__________'নীল অপ্সরী'_________
.
✍ToriYo Ahmed Neel(শঙ্খনীল)
.
গোধূলীর এক নীল আঁকাশের মধূময় বিকেলটাতে নদীর ভাষা বুঝতে নদীর ধারে বসে আছি।
নদীর পানি গুলো গুন গুন কলোরবে তার আপন গতিতে বয়ে চলেছে।
সত্যিই সময় আর নদীর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না।
হুম আমিও সেটা বিস্বাস করি।
কারন আগের "আমি" আর এখনকার "আমি"র মাঝে আঁকাশ পাতাল তফাত।তখনকার সময় আর এখন কার সময়ের মাঝে অনেক ফারাক।
সময় সব কিছু বদলে দেয়,হুম আমাকেও বদলে দিয়েছে।এই সময়ের লিলা খেলায় অনেক প্রিয় কিছু হাড়িয়েছি জীবনে,যা চাইলেও এখন আর ফিরে পাওয়া যাবে না,এটাই বাস্তব আর এটাই আমাদের মেনে নিয়ে বেঁচে থাকতে হবে।
.
ভাবনার আঁকাশটা কিন্তু নীল রঙে রাঙানো,আর এই ভাবনাই একদিন স্বপ্নে রূপ নেয়।
হুমম আমার ভাবনাও এক সময় নীল আঁকাশের মতো নীল রঙ ছিলো,চাঁদ ভরা আঁকাশ ছিলো,তার সাথে তারাদের মেলা।সব মিলিয়ে রঙিন একটা পৃথিবী।
-
যখন ভার্সিটি লাইফএ ছিলাম তখন খুব বিজি থাকতাম নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে।আর মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে বলে একটা আশাই মাথায় ঘুর পাক খেতো,আমাকে আমার বাবা ...(মা নেই)খুব কষ্ট করে মানুষ করেছেন,তাদের কষ্টের জন্য আমি ভার্সিটি লাইফএ পৌছেছি,খুব কষ্টে করে হলেও আমি আমার বাবার -মা"র স্বপ্ন পূরন করতে পেরেছি,এতেই আমার বড় সুখ।
.
আমি প্রায়ই কলেজ যেতাম না।কারন আমি দুইটা টিউশনি করি,আর এই দিয়ে বাবা কে কিছু টাকা দেই,আর আমার জন্য বাকিটা রেখে দেই।
এইভাবেই চলছিলো আমার ব্যস্তঘেরা জীবন।কখনও কাউকে নিয়ে ভাবিনি,কারন গরিবের স্বপ্ন পূরন হয়না শুনেছি,তাই ইচ্ছা হয়না স্বপ্ন টপ্ন দেখতে। ভালোই চলছিলো ব্যস্তঘেরা জীবন,যেখানে স্বপ্ন দেখার সময় টুকো নাই।তাই চালাচ্ছি কোন রকম আর কি জীবনটা।
.
একদিন কলেজ গেলাম একটা আর্জেন্ট কাজে,মানে স্যার ডাকছে।
গেলাম স্যার এর কাছে।
স্যার আসতে পারি??--(তোরিয়)--
হুম আসো তোরিয়!!--(স্যার)--
জ্বি স্যার আমাকে ডাকছেন??--(তোরিয়)--
হুম! কারনটা হচ্ছে আমার মেয়েকে তোমার প্রায়ভেট পড়াতে হবে!তুমি কি পারবে?আসলে হয়েছে কি আমার মেয়েটা অবাধ্য, পড়তে বসতে চায় না,তাই তোমাকে অনুরোধ করছি যদি আমার মেয়েটা কে পড়াতে!!--(স্যার)---
ছিছি!স্যার কি বলেন আপনি এইগুলো!আর আপনি না আমার গুরু জন, অনুরোধ করলে আমি নিজেকে অপরাধি মনে হবে। আর স্যার কখন আসবো সেটা বলুন??--(তোরিয়)--
কলেজ টাইমএ আসবে!তোমার ক্লাসও করা হবে,এই ফাকে আমার মেয়েটাকেও পড়াতে পারবে!!--(স্যার)--
স্যার!আমার যে ওই সময় একটা ছেলেকে পড়াই!তার কি হবে??--(তোরিয়)--
আচ্ছা তুমি ওইটা পড়ানো বাদ দাও!ডাবল টাকা দিবো!তবুও না করো না!!--(স্যার)--
.
সুযোগটা হাত ছাড়া করলাম না,কারন সবাইত একটু চালাক প্রজাতির,আমি না হয় একটু হলাম।
পরের দিন যথা সময়ে কলেজ পৌছে স্যার এর কাছে যাচ্ছি, কারন ঠিকানাটা নেয়া হয়নি।
:
হাটছি এমন সময় কে যেন পিছন থেকে ডেকে উঠল!!
এই যে তোরিয় ভাইয়া!!--(মেয়েলি কন্ঠে)
জ্বি বলুন?[পিছেন তাকিয়ে]--(তোরিয়)--
আরে আমি আপনার ছোটত তুমি করে বলুন!আর চলুন পড়াবেন আমাকে?আর ভাবছেন আমি কে তাই নাহ্?আমি আপনার স্যার এর মেয়ে নদী।--(নদী)---
ওহহহ্ আমিত চমকেই গিয়াছিলাম!চলো!!--(তোরিয়)--
.
অবশেষে গেলাম নদীদের বাসায়।বড়লোকদের বাসা কেমন হবে বুঝতেই পারছেন।
নদী দশম শ্রেণীতে এবার।খুব সুন্দর করে সবাইকে আপন করে নিতে পারে,আর খুব সুন্দর করে হাসে!!আমি নদীকে আপু বলে ডাকি আর নদী ভাইয়া বলে ডাকে।
এক সপ্তাহ চলে গেলো দেখতে দেখতে।আজ শ্রুক্রবার তবুও আজ যেতে হবে,, বলেছেন নদী।
এই মেয়ে আমারে ভাইয়ার চেয়েও ভালোবাসে,মাঝে মাঝে বলে আমাকে নাকি তার দুলাভাই বানাতে ইচ্ছে করে।তার বোন নাই তাই আপসোস করে।
আজ আবার নাকি কোন বিশেষ দিন, তাই যেতেই হবে।পাপের তলে পরছি আমি।
রেডি হয়ে রওনা দিলাম নদীদের বাসার উদ্দেশ্যে।
.
অবেশেষে পৌছে গেলাম নদীদের বাসায়।
নক করলাম।
এএএকিহহ্ দরজা খোলা।ঢুকলাম কে কি বলবে।
নদী ফোন করল আমাকে!!
হ্যালো!!--(নদী)--
কই তুমি??--(তোরিয়)--
ছাদে চলে আসুন।--(নদী)--
ওকে!--(তোরিয়)--
.
ফোনটা রেখে গুটি গুটি পায়ে হাটছি।সিড়ি পাওয়ার আগে পাটা থেমে গেলো,চোখটা সিড়ির ওপর এক মায়াবী নীল অপ্সরীর ওপর পড়ল,নীল শাড়ী,নীল কাঁচের চুরি।
সব মিলিয়ে পুরাই নীল পরি।মেয়েটা খোলা চুলে হাসতে হাসতে সিড়ি দিয়ে নামছিলো,তাকিয়ে দেখলাম হাসার কারনে মেয়েটির মুখের বাম পাসটায় একটা ছেট্ট টোল পরেছে।এই টোল পরা আমার চোখটাকে এক্কে বারেই আটকে দিছে,তার সাথে চুলগুলি হালকা হাওয়ায় উড়ছে।বলে বোঝাতে পারবনা কতটা সুন্দর ওই মেয়েটা।আমার খুব ইচ্ছে করছে এই দৃশ্যটা যদি কোন একটা নীল ফ্রেমে আটকে রাখা যেত,তাহলে আমি এই নীল ফ্রেমটি নিয়ে বাকিটা পথ শেষ করে দিতাম।
.
দাড়িয়ে দাড়িয়ে কল্পনার রাজ্যে কখন চলে গেছি নিজেই জানি না।
বাস্তবে তাকালাম একটা শব্দে।হু মেয়েটি সিড়ি থেকে নামবার সময় পাটা ফসকে গেছে,তাই পড়ে যেতে লাগছিলো।ঠিক সেই সময় এক দৌড় দিয়ে মেয়েটিকে শক্ত করে ধরলাম,ইয়ে মানে নায়করা যেমন করে নায়কাদের ধরে আরকি।চোখটার ওপর চোখ পরে গেলো,কি সুন্দর কাজল কালো চোখ, তাই নায়কদের চেয়েও অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি টোল পড়া মেয়েটির ওপর,, মেয়েটি নায়কাদের মতো করে একটু টু শব্দ করলো,তাতে বুঝে গেলাম ছেড়ে দিতে বলছে,কিন্তু ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করছে না।ছেড়ে দিবো?না ছেড়ে দেই, নইলে যদি থাপ্পর দেয়,ছেড়ে দিলাম অবশেষে।
পরে মেয়েটা চলে গেলো মুচকি হেসে,আমিত পুরাই এলিয়েনদের মতো চোখের পলক না ফেলে তাকিয়ে আছি।
অতঃপর
ছাদে গেলাম, গিয়ে দেখি নদী আর নদীর কিছু বন্ধু।
গেলাম নদীর কাছে,আজ নাকি ছোট খাটো পার্টি দেবে নদী,তাহলে কেন আমাকে ডাকল বুঝলাম না!!
ওহ্ হু নদীর বাবা-মা বাইরে গেছে তাই এই পার্টির আয়োজন,অনেক দিন পর বোধ হয় এই আনন্দটা করছে নদী।যাই হোক ছাদের একপাসটায় দাড়িয়ে চাঁদ দেখছি।নদী ডাক দিল,তাকিয়ে দেখি ওই নীল অপ্সরীটাও দাড়িয়ে আছে।এখন রঙিন আলোয় আরো সুন্দর লাগছে তার সাথে
চাঁদের আলোত আছেই।
গেলাম নদীর কাছে,পরে নদী ওই নীল পরিটাকেও ডেকে পরিচয় করিয়ে দিলো।
মেয়েটির নাম "তিথি",নদীর বড় বোন কিন্তু আমি জানিই না এখনও,বাসায় কত্ত আসলাম গেলাম কই একদিনওত চোখে পরল না।যাই হোক,নামটা যেমন সুন্দর দেখতেও তেমন সুন্দর।
পরে পরিচয় হয়ে খেয়ে দেয়ে চলে এলাম,রাতে হাইরে খুশি লাগছে তিথির সঙ্গে পরিচয় হওয়ায়। তার কারনে ইয়ারফোনটা কানে দিয়ে নাচতে শুরু করলাম,দেখে কে আমার নাচঁ পুরাই লুঙ্গি ড্যান্স।
:
এই ভাবেই চলতে শুরু করল আমার পাগলামি,প্রায় দিন প্রায়ভেট এর ছলে অনেক গল্প করতাম আমি আর তিথি।নদী একটু দুষ্টু, কথায় কথায় দুলাভাই বলে ডাকত,তাই তিথিও লজ্জা পেয়ে মুখটা লাল করে ফেলতো আর তার সাথে মুখের টোল টা পরে যেত।কি সুন্দরই না লাগত,বলে বোঝানো যাবে না।
বেশ কিছুদিন নদী জালাবার পর তিথি নদীকে তার রুমে আটকে দিয়ে আসতো,তখন আমরা খুব গল্প করতাম,আমার পছন্দ অপছন্দ সব সেয়ার করতাম।তিথিও আমাকে সব কিছু সেয়ার করতো।
এই ভাবে চলে গেলো একটি মাস।
:
একদিন হুট করেই স্যার খবর পাঠালেন,মনে মনে ভয় করছে কিনা কি বলবে।এই আমারা যে পড়া বাদ দিয়ে গল্প করি সেটা নদী বলে দেয়নিত?
ভয়ে ভয়ে স্যার এর কাছে গেলাম।
জ্বি স্যার আমাকে ডাকছেন??--(তোরিয়)--
হুম,বসো!!--(স্যার)--
চুপ........---(তোরিয়)--
তোমাকে আমি খুব ভদ্র ও ভালো ছেলে মনে করতাম,আর তুমি কিনা নদীকে পড়ানো বাদ দিয়ে তিথির সাথে,ছিছিছি আমি এটা কখনই তোমার কাছে থেকে এক্সপেট করিনি!!--(স্যার)--
ক্ষমা করবেনন স্যার,ভুল হয়ে গেছে![মাথা নিচু করে]---(তোরিয়)--
ভূল করেছো শাস্তিত পেতেই হবে!!--(স্যার)--
জ্বি স্যার আপনি যা শাস্তি দেবেন মাথা পেতে পালন করব!!--(তোরিয়)--
তোমার শাস্তিটা হলো........তিথিকে সারা জীবনের জন্য তোমার করে নিতে হবে!!--(স্যার)--
কি, মানে??--(তোরিয়)--
মানে হলো তিথিকে তোমার বিয়ে করতে হবে!!--(স্যার)--
আমার খুশি দেখে কে, ওই বল্লে বল্লে
.
ভাবলাম আমিত এখনও কোন চাকরি করি না,বিয়ে করলে বউ যদি না খেয়ে মরে যায়।দেহি শশুর মশাইরে কই।
স্যার আমিত এখনও বেকার আপনার মেয়েকে খাওয়াবো কি??--(তোরিয়)--
তোমার চাকরির ব্যবস্হা করে রেখেছি!বিয়ের পরেই জয়েন করতে পারবে।--(স্যার)--
এই না হলে শশুর!! [আসেন একটা চুমু দেই,মনে মনে বলছিলাম]
ওকে স্যার আমি রাজি!!--(তোরিয়)--
.
এইভাবে আমাদের নতুন স্বপ্ন বোনার অধ্যায় শুরু হলো।
বিয়ের আগে জানতে পারি তিথি আমাকে সেই আগে থেকেই ভালোবাসতো।তিথিও আমার সাথেই একি ডির্পাটমেন্ট এ পড়ে।কিন্তু কখনও দেখিনি, কারন আমি কোন মেয়ের দিকে তাকাইনি।আর এইসব তিথির খুব ভালো লাগতো,আরো শুনলাম আমি যখন কলেজ যেতাম তখন তিথিও কলেজ যেতো আর আড়ি চোখে প্রায় ক্লাস তাকিয়ে আমাকে দেখতো।
তাই তিথি তার বাবাকে জানিয়ে দেয় আমার কথাটা!তিথির বাবা আমার সম্পর্কে জানতো!জানতো আমি খুব ভদ্র ছেলে।
আজ বিয়ে,
আর তিথির মা আমাদের বিয়েতে আসেন,[ভাবছেন তিথির মা আসবে মানে?]কারন তিথির মা একজন শিক্ষিকা আর তার কলেজ ঢাকার বাইরে।তাই মেয়েদের থেকে দূরে থাকে।
বিয়েতে আমার বাবাও খুব খুশি হয়েছিলেন।
আমাদের বিয়েটা শুভ ভাবে সম্পন্ন হলো।
-
এভাবেই চলে গেলো একটা বছর।
তিথির আর আমার স্বপ্ন ঘিরে শুধু রয়েছিলো,রঙিন রঙিন সব ছোট্ট ছোট্ট স্বপ্ন।তিথি সব সময় বলতো আমাদের মেয়ে হবে আগে,আমিও পাগলিটার কথাই মেনে নিতাম,আবার মাঝে মাঝে রেগে গিয়ে বলতাম,আমাদের ছেলে হবে,এই বলাতেই রেগে গালটা লাল করে ফেলতো+টোল পড়ে যেতো,আর এই টোল পড়া মুখটা দেখার জন্যই রাগানো।
:
আমাদের মেয়েটার নাম কনন করে ছিলাম-::তনু আফরিন মিম--:।
নামটা খুব পছন্দ হয়েছিলো তিথির,বলে আমি উপহার স্বরূপ।
একটা পাপ্পি দিয়েছিলো।খুব মিষ্টি পাপ্পিটা।
-
সময় সময়ের গতিতে চলতে লাগল,আর আমাদের দুষ্টু মিষ্টি বর:বউ এর ভালোবাসা।
সময় পেরিয়ে তিথির পেটে মিম নামক আমাদের ছোট্ট খুকি মনির আগমোন ঘটল।
তিথিও খুব খুশি হয়েছিলো।
একদিন তিথি সিড়ি দিয়ে নিচে নামবার সময় একটু খারাপ অনুভব করে।আমি তখন বাসায়ই ছিলাম,তিথি ডাক দিল একটা।
তোরিয়.........
আমি একদৌড়ে গিয়ে দেখি তিথি নিচে পড়ে আছে।আমি তিথির মাথার নিচে হাত দিয়ে নিজের বুকে নিয়ে বলতে লাগলাম।
এই তিথি ওঠো ওই তিথি,কিছুতেই শুনছে না তিথি।
অতঃপর কোলে তুলে নিয়ে হসপিটাল নিয়ে গেলাম তিথি কে।
অতঃপর হসপিটালে নিয়ে গিয়ে,,
ডক্টর দেখুন না তিথি কথা বলছে না,এই ডক্টর চোখ খুলতে কন তিথিরে!!--(তোরিয়)--
সিশটার ইমিডেটলি কেবিন আনুন!!--(ডক্টর)--
ওকে স্যার!--(সিশটার)--
শুয়ে দিন এখানে!!
ডক্টর হাত চপে কি যেন দেখলেন,
ডক্টর কি দেখলেন তিথি আমাকে ছেড়ে যাবে নাতো?চুপ করে আছেন কেন ডক্টর! বলুন না[কান্না করতে করতে]--(তোরিয়)--
সরি,উনি আর নেই।--(ডক্টর)--
-
আঁকাশটা মেঘলা হয়ে গেলো,বৃষ্টিও পরতে শুরু করল।তার পর কি হয়েছিলো আমার জানা নেই।আমার জ্ঞান ছিলো কিন্তু আমি শুধু তিথি করে খুব কেঁদেছিলাম।কিন্তু তিথি ফিরল না,যাকে নিয়ে একরাশ কত্ত নীল স্বপ্ন বুনেছিলাম আজ সেই মানুষটা আমার পাসে নেই। আমাকে একা রেখে চলে গেছে।
সত্যিই সময় আমাকে অনেকটা বদলে দিলো।ইচ্ছা ছিলো তিথির কাছে চলে যাবো।কিন্তু বাবার কথা ভেবে বেঁচে আছি,কারন আমি ছাড়া আমার বাবার কেউ নাই।
:
তাই মাঝে মাঝে এই জায়গাটায় আসি,নদীর স্রোত দেখি আর ভাবি এই নদীর স্রোট কখনই থেমে থাকবে না।হয়তো আমার জীবনটাও ইচ্ছা করেও থামিয়ে রাখতে পারব না।
জীবন তার আপন গতিতে চলবে।
এবং আমাকেও জীবনের সাথে চলতে হবে।
আমাকেও নতুন করে শুরু করতে হবে।
:
.
.
[ভূল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন]
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
3719
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§Ž:ā§Ļā§ PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ