★13★গল্প: ভবিষ্যৎ বউ
লেখক:Sheikh Afran
আমি এমদাদুল ইসলাম. অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র।
পরিবারে সবাই আছে শুধু নেই আমার বাবা।
পরিবারের সবাই থাকে গ্রামে,, পড়াশুনার জন্য আমি
থাকি সিলেটে। মেসে উঠেছি , রুমমেট আছে দু জন
শ্রদ্ধেয় বড় ভাই,, আলিনুর ও পিয়াল
দুজনই ছোট ভাইয়ের মত দেখে আমায়।
রাতে বসে আছি এক সাথে ,
আলিনুর ভাই : এমদাদ একটা সমস্যার মধ্য আছি?
আমি : কি সমস্যা ভাই?
::: আরে আমার ফাইলান পরিক্ষা সামনে, এর মাঝে
টিওশনি ও আছে কি করে চালাই।
আমি : তাহলে না করে দেন
::: হুম দিয়েছিলাম , কিন্তু
: কিন্তু কি ভাই?
::আরে ছাত্রীর পরিক্ষা ও সামনে
ওরা চাচ্ছে আমি তাদের একজন সাময়িক শিক্ষক দিতে
তাই আমি বলে দিয়েছি যে তুই যাবি
: ভাই আমাকে কেন
: আরে যা না দেখবি ভাল লাগবে
:ঠিক আছে!
: তুই কাল যাচ্ছিস, আমি বলে দিয়েছি।আর শুন
খালাত বোন আছে একটা দেখিস
:ভাই কি যে বল না
: আরে লজ্জা পেতে হবে না।
---------------
আলিনুর ভাইয়ের ঠিকানা অনুযায়ী চলে এসেছি
:কলিংবেলে চাপ দিয়ে দাড়িয়ে আছি,,,কেউ খুলছে না।
দরজায় নক করলাম?
:::কাকে চাই (একটা মেয়ে)
আমি :: জি আমি তাসনিয়ার নতুন শিক্ষক।
::দূঃখিত স্যার,,, আমি চিন্তে পারিনি ভিতর আসুন
:ঠিক আছে,, সমস্যা নেই
দেখতেই বুঝতে পারছি আমার ছাত্রী খুব পরিষ্কার।
যার জন্য ছাত্রী আমার পছন্দ হয়েছে।
তাসনিয়া কে আজ গণিত বই র বীজগণিত পড়াচ্ছি
কাজের মেয়েটা এসে চা দিয়ে গেছে,,,,,,, আমি চা খাচ্ছি ,,, আর নতুন ছাত্রীর সাথে কথা বলছি
ছাত্রী : স্যার আপনি কোন বিষয় নিয়ে পড়েছেন
আমি :ব্যবসায় শিক্ষা
:তাহলে স্বর্ণা আপু কে আপনি হিসাববিজ্ঞান
দেখিয়ে দিতে পারবেন,, আমরা ত ওনার জন্য স্যার
খুজছিলাম।আপু ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়েন।
;আমি আসছি তুমাকে পড়াতে,,কিন্তু
: না না স্যার না করতে পারবেন না
: ঠিক আছে,, পড়াব
:ধন্যবাদ স্যার
:হুম, এখন পড়,,, আর বাড়ির কাজ যা দেই তা কিন্তু
করতে হবে না হলে হবে না।
: ঠিক আছে স্যার!
টিওশনি শেষ করে মেসে চলে আসলাম
এসেই আলিনুর ভাইয়ের বাক্য
আলিনুর : কি খবর এমদাদ প্রথম ম্যাচে কেমন হল
আমি : না ভাই,, শুধু পড়ালাম
পিয়াল : তুই'ত এখন আর কিছু বলবি না
আমি : কি যে বল না ভাই,,, আমি আর প্রেম
এটাত ভাবাই আমার লাগি পাপ মনে হয়
আলিনুর : সমস্যা নাই আস্তে আস্তে করলেই হবে
আজ আবার যাচ্ছি টিওশনিতে,,,, কলিংবেল চাপ দিয়েছি,,, আজ আর অপেক্ষা করতে হচ্ছে না
দরজা খুলেই দিছে,
তাসনিয়া আর স্বর্ণা দু জনই বসে আছে আর
আমি পড়া দেখিয়ে দিচ্ছি। অবশ্যই স্বর্ণা মেয়েটা চোখ
তুলে এক বার থাকায়নি। বইয়ের মধ্যই ডুবে আছে
আর আমি থাকে দেখছি। অবশ্য মেয়েটা অসম্ভব
সুন্দর আর সবসময় হিজাব পড়া থাকে,যার ফলে আরও সুন্দর লাগছে,,
একমাস ধরে দু জন কে পড়াচ্ছি। এর মাঝে এদের
পরিক্ষাও চলছে। এই এক মাস আমি শুধু স্বর্ণা কে
দেখেই গেছি,,,, পড়াশুনার বাইরে কথা বলি নি।
তবে হে আমার মনে হয় কিচ্ছুটা আন্দাজ করতে
পেরেছে,,,,,,
মেসে শুয়ে বই পড়ছি হুমায়ূনের হিমুর সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য ,,, এর মাঝে মোবাইলের তিব্র আওয়াজে
বই পড়াতে সমস্যা হল
মোবাইল হাতে নিয়েছি নাম্বার টা সেইভ নায়,,,,,
কলটা কেটে যাওয়ার আগে ধরে ফেললাম
আমি :আসসালামু আলাইকুম
:::ওয়ালাইকুম আসসালাম(মেয়েলি কন্ঠ)
:: কাকে চাই
: আপনাকে
: দূঃখিত আপনি ভুল নাম্বারে কল করেছেন রাখছি
: ও হেল্ল আমি সঠিক নাম্বারে কল করেছি,, আপনি
মি,এমদাদ নাহ
:হে কিন্তু আপনে আমার নাম জানলেন কি করে। আর আমি আপনাকে চিনি না।
': চিন্তে হবে না ( কেটে দিল)
(আজব মেয়েত)
টিওশনিতে যাচ্ছি
কলিংবেলে চাপ দেয়া মাত্র খুলা হল দেখি
স্বর্ণা দাড়িয়ে আছে। মনে হচ্ছে আমার অপেক্ষায় ছিল।
স্বর্ণা : আসসালামু আলাইকুম
আমি ; ওয়ালাইকুম আসসালাম
: কেমন আছেন
: হে ভাল,, তুমি কেমন আছ
: এখন। ভাল আছি.।আসুন
( এখন ভাল আছি মানে,, এসব কি বলে মেয়েটা)
তাসনিয়া পড়ছে আর স্বর্ণা আমার দিকে বার বার
থাকাচ্ছে। কেমন যেন লাগছে
আজ তারাতারি টিওশনি শেষ করে চলে আসলাম
মেসে এসেই, ঘুম বাবাজির কাছে ধরা দেওয়ার আগেই
আমার মোবাইল বাবাজি বেজে উটলেন।
আমি : আসসালামু আলাইকুম,কাকে চাই
: ওয়ালাইকুম আসসালাম।আপনাকে
: আপনি আবার কল করেছেন,,,বোন বলেন
আপনার কি ক্ষতি আমি করেছি, যে এভাবে আমাকে
শাস্তি দিচ্ছেন
:এই ছেলে তুমি আমায় বোন ডাকলা কেন
( বলেই কল কেটে দিল)
আমি পরলাম মহা যন্ত্রনায়,কি যে করি
আজকে ও টিওশনিতে আসলাম,,,,,,,
কলিংবেলে চাপ দিতেই দরজা খুলা হল
ওপারে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি
স্বর্ণা : ভাইয়া কেমন আছেন
আমি : ভাল। তুমি কেমন আছ( এই মেয়ে আজ ভাইয়া
ডাকছে কেন,
ইসস এই বার আমার মাথায় ডুকছে, কে আমারে
কল দিয়া জ্বালাতন করে,,,,,দাড়াও মজা বুঝবা
:আজ না শরিরটা একটু খারাপ লাগছে হে কাল পড়াই
তাসনিয়া: ওহহ তাহলে স্যার আজ না
কাল পড়ব
আমি :হে বেশি ভাল লাগছে না মাথাটা ও না ঘুরছে,,
বের হয়ে সুজা মেসে চলে আসলাম।আলিনুর ভাইয়ের
সাথে কথা বললাম কি করা যায়?
পরেরদিন,,টিওশনিতে আমি যাইনি,,,,, আলিনুর ভাইকে
পাটিয়েছি,,,,,
কি কি বলতে হবে,, সব বলে দিয়েছি
মোবাইলটা ওফ করে,,,, লম্বা একটা ঘুম দিলাম
ঘুম থেকে উটেতে প্রায় সন্ধা হয়ে এসেছে
এখন মোবাইলটা অন করা যায়,,,,
অন করতেই (মিসকল এলার্ট লাগানো ছিল)
স্বর্ণা বেগমের নাম্বার থেকে ১২৫ টা মিসকল
বাপরে ধৈর্য আছে মেয়েটার,,,,,,,,
কল ব্যক করলাম সাথে সাথে রিসিভ
আমি : কে আপনি এত কল কেন হে
স্বর্ণা ':এই কথা কম তুমি এখন কোথায় :
: সেটা অব্যশই আপনাকে বলব না
: ওই ভালয় ভালয় বল তুমি কোথায়,নইলে
:নইলে কি হে
:নইলে,, হে বলনা কোথায় (কেঁদে কেঁদে)
:আমি মেসে
:আমি আসছি
দশ মিনিট পর
মেসের কলিংবেল টা তিব্র আওয়াজ দিচ্ছে
দরজা খুলা মাত্র আক্রমণ
আমি:ভাই কেউ আমারে বাচা
স্বর্ণা : কে আসবে হে।
আমি :বোন আমাকে ক্ষমা,,,,কর,,
::আমি বোন,,, ওই আমি বোন
::তাইলে
:বল, আমার ভবিষ্যৎ বউ আমাকে ক্ষমা কর
আমি আর এসব করব না
:এহ
:এহ না হ্যা
:হুম কইরাম, আমার ভবিষ্যৎ বউ আমাকে ক্ষমা কর
: ওই বেটা সুজা কথা কানে যায় না
;এই তুই তুকারি কারে কর হে,,
:কেন আমার ভবিষ্যৎ জামাই রে কই
: চুপ মাইয়া কম কথা বলবি
:ওই ছিনস আমারে, মাইরা হাত পা ভেংগে ফেলব
:ওই মাইয়া আমার যে বউ আছে একটা
(আলিনুর ভাইরে বলছিলাম মিথ্যা কথা বলতে যাতে স্বর্ণা একটু কস্ট পায়, কিন্তু মাইয়াত হাসে
:আলিনুর ভাইয়ে সব বলছে আমারে!
এখন আমারে প্রপোজ কর
( ভাই আমার সাথে বেঈমানি)
আমি: পারব না
স্বর্ণা : কি কইলি
আমি :না করতেছি
আমার সাদা ক্যানবাসের রংধনু কি হবা
স্বর্ণা : অবশ্যই হব!
,,,,,,,,,,,,আমার প্যারার জিবন শুরু,,,,,,,,,
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ