āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3727

গল্পঃ-----):ট্রেন অফ লাভ:(------
-
✍ToriYo Ahmed Neel(বৃষ্টি পাগল)
-
ঢাকা থেকে আজ বাসায় ফিরছি,সেই স্বপ্ন পূরনের আশায় ঢাকায় পা দিয়েছিলাম,আজ নিজের সেই সবুজ শ্যামল মাখা গ্রামটিতে যাচ্ছি।
মনটা খুব খুশি,কারন তিনটি বছর পর আজ, নিজ গ্রামে পা রাখব।
সেই পুরোনো বন্ধুদের সাথে আড্ডা,ক্যারাম খেলা,লড্ডু খেলা,খুব মিস করেছি সেই দিনগুলো।
আজও সেই দিনগুলিতে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে,আর সেই দিনগুলির কথা ভাবতেই নতুন একটা ভালো লাগা কাজ করে ভেতরে।সব বন্ধু মিলে রাত বিরাত নেই,না খেয়েও ক্যারাম খেলেছি।
এই তিনটি বছর এতটাই ব্যাস্ত ছিলাম যে ইচ্ছা করেও বাড়ি যেতে পারিনি।
-
ট্রেন এর স্বব্দে আমার মনটা একটা ভালোলাগা কাজ করে,কোন জ্যাম নেই,ঝন ঝন করে চলছে তো চলছে।
কানে ইয়ারফোনটা লাগিয়ে নিলাম,লিষ্টে থাকা মনের মতো একটা গান ওপেন করলাম।
অবশ্য ফুল সাউন্ড দিলাম,কোন মানুষের স্বব্দ যাতে আমার কানে না আশে।
জানালার পাশেই বসেছি,কারন প্রকৃতি না দেখলে আমার একদম ভালোলাগেনা।
ঝন ঝন করে ট্রেন চলছে,এবং হিমেল বাতাস,তার সাথে আমার চুলগুলি উড়ছে।
-
ট্রেন এ অবশ্য ছিট খালিই রয়েছে,কারন এখন কে বাড়ি ফিরবে,এখন তো কোন ঈদ বা কোন কিছুর ছুটি পরেনি।
ছিটে শুধু আমিই ছিলাম,দ্বিতীয় কোন ব্যাক্তি ছিলো না।
কোন দিকে খেয়াল না রেখে জানালা দিয়ে চারি পাশ দেখছি।
হঠাৎই ট্রেন থেমে পড়ল,তাকিয়ে দেখি স্ট্রেশন এ দাড়িয়েছে,গাজিপুর।
তার পর আবার শুরু করল ট্রেন চলা।
অতঃপর→
কে যেন আমার সামনের সিট'টায় বসল,সেদিকে তাকালাম না,ইন্টারেষ্টও নাই সেদিকের।
আধা ঘন্টা অতিক্রম হওয়ার পর,সামনের সিটের বসে থাকা লোক না মেয়েটি বলে উঠল...!
--কোথায় যাচ্ছেন?(মেয়ে)
--নাটোর'এ,আপনি?(আমি)
--আমি রাজশাহী'তে,নাটোর কোথায়?(মেয়ে)
--শহরেই পাশে একটা ছোট্ট গ্রামে,আপনি রাজশাহী'তে কোথায়?(আমি)
--আমি শহরে,ঢাকায় কেন আসছিলেন?(মেয়ে)
--স্বপ্ন পূরনের লক্ষে,আপনি?(আমি)
--সেম..!(মেয়ে)
কিছুক্ষন চুপই রইলাম,আর আমি একটু কমই কথা বলি,আমার আবার একটা নেশা আছে,অল্পতেই সবার ওপর মায়ায় জরানো।
তাই একটু কম কথা বলার'ই চেষ্টা করি।
ভাবছিলাম এই সব,মেয়েটি বলে উঠল..!
--আপনার নামটা কি?(মেয়ে)
--তোরিয় আহমেদ,আপনার?(আমি)
--অনু..!(অনু)
--আপনার নামটা কিন্তু অনেক সুন্দর..!(অনু)
--ধন্যবাদ,আপনি কি করতেন,ঢাকায়?(আমি)
--জব করতাম,আপনি?(অনু)
--আমিও,বাসায় কে কে আছে?(আমি)
--সবাই,আপনার কে কে আছে?(অনু)
--সবাই,চা খাবেন?(আমি)
--খেতে পারি,তবে...!(অনু)
--তবে কি?(আমি)
--গল্প করতে হবে সারা ট্রেন এ,আমার না একা থাকতে একদম ভালো লাগে না.!!(অনু)
--হুম করব,এই যে মামা চা দিন তো?(আমি)
অতঃপর→
চা খাওয়া শুরু করলাম,মেয়েটির দিকে তেমন ভাবে তাকিয়েছিলাম না প্রথমে,চা খাবার সময় তাকিয়ে দেখলাম,অসাধারন দেখতে,ময়দা সুন্দরি নয়,শ্যামলা।
তবে যখন চা খাচ্ছিলো আর মৃদু হাসছিলো,গালে একটা ছোট্ট টোল পরেছিলো।
তাকিয়ে শুধু চা খাওয়া দেখছিলাম,মেন উদ্দেশ্য মৃদু হাসির আড়ালে টোল পড়া মুখটি,প্রায় চা ঠান্ডা হয়ে গেয়াছিলো।
তানিশা বলে উঠল...!
--তাহলে চা'টা আর খাওয়া হলো না?(অনু)
একটু লজ্জাই পেলাম।
--আমার কোন দোষ নাই.!!(আমি)
--তা চা'টা ঠান্ডা তো হয়েই গেলো,হু এবার বলুন আপনার কথা?(অনু)
--সাধারন পরিবারের একজন.!(আমি)
--বিয়ে করেন নি,বা গার্ল ফেন্ড?(অনু)
--সেসব করার সময় কই,ব্যাস্ত ঘেরা ঢাকায় স্বপ্ন পূরনের লক্ষ্য পা বাড়িয়ে ছিলাম,রিলেশন করতে নয়..!(আমি)
--কথা তো ভালোই বলতে পারেন,বাসায় গিয়ে উদ্দেশ্য কি?(অনু)
--এখনও ভাবিনি,আপনার?(আমি)
--বাপের হোটেল বুকিং হা হা হা..!(অনু)
বুকের হার্টবিট বেড়ে গেলো,হাসিটা পাগল করে দিলো,কি যে হচ্ছে আমার সাথে..!!
-
অতঃপর→
লুকিয়ে লুকিয়ে অনুকে দেখছিলাম,খুব সুন্দর করে হাসে,আর হাসিটার মাঝে রয়েছে,সেই পাগল করা'টোল'।
কিছুক্ষন দু'জন চুপই ছিলাম।
আমি তখন ব্যাগ থেকে বের করে বই পড়তে লাগলাম।
বই এর মাঝে সেই মেয়েটির কিছু নিম্নরূপ দেখাচ্ছিলো,তাই বই এর দিকে মনটা বেশিই চলে গিয়েছিলো।
হঠাৎ ই অনু বলে উঠল..!
--ষ্টেশন এ এসে গেছেন বোধ হয়.!(অনু)
--ওহ্ এসে গেছি তাহলে,আচ্ছা বেঁচে থাকলে হয়তো আবারও দেখা হতে পারে,ততো দিনে ভালো থাকবেন,কেমন?(আমি)
--আচ্ছা_[মৃদু হেসে]_(অনু)
ট্রেন থেকে নেমে দাড়ালাম,ওয়েট করছিলাম অনুকে আরেকটি বার দেখার জন্য।
ট্রেন ছেড়ে দিলো,অনু জানালার পাশেই বসে ছিলো,ট্রেন যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কে যেন এসে আমায় ধাক্কা দিলো,তার পর একটা ল্যাম্পপোস্ট এর সঙ্গে ধাক্কা লাগল,তার পর আর কিছু মন নেই।
জ্ঞান ফিরল হসপিটালে,চোখ মিলে তাকিয়ে দেখি অনু আমার পাশেই বসে আছে,চেহারা দেখে মনে হলো খুব কেদেছে।
-
ডাক্টার আসল এবং বলল..!
আজ আমি অনেকটা সুস্হ,তবে তার পিছনে অনুর হাত,রাত জেগে সেবা করে সুস্হ করে তুলেছে।
মাথায় খুব জরুল ভাবেই লেগেছিলো,২ দিন জ্ঞান ছিলো না।
আর অনু এলো কোথায় থেকে ভাবছেন?ট্রেনতো মাত্রই ছেড়েছিলো,আঘাত লাগার পর অনু কোন ভাবে ট্রেন থেকে নেমে পড়ে।
মেয়েটিকে বললাম..!
--আপনি কেন এখানে,বাসায় যান নি?(আমি)
--নাহ্ যাইনি,কারো জন্য আটকে গেছি.!(অনু)
--বাসায় কি বলছেন?(আমি)
--বন্ধুর বাসায় উঠেছি.!(অনু)
--মিথ্য বলা মহা পাপ.!(আমি)
--কারো জন্য আমি যত্ত মিথ্য আছে পৃথীবিতে সব বলতে রাজি.!(অনু)
--ও...ত সেই ব্যাক্তিটা কে?(আমি)
--অই তুই বুঝিস না কে সে?তুই তুই তুই,আর শোন তোকে ভালোবাসি...আমাকে তুই ভালোবাসিস?_[কোলার চেপে]_(অনু)
--জানিনা.....!তুই বলে দে না?(আমি)
--হ বাসিস,তা না হলে লুকিয়ে লুকিয়ে আমায় দেখতি না.!(অনু)
--তুই,নাহ্ তুমি জানলে কিভাবে?(আমি)
--জানি,বলা যাবে না..!!
অতঃপর→
আমার বাসায় থেকে সবাই আসল।
তার পর হসপিটাল থেকে আমাকে ছেড়ে দিলো।
-
বাসায় এসে অনুর কথা খুব মনে পড়তে শুরু করল।
মা ঘড়ে এসে বিয়ের কথা বলে গেলো,বলল কাল ছবি দেখাবে।
কি করব নিরউপায়,অনুর কথা বলতেও পারছি না,ছোট ভাইটা আসল।
--অনু আপুর সাথে নাকি তোমার বিয়ে হচ্ছে?(রিয়ান)
--কিহ্ কে বলল তোকে?(আমি)
--আম্মু,সবাই তো তাই বলছে..!!(রিয়ান)
রিয়ান কে তাড়িয়ে দিলাম,ঘর অফ করলাম।
গান চালিয়ে দিলাম,এবং নাচতে শুরু করলাম।
চার ছক্কা হই হই..আমার বউ গেলো কই,সরি কবে আইবো..!!
সেদিন অনুর মুখ থেকে সব শুনে নিয়েছিলো আম্মু।
ত সেদিনই নাম্বার নিয়ে অনুর বাবা মায়ের সাথে কথা বলেই সমন্ধ ঠিক করে,অনুর মতেই বিয়েটা হচ্ছে।
-
আমাদের সামনেই বিয়ে,দাওয়াত রইল সবার,আসবেন কিন্তু।
হ্যাঁ ভালোবাসুন তাকেই যে আপনাকে ভালোবাসে,আপনাকে গুরুত্ব দেয়।
-
[ভূল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টতে দেখবেন]
_

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ