āϰāĻŦিāĻŦাāϰ, ā§§ā§­ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3866

#সত্য ঘটনা অবলম্বনে।
#ভুক্তভোগী : প্রিয়াঙ্কা।
#লেখা: Umme Nipa

একসময় ঝগড়া হলেই আবিদটা ফোন অফ করে রাখতো।
আমি ও নিজের দম্ভ ধরে রাখার জন্য কল দিতাম না।
শুধু একটা মেসেজ দিয়ে বার বার ফোনের দিকে তাকাতাম রিপ্লাই এসেছে কিনা।
এভাবে ৩-৪দিন শুধু মেসেজ আদান প্রদান ই হত।
শেষে সবসময় ও ই কল দিত...
যদিওবা মনে মনে আমি খুব চাইতাম...প্লিস আবিদ একবার কল দেওনা...প্লিস...

আমার সাথে রাগ করেই দেখা যেত ও ফেবুতে বিভিন্ন মেয়েদের সাথে কথা বলতো...

শেষবার ও আমাদের ঝগড়া হয়েছিল এক মেয়েকে কেন্দ্র করে।
মেয়েটি ওর পিক এ লাভ ইমো দিয়েছিল এ নিয়ে।
আমার ভয় ছিল আবিদ কে হারাবার।
তাইতো সন্দেহ।সেদিন সেটা ওর কাছে সামান্য মনে হলেও ওই লাভ ইমোর কাছে আমার ৩বছরের ভালোবাসা হেরে গিয়েছিল।
আবিদ আর মেসেজ এর রিপ্লাই দেয়নি।
আমি না পেরে কল দিয়েছিলাম।
সারারাত কল দিয়ে আমি ওয়েটিং পেয়েছি...

বুঝে গিয়েছিলাম আমার জায়গা অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে।
আমি আর আমার জায়গাতে নেই।

দিন দিন আমি হতাশাগ্রস্থ হয়ে গেলাম।
আবিদ কে জিজ্ঞেস করলাম আমায় এড়ানোর কারন কি?

ও শুধুই বলতো আমি সন্দেহ করি বেশি। যেখানে সন্দেহ আছে সেখানে ভালোবাসা নেই।

ও তখন ও শক্ত গলায় বলতে পারেনি তিথি আমি যে অন্য কাউকে ভালোবেসে ফেলেছি।
তুমি যে আর আমার মনেতে নেই...

দোষটা আমার উপর চাপিয়ে দিয়েই চলে গেল...

আমি তারপর থেকে সারারাত ই কাঁন্না করতাম।
রাত জাগা আমার রক্তে ছিল।তাই রাত টা জেগে জেগে বালিশ ভিজাতাম।
ওর পছন্দের গান শুনতাম।তবুও ওর কাছে ভালোবাসার ভিক্ষা আমি চাইনি।মরে যাব তবুও নিজেকে আর ছোট করতে পারিনি।

৫মাস পর আবিদকে নিয়ে বাজে স্বপ্ন দেখে আমার ঘুম ভেঙে যায়।
আমি অনেকটা ঘুমের ঘোরেই ওকে কল দেই।

রাত ৩:৩০।
আগে আবিদ এ সময় ফোন বন্ধ করে ঘুমাতো।আমায় বার বার বলতো তিথি আমি তোমার মতন অগোছালো নই।আমি রাতে ঘুমাই।তুমি একটা বাজে অভ্যাস করে বসেছো।

আমি বলতাল,সব প্রেমিক-প্রেমিকা রাত জেগে কথা বলে আবিদ।

তখন আবিদ উঠেই বলতো তাদের ভবিষ্যৎ এর চিন্তা নেই।
দুজন ই জীবন নিয়ে খেলে...

কিন্তু আজ এখন আবিদ এর ফোন শুধু ওপেন ই নয়।
যথাযথ ওয়েটিং।

বুকের ভিতর ঘা টা খুব প্রখর ছিল যার কারনে ৫মাসেও ব্যাথা আমি একই অনুভব করেছিলাম।

৫বার কল দেওয়ার পর আবিদ রিসিভ করলো।
সাথে কনফারেন্স এ আরেকজন কেও এনেছে।
আমি বুঝে গিয়েছিলাম,আমায় অপমান করার জন্য আরেকজনকে আয়োজন করে যুক্ত করেছে।

আগে এমনটা আমি করতাম।
আবিদ এর ফোনে অচেনা কেউ কল দিলে আবিদ আমায় কনফারেন্স এ আনতো।
আজ আমি অচেনার জায়গায় চলে এসেছি আর অন্য কেউ আমার জায়গায়।

আমি বললাম আবিদ শুনছো?

ওপাশ থেকে আমি আবিদ এর নিঃশ্বাস এর শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম।
এক মেয়ে কন্ঠে উঠেই বলে,এতো রাতে ভালো মেয়েরা কোন ছেলেকে কল দেয়?

আমি বললাম: কে আপনি?

মেয়ে: আমি আবিদের স্ত্রী।

আমার লজ্জা লাগছিল না।
আমার আনন্দই হচ্ছিল।কারন এককালে আমিও নিজেকে আবিদের স্ত্রী বলে পরিচয় দিতাম..

আমি: আচ্ছা সরি ভাবি।আবিদ আমার ছোট ভাইয়ের মতন ই।তাই কল দিলাম।কথা বলুন বলে রেখে দিলাম।

পৃথিবীতে আপনি যাকে যতটুকু মূল্যায়ন করবেন সে তার ততটুকু অবহেলা আপনাকে ফিরিয়ে দিবে।পরের দিন সকালে আবিদ আমায় মেসেজ দিয়েছিল,তিথি ভাববে আবিদ মারা গেছে।তুমি নতুন করে জীবন শুরু করো।

এমনটা কিন্তু আবিদ আমায় কথা দেয়নি।
আমায় ছেড়ে দিয়ে নতুন করে শুরু করতে বলবে এ কথা আমায় সে কখনই বলেনি।আমার হাত ধরে বাকি পথ চলার কথাই বলেছিল।মানুষ এর মন..কখন কার জায়গা কাকে দিয়ে দেয় বলা বেশ মুসকিল।

এর পর ২বছর কেটে গেলো। আমি আবিদকে আর কখনই কল দেইনি।
মাঝে মাঝে ফেবুতে ইচ্ছে হত ওকে দেখতে তাই রাগ করে ব্লক দিয়েছিলাম।

আজ আমি একেবারেই ঘুরে দাড়িয়েছি।
আজকাল রাত জাগাটাও হয়না।
আর কারো মেসেজ এর আশায় ও থাকিনা।

ভোর ভোর ঘুম ভাঙলো কারো মেসেজ এর শব্দে।

ঘুম চোখে ফোন হাতে নিয়ে দেখি আমার চিরচেনা নম্বর থেকে মেসেজ দিয়েছে,তিথি এখনো কি তুমি রাত জাগো?

যখন আমি রাত জেগেছিলাম তখন কেউ ফিরেও দেখেনি।
আজ আমি কষ্ট থেকে বের হয়ে এসেছি আজ খবর নিতে ঠিক ই মেসেজ দিয়েছে।
আমি আর কোন রিপ্লাই দেইনি।

ওকে বুঝতে দিলাম রিপ্লাই না পেলে কতটা যন্ত্রনা লাগে।

সকাল থেকেই বার বার কল দিচ্ছে।
এভাবে কখনই কল দেয়নি আমায়।

রিসিভ করে বললাম: কে বলছেন?

আবিদ: তিথি ভুলে গেছো আমায়?

এতবছর পর ও ওর কন্ঠ হবহু এক ছিল।
একই ভাবে আমার বুকে চিনচিন ব্যাথা ধরায় ওর কন্ঠ।
না আমার নরম হলে চলবেনা।

আমি : হুম কি বেপার?

আবিদ: জানো আমার এফ.এন.এফ লিস্ট এ এখনো তোমার নম্বর?
আমি ডিলিট করিনি।
মেসেজ বক্স এর মেসেজগুলি ও রয়েছে আগের মতন।

আমি: আপনার প্রেমিকা কই?

আবিদ একটু চুপ থেকে বললো,ওর সাথে ব্রেকাপ হয়েছে।ও একসাথে দুজনের সাথে রিলেশান কনটিনিউ করেছিল।

আমি: আহারে..
যাক আমি বিজি আছি।
রাখবো এখন।

আমি চাচ্ছিলাম না ওর সাথে কথা বাড়াতে।কারন ওর কথা আমায় দূর্বল করে দিবে তা আমি জানি।

আবিদ: তিথি আমায় আরেকবার সুযোগ দেয়া যায়না?

আমি রেগেই বললাম,কিসের সুযোগ?
আমি বিবাহিতা। আমার বর আছে আর আপনি এসব কথা বলেন!
নতুন করে জীবন শুরু করেন, বাই বলেই ফোন কেটে দিলাম।

আবিদ আমি বিবাহিতা নই তবুও তোমায় এড়াতে আমি নিজেকে বিবাহিতা বললাম।
আর নিজেকে ছোট করতে পারলাম না আবিদ।
আমার এফ এন এফ লিস্ট এ তো শুধুই তোমার নম্বর ছিল।অন্য কারো নম্বর কখনই রাখিনি।
মেসেজগুলি ডিলিট হয়ে যাবে সেই ভয়ে তারিখ দিয়ে সাজিয়ে ডায়রীতে লিখে রেখেছিলাম।

এতো যত্ন ও তুমি পায়ে ঠেলে দিয়েছিলে।
ডায়রীটা বুকে নিয়ে কাঁদতে লাগলাম।

তার ৩মাস পর আবিদ আমায় মেসেজ দিল তার জন্য পাত্রী ঠিক করছে।তার বিয়েতে  আমার বরকে নিয়ে যেতেই হবে।।

মেসেজটা পেয়ে কেন যেন কাঁন্না পাচ্ছে খুব।
কি সহজেই ছেলেটা ঘুরে দাড়ায়।
শুধু পার্থক্য একটাই.. ওর চোখে আমার জন্য রয়েছে সম্মান।আর ব্যাতিক্রমে আমার চোখে ওর জন্য কেবল ই ঘৃনা...

আলমারি থেকে জামাকাপড় নামাতেই শুনতে পারছি ভেতর থেকে শব্দ ভেসে আসছে।
আই লাভ ইউ।

অনেক খোঁজাখুজি করে জামাকাপড় এর একদম নিচে একটি কার্ড পেলাম।
এই কার্ডটি শেষ বার যখন আবিদের সাথে দেখা তখন আবিদ আমায় দিয়ে বলেছিল,কার্ডটি খুলে মাঝে মাঝে শুনবে।
খুললেই আই লাভ ইউ বলবে।
ভাববে আমি ই বলতেছি।

আমি আগে প্রায় ই শুনতাম।অনেকদিন আগে এখানে লুকিয়ে রেখেছিলাম।আজ নিজ থেকে নাড়া লেগে বেজে উঠেছে।

মানুষরা বদলায়।তাদের ভালোবাসা বদলায়।তবে স্মৃতিরা এমন ই তাজা থাকে।তারা যুগের পর যুগ এভাবে কষ্ট দেয়।
কার্ড এর তার ছিড়ে ফেলে বুকে জড়িয়ে কাঁদতে লাগলাম..
আর বলিস না আমায় ভালোবাসিস...
যে তোকে শিখিয়েছিল সেই যে আমায় ভুলে গেছে।

স্মৃতি আর জ্বালাসনারে বুকে নিভিয়ে দেয়া আগুনের ভেলা....
সে সব ভুলে গিয়েছে,ভেঙেছে সব খেলা..
আমি শুধু পুষে রেখেছি স্মৃতি নামের অবহেলা।

#অতীত..

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ