āĻļāύিāĻŦাāϰ, ⧍ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

755

-মানে আপনার যোগ্যতা টা কি ?
আমার কথা শুনে নুশরাত মনে হল একটু চমকে গেল । আসলে ও ভাবতেই পারে নি যে আমি ওকে এমন একটা প্রশ্ন করতে পারি । অবশ্য যে কোন সুন্দরী মেয়ের পক্ষেই এমন একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়াটা খুব একটা স্বাভাবিক ব্যাপার না ।
আমি আবার বললাম
-প্লিজ আপনি আমাকে ভুল বুঝবেন না । আমি ব্যাখ্যা করবো আমি কি বলতে চেয়েছি ।
নুশরাত কোন কথা না বলে কেবল মাথা ঝাকালো ।
আমি একটু কাশি দিয়ে গলা পরিস্কার করে নিলাম । নিজেকে বোঝালাম যে এর পরে আমি যা বলতে যাচ্ছি তার উপরেই অনেক কিছু নির্ভর করছে । নিজের স্বাধীনতা নির্ভর করছে ।
আমি বললাম
-গত কয়দিন থেকেই আপনার আর আমার ফ্যামিলির ভেতরে বেশ দেখা সাক্ষাত আর খোজ খবর নেওয়া চলছে । কেন চলছে নিশ্চই বুঝতে পারছেন ?
-জি পারছি । সেই জন্যই আমাদের আজকে এখানে দেখা হয়েছে আই গেস ।
-জি । গত কয়দিন আপনার ফ্যামিলির লোকজন আমি কি করি না করি কয় টাকা বেতন পাই আমার কি যোগ্যতা কোথা থেকে পড়া শুনা করেছি এই টাইপের হাজারো ইনকোয়ারি শেষ করেছে । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে আমি আপনার সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না । আপনি কি করেন ?
-আমি তেমন কিছুই করি না । মানে কোন জব করি না ।
-সে কি । কেন ?
-করার দরকার পরে নি এখনও ।
-তাহলে আমি আপনাকে কেন বিয়ে করবো বলেন ? মানে আপনার যোগ্যতাটা কি ?
নুশরাত কি বলবে ঠিক বুঝে উঠতে পারলো না । অবশ্য এরকম প্রশ্ন ও কোন ভাবেই আশাও করে নি ।
-আমি আবারও বললাম
-আপনি নিশ্চয়ই চেহারাটা যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করছেন না ? তাই না ?
নুশরাতের চেহারায় সুক্ষ একটা অপমান বোধ ফুটে উঠতে দেখলাম । তার মানে আমি কাজে সঠিক ভাবে এগিয়ে যাচ্ছি ।
-দেখুন আমি ঠিক পরিস্কার ভাবেই আপনার কাছে কথা বলে নেই । কারন যেহেতু আমাদের সামনের জীবন গুলো এক সাথে কাটাতে হবে তাই আমি সব বিষয়ে আগে থেকে কথা বলে নেওয়াই সঠিক বলে মনে করি ।
নুশরাত আবারও কোন কথা না বলে চুপ করে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো । ওর মুখ টা এমনিতেই কালো হয়ে গেছে আমার কথা শুনে ।
আমি বললাম
-আপনার এবং আপনার ফ্যামিলির নিশ্চয় কোন দিক দিয়ে মনে হয়েছে যে আমি হয়তো আপনার যোগ্য তাই আজকে আমাদের এখান দেখা করা । আজকে হ্যা হয়ে গেলে মনে হয় সামনে আমাদের বিয়েটাও হয়ে যাবে । কিন্তু আমি বলতে চাই আমি কেন আপনাকে বিয়ে করবো ? কি দেখে ? সেটা কি কেবলই আপনার সুন্দর চেহারা দেখে ।
আবার তাকিয়ে দেখি নুশরাত চুপ করেই আছে । আমি আবার বলা শুরু করি ।
-আমাদের দেশে কেবল এই কালচারই আছে । দেখুন এখনকার মেয়েরা সমান অধিকারের কথা বলে । বুক ফুলিয়ে বলে যে ছেলেটা যা পারে আমরাও তাই পারি অথচ এরই সাথে তারা এও আশা করে যে তাদের বিয়ে হবে কোন ভাল ছেলে সাথে । খুব ভাল কোন জায়গায় । যেখানে তার কোন দুঃখ থাকবে না নিশ্চিত ভবিষ্যৎ হবে । ব্যাপার টা হাস্যকর লাগে না আপনার কাছে ?
নুশরাতের চেহারায় কিছুটা প্রশ্ন বোধক চিহ্ন ফুটে উঠতে দেখলাম ।
-ব্যাখ্যা করছি । এই যে ভাল ছেলের কথা আসলো এখানে কিন্তু সব থেকে বড় গুন টা ছেলে মাসে কয়টাকা আয় করে । এবং সেটা যদি থাকে তাহলে মেয়েরা অন্যান্য গুন গুলো শিথিল করে ফেলে ।
-যেমন ?
-এই যেমন বয়স, চেহারা, মাঝে মাঝে চরিত্রও । কিন্তু একটা ব্যাপার আপনি দেখেন একটা ছেলে যখন একটা ভাল একটা মেয়ের সাথে তার বিয়ের স্বপ্ন দেখে সেখানে কিন্তু একটা ছেলে কোন দিন এই ভাবে না যে মেয়েটা তার ভবিষ্যৎ আর্থিক ভাবে নিশ্চয়তা দিবে । এমন টা ভাবে কেউ ? ভাবে না । এমন কি আপনার পরিবারো কিন্তু সেই একই কাজ করছেন । আমি নিশ্চয়তার জন্য আমাকে বিয়ে করছেন অন্য কোন কারনে নয় । যদি আমার চাকরী ভাল না হত বাকি সব ঠিক থাকতো তাহলে আপনার ফ্যামিলি এমন আপনি নিজেও সেটা এলাও করতেন না । তাহলে আমি কেন আপনার মত কর্মহীন মেয়েকে এলাও করবো বলেন ? গিম মি এ রিজন ।
আসলে আমি নিজেও জানি না আমি কি সব বকতেছি তবে মনে হচ্ছে কাজ হচ্ছে । নুশরাত নিশ্চিত ভাবেই বাসায় গিয়ে বিয়ে ভেঙ্গে দিবে ।
নুশরাতের মুখ একেবারে কালো হয়েগেছে । ঠিক মত কথাও বলছে না । না বলারই কথা । নুশরাত আর কোন কথা না বলে উঠে চলে গেল । আমি হাসি মুখ নিয়ে ওর চলে যাওয়া দেখলাম । তারপরপ ওয়েটারকে ডাকলাম বিল দেওয়ার জন ।
বিল দিতে দিতে ওয়েটার আমার হাসি মুখ দেখে জানতে চাইলো
-স্যার, ম্যাম আপনার প্রোপোজে রাজি হয়ে গেছে ।
-মানে ?
-না মানে আপনি যখন আসছিলেন তখন আপনাকে বেশ চিন্তিত মনে হচ্ছিলো । এখন বেশ খুশি খুশি লাগছে ।
আমি হাসলাম । তারপরপ বলল
-নাহ । ম্যাডাম রাজি হয় নাই । সম্ভবত সে বাসায় গিয়ে এখন বিয়ে টা ভেঙ্গে দিবে ।
বলে আবারও একটা হাসি দিলাম ।
ওয়েটার আবারও আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো । সম্ভবত নিজের বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় আমিই তার দেখা প্রথম ব্যক্তি ।
আমি ওয়েটার কে আরও ৫০ টাকা বকশিস দিয়ে উঠে পড়লাম । এখন খানিকটা চিন্তা মুক্ত । আমি মোটামুটি নিশ্চিত নুশরাত এখন বাসায় গিয়ে ঠিক ঠিক বিয়ে ভেঙ্গে দিবে । আমি নিশ্চিন্ত মনে অফিসের দিকে রওনা দিলাম । সারাটা বিকেল মায়ের ফোনের অপেক্ষা করলাম । মা ওদের বাসা থেকে ফোন পাওয়া মাত্রই
কিন্তু বাসায় এসে শুনলাম অন্য কথা । বাসায় ঢুকেই মনে হয়েছে হল কিছু যেন ঠিক নেি । অন্তত আমি ঠিক যেভাবে আশা করেছিলাম সেভাবে নয় । মায়ের মুখ হাসি হাসি অথচ সেখানে মুড অফ থাকার কথা ছিল ।
আমি আগ থেকে কিছু জানতে চাইলাম না । হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেস হতেই মা চা নিয়ে আসলো । আমি কিছু জনতে চাওয়ার আগেই মা বলল
-তুই মেয়েটাকে কি বলেছিস ?
-কেন ?
-বল ?
তাহলে মনে হয় সত্যি কাজ হয়েছে । মা নিশ্চয় অন্য কোন কারনে খুশি । আমি বললাম
না মানে আমি যা চাই, কি ফিল করি এই সব ।
-নুশরাত তো খুব ইম্প্রেস ।
-কি !
মুখে দেওয়া চা টা আরেকটু হলেই বের হয়ে আসতো । আটকালাম কোন মতে ।
-মানে সে রাজি ?
-আরে রাজি মানে অবশ্য রাজি । তবে একটা শর্ত দিয়েছে ।
-কি শর্ত ?
-বলে তোদের বাগদান টা যত দ্রুত সম্ভব হয়ে যাবে কিন্তু বিয়ে হবে কদিন পরে । মেয়ের আগে চাকরি করার ইচ্ছে । সে চাইছে সংসারে দুজনেই চাকরি করুক যাতে তোর কষ্ট টা কম হয় । দুজন মিলেই সমান দায়িত্ব পালন করতে পারে ।
খাইছে ।
এইবার আমার জীবন সাফা সাফা করেদিনে । কত প্লান করে স্কিপ্ট রেডি করলাম । নিশ্চিত ছিলাম এই কথা শুনলে মেয়ে কিছুতেই আমাকে বিয়ে করতে রাজি হবে না সেখানে দেখা যাচ্ছে মেয়ে আরো বেশি করে রাজি হয়ে গেছে । সামনের দিনে আমার কি আছে কপালে।
.
লিখাঃ অপু তানভীর

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ