āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3716

__________"ছোট্ট বেলা"_________
.
.
সবার জীবনে তার ছোট বেলা সৃতিময়ী।বড় হলে তারা চায় সেই ছোট বেলায় চলে যেতে।কিন্তু তা আর কি কখনও সম্ভব?না সম্ভব নয়।কারন সময়ের সাথে সাথে সে বদলে গেছে।বড় হয়েছে।চারিদিকের সব কিছুও তার সাথে পাল্টে গেছে।
কি অদ্ভুদ সিষ্টেম আল্লাহ্'তালার।সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই চেন্জ।অচেনার ভিরে চেনা।চেনার ভিরে অচেনা। প্রতশ্য মিথ্য হয়ে যাওয়া বা সফল হওয়া।নিয়মটাই কি অদ্ভদ।
-
ছোট বেলায় ছিলাম,সহজ সরল।আর সময়ের মূল্যে এখন কতটা বুঝতে শিখেছি।এখন আর সহজ সরল নেই।সময়ের সাথে খাপ খাইতে গিয়ে হতে হয়েছে কঠিন।
সবার জীবনের ছোট বেলার সত্যিইটাই বড় সৃতিময়ী।
নদীতে অনেক বন্ধু,সহপাটি মিলে হইচই করে গোসল করা।
বৃষ্টি এলে গায়ে কাঁদা মাখিয়ে খেলা করা।
মাটি নিয়ে অনেক রকমারি জিনিস তৈরি করা।যেমন-মাটির তৈরি পুতুল,মাটির তৈরি পাখি,মাটির তৈরি জাহাজ,মাটির তৈরি গুলি।যে গুলি দিয়ে পাখি মারা যায়।
বাজার থেকে পাঁচ টাকা দিয়ে বাটুলের তার কিনে,দু পা ওয়ালা গাছের কিছু অংশ কেটে সেখানে বাটুলের তারগুলো বেধে এবং বটুলের তার এর দু পান্তে চামের কিছুটা অংশ দিয়ে একটা বাটুল তৈরি করা হতো।আর সেই মাটির তৈরি গুলি আর বাটুল নিয়ে ছুটতাম পাখির খোজে।
চার থেকে পাঁচ জন যেতাম।পাখি পেলে বাড়ি এনে মা কে বলতাম,
-"মা এই দেখো আমি পাখি মেরেছি,আজ ভালো করে রান্না করে দেবে কিন্তু।
মা একটু বকতো।কারন পাখি মারা পাপ।মা এটাও বলতো,
-"বাবা পাখি মারতে নেই আল্লাহ পাপ দেয়।আজ রান্না করে দিব।কিন্তু পাখি আর মারা যাবে না।
তখন "হ্যাঁ উওর দিতাম।কারন রান্নাটা খেয়ে দেখতেই হবে কেমন স্বাদ হয়েছে।
-
তার পর রাতে রান্না খেয়ে শুয়ে শুয়ে দাদার সাস্তর(গল্প)শোনা।যত্তরকম  রাজাদের গল্প আছে সব শুনতাম।তার পর নাপিতের গল্প,পন্ডিত মশাই এর গল্প।এরকম অনেক গল্প শুনতাম দাদার কাছে থেকে।
আর সেই গল্পের ফাকেই কখন ঘুমিয়ে পরতাম নিজেও টের পেতাম না।কখনও কখনও অর্ধেক গল্পে বা গল্প শেষ না হতে ঘুমিয়ে পড়তাম।
এবং তার পরের দিন বাকি গল্প শুনতাম।
সকালে খুব তারাতারিই উঠতাম।বন্ধুরা সকাল সকাল মার্বেল খেলার জন্য ডাকত।
সকালে ব্রাশ না করেই খেলা শুরু করতাম।কখনও হার মেনে মারামারি করতাম।আবার জিততে পারলে খুশিতে খুশিতে সবাইকে বলে বেরাতাম।
.
আর শীতের দিনে রয়েছে রাতের বেলায় রস চুরি করা।দু তিন জন মিলে রাত দশটা বা এগারোটার সময়, জগ হাতে নিয়ে রস চুরি করতে বের হতাম।এক জগ রস হলে দিব্বি খেয়ে বেঁচে যেত।আবার সময় ক্রমে একা একা শোলা নিয়ে গাছে উঠে,নাড়ির ভেতর শোলা ঢুকিয়ে রস খেতাম।
আর সকাল সকাল উঠতাম।যারা রস লাগাতো তাদের নাড়ি দিলে গাছে লাগিয়ে দিত।তাই সকালে উঠে নাড়ি নিয়ে খেজুর গাছতলায় দাড়িয়ে থাকতাম।গাইছাকে(যারা রস লাগায়)যখন নাড়ি দিতে যাব ঠিক তখনই একটা কথা বলে,
-"কেরে বাবা রস কে চুরি করেছে জানো?
আমি শুধু হাসি ঠেকাইয়া রেখে  না বলে দিতাম।
এবং সেখান থেকে এসে ইচ্ছা মতো হাসতাম।মাঝে মাঝে অভিযোগ আসতো বলে।রস চুরি করে খেয়ে।নাড়িতে পানি ঢেলে দিয়ে আসতাম।এবং রস পানি মিলে ভালোই হইতো।তখন আর গাইছা অভিযোগ দিতো না।
.
সকাল হলে সহপাটিরা আসতো লাটিম খেলার জন্য।
লাটিম আর লছ্যি নিয়ে যেতাম কোন এক মাঠে।যেখানে বেশখানেক ভালো জায়গা আছে।
চার পাঁচ জন হতাম।প্রথমে ছোট একটি গোল দেওয়া হতো।তার মাঝে যে লাটিম মেরে ফুটো করবে।সে ফাষ্ট।যে যতো তারাতারি পারে সেটা ফুটো করতো।যে সবার পিছনে পড়বে সে একটা নিদিষ্ট গোলাকারে লাটিম রাখবে।এবং আর সবাই সেই লাটিমটিকে আঘাত করবে।যার যতো তাক ভালো।সে লাটিম টিকে চিরে ফেলে অথবা লাটিমটা কিছুটা আঘাত পাপ্ত হয়।আর লাটিমটিকে যখন আর সবার লাটিম দ্বারা আঘাত করা হয়,তখন যদি লাটিম সেই নিদিষ্ট গেলাকার ছেড়ে বাইরে যায়,তখন যে আগে লাটিম ঘোরাবে সে তো ফাষ্টই।এবং যে লাষ্টে পড়বে সে আবার সেই নিদিষ্ট গেলাকারে লাটিমটি রাখবে।
-
এই লাটিম খেলতে খেলতে দেখা যায় খাবার টাইম ওভার হয়ে যায়।কিন্তু খাওয়ার কথা মনেই থাকে না।
তার পর মা আসে।মাকে দেখে লাটিম নিয়েই বাড়ির দিকে এক দৌড়।
তার পর খেয়ে স্কুলে যাই।
স্কুলে গিয়ে বন্ধুদের সাথে বদন খেলা।বদন খেলায় সাধারণত  পাঁচ জন লাগে, এক পাশে।আর ওপর পাশে পাঁচ জন।মোট দশজন।
একটা বড় জায়গায় নিদিষ্ট কোর্ট দেওয়া থাকে।তার মধ্যে কিছু দাগ দেওয়া থাকে।এবং সেই দাগএ না পা এবং কেউ যেন আমাকে না ছুয়ে দিতে পারে সেই উদেশ্য খেলাটা শুরু করা।যে কোর্ট থেকে খেলাটা শুরু করতে হয় আবার সেই কোর্টই ফিরে আসতে হবে।বাকি কোর্ট এর মানুষদের সাথে পাঙ্গা নিয়ে তারের অতিক্রম করে সেই কোর্ট থেকে বের হয়ে, যে কোর্ট থেকে বের হয়েছে সেখানে ফিরে আসতে পারলে একটা বদন।
.
তার পর আরেকটি খেলা।তাল গাছ।একটি নিদিষ্ট পরিমান গেলাকার তার পর  একটা নিদিষ্ট লম্বা দাগ এবং আরেকটি নিদিষ্ট গেলাকার।এই খেলায় প্রতিদন্দি হিসেবে দশ থেকে বারো জন।একপাশে পাঁজন আরেক পাশে পাঁজন।এক গেলাকারএ বউ থাকবে।অপর পাশে আর চার জন।তাদের সাথে পাঙ্গা নিয়ে বউ কে আনতে হবে।আনার সময় বউকে ছুয়ে দিলে খেলা ওভার।তার পর  অপর পাশের জনরা খেলবে।
-
এরকম আরো অনেক খেলা আছে আমরা ছোট বেলায় খেলেছি।ছেলে মেয়ে উভয়ই খেলা গুলোতে থাকে এমন খেলাও অনেক আছে।সে খেলাগুলোতেও অনেক মজা।যেমন -লুডু,পুতুল ইত্যাদি।
আর এই সব খেলায় ঝগরা লেগেই থাকত।লুডু খেলায় যে যতো চুরি করেছে সে ততো আগে খেলা শেষ করেছে। এবং সে উইন।
.
এদিকে ভালোবাসায় রয় অফুরন্ত।সবার আদরের থাকি।যখন যা চাই পাই।বাবার হাত ধরে বাজার যাওয়া।বাজার গিয়ে অনেক কিছুর আবদার করা।তবে তখনকার আবদারগুলো থাকে খুবই ছোট।
যা বাবা-মা পূরন করে।
-
ধিরে ধিরে বড় হতে থাকি।আদর ভালোবাসা কমতে থাকে।তার সাথে অনেক প্রিয় মানুষগুলো চলে যায়।এটাই নিয়ম।সবাইকে একদিন এই পৃথিবী ত্যাগ করতে হবে।
বড় যখন হই,তখন পৃথিবীর  বাস্তবটাটা সামনে আসে।নিজে খেটে খাইতে হয়।নিজের পায়ে দাড়াতে গিয়ে কতো আপন মানুষ অচেনা রূপ দেখায়।আসলে বড় হওয়ার সময় বা বিপদ এর সময় আপন মানুষগুলো মুখোশ চেনা যায়।
যত্ত বড় হতে থাকি।ততই ছোট বেলায় ফিরে যেতে ইচ্ছে করে।কারন ছোট বেলায় থাকে নিঃপাপ মন।কোন স্বপ্ন নয়।রঙিন কিছু মুহুর্ত নিয়ে তখন বেঁচে থাকা।
.
.
✍ToriYo Ahmed Neel(শঙ্খনীল)
.

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ