় লাগে তাই না?

নেহার দিকে তাকালাম। মেয়েটি করুন চোখে তাকিয়ে আছে। ওর চোখ দেখে বুঝেছি সে এখন সত্যিই ভালোবাসে আমায়। সে আর এখন হারাতে চাই না আমায়। তবে ওর সাথে একটু মজা করতে ভালোই হবে। তাই বললাম..
- এসব বাদ দাও,,অন্য সব মেয়েদের মত কথা বলবা না। আমি আর তোমাকে ভালোবাসি না।

কথাটি বলে উঠে চলে আসলাম। মনে মনে বললাম, আমাকে কষ্ট দিয়েছো তাই শাস্তি স্বরুপ তোমাকেও একটু কষ্টে রাখি। তখনি বুঝবে ভালোবাসাটা আসলে কি?তবে আমিও তাকে ভালোবাসি। এখন যাই শ্বশুর মশাইয়ের সাথে দাবা খেলি। পরে আসবো  নেহার কাছে
আচ্ছা মেয়েরা এমন কেনো হয়???
(৭১)
-------(সমাপ্ত)-------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ