āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4053

গল্প: অভিমানী ভালবাসা,
লিখা: নাছরিন পাপিয়া,
,,
এই সময়টা হাটতে অনেকটা ভালো লাগে। চারদিকে বিকেলের সূর্য্য রক্তিম আভা ছড়ায়। প্রান খুলে নিঃশ্বাস নেয়া যায়। আমি নাছরিন পাপিয়া, ছোট করে পাপি বলে ডাকে সকলে। মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে আমি, কোনো মতে ইন্টারের গন্ডি পেরিয়ে অনার্সে পদার্পণ করেছি। সারাদিন কর্মব্যস্ততায় কাটানোর পর চিরচেনা সেই পার্কের দিকে হাটা দিলাম। আজ খুব ক্লান্ত লাগছে, দিনের অর্ধেকটা কলেজে কাটিয়ে বিকাল ৩-৫ টা অব্দি ২টা টিউশনি, নিত্যদিনের রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
,,
বাসা থেকে বিয়ের জন্য খুব চাপ দিচ্ছে। আর যেন আমাকে রাখাই যাচ্ছে না। আমিই এখন সবার বোঝা।আজ পার্কে যাচ্ছি বাবার কথা রাখতে। উনি আমার জন্য কোন জানি ছেলে দেখেছেন, তাকেই দেখতে যাওয়া। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে পৌছে গেছি ঠিক মনে করতে পারছি না। দক্ষিনের একটা বেঞ্চে একটা ছেলে খুব উৎসুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে পার্কের গেটের দিকে। হয়তো কারো জন্য অপেক্ষা করছে, হাটা দিলাম সেদিকেই,,,,
,,
পৌছোতেই ...
ছেলে: হাই পাপি, আমি রাইট??
আমি: ইয়েস, আপনি পিয়াল?
পিয়াল : জ্বী, এত লেট হলো যে? রাস্তায় কোনো প্রবলেম হয়নি তো?
আমি: আমি সরি, না কোনো প্রবলেম হয়নি আসলে টিউশনিতে লেট হয়ে গেলো।
পিয়াল: ইটস ওকে,,, তো কেমন আছো বলো?
আমি: জ্বী আলহামদুলিল্লাহ্,, আপনি?
পিয়াল : আলহামদুলিল্লাহ্, চলো ওই দিকটা একটু হাটি।
আমি: হ্যা অবশ্যই।
(একবার পিয়ালকে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত দেখে নিলাম। ছেলেটা ভালোই। যে কোন মেয়ে ১ম বার দেখলে ক্রাশ খাবে সিওর। ছেলেটা দেখতে হালকা পাতলা, ফর্সা গরন, লম্বায় স্বাভাবিক, খোচা খোচা দাড়ি, চুল গুলো ছোট করে কাটা এক কথায় মিস্টার পারফেক্ট। কিন্তু আমি কেন জানি ক্রাশ খেতে পারলাম না। হয়তো ফিলিংস গুলো সব মরে গেছে আর নয়তো ভোতা হয়ে গেছে)
,,
আমাকে চুপচাপ দেখে পিয়াল বললো----
পিয়াল: আচ্ছা তুমি কি সব সময় এমনি চুপ চাপ থাকো?? কিন্তু আমি যতদুর জানি তুমি অনেক বাচাল টাইপ।
আমি: হুম। (আর কিছু বলার ভাষা নাই)
এরপর আর বেশি কিছু কথা হয়নি। আর কিছুক্ষন হাটা হাটি করে উনি আমাকে মেসে রাখে গেলেন, আমি প্রথমে রাজি না হলেও উনার জোরের কাছে হার মানতে হলো।
পিয়াল আমার বাবার ছোট বেলার বন্ধুর ছেলে। কিন্তু বাবার এই বন্ধু আমার কাছে অপরিচিত। বাবার কথা মত পিয়াল খুব ভালো ছেলে। আর তাই পিয়ালকেই আমার বিয়ে করতে হবে। পিয়ালের বাবা মা ৫ বছর আগে একটা কার এক্সিডেন্টে মারা যান।
,,
পিয়ালের বাবা মায়ের আর কোনো সন্তান নেই এবং উনারা পালায় বিয়ে করার কারনে দুই পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন। তাই বলতে গেলে পিয়াল এখন একা। বিদেশে পি.এইচ.ডি কমপ্লিট করে সবে মাত্র দেশে ফিরেছে। কিছু চেনা জানা নেই আর বাবার বন্ধুর ছেলে বলে পিয়াল আমাদের বাসায় এসে উঠেছে। একা ছেলে বলে বাবা আমাদের বিয়েটা খুব তারাতারি দিয়ে দিতে চান।
,,
পিয়ালের একটা কথা এখনো আমার কানে বাজছে, ""আচ্ছা তুৃমি কি সব সময় এমনি চুপচাপ""।
আসলে গল্পটা কিছুটা অন্য রকম ছিল।
আমরা উত্তরায় একটা ভাড়া বাসায় থাকতাম। তখন সবে মাত্র আমি স্কুলে ভর্তি হয়েছি। এই বাসার মালিক ছিলেন সেলি আন্টিরা। উনি অনেক ভালো একজন মহিলা। উনার কোনো মেয়ে ছিলোনা, শুধু বজ্জাত একটা ছেলে ছিল। আন্টি আমাকে অনেক আদর করতেন। কিন্তু উনার ছেলের সেটা সহ্য হতো না। ওই বজ্জাতটা প্রতিদিন আমার সাথে ঝগড়া করে। এমনি একদিন বিকালে আমরা সব বন্ধুরা মিলে খেলা করছিলাম এমন সময় পিয়াল দা (সেলি আন্টির বজ্জাত ছেলেটা) পিছন থেকে এসে আমার খেলার পুতুলটা ভেঙ্গে দেয়। আমি যখন দেখলাম তখন পুতুলের এক অংশ পিয়াল দার ডান হাতে আরেক অংশ বাম হাতে। আমাকে দেখে পিয়ালদার সে কি হাসি,,, হাসির ফাকে বলেও দিলো ""কিরে পাপি পেত্নি! এবার কি নিয়ে খেলবি তুই!! হা হা হা""......
,,
আমি ওখান থেকে বাসায় এসে রুমের দরজা বন্ধ করে দিয়ে কান্না জুড়ে বসলাম। আম্মু দু-তিন বার আসছিল ডাকতে, কিন্তু আমি দরজা খুলিনি, কারন ওইটা আমার সবচেয়ে প্রিয় পুতুল ছিল। সন্ধ্যার দিকে সেলি আন্টি পিয়ালদা কে সাথে নিয়ে আসে আমাদের বাসায়। সুমি (আমার বন্ধু) আন্টিকে যায়ে বলে দিয়েছিল পিয়ালদা আমার পুতুল ভেঙ্গে ফেলছে। তাই আন্টি পিয়ালদা কে অনেক বকাঝকা করেন আর আমাদের বাসায় নিয়ে আসেন (অনেক পরে জানতে পারছিলাম)। এরপর আন্টি আমাকে আর পিয়াল দাকে নিয়ে মার্কেটে যায় এবং আমাকে অনেকগুলো পুতুল কিনে দেয়, ফুচকা খাওয়ায়, আর পিয়ালদা আমাকে অনেক চকলেট গিফট করে। রাত ৯ টার দিক আমরা বাসায় ফিরে আসি।
,,
এরপরের দিনগুলো ছিলো অন্যরকম। পিয়ালদা আর আমি অনেক ভালো বন্ধু হয়ে যাই। আমরা স্কুলের সময় বাদে বাকি পুরো সময়টা এক সাথে থাকতাম। ঝগড়া, ফাজলামি, মারামারি সব কিছু নিয়ে আমাদের দিন গুলো খুব সুন্দর কাটছিল। আমি আগে অনেক বাচাল ছিলাম, সারাদিন রাত পিয়ালদার কানের কাছে বকবক করতাম আর পিয়ালদা সেগুলো বিনা অভিযোগে হজম করতো।
,,
এভাবে দেখতে দেখতে তিনটি বছর কেটে গেলো। তখন আমি সবে মাত্র তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছি, আর পিয়ালদা নবম শ্রেনীতে। হঠাৎ একদিন সকালে উঠে দেখলাম পিয়ালদা দের বাসার সব জিনিস পত্র একটা বড় মতো গাড়িতে তুলা হচ্ছে। আমি পিয়ালদার সামনে যেতেই ও আমাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরলো আর কান্না শুরু করলো। আমি তো ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলাম, কারন শত কষ্টেও এই মানুষ টাকে আমি কখনো কাঁদতে দেখিনি। আজ হঠাৎ এমন কি হলো যার জন্য এমন পাগলের মতো কান্না করছে?
,,
আমি কিছু বলতে যাবো, তখনি পিয়ালদা আমার হাতে একটা ডাইরী ধরায় দিয়ে বললো,,
পিয়ালদা: যখন তুই আমার মতো বড় হবি, তখন এটা খুলে পড়িস তার আগে না কেমন!!
আমি: আচ্ছা
পিয়ালদা: খুব খুব ভালো থাকিস আর জীবনে অনেক বড় হবি কেমন?
আমি: এইটা কেমন কথা পিয়ালদা?
পিয়ালদা: তুই বুঝবি না এখনো ছোট আছিস। আমি গেলাম রে!!
,,
কিছু যে বলবো আমাকে সেই সময় না দিয়েই গিয়ে ছোট গাড়িটার ভিতর ঢুকে পরলো। আমি সাতপাঁচ না ভেবে দৌড়ে বাসায় আসলাম। এসে দেখি বাবা, মা, আংকেল, আন্টি কোন বিষয় নিয়ে জানি কথা বলছে। আমি যেতেই সেলি আন্টি প্রতিদিনের মতো আমাকে দুটো চকলেট দিলো আর আমিও আন্টিকে স্বভাবতই দুই গালে আদর করে দিলাম। আন্টিও কান্না করতে করতে আমার মাথায় হাত বুলায় দিলেন আর বললেন ""পাগলি মা আমার ভালো থাকিস""।
,,
তারপর তারা ওই ছোট গাড়িটা করে চলে গেলেন। মাকে যত বারই প্রশ্ন করেছি মা সেলি আন্টি, পিয়ালদা কোথায় যাচ্ছে? কবে আসবে? মা শুধু বলতো মেহমান বাসায় গেছে সময় হলে চলে আসবে। এরপর আর কখনো প্রশ্ন করা হয়নি বুঝতে পেরেছিলাম আমি আমার সবচেয়ে বন্ধুটিকে হারালাম। তখন থেকে আমি চুপচাপ, দরকার ছাড়া খুব একটা কথা বলিনা।
,,
পিয়ালদার কথা মত জে.এস.সি পরিক্ষার পর সেই ডাইরীটা খুলে পড়ছিলাম। সেখানে শুধু আমাকে নিয়েই লিখা শেষ পাতায় লিখাটা ছিল এমন----
"এই পাপি পেত্নি, সারাজীবন তোর বকবক আর মাইর হজম করার দায়িত্বটা আমাকে দিবি? কথা দিচ্ছি সারাজীবন তোর তোর পুতুল কেনার দায়িত্বটা নিবো।"
সেদিন খুব হাসতে ইচ্ছে করছিল, কিন্তু চোখ দুটো কেন জানিনা বারবার অশ্রুশিক্ত হচ্ছিলো। কারন মনে মনে তো আমিও পিয়ালদাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম।
,,
এভাবেই কেটে গেলো এগারোটা বছর। এর মাঝে অনেক প্রপোজাল পেয়েছি কিন্তু কখনোই আর কাউকে মনে ধরেনি। বাবার কাছে অনেক বিয়ের প্রস্তাব আসে বাট বাবা সবাইকে না করে দিতো। আমার এখনো বিয়ে করার কোনো ইচ্ছে নেই কারন মনের মাঝে যে শুধু পিয়ালদাই আছে। সেই স্থান অন্য কাউকে দেই কি করে? কিন্তু বাবার মুখের দিকে চেয়ে আর না করতেও পারছিনা। এই একটা মানুষ যে নিজের সুখের কথা না ভেবে আমাদের দুই বোনকে বড় করেছেন। তাই বাবার জন্য আমার এতো বছরের পুষে রাখা ভালোবাসাকে বিসর্জন দিতে হবে।
,,
হঠাৎ ভাবনায় ছেদ পরলো বাবার ফোনে..
আমি: হ্যা বাবা বলো।
বাবা: কিরে মা কি করবি ভাবলি? পিয়াল কিন্তু আসলেই অনেক ভালো ছেলে।
আমি: হুম বাবা,, তুমি যা ভালো বুঝবা তাই করো। এখানে আমার কিচ্ছু বলার নাই।
বাবা: তাহলে সামনের শুক্রবার তোদের বিয়ের দিন ঠিক করি? (অনেক খুশি হয়ে বললো)
আমি: আচ্ছা।
বাবা: তাহলে আমি রাখছিরে মা, আমার আবার অনেক কাজ আছে।
আমি: আচ্ছা রাখ।
,
ফোনটা কেটে গেলো, সাথে একটা দায় থেকে মুক্তি পেলাম। এখন শুধু বিয়েটা হওয়ার অপেক্ষা। কেন জানিনা মনে হচ্ছে এই পিয়াল আহমেদ আমার পিয়ালদা!
ধুর কি যে ভাবি না আমি, আমার পিয়ালদার এখনো আমার কথা মনে আছে নাকি। আর এই পিয়াল তো বিদেশ থেকে এসেছে আমার পিয়ালদা বিদেশে কি করতে যাবে?
,,
দেখতে দেখতে আমার আর পিয়ালের বিয়ের দিন ঘনিয়ে আসছে । কিন্তু আমার মধ্যে কোনো অনুভূতিই কাজ করছে না। বিকাল থেকে বাসায় অনেক মানুষের ভীড়, সকলে নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত। এই প্রথম হয়তো কোনো ছেলে আর মেয়ের এক বাড়ি থেকে বিয়ে হচ্ছে।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথেই হলুদ পর্ব শুরু হলো, আর আমাকে হলুদ শাড়ি পরিয়ে সং সাজিয়ে মঞ্চে বসিয়ে দেওয়া হলো। যে যেমন পারছে আমার সারা মুখে হলুদ দিয়ে দিচ্ছে। আবার কেউ কেউ দুষ্টমিও করতে একটুও ছাড়ছে না, খুব রাগ হচ্ছে আমার। পিয়াল কে দেখলাম বারবার আমার দিকে তাকাচ্ছে আর হাসছে। ইচ্ছে করছে সব হলুদ গুলো ওর মাথায় ঢালি! কিন্তু তাতো করতে পারবো না। কারন আমি খুব ভদ্র মেয়ে।
,,
রাত প্রায় সাড়ে বারোটা অব্দি চললো এই হলুদ পর্ব। নিজেকে খুব ক্লান্ত লাগছে, একটু ঘুমতে পারলে ভালো হতো। এই ভেবে যেইনা রুমে ডুকলাম....আমার হার্টএটাক হওয়ার মতো অবস্থা!! আমার সারা রুমটা পুতুল আর রজনিগন্ধা ফুল দিয়ে সাজানো, সাথে দুই বক্স চকলেট। কিন্তু এসব কে করলো? ভাবতে ভাবতে বিছানার কাছে গেলাম ওখানে একটা ছোট্ট চিরকুট! যেখানে বড় বড় করে লিখা ওই পাপি পেত্নি একটু ছাদে আয়না?
,,
সাত পাঁচ না ভেবে দিলাম ছাদে দৌড়। কিন্তু কই? এখানে তো কোথাও কেউ নেই!
: কাউকে খুজছো?
আমি : কে? ওহ্ আপনি।
পিয়াল: জ্বী মেডাম আমি। তো আপনি না ঘুমিয়ে এখানে যে?
আমি: হ্যা না মানে,,,
পিয়াল : হুম বলো।
আমি: কিছু না, আমি এখন আসি বাই (বলেই ঘুরে যেই না হাটা দিলাম ওমনি হাত ধরে)
পিয়াল: কিরে পেত্নি আমাকে একা রেখে চলে যাবি?
আমি : পিয়ালদা!! (অবাক হয়ে)
,,
পিয়াল কিছু না বলে হাটু গেড়ে বসে, হাতে একটা পুতুল নিয়ে ঠিক প্রপোজ করার মত করে পুতুলটা আমার দিকে বারিয়ে দিয়ে বললো....
""এই পাপি পেত্নি! সারা জীবন তোর বকবক আর মাইর হজম করার দায়িত্বটা আমাকে দিবি???""
আমি: হুম দিবো তো বজ্জাত ছেলে একটা। (খুশিতে কান্না করে দিয়ে। পিয়ালদাকে তুলে ওর বুকে কিলঘুসি দিতে দিতে)
পিয়ালদা: এই ছাড় ছাড় লাগছে তো আমার!
আমি: লাগুক তোমার, এইটা তোমার শাস্তি। আমাকে এত কষ্ট দিলা কেন???
পিয়ালদা: আচ্ছা বাবা সরি, আর হবে না।
আমি: সত্যি তো??
পিয়ালদা: হুম তিন সত্যি।
আমি: আচ্ছা ছাড়লাম যাও!
পিয়ালদা : ছাড়বো কি এখনো তো ধরলামই না
আমি: ধুর! (মুখ লুকায়)
পিয়ালদা: পাগলি (জড়ায় ধরে)
আমি: পাগল!
পিয়ালদা: আমার পাগলি!
আমি: আমার পাগল
এরপর দুজনই এক সাথে হেসে দেই।
,,
,,
বিঃদ্রঃ- এরপর দুটি অব্যক্ত মনের মিলন ঘটলো। এখন শুধু অপেক্ষার পালা সকাল হওয়ার তারপর সামাজিক স্বীকৃতিতে তাদের বিয়ে হবে।
,,
,,
,,
[ কিছু রাত ক্লান্ত শরীর নিয়েও প্রিয় মানুষের সাথে কাটাতে মন্দ লাগে না। বরঞ্চ পরম শান্তি অনুভব করা যায়।]

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ