গল্প: আজগুবি ভালোবাসা
সকাল ৮টা কী ৯টা হবে। আমি বাস স্ট্যান্ড এর সামনে দাড়িয়ে আছি। বাস আাসার কথা ছিল ৮:৩০টায় কিন্তু এখন ৯টা বেজে যাচ্ছে এখনও বাস আসতেছে না। অসহ্য লাগচ্ছে। কত কখন আর দাড়িয়ে থাকবো। হঠাৎ পিছন থেকে একজন ডাক দিল-
- এই যে শুনচ্ছেন?(মেয়ে)
- জ্বী বলেন,(আমি)
- এটা কী শ্রীমঙ্গল বাস স্ট্যান্ড?
- জ্বী আপনাকে একটা প্রশ্ন করি,
- কী?
- আপনার পিছনে যে সাইন বোর্ড আছে, সেখানে লেখা আছে, যে এটা কোন জায়গা, আপনি চোখে দেখতে পারেন না?
- ওও,sry sry আসলে আমি এখানে নতুন তো তাই।
- না, না ঠিক আছে, আমিও আপনার মতো নতুনই ছিলাম, শুধু পার্থক্য এইটাই যে আমি আপনার সাথে কিছু করলাম না আর তারা আামার সাথে অনেক কিছু করে ফেলেছিল।
- কী করেছিল তারা?
- কী আর করছিল, চড় দিয়া শুরু করছিল আর গণধোলাই দিয়া শেষ।
-ওও, আপনার খুব লেগেছিল না?
- আজব মেয়ে তো আপনি, কোথায় sry বলবেন তা না বলে, বলছেন যে আমার লেগেছিল কী না?
- আমি এখানে sry বলার কোন কারন তো দেখি না, আমি আপনাকে কিছু করেছি?
-আরে ভাই, আমি কী বলছি যে আপনি কিছু করেছেন?
- আমি ছেলে না, মেয়ে।
- হ্যা, আমি তা জানি, এবং দেখছিও, আপনার মতো অন্ধ না।
- তাহলে ভাই বললেন কেন?
- আরে,,,oh বাস এসে গেছে।
বলেই ব্যাগ নিয়ে আমি আগে আগে চলে গেলাম। বাসে উঠে নিজের সিট খুজে নিলাম তারপর বসে পড়লাম। জানালার দিকে পড়ছে সিট। আহ্ এখন একটু আরাম পাবো। এতখন যত ভেজাল এর পাল্লায় পড়ছিলাম, বেচে এসেছি, এটাই ওপরওয়ালার ইচ্ছায়। বলেই চোখ বন্ধ করে দিলাম। এরপর আর কিছু জানি না, চোখ খুলে দেখি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। গাড়ি কীসের জন্য জানি থেমেছে। আস পাশ তাকাবো এর আগেই, হাইইই বলে চিল্লি মারলো। আমি তো ফুল ভয় পেয়ে গেলাম। শব্দ যেদিক থেকে আসলো সেদিকে তাকালাম, দেখি ওই মেয়েটা, দেখেই আমার চোখ আবার বন্ধ। এরপর পরও কী হলো কীছু জানি না। চোখ খুলে দেখি বাসে কেউ নেই। বাস থেমে আছে।জানালার দিকে তাকালাম দেখে বুঝলাম যে উজানবাটি এসে থেমেছে। আমি বাস থেকে নামলাম, নেমে আগে ওয়াশ রুমে গেলাম। হাত-মুখ ধুয়ে তারপর গিয়ে একটা টেবিলে বসলাম। ওর্ডার দিলাম ভাত ও ডিমের ভূনা। আমি হোটেলে গেলে এটা ছাড়া আর কিছু খাইনা কম টাকায় ভালোই পেট ভরে। একটু পর খাবারও এসে গেল। সার্টের হাতাটা বলে তারপর যেই খাবার মুখে দিতে যাবো, ওমনি আবার হঠাৎ করে জোরে, Hiiii। আমি তো ভয়ে লাফিয়ে উটলাম পাশে ডালের বাটি টা ছিল সেটা লাফানোর চোটে হাতে লেগে পড়ে গেল, মেয়েটার জামার উপর। সে তো পুরা হা হয়ে তাকিয়ে থাকলো আমার দিকে। এরপর-
- এটা কী হলো??(মেয়ে)
- তুমি আগে বলো এটা কী হলো?(আমি)
- দোষ তুমি করছো।
- ও আচ্ছা এখন দোষ আমি করছি। বাহ্,,,,
- হ্যা তুমি করছো, তো স্বীকার করতে সমস্যা কী।
- আমি করি নাই তুমি করছো, কেউ এরকম চিল্লাইয়া Hiii বলে,
- হ্যা, অনেকেই বলে।
- হ্যা জানি তো অনেকেই বলে, যারা বলে তারা হচ্ছে পাগল।
- কী, আমি পাগল
- হ্যা, অনেক বড়ো পাগল।
- এতো বড় কথা,
- কিছু বলতে ভয় পাই না।
- তুমি একটা.....
এর মধ্যেই বাসের হর্ন বেজে উঠলো। একটু পরেই ছেড়ে দেবে। আমি আর ওই মেয়েটার সাথে কথা না বলে তাড়াতাড়ি ওয়াশ রুমে গিয়ে হাত ধুয়ে চলে গেলাম। বিল ৩০০ টাকা। হুদাই ৩০০ টাকা দিলাম। খাওয়া তো হলোই না এর উপর আবার দামও বেশি রাখলো। বাসে উঠে বসলাম। কিছুসময় পর মেয়েটাও চলে এলো। আমি কনডেকটর কে ডাক দিলাম,-
- ভাই মেয়েটাকে অন্য সিটে বসান plzz(আমি)
- কেন ভাই মেয়েটার কী কোন সমস্যা হচ্ছে।(কনডেকটর)
- আমার কোন সমস্যা নেই।(মেয়ে)
- কিন্তু আমার সমস্যা আছে।(আমি)
- দেখেন ভাই একটু মেনেজ করেন,এমনিতেই কোন সিট খালি নেই।(কনডেকটর)
- কিন্তু ভাই, এই যে ভাই....
শুনলো না, চলে গেল। আমি নিরাশ। মেয়েটা কিছুক্ষণ চেয়ে তারপর মোবাইল টিপতে লাগলো।
বাস ছাড়লো, জানালাটা খুলে রাখলাম যাতে বাতাস লাগে।ঘুমানোর চেষ্টা করলাম but ঘুম আসতেছে না। কারন আমি মেয়ে মানুষ পছন্দ করি না এমনিতেই, এর উপর আবার একজন মেয়ে সাইডে বসা এতে কী ঘুম আসে। ঘুম তো আরও আগেই চলে যায়। কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর-
- এই যে শুনছেন,(আমি)
- কী(মেয়ে)
- আপনি plzzঅন্য সিটে চলে যান না,
- কেন
- আমি একটু শান্তিতে ঘুমাতে চাই।
- তো ঘুমান না আপনাকে কে আটকাইছে, আর উজান বাটির আগে তো ঘুমাইয়াই ছিলেন। ঘুম হয় নাই।
- না, ওইটা অজ্ঞান ছিলাম, এখন ঘুমাতে চাই।
- তো ঘুমান না।
- আপনি plzz অন্য সিটে চলে যান।
- পারবো না, যদি আপনার বেশি সমস্যা হয় তাহলে আপনি চলে যান।
- ইসসসসস, শখ কতো, আমি কেন যাবো, আপনাকে বলছি আপনি যান।
- তাহলে আমিও কেন যাবো, আপনি যান।
- আপনি যাবেন না?
-না
- বুঝেছি, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উটলে আঙ্গুল তেরা করে উঠানো লাগবে।
- যা ইচ্ছা করো।
-........ ( আমি শুধু রাগে ফুলতেছি আর মনের ভিতর আগুন জ্বলতেছে)
এরপর কিছু না বলে ভাবতে লাগলাম এই ডাইনি টাকে কীভাবে উঠানো যায়। ভাবলাম, পগলামি করেই উঠাবো, না হলে আর হবে না। তো শুরু করলাম পগলামি Misson Impossible 6 আমাকে জয় লাভ করতেই হবে। এরপর-
- আমি সমানে যা দেখি জানি না সেকি(গান) আমি গেয়েই চলেছি।
- আরে, আরে হচ্ছেটা কী, পাগল নাকি, এইইইই(মেয়ে)
- আমি থামবো না( গেয়েই চলেছি)
- আরে সবাই দেখছে তো, চুপ করো।
- তাহলে অন্য সিটে চলে যাও।
- ওওও, এখন বুঝেছি গেয়ে যাও, গেয়ে যাও no problem।
- আমি গেয়ে যাচ্ছি, কিন্তু বেশিক্ষণ থাকতে পারলাম না মুখে বেথা ধরে গেল। আর দেখি সেও কিছু বলছে না তাই গান গাওয়া বন্ধ। এই plan fail। এখন ভাবলাম আরেকটা, এটা হচ্ছে নেকা কান্না। আমি শুরু করলাম।
- আবার কী হলো?
বাস তখন ঢাকার ভিতর ঢুকলো,
- আপনি ওই সিটে যান না
- আরে আর কিছুক্ষণ পর তো ঢাকা এসে পরবো।
- না, আপনি ওই সিটে যান,
- পারবো না।
- এএএএ, ওমাাাা(বলে জানালায় মাথা বাড়ি দিতে লাগলাম।
- যা ইচ্ছা করো, আমি সিট থেকে উঠবো না।
- ওওওমাাাা, এএএ (বলে সামনের সিটে মাথা বাড়ি দিতে লাগলাম।)
- নিজের টাকায় কিনেছি টিকেট, শেষ পর্যন্ত এই সিটেই বসে যাবো।
- যান, না আপনি এইরকম করেন কে এএএএএ, ওমাাাা,
- ইসসস, চুপ, আর ভাল লাগে না।
বাস তখন যাত্রা-বাড়ী।
- যান না,,
- বলছি তো, না না না।
- এএএ,একটা টান নিয়ে আবার এএএ।
- ইসস, চুপ এই তো বাস স্ট্যান্ড এসে গেছি। কোন পাল্লায় যে এই পাগলটার সাথে সিট পড়েছিল।
বাস স্ট্যান্ড এ এসে থামলো। ব্যাগ ছেগ নিয়ে বাস থেকে নামলাম। তারপর বুকে হাত রেখে লম্বা একটা শ্বাস নিলাম। মেয়েটা বলল।
- পাগল বাসায় যা, তোর থেকে রেহাই পেলাম।
- হে, রেহাই তো আমি পেয়েছি তোমার থেকে। এরপর আর কথা না বলে রিকশা নিয়ে তাড়াতাড়ি বাসায় গেলাম। বাসায় গিয়েই কারো সাথে কথা না বলে বিছানায় পড়ে গেলাম। অবশ্য মাসিও বুঝলো যে journey করে এসেছি, ক্লান্ত। মাসি কিছু বললো না। এরপর সকাল বেলা উঠে সবার সাথে কথাবার্তা বললাম। আমার একটা ছোট বোন আছে বেশি না ১দিনের ছোট। যাক একদিনের হলেও ছোট তো। তার সাথে কিছুসময় গল্প করার পর বেল বাজলো। আমাকে বললো দরজা খুলতে। দরজা খুলেই দেখলাম ওই মেয়েটা দেখে মাথা ঘুরাতে লাগলো। এরপর-
-তুমি(মেয়ে)
-তুমি(আমি)
সাথে সাথে আমার বোন এল। এসে বললো দাদা আমার friend বর্ষা। আচ্ছা সাত খন্ড রামায়ন পড়ে সীতা কার মেয়ে। এরপর আমার আর কিছু বলার ছিল না। মেয়েটা শুধু আমার দিকে তাকাচ্ছিল আর হাসছিল। পরে তারা ভিতরে চলে গেল। এরপর অনেক হাসি গল্প তারা করলো। কিছুসময় পর আমার বোন মিষ্টি এসে বলল-
- দাদা,
- কী? (আমি)
- ও তোকে কিছু বলবে।
- কী?
- এই বল,
- আমি তোমায় ভালেবাসি!!!(বর্ষা)
- কী?
- হুমম
- আমি কী এমন করলাম ভালোবাসার মতো??
- আচ্ছা হয়েছে, তুই তোর কথা বলেছিস এখন আমার কথা শোন, তুই তাকে একটু এগিয়ে দে( মিষ্টি)
- উফফফ( আমি)
- plzzz দাদা
- আচ্ছা যাচ্ছি।
এরপর রাস্তায় যা ঘটলো
- আচ্ছা আমি কী করলাম( আমি)
- কী করলা( বর্ষা)
- তুমি আমাকে ভালোবাসলা কীভাবে?
- যেভাবে মানুষ বাসে।
- কিন্তু আমার পক্ষে তোমার মতো ডাইনি কে ভালোবাসা সম্ভব নয়।
- কী আমি ডাইনি!!
- হ্যা
- আমারও তোমার মতো পাগল কে ভালোবাসা impossible।
- তাহলে বললা কেন?
- এমনেই
- এমনেই।
- হুমম।
- তুমি না আসলেই.....
- কী আসলেই কী?
- ভূত।
- তুমি কী, পাগলা কুকুর।
- হে যাও যাও বাসায় যাও।
- তোমাকে বলতে হবে না,
বলে সেও মুখ ফিরিয়ে নিল আর আমিও। আশা করি আর যেন তার সাথে দেখা না হয়। কিন্তু তা আশা করে লাভ নেই, কারন সে আমার বাসায় আসবেই কারন আমার বোনের ফ্রেন্ড। আর এসেই আমার চোখ বন্ধ করে দেবে।।।।।।।
লেখা: সুদীপ্ত দেব (স্বপ্ন)
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻļুāĻ্āϰāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ģ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
3765
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧝:⧍ā§Ļ PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ