āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3752 (1)

#শ্রাবণী
#১ম পর্ব
রইসপুর গ্রামে কয়েকজন
অবস্থাপন্ন গৃহস্থ থাকলেও বেশির ভাগই গরিব।
গ্রামে ২জন হাতুড়ে ডাক্তার আর মসজিদের ইমাম সাহেব ছাড়া ভালো কোন ডাক্তার নেই।
অসুখবিসুখ হলে লোকেরা ইমাম সাহেব ও হাতুড়ের ডাক্তারের শরনাপন্ন হন।
তবে ধনী ও শিক্ষিত লোকেরা এনাদের অনুসরন করে না।
৪ কিঃমিঃ দূরে একটা পাসকরা ডাক্তার আছে তার কাছে যান।
প্রায় ২বছর আমান এলাকার মসজিদের খাদেমের কাজ করছে।
আগে ঝাড়ফুঁক করার জন্য ইমাম সাহেবকে নিয়ে যেত,
এতে ইমাম সাহেব কিছু নজরানা পেতেন।আমান আসার পর লোকের তাকে নিয়ে যায়।
কারন,
তার ঝাড়ফুঁকে ভালো কাজ হয় এবং সে এসব করে কোন নজরানা নেয় না।ফলে ইমাম সাহেব আমানের উপর ক্ষীপ্ত হয়ে তাকে তাড়াবার চেষ্টা করেন,কিন্তু কমিটির লোক ও গ্রামের লোকেরা তাকে ভালো জানে বিধায় ইমাম সাহেবের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।সেই থেকে ইমাম সাহেব তার ওপর অসন্তুষ্ট।
.
রাত সাড়ে ৩টা।আজ আমাবস্যা।সারা গ্রাম নিঝুম।সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।প্রতিদিন ঘুমানোর সময় আমান মাথার কাছে ছোট এলার্ম ঘড়ি নিয়ে ঘুমায়।ঘড়ির এলার্ম শুনে আমানের ঘুম ভেঙে গেল।ঘুম থেকে উঠার দোয়া,
'আলহামদুলিল্লাহিল্লাযি আহইয়ানা.....'পড়ে প্রাকৃতিক কাজ ও অযু করার জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে এল।এমন সময় দল বেঁধে হুক্কা হুয়া শব্দে শিয়াল ডেকে উঠল।সাথে সাথে গ্রামের কুকুরগুলোও ডেকে উঠল।অন্য কোন ছেলে হলে ভয়ে শিউরে উঠত,কিন্তু আমান সাহসী যুবক।আল্লাহ ছাড়া কাউকেই ভয় করে না।তাই সবকিছু অগ্রাহ্য করে ঘরে এসে তাহাজ্জুদের নামায পড়ল।তারপর জিকিরে মশগুল হল।তাহাজ্জুদ নামায পড়ে সে আর ঘুমায় না।সুবহে সাদিক পর্যন্ত জিকির করে।আজও তাই করছিল।এমন সময় ১টা মেয়ের করুণ কান্নার আওয়াজ ভেসে এল।কিছুক্ষন পর কান্না থামিয়ে বলছে,কে কোথায় আছ আমাকে বাঁচাও।রাক্ষসটা আমাকে খেতে এসেছে।তারপর মেয়েটির অকথ্য গালি শুনতে পেল।বার বার মেয়েটির করুন কান্না শুনে আমান জিকিরে মন বসাতে পারল না।দরজা খুলে কান্নার আওয়াজ লক্ষ্য করে হাঁটতে হাঁটতে আব্দুল শেখের বাড়ির কাছে এসে বুঝতে পারল এ বাড়ির কোন মেয়ে কাঁদছে।এতোদিন সে জানত আব্দুল শেখ গ্রামের মধ্য সবচেয়ে ধনী লোক।তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে।সবারই বিয়ে হয়ে গেছে।কিছুক্ষন চিন্তা করে আমান সদর গেটে নক করল।
সদর গেটের পাশে চাকরদের ঘর।চাকরদের মধ্য মফিজ মিয়া বয়স্ক।তার ঘুম পাতলা।মেয়েটির কান্নায় অনেক আগেই তার ঘুম ভেঙে গেছে।সদর গেটে শব্দ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে বলল,কে?
আমি মসজিদের খাদেম আমান।
মফিজ আমানকে ভালো বলে জানে,,,,
(চলবে)
#ক্ষুদ্র_লেখক

#শ্রাবণী
#২য় পর্ব
মফিজ আমানকে ভালো ছেলে বলে জানে,স্নেহও করে।তার মেয়ের ব্যাপারে সে যে উপকার করেছে,সে ঋণ শোধ করার মতো নয়।একমাত্র মেয়ে আজমীরার বিয়ে পাশের গ্রামে একটু অবস্থাপন্ন ঘরে দিয়েছিল।বিয়ের ৩-৪বছর পর জামাই বিদেশে যাওয়ার জন্য অনেক টাকা দাবি করেছিল।সম্পূর্ন টাকা দিতে না পারায় জামাই আজমীরাকে তালাক দিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করে তার বাপের টাকায় বিদেশ যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল।সে কথা মফিজ জেনে পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিল।ঘটনা জেনে আমান মফিজের সাথে দেখা করে বলেছিল,আপনি চিন্তা করবেন না,আপনার মেয়ে যাতে ঐ সংসারে সুখী হয় সে ব্যবস্থা আমি করব ইনশাআল্লাহ।তারপর আমান কি করেছিল মফিজ জানে না।তবে জামাই বিদেশে যাওয়ার কথা মুখেও আনে নি।আর আজমীরাকে তালাক দেয়া তো দূরের কথা তাকে আগের থেকে আরো বেশি ভালোবেসে সুখের সংসার করছে।ব্যাপারটা মেয়ের মুখে শুনে মফিজ শুকরিয়া আদায় করে এবং আমানকে কিছু টাকা নজরানা দিতে গিয়েছিল,কিন্তু আমান না নিয়ে বলেছিল,মানুষের বিপদে মানুষ সাহায্য করবে,এটাই মানবতা।সাহায্য করে কিছু নিলে মানবতাকে অপমান করা হয়।তাছাড়া প্রতিদান তো আল্লাহ দেবেনই।
সেই থেকে মফিজ আমানকে আল্লাহয় খাছ বান্দা মনে করে।
এই অসময়ে তার গলা পেয়ে ভাবল,নিশ্চয় মেয়েটার কান্না শুনে এসেছে।তাড়াতাড়ি সদর গেট খুলে সালাম দিল।
আমান সালামের উত্তর দিয়ে জিঙ্গেস করল,মেয়েটা কে?কাঁদছে কেন?
মফিজ বলল,আমাদের সাহেবের মেয়ে।তার ওপর যখন জিনের আছড় হয় তখন ওভাবে কাঁদে।আপনি এখন যান,পরে আপনাকে সব কিছু বলব।
আমান এরকমই চিন্তা করেছিল,তাই আর কিছু না বলে ফিরে এল।
.
আমান মসজিদের দক্ষিন পাশে একটা বেড়ার ঘরে থাকে।ইমাম ও মুয়াজ্জিন মসজিদের উত্তর পাশে ২কামড়া পাকা টিন শেডের রুমে থাকে।মসজিন কমিটির লোকেরা তাকে মুয়াজ্জিনের সাথে থাকতে বলেছিল।কিন্তু সে রাজি না হয়ে বলেছিল,আমি রাতে একটু জিগির আজকার করি,মুয়াজ্জিন সাহেবের অসুবিধে হবে।আপনাদের আপত্তি ন থাকলে আমি না হয় নিজ খরচে মসজিদের দক্ষিন পাশে একটা বেড়ার ঘর করে নেব।
.
মসজিদ কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন উচ্চ শিক্ষিত,দীর্ঘদিন ঢাকার এক কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।একমাত্র ছেলে সামসুদ্দীন লেখাপড়া শেষ করে ঢাকায় ব্যবসা করে গাড়িবাড়ি করলেও জহির উদ্দিন তিন বছর আগে রিটায়ার্ড করার পর সস্ত্রীক হজ্জ করে স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে এসেছে।ওনার ইচ্ছা যতদিন বেঁচে থাকবে গ্রামেই থাকবে আর মৃত্যুর পর এখানেই দাফন হবেন,,,,
(চলবে)
#ক্ষুদ্র_লেখক

#শ্রাবণী
#৩য় পর্ব
এলাকার মসজিদটি জহির উদ্দিনের পূর্বপুরুষরা প্রতিষ্ঠা করেছিল।তাই কমিটির লোকেরা এখন মসজিদের সব দায়িত্ব জহির উদ্দিনের ওপর দিতে চান।
কিন্তু জহির উদ্দিন কোনোভাবেই দায়িত্ব গ্রহন করতে চান না।
একদিন মসজিদে মিটিং দেকে মসজিদ কমিটিরা জহির উদ্দিনকে বোঝাতে লাগেন।কিন্তু জহির উদ্দিনের একই কথা।
আমান সবাইকে চা দিয়ে বলল,আপনারা অনুমতি দিলে সভাপতি(জহির উদ্দিনকে)একটা কথা বলতে চাই।
সবার আগে জহির উদ্দিন বললেন,কি বলতে চাও বল।
আমান বলল,আপনার পূর্বপুরুষেরা যাদের ওপর দায়িত্ব দিয়েছিল,তারা এখন দায়িত্ব বহনে অক্ষম বলে জানিয়েছে এবং মসজিদ কমিটির সদস্যরা আপনাকে উপযুক্ত ভেবে সেই দায়িত্ব নিতে বলছে।অমত করছেন কেন?তাছাডা এরকম দায়িত্ব নেয়া খুব সওয়াবের কাজ।প্রয়োজনে আমি আপনাকে সাহায্য করব।
আমানের কথা শুনে জহির উদ্দিন অমত করলেন না।সেই থেকে কমিটির লোকেরা আমানকে স্নেহের চোখে দেখে।
জহির উদ্দিন ১দিন জিঙ্গেস করল,নিজে রান্না করে খেতে অসুবিধে হয়,তবুও কারো বাড়ি খেতে চাওনা কেন?
-আমান বলল,কথাটা শুনে আপনি রেগে যেতে পারেন।
-যাই হই না কেন তুমি বল।
-আমি এমন এক পথের পথিক,কারো অসত্‍ পথে রোজগার করা কিছু খেলে সেই পথ হারিয়ে ফেলব।
-কথাটি উপলব্ধি করতে পেরে জহির উদ্দিন অবাক হলেন।জিঙ্গেস করলেন,কতদিন হল এই পথের পথিক হয়েছ?
-মাফ করবেন,বলতে পারব না।
-আমি তো অসত্‍ পথে রোজগার করি নি।আমার বাড়িতে খেতে আপত্তি আছে?
-জি না।
-তাহলে আজ থেকে তুমি ৩ বেলা আমার বাসায় খাবে,বল রাজি?
-মাফ করবেন,তা সম্ভব নয়।
-কেন?
-মসজিদ কমিটিরা জানলে অন্য কিছু ভাববে।তাছাড়া গ্রামের লোকেরাও আমাকে খাওয়াতে চাইবে।
-আমি যদি কাজের লোকের হাতে পাঠিয়ে দিই?
-তাহলেও কিছুদিনের মধ্যে সবাই জেনে যাবে।তবে মাঝে মাঝে পাঠাতে পারেন।
.
গভীর রাতে আব্দুল খালেকের মেয়ের কান্না বৃহস্পতিবার,শুক্রবার ২দিন শুনেছে আর তার সম্পর্কে সব কিছু শোনার জন্য মফিজের অপেক্ষা করছে।শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত কান্না শোনেনি।
খোঁজ নিয়ে জানল,মফিজ এই কদিন নামায পড়তে আসেনি।এজন্য সে শনিবার সকালে নাস্তা খেয়ে রওনা দিল।
দিনে গেট খোলা থাকে।গেটের ভেতরে ঢুকে দেখল,মফিজ গায়ে চাদর জড়িয়ে বসে আছে।মুখ শুকনো,চেহারা মলিন।সালাম দিয়ে বলল,কি চাচা অসুখ করছে নাকি?
-মফিজ উঃ দিয়ে বলল,আপনি যে রাতে এসেছিলেন,তার পরদিন থেকে খুব জ্বর।
-ডাক্তার দেখান নি?
-মফিজ দীর্ঘ নিশ্বাস চেপে রেখে বলল,ডাক্তার তো বড়লোকদের জন্য....
(চলবে)

#শ্রাবণী
#৪র্থ পর্ব
কয়েকদিন পর মফিজ এলে আমান সালাম দিয়ে বসতে বলে জিঙ্গেস করল,চাচা কেমন আছেন?
-মফিজ সালামের উঃ দিয়ে বলল, ভালো আছি বাবা।
-আমান বলল,গত বৃহস্পতিবার শুক্রবার মেয়েটাকে কাঁদতে শুনেছি,আপনি বললেন,ওর ওপর জিনের আছর হলে কাঁদে।কই আগে তো কাঁদতে শুনিনি।
-মফিজ বলল,শুনবেন কি করে।আগে তো জিনের আছড় হতো না।মাস ৬য়েক আগে বিয়ে হয়েছে।এই মাস তিনেক আগে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছিল,ওখানেই জিনের আছড় শুরু হয়।তারা হুজুরের কাছে তদবির তাবিজ করেছে।কাজ না হওয়ায় বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে।
-আমান জিঙ্গেস করল,যে দুদিন মেয়েটার ওপর জিনের আছর হয়,সেই দুদিন ছাড়া অন্যান্য দিনগুলোতে কেমন থাকে?
-ভালো আর থাকে কই।ঐ দুদিন যেমন চিত্‍কার করে তেমন না করলেও বিড়বিড় করে গালিগালাজ করে।মাকে ছাড়া কাউকে সহ্য করতে পারে না।সব থেকে বেশি আক্রোশ বাপের ওপর।তাকে দেখলেই যেন ওর মাথা আগুন ধরে যায়।যা তা বকতে শুরু করে।গালিগালাজও করে। আমার সামনেই মেয়েটা ছোট থেকে বড় হয়েছে।আমাকে খুব শ্রদ্ধা করত।আমার অসুখ বিসুখ হলে গোপনে চিকিত্‍সার জন্য টাকা দিত।এখন আমাকেও দেখতে পারে না।খুব সুন্দর মেয়ে।লেখাপড়ায়ও ভালো ছিল।জামাইয়ের মা বাপ নাকি বলেছে,জিনেধরা মেয়েকে তারা ঘরে তুলবে না।ছেলের আবার বিয়ে দেবে।এসব বলে মফিজ আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারল না,গামছার খুঁটে চোখ মুছল।
-আমান বলল,মেয়ের বাবা কোন ব্যবস্থা নেয় নি?
-করেনি আবার!তাবিজ তদবির করেছে।কিন্তু কোন কাজ হয়নি।
-আমান কাগজ কলম বের করে বলল,মেয়েটার নাম বলুনতো?
-রশিদা।
-মা বাবার নাম?
-বাবার নাম আব্দুল খালেক আর মায়ের নাম রহিমা বিবি।
-জামাইয়ের নাম জানেন?
-ইলিয়াস শেখ।
-জামাইয়ের মা বাবার নাম?
-বাবার নাম করিম শেখ আর মায়ের নাম জানি না।
-জামাইয়ের গ্রামের নাম?
-জি, জয়নগর।
-ঠিক আছে,আপনি যান।আর হ্যা,আপনি যে আমার কাছে এসব কথা বলেছেন,তা কাউকে বলবেন না।
-মফিজের দৃঢ় ধারনা হল,খাদেম সাহেব রশিদার জন্য নিশ্চয় কিছু করবেন।তাই সে মিনতির সুরে বলল,আপনি যদি ওর জন্য কিছু করতেন,তাহলে বেশ খুশি হতাম।
-আমান বলল,আমি মানুষকে খুশি করার জন্য কিছু করি না।করি আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) কে খুশি করার জন্য।যান,এসব কথা ঘুনাক্ষরেও কাউকে বলবেন না।
.
এরপর মাস খানেকের মধ্য রশিদা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠল।প্রতি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে আর্তচিত্‍কারও আর করে না।বলা যায় জিনের আছড় আর এখন তার ওপর পড়ে না।,,,
(চলবে)
নতুন লেখক ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

#শ্রাবণী
#৫ম পর্ব
জিনে ধরা মেয়েটির স্বামী ইলিয়াস খুব ভালো ছেলে।ভালো পাশ করলেও এখন বড় ভাইদের সাথে চাষ বাস করে।চাকরির কথা বললে সে বলে চাকরি করতে অনেক টাকা ঘুষ লাগে।তাই সে গ্রামে থেকে চাষ বাস করবে।স্ত্রীর ওপর জিনের আছর হওয়ায় অনেক তাবিজ তদবির করেছে।তার বাবা মা রশিদাকে বাপের বাড়ি পাঠাতে চাইলে বলেছিল এখানে রেখে চিকিত্‍সা করালে হয়।কিন্তু তার বাবা মা তার কথা না শুনে রশিদাকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।
.
সবার কথামতো ইলিয়াস ২ আড়াইমাস স্ত্রীর কাছে যাইনি।এখন তাকে নিয়ে আসবে না শুনে প্রথমে রেগে গেলেও দেখতে যাওয়ার কথা বলতে রাগ পড়ে গেল।বলল,বেশ তাই হোক,আমি আগে গিয়ে দেখে আসি।
.
শ্বশুরবাড়ি এসে ইলিয়াস খুব আনন্দিত,কারন তার স্ত্রী আগের মতো যত্ন খাতির করল।শ্বশুর শাশুড়ি শালা সেলজও খুব যত্ন খাতির করল।
.
পরদিন সকালে নাস্তা খেয়ে বাজারে যাওয়ার পথে মফিজকে দেখে সালাম দিয়ে বলল,কেমন আছেন,চাচা।
মফিজ উঃ দিয়ে বলল,আল্লাহ ভালোই রেখেছে।তা আপনাদের সব খবর ভালো?
হ্যাঁ আমাদের সব খবর ভালো।
জামাই বাবু আপনার সঙ্গে একটু কথা আছে।
ইলিয়াস জানে মফিজ এ বাড়ির বহু পুরানো কাজের লোক।
তাই বলল,বলুন কি বলবেন চাচা।
মফিজ বলতে শুরু করল,একটা কথা খুব গোপনীয় কাউকে বলবেন না।আমার দৃঢ় ধারনা রশিদা মাকে আমাদের মসজিদের খাদেম আমান সুস্থ করে তুলেছে।এ কথা আপনার শ্বশুরকে বলেছিলাম।আপনার শ্বশুর খাদেম সাহেবকে টাকা দিতে গিয়েছিল।কিন্তু খাদেম সাহেব টাকা নেয় নি।বলেছিল,আমি আপনার মেয়ের জন্য কিছু করেছি কিনা বলব না।তবে এটুকু বলতে পারি যতদিন আপনার মেয়ে বেঁচে থাকবে,ততদিন আর জিনের আছর হবে না।আর আমাকে যে টাকা দিতে চেয়েছেন সেই টাকা আপনার গরিব আত্মীয়কে অথবা গ্রামের কোন গরিবকে দান করে দেবেন।
মফিজ আরো বলল,আপনার শ্বশুর বড় হুজুরের কাছ থেকে তাবিজ তদবির নিয়েছে কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি।খাদেম সাহেব একদিন আমার কাছ থেকে দুএকটা কথা শুনেছিল আর বলেছিল এসব কথা যেন আমি কাউকে না বলি।উনি তাবিজ তদবির না করলেও আমার বিশ্বাস উনি এমন কিছু করেছে,যার ফলে জিন রশিদা মাকে ছেড়ে চলে গেছে।
ইলিয়াস বলল আপনার এরকম বিশ্বাস হওয়ার কারন কি?
মফিজ তার মেয়ের ঘটনা এবং আমান গ্রামের লোকদের যে গোপনে সাহায্য করেন সেসব ঘটনা খুলে বলল।কিন্তু পাপ যেমন কখনো গোপন থাকেনা,তেমনি পুন্যের কথাও কখনো গোপন থাকে না।কিছু দূর এসে আবার বলল,,,,,
(চলবে)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ