āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3843

গল্প:-চিঠি.)
,
১ম..পার্ট..
,
..লেখক: " সিয়াম. আহমেদ""""""
.
আমার বিয়ে হয়েছে কিছুক্ষণ আগে, সবাই মিলে
বাসর ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে গেলো।
বউ আমার পাশেই বসে আছে।
আস্তে করে ঘোমটা সরালাম।
একি এটাতো বউ নয় এটা একটা পরি।
আমি বউকে জরিয়ে ধরলাম বউও আমাকে তারপর...
চারপাশ থেকে শুধু হাসির শব্দ.....
-ওই কে হাসে এইরকম করে?? কে কে??
-তোমার কলিজা হাসতেছে তাকিয়ে দেখো
(আম্মু)
( ও আল্লাহ্ আমি এতক্ষন স্বপ্ন দেখতেছিলাম)..
যাইহোক,,,
তাকিয়ে দেখি আমার ফোন বাজতেছে, আমি
ফোনে মজার হাসির টোন দেই, এটা আমার ভালো
লাগে।
সাধারণত আমাকে কেউ ফোন করে না, তাই খুশী
হয়েই ফোনটা হাতে নিলাম।
কিন্তু সিম কম্পানির ফোন। মাথাটা গেলো গরম
হয়ে।
.
যাই হউক, নাশতা করে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্য
করে হাটা শুরু করলাম।
হ্যা আমি হেটেই কলেজে যাই, এর অবশ্য কিছু
কারণ আছে, যেমন, হেটে গেলে শরীর ও
মন দুইটাই ভালো থাকে, পকেটে কিছু টাকাও
আসে, আর সিগারেট খাওয়ার জন্য বাবার কাছে আবার
হাত পাততে হয় না।
কলেজ অবশ্য বেশিদূর নয় কাছেই। শুধু শুধু বাবা,মা
রিক্সা করে যেতে বলে এইটুকু হেটেই যাওয়া
যায়।
.
কলেজে এইবার নতুন ভর্তি হলাম, অনার্স প্রথম
বর্ষে।
কলেজ আর কলেজের পরিবেশ দুটোই খুব
ভালো, আর পড়াললেখাও খুব ভালো,বাসা থেকেও
কাছে তাই আর লোভ সাম্লাতে না পেরেই
এখানে ভর্তি হলাম।
.
কলেজের গেটের সামনের একটা দোকান
থেকে আমি রোজ সিগারেট খাই কলেজে
ঢোকার আগে।
আজকেও ব্যাতিক্রম করলাম না।
কিন্তু দোকানে ঢুকতে যাবো ঠিক তখনই....
-মাসুম?(দোকানদার কাকা)
-জ্বী কাকা??(আমি)
-কেউ একজন এই চিঠিটা দিয়ে গেছে তোমাকে
দেওয়ার জন্য।
-কেউ একজন মানে??(আমি অনাক হয়ে)
-রূপার কাছে দিয়ে গেছে।
-ওহহ আচ্ছা আমাকে দিন। সাথে একটা সিগারেট ও।
.
রূপা হলো দোকানদার কাকার নাতনী মাত্র চার
বছরের বাচ্চা, জিজ্ঞেস করলেও হয়তাও বলতে
পারবে না কে দিয়েছে এটা।
সিগারেট টা ধরাতে ধরাতেই চিঠিটা খুললাম।
সেখানে যা লেখাছিল....
.
এইসব কি?? প্রতিদিন কলেজে আসার আগে
সিগারেট খেতে হবে?? আর এইসব খেয়েই বা
লাভ কি? মনে রাখবেন এইসব আমি পছন্দ করি না।
ভালো হয়ে চলবেন না হলে কিন্তু খবর আছে।
.
মাথায় কিছুই ঢুকলো না, যখন ঢুকছেই না তখন আর
জোর করে ঢুকানোর মতো বোকামি না করে
ফেলে দিলাম।
আপন মনে সিগারেট শেষ করে কলেজের
গেট দিয়ে কলেজে ঢুকলাম।
.
.
.,,, চলবে,,,,,,

গল্প:-চিঠি
২য়..পার্ট...
.
ক্লাসে গিয়ে বসলাম। ক্লাস এখনও শুরু হয় নি, তাই
বন্ধুদের সাথে ইকটু ফাজলামি করছিলাম।
হঠাত গায়ে একটা কাগজ এসে পড়লো।
কাগজটা খুলে পড়তে শুরু করলাম।
.
এইযে মিঃ এটা ক্লাস, এখানে ভদ্রভাবে থাকতে হয়।
বাঁদরামি করতে ইচ্ছা করলে ক্লাসের পরে
করবেন এখন বাঁদরামি করার সময় নয়।
.
এদিক ওদিক তাকালাম, কিন্তু কাউকেই সন্দেহ হলো
না,তাই আবার মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিলাম।
.
লেখা গুলো পড়ে যে কেউ বুঝে যাবে এটা
কোন মেয়ের কাজ, আমি অবশ্য মেয়েদের
পাত্তা দেই না, কিন্তু মেয়েদের ইগনোর করার
ক্ষমতা আল্লাহ ছেলেদের দেয় নি। যারা ইগনোর
করতে পারে, তারা নিশ্চই আগে কোন মেয়ের
কাছ থেকে কস্ট পেয়েছে তাই এখন এড়িয়ে
চলে।
.
আমারো ইকটু দেখার ইচ্ছা করছে মেয়েটা
আসলে কে? আমাকে এতো চিঠি দিচ্ছে
কেনো??
.
ক্লাস শেষ এখন কিছুক্ষণ ক্যাম্পাসে আড্ডা হবে
তারপর বাসায় যাবো।
.
আড্ডা দিতেছি ইকটু পরেই ফুল নিয়ে চলে
আসলো ফুলের মতো একতা পিচ্চি মেয়ে।
মেয়েটির নাম জেরিন, বয়স ৭/৮ বছর হবে।
আমি এই বয়সে ফুল নিয়া খেলা করতাম আর এই
মেয়েটি ফুল বিক্রি করে নিজের সংসারে টাকা
দেয়। যা, আমি এখনও করি না।
-ভাইয়া এই আপনার ফুল(জেরিন)
ফুলটা হাতে নিয়া পাশে রাখলাম।
-এই নাও টাকা, তোমার মা বাবা কেমন আছে?(আমি)
-ভালো....(মন খারাপ করে)
আমি বুঝতে পারলাম মনে হয় কোন সমস্যা হইছে
তাই আরো একশো টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে
বললাম....
-এখন সোজা বাসায় যাবে আর স্কুলে যাওয়া যেন
ভুলেও বন্ধ না করো(আমি)
-আচ্ছা। ভাইয়া একটা আপু আপনার জন্য এইটা দিছে।
(একটা কাগজ আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে)
-কে দিছে এইটা?? দেখলে চিনতে পারবা??
-না ভাইয়া মুখ ঢাকা ছিল।
-আচ্ছা তুমি যাও।
জেরিন চলে গেলো। আমি চিঠিটা খুলে
দেখছি.....
-দোস্ত কি ওইটা?(বন্ধুদের একজন)
-আরে বলিস না আজকে সারা দিন শুধু কে যেন
কাগজে এটা ওটা লিখে দিচ্ছে।
-কি লেখা জোরে জোরে পড়।
আমি জোরে জোরে পড়ে সবাইকে শুনাচ্ছি.....
.
যা লেখা আছে.......কি খবর, এখনো বাসায় যাওনা
কেন??তোমার কি ঘরবাড়ী কিছু নাই? আর সিগারেট
খাওয়ার অভ্যাসটা পুরোপুরি বাদ দাও নাইলে কপালে
দুঃখ আছে বইলা দিলাম।
.
-দোস্ত তুই তো গেছিস(এক বন্ধু)
-গেছি মানে?(আমি)
-আরে এখন তো তুই প্রেম করবি, আমাদের কথা
কি আর তোর মনে থাকবে??
-হইছে হইছে এখন থাম। আমি প্রেম ট্রেম পছন্দ
করি তা তোরা জানোস, আর এইটা যে কোন
মেয়ে দিয়েছে তার প্রমান কি??
কেউ মজা করতেও পারে??
-তুই কথা ঘুরানোর চেস্টা করবি না।
ওদের সাথে কথা না বারিয়ে চলে আসলাম বাসায়।
আসার সময় সবাই বলতে ছিল...ওই দেখ অচেনা
কারো চিঠি পেয়ে মাসুম বাসায় যাচ্ছে।
.
বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে দিলাম এক ঘুম...
,
.চলবে,,,,

গল্প:-চিঠি
,
.৩য়..পার্ট
,
সিয়াম আহমেদ
,
,
,

,
ঘুম থেকে উঠে দেখি বিকাল পাচটা বেজে
গেছে। বিকালবেলা আমি ইকটু হাটাহাটি করি তাই বের
হলাম।
.
খুব বেশী সময় বাকি নেই সূর্য অস্ত যেতে এই
সময়টা আমার খুব ভালো লাগে, প্রাকৃতিক সুন্দর্য
তখন খুব বেড়ে যায়। আর সাথে যদি থাকে নিজের
প্রিয় একটা রবিন্দ্র শংগীত তাহলে তো কথাই
নেই।
.
রাতে বাসায় আসলাম খুব ক্লান্ত হয়ে তাই বিছানায়
নিজেকে এলিয়ে দিলাম।
আমি হাল্কা ঘুমে হঠাত একটা ফোনে একটা
মেসেজ আসার শব্দ হলো।
আমাকে মেসেজ দেওয়ার মতো দুজন আছে,
আর তারা হলো দুটো সিম কম্পানী। সারাদিন শুধু
এসএমএস দিয়ে জালায় না পারি সঝ্য, না পারি কিছু
বলতে, তাই প্রতিবার এসএমএস আসার পরেই ডিলিট
করে দেই।
.
এটাতো সিম কম্পানীর এসএমএস না, একটা নম্বর
থেকে আসছে।
সেটায় লেখা....বিকালবেলা একা একা হাটো সিগারেট
টানতে টানতে, নিজেকে দেব্দাস বানাতে চাও??
দেব্দাস ছুটাবো তোমার কালকে থেকে আমি
তোমার সাথে হাটবো আর কালকে থেকে
সিগারেট খাওয়াও তোমার বন্ধ, আর যদি সিগারেট খাও
তবে তোমার বাবার কাছে বলে দেবো।
এখন রাত হয়েছে বাসা থেকে আর বেড় হবা না।
বেড় হলে কালকে মজা বুঝাবো।
বাই....
.
এটা কে সারাদিন চিঠি দিয়ে জালিয়েছে এখন আবার
এসএমএস? ধূর ভালো লাগে না।
ঘুম আসছে খুব তাই ফোনটা রেখে শুয়ে পড়লাম।
.
সকাল সকাল ঘুম ভাঙলো, কারন রাতে ইকটু আগে
আগেই ঘুমিয়েছি তাই সকাল সাটটায় ঘুম ভাঙল।
.
কোন ভাবে টাইম পাস করে চলে গেলাম
কলেজে।
আগের দিনের মতাও আবার সেই সিগারেটের
দোকানে একটা চিঠি পেলাম,
পড়তে ইচ্ছা না করায় ফেলে দিলাম।
.
ক্লাসের মধ্যে আবারো কে যেন কাগজ
মারলো গায়ে, হাতে নিয়ে পড়তে শুরু করলাম.....
.
মাসুম এতো ভাব কিসের তোমার??
একটা চিঠি রেখে আসলাম দোকানে সেটাকে
ফেলে দেওয়ার কি আছে হুম..?
আমি কি তাতে একটাও বাজে কথা বলছি? আমি জানি তুমি
সিগারেট ছাড়তে পারবে না, কিন্তু সেটা তো
তোমার ভালোর জন্যই বলেছি।
নেকা নেকা কথা দিয়ে ভরা তাই আর না পরে চিঠিটার
উলটা পৃস্ঠায় কিছু লিখে সামনে রেখে চলে
গেলাম ক্লাসের বাইরে।
.
জানালা থেকে দেখছি কে আসে ওটা নিতে।
.
-এই যে, হ্যালো??(আমি)
-কোথায় হেলবো?(মালিহা)
-প্লিজ, ঢং বন্ধ করুন। আপনি আমাকে এই দুইদিন যাবত
চিঠি দিচ্ছেন কেনো??(রাগ দেখিয়ে)
-কিসের চিঠি??(আশ্চর্য হওয়ার অভিনয় করে)
-আচ্ছা আপনার হাতে কি ওটা দেখান?(হাতে সেই
চিঠিটা ছিল)
-আপনাকে দেখাবো কেন??
-আপনি কি চান আমার কাছে??
-বুঝেন না??
-বুঝলে হয়তো জিজ্ঞেস করতাম না।
-আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে। (লজ্জিত একটা
ভাব নিয়ে)
-ভালো লাগলেই তাকে ডিস্টার্ব করতে হবে??
-না মান.....
-আর বলতে হবে না। প্লিজ আমাকে আর ডিস্টার্ব
করবেন না।
কথাটা বলেই চলে আসলাম। এতক্ষণ কলেজের
অনেকেই ব্যাপারটা লক্ষ করেছে। শেই দিকে
আমি লক্ষ না করেই চলে আসলাম।
.
.... চলবে,,,,,

গল্প:-চিঠি..৪/শেষ..পার্ট..
সিয়াম আহমেদ
.
পরের দিন আবার কলেজে গেলাম।
আবার সে সিগারেটের দোকানে চিঠি মাথাটাই
গেলো গরম হয়ে।
সোজা কলেজের ভিতরে ঢুকেই মেয়েটিকে
খুজতে শুরু করলাম।
.
-এই আপনি আবারো আমাকে চিঠি দিছেন কেন?
তাও আবার সাদা কাগজ? এইসব এর মানে কি???(আমি)
-বুঝেন না এইসবের মানে?(মালিহা)
-বুঝলে জিজ্ঞেস করতাম না..।
-আমি আপনাকে ভালোবাসি(কথাটা বলেই জোরে
একটা দৌর দিয়ে চলে গেলো)
.
এই মেয়ের কি মাথা খারাপ? আমার মতো ছেলের
মধ্যে কি পেয়েছে?
আর কোনো ছেলে পেলো না? নিশ্চিত মাথা
মোটা।
এইসব ভাবছি.....
-কিরে দোস্ত কি ভাবছিস? (এক বন্ধু)
-আরে মালিহা নাকি আমাকে ভালোবাসে...হাহাহাহা.
(আমি)
-তাই?? সেটা তো ভালো কথা তাহলে ট্রিট কবে
পাবো?
-আমারো একটা ইচ্ছা অনিচ্ছার ব্যাপার আছে।
-তার মানে তুই বলতে চাইছিস তুই রাজী না??(অবাক
হয়ে)
- না।।
-কি বলছিস?? কলেজের সব ছেলেরা যাকে লাইন
মারার চেস্টা করে সে তোকে প্রপোজ
করেছে। আর তুই না বলছিস??
-তো??? আমি কি সবার মতো নাকি?? আর আমার কি
রকম মেয়ে পছন্দ তুই জানিস না?
-হ্যা জানি বাট.....
-থাম...আর বলতে হবে না।
ওকে থামিয়ে দিয়ে চলে আসলাম কলেজ
থেকে আজ আর ক্লাস করার মুড নাই। কারণ হচ্ছে
আজকে ক্লাসের মধ্যেও ট্রিট নিয়ে কথা হবে
আর আমি এই প্রতাবে রাজী না।
.
বাসায় চলে গিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম।
সকালবেলার ঘুমটা ভালোই হলো।
বিকালবেলা হাটতে বেড় হলাম, বিকালবেলা না হাটলে
আমার শরীর, মন কোনোটাই ভালো থাকে না।
.
হাটছি আর প্রাকৃতিক সুন্দর্য উপভোগ করছি।
হঠাত কে যেন আমার হাতটা ধরলো।
-আপনি?(আমি)
-হুম...(মিস্টি একটা হাসি দিয়ে)
-এখানে কি আর আমার কাছে কি চান আপনি?(আমি)
-আপনি কি সত্যিই বুঝেন না কি চাই??(মালিহা)
-জানিনা, বুঝার চেস্টাও করছিনা।
-হাতটা ছারবেন প্লিজ? (আমি)
-যদি না ছাড়ি?(মালিহা)
একটা টান দিয়ে হাতটাকে মুক্ত করলাম।
-এই এতো ভাব কিসের আপনার?(মালিহা)
-এখানে ভাবের কি পেলেন?(আমি)
-আমি তোমাকে ভালোবাসি আর তুমি বোঝার
চেস্টাই করো না(কাদো কাঁদো কন্ঠে)
-আমি যেমন মেয়ে আমার জিবনে চাই আপনি
সেরকম নয়, পুরো উল্টো (আমি)
-আমি তোমার মনের মতো হতে পারলে হবে??
(কাঁদো কাঁদো সুরে)
-পারবেন না(আমি)
-ভালোবাসার জন্য মানুষ সব করতে পারে যদি তার
ভালোবাসার মানুষটির সাপোর্ট থাকে।(মালিহা)
-আচ্ছা সেটা পরে দেখা যাবে এখন বাসায় চলে যাও
(বুঝতে পেরেছিলাম মেয়েটি আমাকে খুব
ভালোবাসে তাই আর আপনি করে বলে কি লাভ?
প্রেমটা শুরু করা যাক)
-না আমি তোমার সাথে হাটতে এসেছি, বাসায় যাবো
কেনো?আর তুমি আগে বলো তোমার মনের
মধ্যে থাকা সেই মেয়ের বর্ননা(মালিহা)
-আমি চাই না যে আমার ভালোবাসার মানুষ্টিকে অন্য
কেউ খারাপ চোখে দেখুক, তার দিকে তাকিয়ে
অন্যরা খারাপ খারাপ ইংগিত করুক।(আমি)
-আচ্ছা কাল থেকে বোরখা পড়বো।
.
বাকিটা বলতে বলতে হাটছি, মালিহা আমার দিকে তৃপ্তির
চোখে তাকিয়ে আছে.........সবাই দোয়া
করবেন আমাদের জন্য...
.
.
........সমাপ্ত.....

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ