অামি কোনো বিয়েসাদি করতে পারবোনা। (সজীব)
- কেন?? (তার মা)
- কেন বুঝনা?? এ বয়সে বিয়ে করে কোনো মেয়ের জীবন নষ্ট করতে চাই না।
- চল্লিশ বছর বেশি??
- এখন মানুষ বেশি অার কত বছর বাঁচে??
- যত বছর বাচুক তোর তাকে কি?
- অামি কত বছর বাঁচবো??
- জানি না।
- বেশি হলে ষাট বছর। যখন পঁয়তাল্লিশ পঞ্চাশ হলে মাত্র শরীর অার কাজ করার মত থাকবে না কখন কি হবে জানো?
- কি??
- যাকে বিয়ে করবো তার কষ্ট বাড়বে শুধু।
- কেমনে?
- এখন বিয়ে করলে পাত্রীর বয়স নিশ্চই বিশের বেশি হবে না।
- না
- তাহলে এটা কি তোমার মাথায় ঢুকছে না যে অামার ইনকাম অার দশ বছর করলে কি সারা জীবন মেয়েটা চলে যেতে পারবে??
যদি এখন বিয়ে করি দেখা গেলো ছোট ছোট সন্তান রেখে অামি মারা গেলাম। তখন মেয়োটির কি অবস্থা হবে??
অামার রেখে যাওয়া কত টাকাই বা থাকবে তার সন্তান গুলোর ভবিষ্যৎ এর জন্য??
- অামি তোর বাবা কে ছাড়া তোদের মানুষ করি নি?
- হ্যা এবার অাসো সে কথায়।
অাগের দিন শেষ, বর্তমান বাজার অবস্থা দেখো, অাগে অাট টাকা দশ টাকা দিয়ে চাল পাওয়া যেতো এখন চল্লিশ টাকা। বাবার পেনশনের টাকা দিয়েও অামরা চলে গেছি এখন পুরো বেতন দিয়েও চলতে কষ্ট হচ্ছে।
সেটা যদি বুঝো তাহলে তোমার ছেলে এত দেরিতে বিয়ে করতে হতো? তুমি বলো?
তোমার মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ঘর ঠিক করে নিজের মধ্যে কিছু জমাতে অামার বয়স এখন চল্লিশ। তাহলে বুঝো তো এত টাকার ইনকাম করার পরও কেন বিয়ে করতে পারলাম না।
অার কয়েক বছর করে অার কতটাকাই বা জমাবো?? সে টাকা দিয়ে কি একটা পরিবার চলবে??
- তো যে মানুষ বৃদ্ধ বয়সে বিয়ে করে??
- সে টা অন্য ব্যপার বুড়োর ভীমরতি ছাড়া কিছু না। বুড়ো কিছুদিন পর মারা গেলে সে মেয়েকে কে বিয়ে করে??
সে মেয়েটার জন্য বুড়োর সম্পত্তিই সব।বাকী জীবন সেগুলো দিয়ে বাঁচতে হয়।
- তাহলে তুই বিয়ে করবি না?
- না।
- অামার দেখাশোনা? তোর দেখানার কে করবে??
- যতদিন অামি অাছি ততদিন অামি তোমার সব করবো।
- অার তোর??
- অামার সব অর্থ একটা গরীব পরিবার কে দিবো তাদের অামার দেখাশুনা করার জন্য বলবো। নয়তো এখন অনেক সংস্থা অাছে এসব কাজ করে তাদদের বলবো। এতে অামার অর্থে তাদেরও অনেক উপকার হবে।
- করবিনা মানে করবি না??
- হুমম বুঝতেছো না কেন??
- তোর জীবন তুই বুঝ।
এভাবে সজীব অার বিয়ে করলো না। সে ভাবে তার জন্য একটা ভবিষ্যৎ কষ্ট না পেয়ে একটা পরিবার সুখি হোক।
সবাই সজীবের মত না। অনেকে এই বয়সে বিয়ে করে ঘর সংসার করে কিন্তু কিছু দিন পর যখন সে সারা যায় তখন মেয়েটার কষ্ট ছাড়া কিছুই থাকে না। তাকেও অনেক অপবাদ শুনতে হয়।
একজন পুরুষ যৌবন পেরিয়ে এই বয়সে বিয়ে করার কোনো মানে হয় না যখন সে পরিবারের জন্য খাটতে হয়।
এমন অনক মানুষ বিয়ে না করে অাছে। তাদের জীবন ও দিব্যি চলে যাচ্ছে।
কার কাছে কেমন মনে হবে জানি না। ফেসবুক যখন মাইন্ড জানতে চায় অামার মাইন্ড জানালাম। অাপনার সাথে অামার মাইন্ড নাও মিলতে পারে।
(ভূল হলে ক্ষমার করবেন)
লেখা : AB de Rahul
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ