āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3730

গল্প:-তন্ন পাহাড়ের প্রেম:
-
দগ্ধ রোদ্র অতিবাহিত হয়ে যখন সুর্য অস্ত যায়,ঠিক তখনই কোন এক পরন্ত বিকেলে হাতে কিছু রং পেন্সিল আর কিছু ওয়াল নিয়ে বের হই ছবি আকাঁর জন্য,বলতে পারেন ছবি আঁকা একটা বহুল নেশা,পেশায় মাত্র ইন্টার ১ম বর্ষ, তবে এই ছোট্ট বয়সে ছবি আঁকার ভূত ঢুকে গেছে মাথায়,সবাই বলে বড় কোন পজিশন এ ছবি আঁকবি।
কিন্তু এটা আমার শখ,ইচ্ছে নিজের পায়ে দাড়াব,কিন্তু এরা শুধু বক বক করে,এর জন্য এই নির্জন পাহারের এক স্তব্ধ ঘেরা জায়গায়টায় আসা,তবে জায়গাটা পাহারের থেকে অনেকটাই দূরে, তাই পাহাড়টা এখান থেকে দেখা যায় সম্পর্ন,ফলে মন চায় কিছু প্রকৃতিক দৃশ্য পটের সাথে কোন এক রূপবতীর আগমন হোক,তাই আজ আমার ওয়ালে একটা মেয়ে নুপূর পায়ে সুমুদ্দুর ধার দিয়ে হেটে যাবে।
তবে আমার কল্পনায়ও এমন কেউ এসে গেছে,তাই সুমুদ্দুর চেয়ে দেখি কেউ হেটে যাচ্ছে সাদা পরির মতো সাদা ড্রেস পরে,কল্পনার জগতে কিছুক্ষন ছিলাম অঃপর কারো ডাকে বাস্তবে ফিরে এলাম..!!
এই যে শুনছেন?-(মেয়েলি কন্ঠে)
আমি মেয়েলি কন্ঠ পেতেই তাকিয়ে দেখি সেই সাদা ড্রেস পড়াওলা মেয়েটি,মেয়েটির দিকে তাকেতেই মেয়েটি বলে উঠল..
কি হয়েছে বলুনত আধা ঘন্টা ধরে হা করে আমার দিকে চেয়ে আছেন,আর ডাকছি শুনতে পান না বুঝি..?-(মেয়েটি)-
না আমিত ছবি আঁকছিলাম,আর আজ ইচ্ছা ছিলো আমার ওয়ালে এরকম(ছবিটা এদিক ঘুরিয়ে) কাউকে আগমন করব,এই ভাবতে সুমুদ্দুর তাকাতেই আপনাকে দেখতে পেলাম,মনে হচ্ছিলো আমার কল্পনায় হয়তো কেউ এসেছে,ত এখন দেখছি আমার কল্পনা নয় বাস্তব.!!যাই হোক কি বলবেন বলুন?-(তোরিয়)-
না তেমন কিছু বলব না,তবে ছবিটা বেশ দারুন হয়েছে..!!-(মেয়েটি)-
ধন্যবাদ...আপনি কোথায় এসছেন?মানে আগেত আপনাকে এখানে দেখিনি.!!-(তোরি
য়)-
আমি আমার এক কাজিন এর বাসায় আসছি বেড়াতে,আর একা একা বোরিং লাগছিলো তাই চারিপাশটা ঘুরে দেখছিলাম..!!-(ম
েয়েটি)-
ও..!!আচ্ছা আপনাকে একটা কথা বলতে পারি?-(তোরিয়)-
জ্বি অবশ্যই.!!-(মেয়েটি)-
আপনার নাম টা কি জানতে পারি??-(তোরিয়)-
আমার নাম তিথি..আপনার??-(তিথি)-
তোরিয় আহমেদ..!!-(তোরিয়)-
আপনার নামটা কিন্তু খুব সুন্দর..তোরিয়..!!-(তিথি)-
তবে আপনার নামটাও কম কিসে,তিথি..খুব কিউট একটা নাম.!-(তোরিয়)-
আচ্ছা থাকুন বাসায় যেতে হবে,না হলে কাজিন চিন্তা করবে.বাই।-(তিথি)-
ওকে..!!(তোরিয়)-
প্রায় দিন কি এখানে ছবি আঁকেন(কিছু দূর গিয়ে পিছু ফিরে)-(তিথি)-
জ্বি প্রতিদিন এখানে আসি..!!-(তোরিয়)-
অঃপর মেয়েটি চলে গেলো।
আমি তৎখানক সেখান থেকে বাসায় চলে এলাম..!!
বাসায় এসে সেই পেইন্টিং দেখছিলাম,সত্যিই অপূর্ব হয়েছে,অপূর্ব হওয়ার অবশ্য একটা কারন আছে,তিথি..!!
সত্যই ওয়ালটা নীল রঙে ভরে গেছে তিথির জন্যই,তবে মেয়েটিকে নিয়ে আমি এতো ভাবছি কেন?তবে ভাবতে ভালো লাগছে তাই ভাবছি..!!
ভালো লাগার কারন গুলো নিজেকে হাসায়,সতেজ রাখে,তাই ইচ্ছে করছে কোন নীল রঙের পিছু ছুটতে,এবং গায়ে জরিয়ে নিতে..!!
-
রাতে ছাদের এক পাসে বসে চাঁদ দেখছি,সত্যই চাঁদের ওই কলঙ্কর জন্য চাঁদ এতো সুন্দর এবং মনের ভাষা বুঝতে পারে..!!
-
সকাল সকাল উঠে সেই পাহাড় পাড়ে গেলাম,কারনটা হলো মেয়েটি সঙ্গে যদি দেখা হয়েই যায়..!!
শুনেছিলাম মন যা বলে তাই হয়,মেয়েটি সুমুদ্দুর পাড়ে দাড়িয়ে পা ভিজাচ্ছে।
অতঃপর কাছে গেলাম ধিরে ধিরে,কারন এখন স্রারপ্রাইজ দিব তাই..
হু হু হু হু..!!-(তোরিয়)-
আপনি(পিছন ফিরে)-(তিথি)-
হুম আমি,ত এতো সকাল সকাল এখানে?-(তোরিয়)-
হুম,খুব দূর্বল হয়ে পড়ছি সুমুদ্দুর এর কাছে,মায়ায় আবদ্ধ করে ফেলছে।ত আপনি সকাল সকাল হঠাৎ এখানে?-(তিথি)-
আমারও সুমুদ্দুর অনেক ভালো লাগে(চাপা,তবে ভালো লাগে কেউ একটা থাকলে,যেমন এখন)-(তোরিয়)-
আচ্ছা চলুন হাটি.??-(তিথি)-
চলুন-----
অতঃপর দুজন পাশাপাশি হাটছি,আর আড়ি চোখে মেয়েটাকে দেখছি,খুব সুন্দর এবং মায়াবী দেখতে,হাসলে মনে হয় ওই নীল আঁকাশের চাদ মাটিতে নেমে এসেছে..!!
তিথিও আড়ি চোখে মাঝে মাঝে তাকতো কিন্তু আমার চোখে চোখ পড়তেই চোখ সড়িয়ে নিতো..!!
কিছুক্ষন সকালের মিষ্টি রোদে পা ভিজালাম সাগরের পানিতে,মনটা আজ ইচ্ছে ঘুড়ির মতো উড়ে বেড়াতে চাইছে,নীল প্রজাপতিগুলো আমার নীল ক্যানভাসের চারদিকে,জোনাকিরা আলোয় ভরে দিয়েছে আমার নীল ক্যানভাসটা..!!
-
এভাবেই প্রতিদিন চলতে শুরু করল পথচলা,কেটে গেলো পাঁচটি দিন,এ ক দিনে তিথির খুব কাছের কেউ হয়ে উঠলাম(বন্ধু) সব কিছু সেয়ার করতো,তিথির ভালো লাগা খারাপ লাগা ইত্যাদি।
প্রায় দিনই দুজন রঙতুলি দিয়ে ছবি আঁকতাম,আর প্রতিটি নীল ফ্রেমে আমরা দুজন থাকতাম,মাঝে মাঝে তিথিকে ফ্রেমে নিতে চাইতাম না,ফলে অভিমান করে সাগর পাড়ে বসে থাকত,তখন একটা ওয়াল তৈরি করে,যেখানে তিথি আর আমার ছবি আঁকিয়ে তার সামনে গিয়ে ধরতাম,তবুও অভিমান করে থাকতো,যখন বলতাম ওয়ালটা ভালো হয়নি বোধ হয় ছিড়ে ফেলি,তখন এক লাফে উঠে ওয়ালটি কেড়ে নিতো।
আমিও সেটাই চাইতাম,তাই এসব বেশি বেশি করে করতাম,তিথির অভিমান মাখা মুখটার কাছে পাহাড়ারগুলো হাড় মনতো..!!
এভাবেই চলতে শুরু করল আমাদের অভিমান,খুনশুটি মাখা বন্ধুত্বের সম্পর্কটা..!!
সব সময় দুজন একসাথে সময় কাটাতাম,সারা রাতও দুজন কথা বলেছি,ধরতে গেলে দুজন সব সময় কথা বলা দেখা করার জন্য ছটফট করতাম..!!
আর তাতেই বুঝে গেলাম তিথিকে আমি হৃদয়ে স্হান দিয়ে ফেলেছি,ভালোবেসে ফেলেছি,কিন্তু ভয় করছে বলতে,যদি ফেন্ডসিফ্ট নষ্ট হয়ে যায়,কিন্তু আগামিকাল তিথি ঢাকায় চলে যাবে,যে করেই হোক বলতেই হবে,তিথিকে আমি কতটা ভালোবাসি..!!
কিন্তু কিভাবে বলব?হ্যা---
তিথি কে ফোন করে পাহাড়ের কাছে আসতে বললাম(যেখানে ছবি আঁকি)অতঃপর তিথি আসল..!!
-
আমি পাহাড়ের দিকে চেয়ে আছি,তিথির ডাকে পিছু তাকালাম..
কেন ফোন করেছো?-(তিথি)-
আচ্ছা তিথি এই পাহাড় কথা বলে তুমি জানো কি??-(তোরিয়)-
সত্যি বলছো?-(তিথি)-
হুম,দেখবে? -(তোরিয়)-
হুম---(তিথি)----
দাড়াও---
অতঃপর
খুব জোরে তিথির নাম নিয়ো ডাকলাম অতঃপর আওয়াজগুলো ফিরে এলো,এভাবে তিথিও আমার নাম নিয়ে ডাকতে শুরু করল,এদিকে তিথি ডেকে চলেছে আর আমি অপলোক চোখে চেয়ে তিথিকে দেখছি,অতঃপর তিথি বলল এবার তুমি বলো?
মনটা খুব শক্ত করে চোখদুটো বন্ধ করে পাহাড়কে বললাম--তিথি আই লাভ ইউ-----আমি তোমাকে ভালোবাসি তিথি(তিথির দিক চেয়ে, হাপাইতে হাপাইতে)
অতঃপর তিথি কিছু না বলে এক দৌড়ে চলে গেলো,পিছু ডাকলাম না,মনটাও খুব খারাপ হয়ে গেলো,হাটু গেরে বসে পরলাম,চারদিক স্তব্ধ হয়ে গেলো,মেঘেরাও আঁকাশে ভরে গেলো,অতঃপর বৃষ্টি..!!
মাথাটা নিচু করে হাটু গেরে বসে ছিলাম,প্রায় তিন ঘন্টা খানেক বৃষ্টির স্পর্শে ছিলাম।
বাসায় এসে অনেকবার তিথিকে ফোন করেছি, কিন্তু ফোনটা বন্ধ দেখাচ্ছিলো,ভাবলাম সরি বলব কিন্তু সেটাওত হলো না,রাতে কিছুই খেলাম না,তিথির কথা ভাবতে ভাবতে,চোখের অশ্রুতে বালিশ ভিজে গেলো,কখন ঘুমিয়ে পড়েছি নিজেই জানি না..!!
-
সকালে ফোনের শব্দে ঘুম ভাঙল,ফোনটা ধরতেই মেয়েলি কন্ঠ..
এক লাফে উঠলাম,কারন ফোনটা করেছি তিথি!!
এই তিথি সরি সরি সরি,আসলে আমি না..!!-(তোরিয়)-
বুঝতে পারছি,আর আমি আজ চলে যাচ্ছি ভূল হলে ক্ষমা করে দিও..!!-(তিথি)
অতঃপর ফোনটা কেটে দিলো তিথি,আমি এক দৌড়ে বাসষ্ট্যন্ডে চলে গেলাম,গিয়ে দেখি তিথি বাসের এপাশটায় বসে আছে এবং বাসটা ছেড়ে দিছে মাত্রই।
দিলাম এক দৌড়,অতঃপর চলন্ত অবস্তায় তিথির বাসের পিছনে ছুটে কথা বলতে শুরু করলাম..
তিথি সরি সরি ক্ষমা করা যায় না,আমি কিন্তু তোমাকে ছাড়া বাচব না,বন্ধু হয়েই থাকো, এই তিথি সরি আমাকে ক্ষমা করে দাও(কান্নাস্বরে)।
অতঃপর রাস্তায় হাটু গেরে বসে পরলাম,মাথাটা নিচু করে অশ্রু নিবারন করছিলাম,ঠিক সেই সময় কেউ একটা বলে উঠল,এত্ত সময় নিলে ভালোবাসি কথাটা বলতে?
তাকিয়ে দেখি তিথি,চোখটা মুছে তিথির কাছে গেলাম,
অই তুমি এতো খারাপ কেন,জানো কাল সারারাত কেঁদেছি?-(তোরিয়)-
হুম!!রাগ উঠেছিলো, ভালোবাসি বোঝো না,পাগলের মতো কথা বলার জন্য কেন এতো ছটফট করি জানো না,অতঃপর তিথির হাতটি ধরে হাটতে শুরু করলাম..!!!
বেঁচে থাকুক এই সুন্দর মনের ভালোবাসাটি,শুরু হলো নীল রঙের নতুন পথ চলা...!!!
-
লেখা:ToriYo Ahmed Neel(নীল শার্ট)
-

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ