āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3729

গল্পঃ---):হৃদয়ে লেখা নাম:(---
-

স্তব্ধতা একটা মানুষকে একা করে দেয়,ঠিক ওই নীল আঁকাশে মেঘের আহবান।সত্যই সময়ের স্রোত অনেক কিছু কেড়ে নেয়,হাড়ায়িছি,অনেক বড় কিছু হাড়িয়েছি,স্বপ্নের নীল ক্যানভাসের স্বপ্ন বুনে দেবার মানুষটাকে হাড়িয়েছি।কখনও চাইনি সে হাড়িয়ে যাক,কিন্তু সময় কেড়ে নিয়েছে,এখন বদলে গেছে সে,তবে হাড়িয়ে গেছে সে ইচ্ছে করেই।ভূল ছিলো পাগলের মতো ভালোবাসা,ভূল ছিলো বিস্বাস করা,ভূল ছিলো তাকে ভালোবাসা,আজ তা প্রমাণ করে দিয়ে চলে গেছে,তবে ভূলটা করে কিছু শিখেছি....!
-
আজ তিনটি বছর সে অন্য কারো,তাকে এই তিন বছরের ভিরে একটি বারো দেখিনি,কারন সে চলে যাবার পর থেকে আমিও নিজেকে লুকিয়ে নিয়েছি,সেই শহরটা ছেড়ে চলে এসেছি,সেই শহরটায় থাকলে তিতলি কে আবার দেখতে মন চাইইতো,বার বার তার সামনে যেতাম,ভালোই হয়েছে,তাকে ভূলে নতুন কিছু পেয়েছি,সত্যিই কি আমি তাকে ভূলতে পেরেছি?নাকি অভিনয় করছি,নিজের বিবেকের সাথে।হুম ভূলতে আজও পারিনি,তার জন্য এখনও ভরা পূর্ণিমার রাতে কাঁদি,তার জন্য এখনও রাত জেগে অপেক্ষা করি,যদি সেই নাম্বার ফোনের স্কিনে হঠাৎই চলে আসে,কিন্তু গতো তিনটি বছর যাবাৎ কেউ একটা ফোন দেয় না,ম্যাসেজ করে না,এখন আর প্রতিদিন দুজন চিরকুটে লিখে কথা বলি না,খুব কাঁদায় সেই দিনগুলি,সৃতির পাতায় থেকে আজও মুছে ফেলতে পারিনি সেই রঙিন সব দিনগুলি,যা দুজন এর খুনশুটি,রাগ,অভিমানে ভরা ছিলো।আচ্ছা তিতলিও কি আমায় ভূলে গেছে?ও সেতো চলে যাবার আগে বলেছিলো,তুমি একটা ফকিন্নি,কি আছে তোমার?এই যে শার্ট টা(শার্ট ধরে) এটাও তো আমার দেওয়া,এই যে ঘড়ি টা(ঘড়ি ধরে)এটাওতো আমার দেওয়া,কি আছে তোমার?আসলে আমারি ভূল তোমার সাথে সম্পর্ক গড়া,যাক বাবা ঠিক সময় সব ভূল বুঝতে পেরেছিলাম..!!(ত
িতলি)
ভূল?(তোরিয়)
হুম,তোমাকে ভালোবাসাটা ভূল ছিলো,তবে আজ ভূলটা প্রায়শ্চিত্ত করব.!!(তিতলি)
মানে,তুমি কি বলো এসব?(তিতলি)
হুম,যা বলছি সব সত্য,আমি আর তোমার সাথে সম্পর্ক রাখতে চাই না.!!(তিতলি)
দেখো তিতলি আমি তোমাকে ছাড়া বাচব না,প্লিজ আমাকে ছেড়ে যেওনা,আমি বাঁচব না.!!(তোরিয়)
না বাঁচলে আমি কি করব,আর হ্যাঁ ফোন দেওয়া,বা কোন রকম কথা,যোগাযোগ করার চেষ্টা করবা না,আমার ভালোবাসার কসম.!!(তিতলি)
হাতটা তুলে নামিয়ে নিলাম,কারন আমি গরিব,তাই সে চলে গেছে,আমাকে সে মানুষ মনে করেনি,কারন আমি গরিব,আর গরিব বলেই কোন রঙিন স্বপ্ন দেখতে নেই,কাঁচের মতো ভেঙে যাবেই,তাই আমার স্বপ্নটাও ভেঙে গেছে..!!
-
এর পর অনেক বার নিজেকে শেষ করে দেওয়ার বৃধা চেষ্টা করেছি,হাত কাটতাম তিতলির জন্য,একদিন বাম হাত বিস্চ্রি ভাবে কেঁটেছিলাম,একটা বন্ধুর জন্যই শুধু বেঁচে ছিলাম,হাত কাটার পর অনেক রক্ত পরেছিলো,আমি তখন অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম,তখন আমার ওই বন্ধু আমাকে হাঁসপাতালে নিয়ে রক্ত দেয়।
হাত কেটে তিতলির নাম লেখা ছিলো,বন্ধু দেখে তিতলি কে অনেক কথা শোনায়,অতঃপর তিতলি আসে হসপিটালে,আমি মনে করেছিলাম,আমাকে দেখার জন্য আসছে,কিন্তু আমার বেড এ এসেই....!
তোমার লজ্জা নেই,মরতে যদি খুবই হচ্ছে হয়,তাহলে ট্রেন বা পানিতে ঝাপ দিয়ে মরো,আমাকে জালাচ্ছ কেন?(তিতলি)
নিশ্চুপ হয়ে রইলাম,খুব কষ্ট হচ্ছিলো,যাকে ভেবে মরতে বসেছিলাম,সে কিনা সত্যিই আমার মৃত্যু চায়..!!
-
অতঃপর সাত দিন এর পর,কিছুটা সুস্হ হলাম,ডক্টর হসপিটাল থেকে ছেড়ে দিলো,হাতের ক্ষত এখনো কিছুটা কমেছে,কিন্তু হৃদয়ের ক্ষত ধিরে ধিরে জরুল হচ্ছে।
আজ ভালোবাসা আমার স্হানটা বুঝিয়ে দিলো,ভূল কাউকে ভালোবেসেছিলো এই মন।
-
অতঃপর→
বাড়িতে গেলাম,বাসায় তেমন কেউ নেই,বাবা-মা সেই ছোট্ট বেলায় একা রেখে,না ফেরার দেশে চলে গেছে,সেদিন কষ্টগুলো বুঝতে পারিনি,কিন্তু যখন বড় হতে শুরু করলাম,তখন বাস্তবতা আমাকে কষ্ট,আপমান,অবহেলা এসব আশে পাশে জরিয়ে দিলো,তবুও এই কষ্টের মাঝেও তিতলি'কে ভালোবাসলাম।সেও সেই কষ্টই দিলো,যাক সবাইতো প্রমান করে দিলো গরিব এর স্বপ্ন বুনতে নেই।
-
অতঃপর→
রাজশাহী শহরটা ছেড়ে ঢাকায় চলে আসি,সেখানেও অনেক কষ্ট সহ্য করে একটা ছোট চাকরি জোগার করি,আর ঢাকায় আমার একটা কাজিন ছিলো,তার সাহায্য চাকরিটা পাই।
এভাবেই চাকরির মাঝে নিজেকে ব্যস্ত রাখার প্রচেষ্টা শুরু করলাম,এক বছর যেতে আরো ভালো পজিশনে প্রোমোশন পাই,বেতনটাও বেশ ভালো,অভাবটা মিটে গেলো,এভাবে আরেক'টি বছর চলে গেলো,ঢাকায় একটা ভালো বাসা ভাড়া নিয়ে দিন কাল ভালোই চলতে শুরু করল।
-
দুই বছর পর আজ বাসায় যাচ্ছি,এই দু'টি বছর নিজেকে খুব ভালো করে প্রতিষ্ঠিত করেছি।
দাদা-দাদির অনুরোধে বাসায় যাচ্ছি,আমারও খুব ভালো লাগছে,কারন এই দু'টি বছর নিজেকে পাথর করে,কঠর প্ররিশ্রম করে, নিজিকে ভালো কোন প্রজিশনএ দাড় করোয়েছি।
এখন কেউ আর বেকার বলবে না,এখন ছোট ভাইগুলোর চকলেট চাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যাবে,আগে না দিতে পেরে নিজের প্রতি অনেক ঘৃণা হতো।
-
অতঃপর→
গাড়ি থেকে নামলাম,তার পর বাড়ির একটা গাড়ি ধরে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলাম,অবশেষে গাড়ি থেকে নামলাম,সবাই দাড়িয়ে আছে,ছোট ভাইটা এক দৌড় দিলো,আমিও কোলে তুলে নিলাম,তার পর চিপস্,চকলেট হাতে ধরিয়ে দিলাম,ছোট্ট ভাইটা খুব খুশি।
তার পর ধিরে ধিরে দাদা-দাদি,সবার কাছে গেলাম,দাদি মাথায় হাত দিয়ে বলল...!
কতো বড় হয়ে গেছে আমাদের তোরিয়.!(দাদি)
আচ্ছা তোরিয় তোর একবারও মনে পরেনি আমার কথা,এতো রাগ তোর.!!(দাদি)
বাদ দাও তো,নাতিটা অনেক পথ পেরিয়ে আসছে,পরে এসব কথা বলো,তোরিয় চল ভেতরে চল!(দাদা)
আচ্ছা চলো.!(আমি)
অতঃপর→
বাড়ির ভেতরে গেলাম,খাওয়া শেষ করে, দাদা-দাদি কে আমার রুমে ডাকলাম।
সবাই আসল,তার পর কিছু কাপর,এনেছিলাম,সবার জন্য,তাদের কে সেগুলো দিলাম,দাদির জন্য শাড়ি,দাদার জন্য পান্জাবি,ছোট্ট ভাই এর জন্য শার্ট,প্যন্ট,চাচা-চাচির জন্যও এনেছি,সেগুলা তাদের দিলাম।
তারা খুব খুশি,তার সাথে আমিও খুব খুশি তাদের মুখের হাসিতে।
-
রাত হলো,হঠাৎ করেই তিতলি'র কথা মনে পড়ল,আসলে যাকে মন থেকে ভালোবাসা যায়,তাকে কখনই ভূলা যায় না,হাজার ব্যস্তটার একটু ফাকেও তাকে মনে হবেই।
সৃতিগুলো কেমন জানি মাথা চারা দিলো,চোখ বেয়ে জল জল করে কিছু পড়তে শুরু করল।জোস্না মাখা রাত,এমন কতো রাত দুজন কথা বলে পার করেছি,কিন্তু আজ সে অন্যের,শুনেছি তিতলি বিয়ে করেছে,যাক ভালো কাউকেতো পেয়েছে,সুখে থাকুক..!!
-
ঘুমাতে যাব,সেই সময় ফোনটা বেজে উঠল,স্কিন এ চেয়ে দেখি অচেনা নাম্বার,ফোনটা ধরলাম....!
হ্যালো..!(তোরিয়)
চিনতে পারছো?
হুম বলেন?[তিতলি ছিলো]-(তোরিয়)
পর হয়ে গেছি বুঝি,আপনি করে বলছো?(তিতলি)
হুম..!(তোরিয়)
ক্ষমা করতে পেরোছো আমায়?(তিতলি)
হুম,সেদিনই ক্ষমা করে দিয়েছি,যেদিন গরিব,ফকিন্নি বলে সন্মধোন করেছিলেন,ঠিকি বলেছিলেন..!(তোরিয়)
তার জন্যই হয়তো আমিও আজ কষ্ট পাই,তোমাকে আমি কতটা ভালোবাসতাম,বিয়ের পর বুঝতে পারলাম..!(তিতলি)
বর খুব ভালো তাই নাহ্?(তোরিয়)
না,সে ব্যস্ত,আমাকে সময় দেয়ার জন্য তার সময় কই,সারা দিন বিজনেস.!(তিতলি)
এমনটাইতো চেয়েছিলে,পেয়েও গেছো,তাহলে...?(তোরিয়)
ভালোবাসার অভাব,যেটা তুমি পূরণ করেছিলে,কিন্তু আজ শুন্যতা..!(তিতলি)
ও,ভালো..!(তোরিয়)
কাউকে আর ভালোবাসনি?(তিতলি)
যাকে ভালোবাসতাম সেইতো আজ অন্য কারো,আরেকটা ভালোবাসার মানুষের জায়গা কই.!!(তোরিয়)
আমাকে ক্ষমা করো[কান্না করতে করতে](তিতলি)
অতঃপর→
ফোনটা কেটে গেলো,আমার চোখ বেয়েও কিছু চলছে,যাক ভালো স্বামী পেয়েছে,সুখে থাকুক..!!
আমাকেউ কাউকে জীবন সঙ্গি হিসেবে নিতে হবে,তবে হৃদয়ের লেখা নাম,কেউ মুছতে পারবে না,তিতলি'র নাম এই হৃদয়ে লেখা'ই থাকবে,সারা'টি জীবন..!!
-
[ভূল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন]
-
লেখা:-ToriYo Ahmed Neel(নীল শার্ট)
_

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ