ছোট্ট গল্প
.
.
বিকেলের দিকে পার্কে হাওয়া খেতে গেলাম। দক্ষিণ দিকে আমার প্রিয় একটা জায়গা আছে যেখানটার একটা বেঞ্চে আমি প্রায়ই বসি। কিন্তু আজ সে বেঞ্চে দেখি একটা সুন্দরী মেয়ে বসে আছে। ভাগ্যকে ধন্যবাদ দিয়ে বেঞ্চে বসতেই মেয়েটা বলে উঠলো, "ভাইয়া, জায়গাটা আমি 'একজনের' জন্য রেখেছি।"
.
ভাগ্যকে দেওয়া ধন্যবাদ ফিরিয়ে নিয়ে মেয়েটাকে বললাম, "ও আচ্ছা, কিছুক্ষণ বসি? আপনার 'একজন' আসলে আমি চলে যাব।"
.
অনুমতি পেয়ে বসলাম।
এরপর এক কথা দুকথা, তারপর পরিচয়। দশমিনিট চলে গেলো তবুও উনার 'একজন'- এর কোনো খবর নাই। তাই পরিবেশকে ঠিক রাখতে একটা গান গুনগুন করছিলাম। আমার গুনগুন শুনে মেয়েটা বললো, "জোড়েই বলুন, একটু শুনি.."
আমি গলা খাঁকারি দিয়ে বললাম, "আমি তো পারিনা, মনে পড়লো তাই গুনগুন করছি।"
.
মেয়েটা একটু হেসে বললো, "জানেন? গানটা আমার খুব প্রিয়। আচ্ছা আপনি প্রথম লাইন শুরু করেন তারপর আমি গাইছি।"
.
আমি কথা বাড়ালাম না। সদ্য পরিচিত হওয়া মেয়ের মুখে গান শোনা চারটে খানি কথা নয়, আর মেয়ে নিজ থেকে গান বলতে চাওয়া তো মেঘ না চাইতে জল।
.
আমি গাওয়া শুরু করলাম। খুব একটা খারাপ হলোনা। তারপর মেয়েটা গাইতে শুরু করলো, "কিছু কিছু কথা আর কিছু পরিচয়, মনে মনে চুপি চুপি দোলা দিয়ে যায়, কিছু কিছু মুখের হাসি দিয়ে যায় চাওয়ার বেশি, ভরে যায় খুশিতে তখন এ হৃদয়............।"
.
আহা কি সুমধুর কন্ঠ। বিভোর হয়ে শুনছিলাম। আশেপাশের দুএকটা লোকও আমাদের দিকে বার বার করে তাকাচ্ছিলো। স্নিগ্ধ বিকেলের পরিবেশটা আরোও অসাধারণ হয়ে উঠছিলো মেয়েটার গানে।
.
গানের ফিনিশিং এর সময় আমাদের সামনে সুদর্শন এক ছেলে এসে দাঁড়ালো। বুঝলাম ইনিই হলেন মেয়েটার 'একজন' যিনি ২০ মিনিট লেইট করে আসলেন।
.
মেয়েটা গান শেষ করতে পারলোনা, হাসিখুশি চেহেরাটা মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেলো। আমি উনাদের দুজনের মাঝে কোলবালিশ হতে চাইনা, তাই কেটে পড়লাম। চলে আসতে আসতে শুনতে পেলাম, ছেলেটা রাগ দেখিয়ে মেয়েটাকে বলছে, "বাহ! বাহ! এভাবে তো আমাকে কোনোদিন গান শুনাওনি? অজানা অচেনা একটা ছেলে গান শুনতে চাইলো আর প্যাঁ প্যাঁ করে গান শুনিয়ে দিলে?......."
.
অস্থির পরিবেশ আমার ভাল লাগেনা তাই পার্ক থেকে বেড়িয়ে এসে মোড়ের দোকানটা থেকে এককাপ চা খেয়ে মাথাটা ফ্রেস করে নিলাম। হাটতে হাটতে আবার গুনগুন করতে শুরু করলাম, "মধুর কিছু সময় যে জীবনে আসে, গুনগুন করে ওঠে মন কত আবেশে... মনে পড়ে যায়, কত স্মৃতি কত ছবি ভালবাসায়... ভরে যায় খুশিতে তখন এ হৃদয়.....।
.
.
.
.
লিখা: আমিম এহসান
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻŦুāϧāĻŦাāϰ, ⧍⧧ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž
4640
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧍:ā§Šā§Ģ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ