āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3837 (2)

# তোরে_কতো_ভালোবাসি
৩য় পার্ট....
....
....
গোসল করে আবির খেতে বসছে...
-আব্বাজান এইবার কিন্তু কয়েকদিন থাকবে আমাদের
বাড়িতে। (সুপ্তির মা)
-আজকেই ফিরতে হবে মামি। অন্যসময় এসে আবার
কয়েকদিন থাকবো।
-না-না তুমি যে কতো আসবে তা জানি। আজ যাওয়া
হবে না।
খাওয়ার পর আবির বাড়িতে যেতে চাইলেও ওর মামি
আর ভাবি যেতে দিলো না।
ভাবির কথা হলো.. কয়েকদিন না থাকলেও আজকের
রাতটা থাকতেই হবে।
বাধ্য হয়ে আবিরকে থাকতে হয় সেই রাতটা।
বিকেলে ভাবি, সুপ্তি আর আবির ঘুরতে যায়
এনায়েতপুর বেড়ি-বাধ এ...
এই জয়গায়টা দারুন লাগে ওদের।
ঘোরাফেরা করে এনায়েতপুর হাসপাতালের
ক্যান্টিনে বসে খেয়ে নেয় ওরা।
এরপর বাসায় ফিরতে সন্ধা হয়ে যায়।
রাতে খাওয়ার পর আবিরকে সুপ্তির পাশের রুমে
নিয়ে যায়।
এটাই গেস্টরুম। শুয়ে পড়ে আবির।
ভাবি টিভিটা অন করে দেয়। তারপর আবিরের মাথার
কাছে এসে বসে।
মাথায় হাত বুলিয়ে বলে~তোমার কি হয়েছে আবির?
আবির ভাবির দিকে তাকায়। চোখদুটো ছল-ছল
করছে আবিরের।
-আমি ১০ তারিখের আগে কিছু বলতে পারবো না
ভাবি।
-আচ্ছা ঠিক আছে। তবে জানো..? সুপ্তিু
তোমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে। যদি
পারো ওকে আপন করে নিও। ভাবি হিসেবে
এটুকুই আমার চাওয়া।
-ওকে ভাবি... যদি আমার জীবনে কেউ আসে
তবে সে হলো সুপ্তি।
ভাবি চলে যাওয়ার পর সুপ্তি আসে ঘরে। আবিরের
চোখের দিকে চেয়ে বলে~জানিনা ১০ তারিখে
কি হবে...
তুমি ভালো থেকো... এই বলে ঘর বের হতে
যায় সুপ্তি।
আবির ডাক দিয়ে বলে সুপ্তি শোন...
সুপ্তি আবিরের কাছে আসে। আবির কাছে বসায়
ওকে...
দু-হাতে মাথাটা ধরে কপালে একটা চুমু দিয়ে বলে যা
এখন ঘুমিয়ে পর।
সকালে উঠে খাওয়ার পর আর দেরি করেনা আবির।
রেডি হয়ে মামি ও ভাবিকে বিদায় দিয়ে সুপ্তিকে
খোঁজে আবির।
ভাবি বলে যাও ওর ঘরে আছে ও...
ঘরে গিয়ে দেখে খাটের এক-কোনায় বসে
কাঁদছে সুপ্তি।
আবিরের ভিতরটা কষ্টে তছনছ হয়ে যায় ওর এই
কান্নার দৃশ্য দেখে।
আবির ওর কাছে গিয়ে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে
ওকে...
সুপ্তি আবিরের বুকে মাথা রেখে কাঁদে আর
বলে... খুব ভালোবাসি তোমাকে।
আবির ওর কপালে একটা চুমো দিয়ে বলে আসি
রে সুপ্তি...
১০ তারিখটার অপেক্ষায় থাকিস।
.
ও যাওয়ার পর সুপ্তির একেকটা দিন যেনো
একেকটা বছর মনে হয়।
এভাবেই চলতে থাকে দিন।
আজ ৮ তারিখ। বুকের ভিতরটা কেমন জানি লাগে
সুপ্তির।
ভাবির কাছে গিয়ে বলে একটু ফোন করো
ওদের বাসায়।
আমার ভিতরটা কেমন জানি করছে।
১০ তারিখে কি হবে ওর? ও কেনো বলতে পারে
না? একটু ওর বাবা-মার কাছে জেনে নাও না প্লিজ..।
ভাবি বলে ঠিকাছে... ফুফা শ্বশুরের কাছে ফোন
করে দেখি কি বলে।
ভাবি ফোনটা নিয়ে বলে চল মা-কে দিয়ে কথা
বলাই।
সুপ্তির মা-কে সব কথা খুলে বলতেই সে বলে
আবিরের আব্বার কাছে ফোন করো। আমি কথা
বলছি...
ফোন করতেই ওপাশ থেকে সালাম দেয়...
সালামের উত্তর দিয়ে বলে~ কেমন আছেন
দুলাভাই?
-খুব ভালো নেই ভাবি। ছেলেটার অবস্থা খুব খারাপ।
এইমাত্র আবির ফোনে বললো আপনাদের
ফোন করে জানাতে।
ফোন ই করবো তার মধ্যে আপনিই করেছেন।
আবিরকে সিরাজগঞ্জ সদর থেকে আজ ঢাকায়
পাঠানো হইছে। আপনারা আগামিকাল ভোরেই চলে
আসেন।
কালকে ওর অপারেশন হবে মনে হয়।
আবিরের মা এপাশ থেকে চমকে যায়!
আবিরের কি হইছে দুলাভাই?
-ওর কি হইছে আমরাও জানতাম না।
এর আগে আপনাদের ওখান থেকে আসার কয়দিন
পর থেকেই খাওয়া-দাওয়া কমে গেছে। চুপ হয়ে
শুয়ে বসে থাকে একা-একা।
কারো সাথে মেশে না কথা ও বলতে চায় না।
এটুকু বলেই ওপাশ থেকে হাউ-মাউ করে কেঁদে
ওঠে আবিরের বাবা।
ফোনটা এবার আবিরের মা নিয়েছে কানে...
সেও কান্না জড়িত গলায় বলে আমার সুপ্তি মামনিকে
নিয়ে তোমরা ভোরেই চলে আসো।
আজ ফোনে বারবার শুধু সুপ্তির কথাই বলেছে
আমার আবির টা।
সুপ্তির মা কথা বলতে পারে না আর।
ফোনটা সুপ্তির কাছে দেয়...
ওপাশ থেকে আবিরের মা বলে জানো...
সুপ্তিকে না খুব ভালোবাসে আমার আবির। একথা
জানায়নি ও ওর ভিতরের অসুখের কারনে।
আমাদের ও জানায়নি।
কাল যখন খুব খারাপ লাগছিলো তখন বললো মা-গো
আমার কেমন জানি লাগছে।
আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাও...
এরপর জানতে পারলাম ওর ভিতরে বড় একটা অসুখ
আছে।
আমরা কষ্ট পাবো বলে কাউকে জানায় নি।
তবে ও চিকিৎসা হয়েছে একাই।
সিরাজগঞ্জ সদরের ডাক্তার বলেছিলো ১০ তারিখে
তোমার অপারেশন করতে হবে।
কাল ওকে সদরে নেয়া হইছিলো। সেখান
থেকে ঢাকায় নেয়া হইছে।
আসিফ (আবিরের বড় ভাই) ওর সাথে গেছে ঢাকায়।
আসিফ ফোন করে বলেছে ওর অবস্থা খুব খারাপ।
সম্ভবত কালকেই অপারেশন হবে ওর।
তাই আমাদের তাড়াতাড়ি যেতে বলেছে।
এখন তো রাত হয়ে গেছে। কাল ভোরেই রওনা
দেবো আমরা।
তোমরা সবাই তাড়াতাড়ি চলে আসো।
এই কথাগুলো একটানা বলে ওপাশ থেকে কান্নায়
ভেঙ্গে পড়ে আবিরের মা।
সুপ্তি ফোনটা কান থেকে সরিয়ে মা-কে জড়িয়ে
ধরে...
মা-গো আমার আবির টা আমাকে অনেক
ভালোবাসে।
ওর ভিতরে অসুখের জন্য কিছু বলে নি আমায়।
আমায় এক্ষুনি ওর কাছে নিয়ে চলো মা...
এই বলে ফুপিয়ে কাঁদতে থাকে সুপ্তি।
সুপ্তির বাবা বাসায় আসে তখনি। এসব শুনে সে বলে
এক্ষুনি আমরা সিরাজগঞ্জে (আবিরদের বাসা) রওনা
দেই। বেশিদূর তো নয়।
আজ রাতে গেলে কাল ভোরেই সবাই ঢাকায় রওনা
দেবো।
....
....

# তোরে_কতো_ভালোবাসি
৪র্থ/শেষ পার্ট....
....
....
রাতেই ওরা আবিরদের বাড়িতে চলে যায়।
ভোরে সবাই রওনা হয় ঢাকার উদ্দেশ্যে।
যমুনা পাড় হওয়ার পরেই ফোন আসে ওদের আর
যেতে হবেনা।
আবিরকেই পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে বাড়িতে।
একটু আগেই নাকি ওর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ হয়ে
গেছে।
ওদের গাড়ি ব্যাক করে বাসায় ফিরেছে।
বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে গেছে।
শুধু একটা মানবী কাঁদছে না। তার বিশ্বাস তার আবির
তাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে না।
আবিরকে যে সে পাগলের মতো ভালোবাসে।
আবির তো ১০ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে
বলেছে।
আজ তো কেবল ৯ তারিখ। আবির কখনোই মরতে
পারে না।
সুপ্তি রাস্তার ধারে মাটিতে বসে এক নয়নে তাকিয়ে
আছে রাস্তার দিকে।
প্রায় ৪ ঘন্টা পর এ্যাম্বুলেন্স আসে বাড়িতে।
সুপ্তি দৌড়ে যায় গাড়ির কাছে।
আবিরের বড় ভাই গাড়ি থেকে নেমেই ১ টা চিঠি
হাতে দেয় সুপ্তি কে...
বলে এটা আবির তোকে দিয়েছে।
সুপ্তি চিঠিটা নিয়ে পাগলের মতো বাড়ির ভিতরে যায়।
ঐদিকে আবিরের লাশ গাড়ি থেকে নামাচ্ছে।
কিন্তু সুপ্তির সেদিকে খেয়াল নেই। ভালোবাসার
মানুষের চিঠি পেয়ে পড়ায় ব্যস্ত।
চিঠিটা খোলে সুপ্তি...
******প্রিয়তমা সুপ্তি*******
জানিরে পাগলি আমার উপড় তোর অনেক অভিমান।
সেই কিশোর কাল থেকে তুই আমাকে পছন্দ
করিস, ভালোবাসিস।
অথচ আমি তোর ভালোবাসায় সাড়া দেইনি।
এটা কি সত্য? আমি কি সত্যিই সাড়া দেইনি?
সুপ্তি তোর মনে আছে? ক্লাস ফাইভে থাকতে
তুই যখন আমাদের বাড়িতে এসে প্রথম আমাকে
তোর ভালোলাগার কথা জানালি। তখন তোকে
বুকের মাঝে জড়িয়ে নিয়ে বলেছিলাম আমি
তোকে ভালোবাসি।
সেদিন থেকেই তোকে আমার মনের রাজ্যের
রাজকুমারী বানিয়ে রেখেছিলাম।
কিন্তু ২ বছর আগে হঠাৎ করে বুকের ভিতরটায় খুব
ব্যথা করে ওঠে।
আমি ডাক্তারের কাছে যাই। ডাক্তার পরীক্ষা করে
বলে খারাপ কিছু হয়েছে।
তখনি আমি পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ভালো
করে মেডিকেল করাই নিজেকে।
সবচেয়ে ভালো হাসপাতালে, সবচে বড়
ডাক্তারের কাছে যাই।
সবাই আমাকে সেই একি বানী শোনায়।
মেডিকেল রিপোর্টে দেখি আমার ভিতরের
সবকিছু নষ্ট হয়ে গেছে। দুটো কিডনিতেই পাথর
ধরেছে। দেহের ভিতরের প্রায় সবকিছুই নষ্ট
হয়ে গেছে।
আমি না খুব কঠিন মানুষ রে।
তাইতো এই কথা কাউকে বলিনি। জানিস... এরপর
থেকেই তোদের বাড়িতে যাইনা।
তুই যখন আমাদের বাড়িতে আসতি তখন তোকে
এড়িয়ে চলতাম।
এতে তোর ভিষন কষ্ট হতো জানি।
সেই সময় বাড়িতে ফেরার পর ঘরে ঢুকতেই তুই
যখন আমাকে বুকের মাঝে টেনে নিতি। বলতি
ভালোবাসি তোমাকে।
জানিস তখন আমারো ইচ্ছে হতো তোকে
বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখি, বলি আমিও তোকে
ভালোবাসি।
এরপর শেষবার কয়েকদিন আগে যখন তোদের
বাড়িতে গেলাম। তখন তোর ঐ ভালোবাসার পাগলামি
দেখে আমার ও ইচ্ছে হয়েছিলো আমি তোর
ঐ পাগলামিতে সাড়া দেই। বুকে জড়িয়ে নিয়ে বলি
সুপ্তি রে আমিও তোকে ভালোবাসি।
কিন্তু আমিতো জানতাম আমার আজকের এমন
পরিস্থিতির কথা।
তাইতো বুকের মাঝে কষ্টগুলোকে অনলি মি
করে রেখে তোকে বলেছিলাম ১০ তারিখে
জানতে পারবি সব।
কারন ডাক্তার শেষ আশা দিয়ে বলেছিলেন ১০
তারিখে একটা অপারেশন হোক তোমার। আল্লাহ
যদি চায় তো বাঁচবে না হলে চলে যাবে না ফেরার
দেশে। আমিও রাজি হই আর ১০ তারিখের জন্য
ওয়েট করি।
কিন্তু ভাগ্য বিধাতার ইচ্ছা হয়েছে এই ১০ তারিখ আমার
জীবনে না আসুক। তাইতো আজকেই অপারেশন
করতে হলো।
এই অপারেশনে ৯০% মরন লেখা ছিলো। তাই
অপারেশনের আগে তোর জন্য খুব কষ্টে এই
চিঠিটা লিখলাম।
আমাকে ক্ষমা করে দিস রে পাগলি...
বলতে পারলাম না আমি.... ***তোরে কতো
ভালোবাসি***
....
চিঠিটা পড়ে সুপ্তি আবিরের লাশের কাছে যায়।
ওর মুখে হাতটা বুলিয়ে দেয়। সবার মতো চিৎকার
করে কাঁদতে পারেনা সুপ্তি।
দু-চোখ বেয়ে শুধু গড়িয়ে পড়ছে কষ্টের
স্রোতধারা...
বুকের ভিতর বয়ে যাচ্ছে কষ্ট নামের ভুমিকম্প।
বারবার সুপ্তির চোখে ভেসে উঠছে আবিরের
চিঠিতে লেখা শেষ লাইন... ***তোরে কতো
ভালোবাসি***
সমাপ্ত

Collected

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ