āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§Ē āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4013

(২৯)গল্প:দাদুর প্রেম!
লেখক: শেখ আফরান

--আসসালামু আলাইকুম, দাদু?
--ওয়ালাইকুম আসসালাম। কেমন আছ দাদা ভাই?
--ভাল,তুমি কেমন আছ?
--আলহামদুলিল্লাহ, ভাল আছি।
--আর দিদা কেমন আছে?
--হ্যা, ভাল আছে
--তা এতদিন পর দাদুর কথা মনে পড়ল,
--হ্যা,
--তা কি মনে করে?
--বাবার একটা কথা শুনে,
--কি কথা?
--তুমি আর দিদা না কি প্রেম করে বিয়ে করেছিলে?
--হ্যা,
--আমি সেই প্রেমের গল্প শুনব,
--হঠাৎ আমাদের প্রেম নিয়ে পড়লি কেন,কি বেপার
তুই আবার কাউকে ভালবাসিস না কি?
--না,বাবার মুখে শুনে কৌতূহল হচ্ছিল,তাই পুরু কাহিনী শুনতে চলে এলাম।
--ঠিক আছে বলব,তার আগে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা কর?

হুম,ফ্রেশ হওয়া যাক, তার মাঝে পরিচয়টা দেয়া যাক,
আমি শেখ আফরান, এবার অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র।
যার সাথে কথা হল, ইনি হচ্ছেন আমার দাদু মোঃ
মতচ্ছির আলী, যার প্রেমের কাহিনীটা আমার অজানা,
আর সেই অজানাকে জানতেই আমার এখানে আসা।

ফ্রেশ হয়ে চলে গেলাম দাদুর শোবার ঘরে,
--এখন বল?
--এখানে না,
--তাহলে?
--চল,সামনে নদী রয়েছে,নদীর পাড়ে বসে গল্প করব।
--ঠিক আছে চল।
নদীর পাড়ে এসে দুজনেই বসে পড়লাম সবুজ ঘাসের চাদরে,
--এবার বল,?
--তর দিদার সাথে পরিচয় হয়েছিল খুব অদ্ভুতভাবে,
সংগ্রামের পরের বছরের কথা,
--তাহলে যুদ্ধও করেছ,
--হুম,করেছি।
--তারপর.....
--সেইদিনের কথা আমার আজও মনে পড়ে, যেইদিন
তর দিদার সাথে প্রথম পরিচয়, সে আমাদের পাশের
গ্রামের মেয়ে।নাম তার জুবেদা,
--তারপর..
--সেদিন আমি রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম,তর দিদার বাড়ির পাশ দিয়ে, হঠাৎ চোখে পড়ল একটা মেয়ের দিকে,,পড়নে ছিল টকটকে লাল একটা সুতির শাড়ি,
পায়ে আলতা,কপালে টিপ, একদম লাল পরীর মত,
ছোট একটা  ঘরের খুটি ধরে দাঁড়িয়ে ছিল।
আমি আনমনা তার দিকে চেয়ে হাটছিলাম,
হঠাৎ পায়ে কোন কিছুর আঘাতে মাটিতে পড়ে যেতে হল।
--তারপর..
--মাটিতে পরা থাকা অবস্থায় চেয়ে দেখি সেই রমনীর মুখে এক চিমটে হাসি ফোটে উঠেছিল। যা আমাকে
দিশেহারা করে ফেলছিল।আমি ভুলে গেছিলাম যে
পা  থেকে লাল অশ্রু ঝরে পড়ছে।
--তারপর...
--হঠাৎ দেখলাম সেই রমনীর মুখে,চোখে ভয়ের একটা চাপ।
--তারপর.
--দৌড়ে এসে আমার সামনে দাঁড়াল, আর আমাকে বলল -
--তোমার তো পা থেকে রক্ত পড়ছে!

আমি আনমনা এখনও থাকে দেখে চলেছি,
সে তার শাড়ির আচল থেকে এক টুকরো কাপড়
ছিঁড়ে আমার পায়ে বেধে দিয়েছিল,কিন্তু আমি তখনও তার  মুখের দিকে চেয়েছিলাম, যা দেখে মেয়েটা অনেকটা লজ্জা পেয়েছিল, দৌড়ে গিয়েছিল তার বাসস্থানে।
অনেকটা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আমি উঠে চললাম আমার গন্তব্যে, মনে সেই মেয়েটার প্রতিচ্ছবি নিয়ে।
--প্রথম দেখাতেই,এতকিছু
--হ্যা,
--তারপর..
--তারপর, আমি রোজ তাদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাতায়াত শুরু করে দেই,
--তা সেই রমনীকে কি দেখতে?
--হ্যা,ওই একই রকম ভাবে।প্রতিদিন ওদের বাড়ির সামনে আসতেই ওই ঘরের খুটি ধরে দাঁড়িয়ে থাকত।
আমিও তাদের বাড়ির সামনে এসে হাটার গতি কমিয়ে,
আড়চোখে থাকিয়ে দেখতাম,কখনও বা কোনো কিছুর
বাহানায় দাঁড়িয়ে থাকতাম।
--কখনও কথা বলনি,
--বলেছি, তবে অল্প।কেননা তখনকার সময় মেয়েরা খুবই লজ্জাশীল ছিল,আর তোদের মত এই দূরবাস
যন্ত্র গুলা তেমন ছিল না,ওই দেখা হলেই যা কথা হবার হত।
--ভালবাসি প্রথমে কে বলেছিলে,
--শুন,ওই সময়ের মেয়েরা ছিল খুবই লজ্জাবতী, যার কারণে মুখ ফোটে কিছু বলতে পারত না,তাই আমিই
প্রথমে বলেছিলাম ভালবাসি,।
--তখন দিদা কি বললেন,
--ও কিছু বলেনি, শুধু হ্যা সম্মতি জানিয়ে পালিয়েছিল।
--ওহ,তারপর..
--তারপর আর কি, প্রতিদিন কথা হত,অনেক সময় বন্ধুর সাহায্যে কথা বলতাম,কলসি দিয়ে পানি নেয়ার সময় আড়চোখে দেখতাম।
--তোমার বাবাকে বললে কিভাবে?
--সে এক করুণ কাহিনী
--দাদু কৌতূহল বেড়েই চলছে,বল?
--শুন, তারপর ওর সাথে কাটানো মুহূর্ত গুলা বারবার মনে পড়ে।নিশিরাতে স্বপ্নে দেখা দিত।আমার এখন মনে
হলে হাসি পায় সে রাতের কথা।
--কোন রাত
--যে রাতে প্রথম স্বপ্নে দেখি তর দিদাকে!
--তাড়াতাড়ি বল?
--আমি আর বাবা একি খাটে নিদ্রারত ছিলাম,কেননা সেদিন মেহমান ঘরে।ঠিক নিশি রাতে স্বপ্নে তর দিদাকে
জড়িয়ে ধরেছিলাম।আর ওর নাম ধরে ডেকে ছিলাম।
--তারপর..
--তারপর নিদ্রা বিচ্ছন্ন হলাম বাবার চিৎকারে, উঠে
দেখি আমি স্বপ্নে ওকে ভেবে বাবাকে জড়িয়ে আছি।
তখনই বাবা বলে উঠলেন,
--জুবেদা কে?
--কে কে  জুবেদা,
--নিদ্রারত অবস্থায় তো এই নাম ধরেই ডাকলি!
--বাবা আপনি মনে হয় ভুল শুনছেন?
--হতে পারে!
তখনই তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ছিলাম।কিন্তু বাবার দিকে চেয়ে দেখি মুচকি হাসছে।
--দাদু, হাসি তো আমারও পাচ্ছে, তারপর...
--তার কয়েকদিন পরেই বাবা আমাকে বিদেশ পাঠাতে
চেয়েছিলেন।টাকা গুলা ও অনেক কষ্টে জোগাড় করেছিলেন।
--তাহলে বিদেশও গিয়েছিলে
--হ্যা,তিন মাসের জন্য
--তিন মাসের জন্য মানে?
--বলছি,শুন।
বাবা আমাকে সৌদি আরব পাঠিয়েছিলাম, ভাগ্যের সন্ধানে।
--আর দিদা,মানে ওই রমনী
--আমি শেষ যে বার ওর সাথে দেখা করি,সেদিন অনেক কেঁদেছিল, আর প্রথম স্পর্শ করেছিল আমায়।
--তারপর.
--সৌদি তিন মাস কাজ করার পর এক বন্ধুর সাহায্যে জানতে পারি ওর বিয়ে ঠিক হতে যাচ্ছে।ঠিক তার পরেরদিন আমি দেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।
বাড়িতে আসার পর সবাই আমার দিকে অবাক হয়ে চেয়েছিল,কিন্তু আমি অবাক হইনি।
--আর দিদা,
--তারপর সঙ্গে সঙ্গে চলে গেলাম সেই রমনীর কাছে।
গিয়ে দেখি এখনও সেই খুটি ধরে দাঁড়িয়ে আছে,কিন্তু
সেই সরল মুখে আজ নেই হাসি,আছে শুধু বুক ভরা
হাহাকার আর কান্না। আমাকে দেখা মাত্রই সেই মুখে
হাসির ঝলক দেখা গিয়েছিল।
তারপর সব সমস্যার সমাধান ঘটিয়ে ঘরে তুললাম
সেই রমনী মানে তর দিদাকে।
--তোমার বাবা কিছু বলেননি?
--আমার সাহস দেখে, বাবা শুধু হ্যা বলে সম্মতি জানিয়ে ছিলেন।
--তোমাদের প্রেম তো লাইলি-মজনু, থেকে কম নয়।
--সেটা জানি না,তবে এটা জানি যে আমি থাকে নিজের
থেকেও বেশি ভালবাসি।

--কতক্ষণ ধরে খুজতেছি আর তোমরা এখানে।(দিদা)
--কি বেপার দাদু, দিদার প্রেম তো উপচে পরছে।
--ওরে হতচ্ছাড়া, মুখে দেখি কথার খই ফোটছে, তা কি কথা হচ্ছে শুনি?
--কি আর হবে,দাদুকে কিভাবে পটিয়েছ তাই শুনলাম
--কি???
.......সমাপ্তি.....

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ