āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3803

গল্প: #স্বার্থ
..
- এই ছেলে এত ভাব কেনো তোমার?

শহীদ মিনারটাই বসে রহস্যের এক বই পড়ছি, তখনি সামনে দাড়িয়ে কে যেন কথাটি আমাকে উদ্দেশ্য করেই বললো। চোখ তুলে তাকিয়ে দেখি আমার ক্লাসের সবচাইতে সুন্দরি মেয়ে নাদিয়া দাড়িয়ে মুখে কিন্চিৎ রাগের ভাব নিয়ে আমাকে কথাটি বললো।
- আবার চুপ করে আছো কেনো? (নাদিয়া)
- আমার ইচ্ছে।
- বেশি ভাব নিবা না আমার সাথে বুঝেছো? যেদিন থেকেই এসেছো, সেদিন থেকেই দেখছি কারো সাথে মানে মেয়েদের সাথে তো কথাই বলো না। কি সমস্যা কি হা?
- এই আপনি কোথাকার কে হা? আপনাকে বলতে যাবো কেনো?
- হিহিহিহি,,রাগলে তো তোমাকে অনেক কিউট লাগে। (নাদিয়া)
- ঐ চুপ,,যত্তসব বেয়াদপ মেয়ে,
- হুহহ,,কাল থেকে যেনো না দেখি ভাব নিতে, আর ক্লাসে সবার আগে সব পড়া বলো কেনো হুমম..? একে বাররে সব জান্তা হয়ে গেছো?
- ধুররর

আর কিছু না বলে নাদিয়ার থেকে উঠে চলে আসলাম। ছোট থেকেই কেনো জানিনা আমার চুপচাপ আর একা থাকতে ভালো লাগে। তাই ভার্সিটিতে পড়া সত্তেও আমি তেমন কারো সাথে কথা বলি না। একাই থাকি। আর এই মেয়ে কদিন থেকে আমাকে বেশ জ্বালিয়ে মারছে। যেখানেই যাই সেখানেই সে হাজির। আর আজ নিজেই এসে কথা বলে মাথাটা গরম করে দিল।

(পরেরদিন)

- আচ্ছা তুমি প্রেম করো?
ক্লাসে বসে গোয়েন্দার বই পড়ছি, তখনি পাশে এসে নাদিয়া কথাটি বললো। চরম বিরক্তি নিয়ে তাকালাম ওর দিকে। সে মুচকি হাসি দিয়ে আবার বললো..
- বলো না প্রেম করো কিনা?
- নাহ,
- সত্যিই...?? যাক বাবা, লাইন তো পুরোই ফাকা।
- মানে?
- তুমি বুৃঝবা না গাধা, আর শোনো ক্লাস শেষে দাড়াবা কথা আছে।

সেসময় স্যার আসাতে সে তার জায়গায় চলে গেল। আমি আমার মত ক্লাসে মনোযোগী হলাম। কিন্তু ক্লাসে ফাকে বারবার নাদিয়া আমার দিকে তাকাচ্ছে। এতে বিরক্ত আমি।
আজ দুইটা ক্লাস করে বের হলাম। ক্লাস থেকে বের হয়ে সেই কালকের জায়গাতে এসে বই খুলে পড়তে বসলাম।
একটু পরেই শুনি..
- আবির, একটা কথা বলি? (নাদিয়া)
-........
- তুমি না খুব ভালো।
-.......
- তোমার একাকিত্ব আমায় ভাবায়। তোমাকে নিয়ে তখনি ভাবতে ভালো লাগে।
- তো? (ভ্রু কুচকে)
- আসলে আমি সোজা কথা বলতে ভালোবাসি। তোমাকে আমি ভালোবাসি বুঝেছো?
- হাহাহাহাহা..দুই দিন দেখা আর কথা বলায় ভালোবাসো??
- ঐ দুই দিন মানে? যেদিন থেকে তুমি আসছো সেদিন থেকেই তোমাকে ফলো করি।
- ভালো..
- ভালো মানে? তুমিও আমাকে ভালোবাসবে না?
- নাহ,
- কেনো?????
- এমনি, ইচ্ছে নেই এসবের।

কথাটি বলে যেই না চলে আসতে যাবো। তখনি নাদিয়া বললো,
- আমিও দেখবো তুমি আমাকে ভালো না বেসে কই যাও।
আর দাড়ালাম না, সেখান থেকে সোজা বাসায় আসলাম। বাসায় এসে ভাবছি, কি চাই মেয়েটা? এমন কেনো করে? সে কি সত্যিই আমাকে ভালোবাসে? কি জানি...?
(পরেরদিন)
পকেটে হাতগুজে ক্যামপাসে যাচ্ছি। তখনি পিছন থেকে কেউ একজন এসে আমাকে হালকা ধাক্কা দিল। ঘুরে তাকিয়ে দেখি, নাদিয়ে হাসছে..
- এটা কি হল? (আমি)
- প্রেম করবা?
- ধাক্কা দিলে কেনো?
- চলো আমরা আজই বিয়ে করে ফেলি। তাহলে বিয়ের পর প্রেম করতে পারবো।
- থাপ্পড় খাইছো?
- তাহলে বলো আমায় ভালোবাসো?
- নাহ,,
- কোনো?
- ইচ্ছে নেই।
কিছু না বলে তাড়াতাড়ি হেটে ক্লাসের দিকে চলে আসলাম। কি মেয়েরে বাবা, লাজ লজ্জা কিছুই নেই।
.
আজ তিন দিন ধরে ভার্সিটিতে যাইনি। তিনদিন পর যখন গেলাম তখন আমি অবাক হয়ে চারিদিকটা দেখছি।
ক্যামপাসের সব জায়গায় ভালোবাসি আবির লেখা। যেটা। দেখে রাগটা চরমে উঠে গেল।
- এতদিন কোথায় ছিলে? (নাদিয়া)
- এসব কি?
- বলো না কোথায় ছিলা?
- ঐ এসব কি লিখেছো?
- ভালোবাসি তাই লিখেছি, সবাই জানুক তুমি আমার বয়ফ্রেন্ড
- ঠাসসসস,,বেয়াদপ মেয়ে, যা ইচ্ছে তাই করবা তাই না?
- আবির তুমি আমাকে ভালোবাসো কিনা?

কথাটি শুনে নাদিয়ের দিকে ভালো করে তাকালাম। নাদিয়ার হাতে একটি ব্লেড। তখনি সে বললো..
- ভালোবাসো না আমায় তাই তো?
- হুমম
- তাহলে এই দেখো, তুমি যদি আমায় ভালো না বাসো নিজেকে শেষ করে দিবো।
কথাটি বলেই নাদিয়ার বা হাতে ব্লেড দিয়ে কাটলো। যেটা দেখে আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম।
- ঠাসসস,, এসবের মানে কি? (আমি)
- ভালোবাসো কিনা বলো, না হলে আমাকে বাধা দিবে না।
- হুমমম বাসি,
- সত্যিই?
- হুমমম...

আর কোনো কথা বলো না সে, কাছে এসে আমার গাল দুটি টেনে ধরলো। এরপর আমার হাতটি ধরে বললো..
- তোমাকে ভালোবেসে হাত ধরলাম। শত বাধা আসলেও আমি তোমাকে ছেড়ে যাবো না আবির। তুমি শুধু একটু ভালোবাসা দিও।

শুরু হল দুজনের পথ চলা। কেটে যায় ৬ মাস। আমি এখন নাদিয়াকে বড্ড ভালোবাসি। কিন্তু সে আর আগের মত নেই। আমাকে সে আর সময় দেয় না। ফোন দিলে কেটে দেয়। ব্যস্ততা দেখায় সবসময়। যেন আমি তার কাছে অপরিচিত একজন। একদিন ডেকে জিঙ্গাসা করি তাকে..
- নাদিয়া তুমি এমন করছো কেনো?
- কেমন করছি,?
- আগের মত কথা বলো না, তুমি সময়ও দাও না।
- পড়াতে ব্যস্ত থাকি তো তাই।
- তোমার জন্য আমার পড়া হয় না প্রায়, আর তুমি পড়ায় ব্যস্ত থাকো? তবুও তো একটু সময় দিত পারো।
- বাচ্চাদের মত কথা বলবা না।
কিছু না বলে সেদিন চলে আসি। তার কয়েকদিন পর নাদিয়ার বার্থডে হয়। সে বলেছে কলেজে এসে উইশ করতে।

খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে ওর জন্য তাজা ফুল কিনি। কলেজে এসে যখন নাদিয়াকে ফোন দিলাম তখনও সে রিসিভ করলো না। কয়েকবার কল দেয়ারপর রিসিভ হয়। তখনি শুনি..
- নাদিয়া আর কতদিন রে দোস্ত।
- আরে বাবা আজই শেষ, আজ ওর থেকে বার্থডে গিফট নিয়ে বিদায় করবো।
- আবির ভাই কিন্তু ভালো ছেলে।
- আরে ছাড়তো, ভাব নেয় খালি, আর তোরা তো বলেছিলি পারবো না ওকে পটাতে। এখন তো দেখলি সেই আমার জন্য পাগল।
- হুমম তবে হাত কাটার নাটকটা সত্যি ছিল।
-  হুম পটানোর জন্য এমনটা করেছি।
- তবে তুই তো ওনার থেকে দামী গিফট, পড়ার জন্য হেল্প নেয়ার ধান্দায় রিলেশন করলি। যদি সে তোকে ভালোবেসে ফেলে?
- তো আমি কি করবো?? মাই ফুট

কলটি কেটে দিলাম। তখনি বুঝলাম চাপ লেগে কলটি রিসিভ হয়ে গেছে। খুজে বের করলাম নাদিয়ারা কোথায় আছে। দুর থেকে দেখি সে আড্ডাতে ব্যস্ত। স্বাভাবিক হয়ে সামনে গেলাম।
- আবির তুমি কখন আসলা? কল দিতে পারতা তো নাকি?
- হ্যাপি বার্থডে, (ফুল দিয়ে) আর এই নাও তোমার গিফট।
- কি আছে এতে?
- তোমার জন্য একটি দামী উপহার পরে দেখো।
- থ্যাংকস,,
- ওহ আরেকটা উপহার।
- কি..
- ঠাসসসস...ঠাসসসসস

থাপ্পড় দিয়ে পাশে তাকালাম। সবাই দাড়িয়ে গেল। অবাক চোখে নাদিয়া বললো..
- আমাকে মারলে..কেনো?
- ঠাসসস, ছি তুই এত খারাপ জানতাম না। শুধু মাত্র তোর স্বার্থের জন্য আমার সাথে ভালোবাসা নামক বিশ্বাসের একটি খেলা করলি? তুই জানিস তোকে আমি কতটা ভালোবাসি এখন? কেনো করলি এমনটা তুই? আমার বিশ্বাস আর ভালোবাসার কোনো মুল্যই দিলি না? খেলা করলি নিয়ে??? তোর মত মেয়েকে খুন করেও শাস্তি হবে না। কত গিফট চাস তুই? সব দেবো তোকে, রোজ আসবি আমার কাছে রাতের সময়, যা তোর দাম দিয়ে দেবো।
- ছি ভাইয়া এসব কি বলছেন? (পাশে থাকা মেয়েটি)
- চুপপ,, চ্যালেন্জ করা হয়েছিলো তাই না আমাকে ভালোবাসার জালে মাছের মত আটকে ফেলতে? আর শোন, তোদের সবার যদি এত প্রয়োজন বা টাকার দরকার হয় আমার কাছে চলে আসবি।

আর কিছু না বলে একবার নাদিয়ার দিকে তাকালাম। সে আমার দিকে গালে হাত দিয়ে তাকিয়ে আছে। চোখ দিয়ে আমার কখন যে পানি বের হয়ে গেছে বুঝিনি।
..
আজ ১৫ দিন হল কলেজে যাই না। নিজেকে বড্ড অসহায় লাগে। নাদিয়াকে খুব ভালোবাসি আমি। কিন্তু সে ঠকালো।
- আর কত কাদবি বাবা? (আম্মু)
-.....
- কেনো নিজের জীবনটা এভাবে অন্ধকার ঘরে কাটিয়ে দিবি? যা বাবা আগের মত সবকিছু শুরু কর। ভালো করে পড়াশোনা কর, তোকে নিয়ে যে আমাদের অনেক স্বপ্ন। আমার কসম দিলাম যা কাল থেকে ক্লাসে যা।
আম্মুর কথাগুলো শুনে বুকের মধ্যে কেমন একটা অনুশোচনা হচ্ছে।  তাই কাল থেকে আবার ক্লাসে যাবো।

(পরেরদিন)

ক্যমপাসের বসার জায়গাতে বসে আজো সেই রহস্যের বইটা পড়ছি। তখনি শুনি..
- আমাকে মাফ করে দাও আবির।
মুখ তুলে তাকিয়ে দেখি নাদিয়া।
- আবির প্লীজ আমাকে মাফ করে দাও।
-......
- আমি এখন সত্যিই তোমাকে ভালোবাসি।
কিছু না বলে সেখান থেকে উঠে চলে আসলাম। সেই আগের মত করছে নাদিয়া। সে কি চাই আবার?

ক্লাস এ চলে আসলাম। আগের মত আবার মনোযোগি হয়েছি বহু কষ্টে ক্লাসে। নিজেকে সামলাতে বহু যুদ্ধ করতে হয়েছে।
ক্লাস শেষ করে, যখন বাইরে আসলাম..
- আবির তোমার সাথে কথা বলবো। প্লীজ একটু শোনো।
- কে আপনি?
- আবির প্লীজ, এমন কোরো না।
চলে আসি ওর থেকে। নাদিয়াকে দেখলে বুকের বা পাশে কেমন যেন হয়। আর রাগটাও চড়ে বসে।

(তিনদিনপর)

- আবির তোমার সাথে কিছু কথা ছিলো।
- আমার নাই
- প্লীজ আবির, একবার শোনো, আর বলবো না কিছু।
- আচ্ছা বলো..
- আবির আমি জানি আমি ভুৃল করেছি। কিন্তু বিশ্বাস করো এখন, আমি তোমাকে সেদিনের পর থেকে ভুলতে পারিনি। তোমাকে সত্যিই ভালোবাসি
- হাহাহাহা..
- হাসছো কেনো?
- কত টাকা লাগবে বলো,
- আবির এমন করছো কেনো? আমি সত্যিই তোমায় ভালোবাসি।
- সত্যিই..?
- হুমমম...আমার ভুলাা বুঝতে পারছি, আমাকে ফিরিয়ে দিও না। আমি এখন নিজেকে পাল্টিয়ে নিছি। একবার তুমি বিশ্বাস করো।

নাদিয়ার দিকে তাকালাম, সে কাঁদছে, আসতে করে ওর হাতটি ধরতেই সে আমাকে জড়িয়ে নিল।
তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে বললাম..
- শোনো, ভালোবাসাটা কিছুই না। ভালোবাসা তো একটি নির্ভরশীল বস্তু, যা টিকে থাকে বিশ্বাসের উপর। আর সেই বিশ্বাস যদি একবার হারিয়ে যায় সেই বিশ্বাস আর কখনই অর্জন করা যায় না। বিশ্বাসটাই হল দামী জিনিস। তোমাকে যদি আবার বিশ্বাস করি, তুমি আবার ঠকাবে না তার কি গ্যারান্টি আছে? তাই তুমি তোমার মতই থাকো। আর আমি আমার মতই, তবে কোনো হেল্প লাগলে আমাকে বলবে, বাই।

কথাগুলো খুব নিরব হয়ে বলে নাদিয়ার থেকে চলে আসলাম। মনে মনে বললাম..
""যে বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে তাকে কখনই দ্বিতীয় বার সুযোগ দিতে নেই। কারন যে বিশ্বাস এর মর্যাদা রাখে না তার প্রতি কোনো মায়া বাড়াতে নেই"

""দেয়ালে ঠেকেছে পিঠ, তাহলে দেয়াল বনে যাই পেছনে ছুটছিলো যারা, তারা এসে ফিরে যাবে আমায় না পেয়ে। কেউ কখনো দেয়াল খুঁজে বেড়িয়ে সময় নষ্ট করতে চায় না; দেয়াল বাঁধায় আটকে পড়া শিকারের খোঁজে কেউ আসে, কেউ আসে দেয়ালের ওপারে কল্পিত পথ যদি পাওয়া যায় টপকে গেলে, এই ভাবনায়...""
(৬৭)
------(সমাপ্ত)-----

লেখা> Abir Hasan Niloy (ভিনগ্রহের এলিয়েন)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ