*~*~*~*~বাংলাদেশ~*~*~*~*
লেখাঃ- M. Arman Uz Zuha
.
শত্তুর দশকে পাকবাহিনী যুদ্ধে পাকবাহিনী পরাজিত হয়ায় দ্বিখণ্ডিত ভারতবর্ষ হলো তৃ-খন্ডিত। দেশ এর নাম পরিবর্তন হলো। নতুন পতাকা তৈরি হলো। বিশ্ব প্রথমবারের মতো সেই নতুন নাম এবং পতাকাকে স্বাধীন হিসাবে স্বীকৃতি দিলো, এরমানে এই নয় যে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। কারন আগে ছিল তিনটা দেশ মিলে একটা দেশ ভারতবর্ষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইংরেজ রা হিটলার বাহিনীর কাছ থেকে রক্ষা পেতে আর কোন উপায় না দেখে ২০০ বছর যাদের কে জোড় দখল রেখেছিল, তাদের সাহায্য ভিক্ষা চাইলো। কারন তারা জানে ভরতবর্ষের মানুষ যেমন সরল তেমন এক গোয়ার এবং ভয়ানক। টেকনিক্যালি হ্যান্ডেল করতে পারলে চীরকাল এরা মুখ বুজে নিরবে দাসত্ব করে যাবে। কিন্তু যদি একবার ক্ষেপে যায় তাহলে কামান গোলা সব তুচ্ছ। সুনিয়ন্ত্রিত হিটলার বাহিনী কে একমাত্র এরাই ঠ্যাকাতে পারে। যুদ্ধে জয়ী হয়ার পর প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে বিশ্বের সেরা সভ্যজাতী ফিরিঙ্গী রা বাধ্য হলো ভারতবর্ষ দখল ছাড়তে। তাদের ভয় ছিল যারা হিটলার বাহিনীকে তোয়াক্কা করেনি তারা যদি হঠাত ইংল্যান্ড দখলের স্বপ্ন দেখে বসে!
তাই যাওয়ার আগে একসাথে গলাগলি করে জড়িয়ে থাকা হিন্দু-মুসলিম ভাইভাই একসাথে চলো যাই, এর মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতি কে অপব্যখ্যায় আঘাত হেনে বিভেদ করে দুই টুকরো করে দিয়ে বানালো ভারত এবং পাকিস্থান।
ভারতীয়রা দেশ প্রেমি কুটিল, পাকিস্থানীরা মরু অঞ্চলীয় হয়ায় রুক্ষ এবং বরবর, আর নদী পরিবাহী পলিমাটির শষ্যশ্যমল কৃষক দের অঞ্চল যা আজ বাংলাদেশ, কৃষিপ্রধান পরিবার হয়ায় স্বভাবত অতিথি পরায়ন, সহজ, সরল। এরা মাটি কেটে শষ্য ফলায়। সুতরাং যদি একবার মাটি কাটার বদলে বিশ্বকে কাটার ভাবনা চেপে বসে সেই ভয়ে রুক্ষ বর্বর পাকিস্থানীদের বর্বরতাকে উষ্কে আরো বর্বর করে দিয়ে তাদের কে দিয়ে রক্তা ঝড়ানো হলো সরল কৃষক দের শরীরে, ফলাফল মুসলিম বিভেদ। যুদ্ধের পর সারাদেশ ভরে আছে অস্র আর যোদ্ধায়। সবার রক্ত গরম। কথায় কথায় হত্যা, হানাহানী...
অবস্থা নিয়ন্ত্রনে আনতে কঠোর হয়ার চেষ্টা করলেন বংগবন্ধু। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে উনার অনেক নেতারা যুদ্ধের সময় ভারতে অবস্থান করায় এবং সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নেয়ায় একেতো মনের ভিতর বসে রইলো হীনমন্যতা, তার উপর নিজে ফিল্ডওয়রে না থাকায় দেশ জন্মের চেতনা তাদেরকে স্পর্শ করতে পারলোনা, তার উপর পেয়ে গেলো ক্ষমতা। সব মিলিয়ে তারা কয়েকজন হয়ে গেলো লাগামহীন দস্যু, ফলাফল বংগবন্ধু স্ব-পরিবারে হত্যা।
.
ক্ষমতায় এলেন সামরিক শিক্ষায় শিক্ষিত দেশের যেকোন দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া মেজর জিয়া। অগোছালো দেশ গুছানো শুরু হলো।
এলো আশি দশক। তিন খন্ডিত
পাক-ভারত-বাংলাদেশ ইতিসাহের চরম দুর্যোগ দশক। এই দশকে তিন দেশের ইন্দ্রিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, মেজর জিয়া সহ সকল দেশাত্মবোধ কে বুকে আঁকড়ে রাখা নেতা-নেত্রীরা বিশ্ব রাজনীতির ফাদে আটকা পরে খুন হলেন। শেষ হয়ে গেলো খন্ডিত ভারতবর্ষ থেকে দেশাত্মবোধ!
.
ক্ষমতায় এলেন আরেক সামরিক শিক্ষায় প্রশিক্ষণ পাওয়া এরশাদ। এক নিমিষে বুঝে গেলেন বিশ্ব রাজনীতির শ্রোত। যেহেতু তিনিও দেশের যেকোন দুর্যোগ মোকাবিলা ট্রেনিং প্রাপ্ত, তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর প্রজাদের কে প্রজাতন্ত্রী কি সেটা চিন্তা করার সুযোগ না দিয়ে শক্তহাতে একনায়ক তন্ত্র পন্থা অবলম্বন করে সবাইকে দমিয়ে রাখলেন। নিজে ছুটে গেলেন অন্তর্জাতিক মহলে। নিজেকে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক দের চাটুকার বানিয়ে তাদের পায়ে একদিকে তেল মাখলেন। অপরদিকে তেল মারার ফাঁকেফাঁকে ইনিয়েবিনিয়ে নিজেদের কে মিসকিন দাবী করে আন্তর্জাতিক মিসকিন হয়ে ভিক্ষা করা শুরু করলেন
পায়ে তেল দিয়ে দেশকে মিসকিন দাবী করে সবার করুণা কুড়িয়ে যেই দান নিয়ে এলেন তা দিয়ে প্রথমে নিজ পরিষদ গঠন করে পরিষদ নেতা কর্মিদেরকে ভরপেট খাইয়ে তুষ্ট করলেন। এরপর হাতে তুলে নিলেন নতুন দেশের নতুন মানচিত্র। এক্সপার্ট দেরকে নিয়ে একের পর এক দাগ দিয়ে আঁকাজোখা করে তৈরি করলেন যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নতকরণ লক্ষ্যে নতুন নতুন রোড, কালভার্ট এবং ব্রিজ তৈরির নকশা। (এখন পর্যন্ত তৈরি হয়া প্রায় সবগুলো প্রাধান সরক, টার্মিনাল, কালভার্ট এবং ব্রিজ এর প্লান তখনি হয়েছিল। নতুন করে সেসব সংস্করণ ছাড়া তেমন আর কিছু যুক্ত এখনো হয়নি)
যোগাযোগ ব্যাবস্থা কিছুটা উন্নত করেই আবার ছুটলেন অন্তর্জাতিক দাদাদের পায়ে তেল ঘষতে। তেল ঘষার ফাঁকেফাঁকে দাদাদের বুদ্ধির তারিফে তারিফে মুখে ফ্যানা তুলে ফেললেন। সেই ফ্যানা তুলার ফাকে বিনয়ের অবতার হয়ে হাত কচলে বললে, মি লর্ড! ইয়েমানে একটা শখ ছিল। কিন্তু সাহস পাচ্ছিনা বলার..."
তার চাটুকারিতায় গলে গিয়ে উনারা কি শখ জানতে চাইলে তাদের সামনে নতুন রোডপ্লান টা বের করে বললেন, আপনারা হলেন বিশ্ব প্লানার। আপনাদের কাছাকাছি এসে এই অধমের খুব শখ হলো নকশা প্রাকটিস করার। আর কিছু না পেয়ে আমাদের মানচিত্র আকা কাগজ টা পেয়ে তাতেই দাগিয়েছি। আমাকে যদি একটু আকঝোক করা শিখাতেন তাহলে আপনাদের এই দাসের জীবন টা সার্থক হতো। আমি নিজেই কতগুলা দাগ দিছি। কিন্তু কিচ্ছু হয়নি।"
তার ঘ্যানরপ্যানর এ বিরক্ত হয়ে প্রথমে দুই চারটা লাখি চড় থাপড় দিলেও পরে বিরক্ত হয়ে মানচিত্রটা হাতে নিলেন বিশ্ব দাদারা।
উনিও খুশিতে আত্বহারা হয়ে কিছুক্ষন জোকার ড্যান্স দিয়ে সবাইমে পেঠ ফাটিয়ে হাসালেন। এরপর খুশিতে গদগদ হয়ে ছোট্ট শিশুদের মতো বলে চললেন, এই ম্যাপটাকে আমি আমার খেলাঘর এর ম্যাপ বানিয়েছি। এইযে দাগগুলা, এগুলো হলো নদী। এর পাশ দিয়ে গেছে এই রাস্তাটা...
স্যার দেখেন এই জায়গায় আমি আমার খেলার ইন্ডাস্ট্রি বানাবো। এই রোড দিয়ে যাবো ওইখানে। এখানে একটা ফ্যাক্টরি। হঠাত দাদাদের নজরে পরুলো এরশাদের খেলাঘরের নকশাটা তো দারুন হয়েছে। সত্যি যদি এটা বাংলাদেশের মানচিত্র হয় এবং মানচিত্র তে দেয়া প্লানিং যদি বাস্তবেই করা হতো তাহলেত দারুন লাভ হবে। বিষয়ার চেক করতে আসলেন এই দেশে... শুরু হল্প নতুন নতুম রাস্তাঘাট নির্মাণ, সাথে শুরু হলো শিল্প বিপ্লব।
এরশাদ নিজ পরষদ দের ডেকে বললেন কামের নামে টাকা এনেছি। যার যা লাগে নিয়ে নাও। তবে দাদারাও যেহেতু সাথে স্যারেরা আছে, তাই এক আধটা ঘর বানিয়ে ফেল। নাইলে হ্যারা খেইপা যাইবো। টাকা কামনোর সুযোগ পেয়ে সবাই ক্নটাক্টর হয়ে বসলো। এইভাবেগ যেখানে যা করতে হবে তা কর পার করে দিলেন পুরো নয়টি বছর। এতদিন এ গুছিয়ে গেল দেশ। কেউ বুঝতেও পারলোনা কোন ফাকে কি হয়ে গেলো। অথচ কম বেশি সাবার পকেটে এসেছে নগত অর্থ।
এভাবেই দেশকে উন্নয়নের শিরিতে।
.
হঠাত বুঝে গেলো পশ্চিমা সাদা শয়তান রা যে তাদের পায়ে তেল দেয়া সেবক আসলে তাদেরকে বোকা বানিয়েছে। চোর, চাটুকার যে যাই বলুক যুদ্ধবিদ্ধস্থ দেশটির প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে এখন কম হোক আর বেশি হোক কিছু হলেও টাকা পৌছাচ্ছে। সরকারের পরিষদ লুটে নিচ্ছে দান পাওয়া অর্থের সিংহ ভাগ, তাতে কি? তাতে তো আর দেশের টাকা নষ্ট হচ্ছে না। বরং লুটের ফাকেও যতটুকু দেশের কাজে ব্যয় হচ্ছে সেটাই বোনাস।
প্রথমে ক্ষেপে গেলেও পরে নিজেদের সামলে নিয়ে আবারো ফিরিঙ্গী ব্রেইন প্রয়োগ করলো। খুঁজে খুঁজে কিছু জানোয়ারদের কে আলাদা করে তাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হলো। দায়িত্ব পেয়ে তারা ফিল্ডে নামলো গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর প্রজা শব্দটাকে হাইড করে গণতন্ত্র শব্দটাকে সামনে তুলে ধরে শব্দটার অপব্যাখ্যা দিয়ে ভুল পথে চালিত করা।
গনতন্ত্র মানেই রংগিলা স্বপ্ন! সেই স্বপ্নে বিভর করে দিলো স্বল্পজ্ঞানী আশিক্ষিত কিছু মানুষদের। তারা কিন্তু ভুলেও শিক্ষিত সমাজে পা রাখলো না। প্রাথমিক পর্ব শেষ করে শুরু করলো দ্বিতীয় পর্ব।
.
এই প্রথম শুরু হলো সত্যিকারের নোংরামি। দেশে ফিরলেন পরিবার হারা হত্যাকারীদের উপর প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর শেখ হাসিনা। একি সাথে ফোকাসে এলো স্বামী হারা অর্থসম্বলহীন দুই সন্তানের জননী খালেদাজিয়া।
শুরু হলো তৃতীয় অধ্যায়।
জানোয়ারগুলো এবার হাতিয়ার হিসাবে টার্গেট করলো কিশোর এবং তরুণ সমাজ কে। সেই সময় অবস্থার প্রকৃত অবস্থা ঠিকমতো না বুঝেই প্রেসিডেন্ট এরশাদ দিয়ে বসলেন হ্যা না ভোট। যা ছিলো তার পতনের প্রথম ধাপ। ভোট শেষে সেটার কারচুপিকে সম্মুখে তুলে ধরা হলো। হাস্যকর হলেও সত্য এতবড় অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তুলতে চাই শিক্ষিত সমাজ! এই শ্লোগান কে সামনে রেখে প্রকৃত শিক্ষিত নেতা অভি, নিরু প্রমুখদেরকে রাজনৈতিক হয়রানীর ফাদে ফেলে!
শিক্ষিত নামে স্বল্প জ্ঞান সম্পন্ন, টগবগে রক্ত গরম, অজানাকে জানার উত্তেজনায় রোমাঞ্চিত অপরিপক্ব বুদ্ধিজ্ঞানসমপন্ন স্কুক এবং উঠতি কলেজ ছাত্রদেরকে দেশ গড়ার অভিযানের ইমোশনাল ব্লাকমেইলের শিকার বানিয়ে রাজনীতি কি তা বুঝার সুযোগ না দিয়েই নামানো হলো রাজনীতি তে। যার ফাদে ফেঁসে গেলাম সদ্য হাইস্কুলে পরা, জোরে ধমক খেলেই দৌড়ে মা' এর আঁচলে মুখ লুকানো আমরা নির্বোধ রা।
.
ব্রিঃদ্রঃ- বাংলাদেশের বাকি ইতিহাস না হয় এই বর্তমান প্রজন্ম ঐ লিখবে..............
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§
3694
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
ā§:ā§Šā§Ž PM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ