āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3801

গল্প: #ভালোবাসি
..
"যদি শীতের কাছে এক চিপটি কুয়াশা চাই তোর জন্য, তুই কি আমার হাতটি ছুয়ে ধরবি কি সেই কুয়াশা?
যদি তোর চিকন হাতের আংগুল গুলো আমার আংগুলের মাঝে আকড়ে নিতে চাই তুই কি বাড়িয়ে দিবি তোর হাত?
ঝুম বৃষ্টির মাঝে যদি তোকে জড়িয়ে নিয়ে ছোট্ট ছাতার নিচে দুজন হাটতে চাই কিছু পথ, তুই কি পাশে থাকবি আমায়..?
তোকে চিৎকার করে বলি ভালোবাসি ভালোবাসি শুধুই তোকে, তুই কি ভালোবাসবি আমায়""?

- দেখ নিলয়, তোর এই ন্যাকামো আমার মোটেও ভালোলাগে না। তবে কাব্যিক ভাবে বললি বলে কবিতাটা ভালো লেগেছে। কিন্তু ভালোবাসতে আমি পারবো না। (জান্নাত)
- কেনে? (আমি)
- এমনি.. আমার এসব ভালো লাগে না তাই।
- কি হয় একটু ভালোবাসলে?
- ঐ তুই থাক, আমি ক্লাসে গেলাম।

জান্নাত আমার পাশ থেকে উঠে চলে গেল। আর আমি চুপ করে বসে ওর চলে যাওয়ার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছি। মেয়েটা আমাকে একটুও বোঝে না। কত ভালোবাসি তাকে।
জান্নাত আর আমি সেম ইয়ার। তবে বন্ধুত্ব করি ভালোবাসবো বলে। কিন্তু সে তো আমাকে বাসেই না। কি যে করি।

দেখা হয়েছিলো কোনো এক বৃষ্টির দিনে। সেদিন আকাশ ছেয়েছিল ঘনকালো মেঘে। চারিদিক মেঘাচ্ছন্ন। হুট করে বৃষ্টি নামাতে আমি আটকে পড়ে ছিলাম রাস্তায়। নিজেকে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে দৌড়ে আশ্রয় স্থান খুজে খুজে আসতেই হুট করে চোখ আটকে যায় বট গাছের নিচে ঝড়সড় হয়ে দাড়িয়ে থাকা কোনো এক মানষীর দিকে।
থ হয়ে বড় রাস্তার পাশে দাড়িয়ে পলকহীন তাকিয়ে ছিলাম বালিকার দিকে। ঘন কালো লম্বা চুলের কয়েকটা চুল সামনে এসে পড়েছিলো। সাদা ড্রেস এ কালো চুলগুলো যেন তার সৌন্দর্যের অস্তিত্ব জানান দিচ্ছিলো। মাঝে মাঝে তার চিকন হাতের আংগুল দিয়ে চুলগুলো সরিয়ে দিচ্ছিলো।

- এভাবে ভিজছেন কেনো? (আমি)

কাছে যেয়ে কথাটি জিঙ্গাসা করতেই জান্নাত চমকে ওঠে। নিজেকে গুটিয়ে আমাকে বলে..
- সেই কখন থেকে দেখছি আপনিও ভিজছেন। আপনি কেনো ভিজছেন? (সে)
- আমি তো ভিজতে চাইনি। তবে এক বৃষ্টি কন্যার মায়াতে থমকে দাড়িয়ে ছিলাম। চুপসে হয়ে দাড়িয়ে তার সৌন্দর্য দেখছিলাম।
- বাপরে, কাব্যিক করে বললেন তো। আর আমি ভিজেছি সাথে ছাতা নেই বলে। আর ঠিক করে কোথাও যেতে পারিনি তাই..

এভাবেই কথা হয়েছিলো ওর সাথে। পরিচিত হওয়ার পর জানতে পারি, জান্নাত আমাদেরই কলেজে পড়ে। আলাদা ডিপার্টমেন্ট এ পড়ায় কখনও দেখা হয়নি এর আগে যদিও হয়েছে তবে সেইভাবে হয়নি। কিন্তু আজ আমি যে খুজে পেয়েছি তাহারে..
তারপর থেকেই শুরু হয় আমাদের বন্ধুত্ব। তবে আমি যে তাকে খুব ভালোবাসি।
- ঐ গবেট, তুই এখনো এখানেই বসে আছিস?
- তোর ক্লাস শেষ? (আমি)
- তা কি তোর জন্য বসে থাকবে নাকি? তুই ক্লাসে যাস নাই কেনো?
- ভাবছিলাম আমার মনের মধ্যে বাস করা এক গ্রীসদেবির কথা। যে কিনা সৌন্দর্যের এক প্রতিক। সে আমার মধ্যে বিরাজ করে চনচলতা সৃষ্টি করে।
- তা সে কে ভাইটু?
- কে আবার তুই??
- আবার শুরু করলি??
- কি হয়?
- কি কি হয়?
- একটু ভালোবাসলে কি হয়?
- জানিনা,বাসি না মানে বাসি না।
- বুঝবি যেদিন আমি থাকবো না।
- ঐ থামতো, চল বাসায় যায়।

করুন চোকে জান্নাতের দিকে তাকালাম। মেয়েটার মাঝে কি মন বলে কিছুই নেই? সে কি বোঝে না তাকে আমি কতটা ভালোবাসি? কেনো সে আমাকে রিজেক্ট করে? আমি তো অন্য মেয়েদের সাথেও কথা বলি না।

কলেজ থেকে বের হয়ে রিকশাতে দুজন পাশাপাশি বসলাম। আড় চোখে জান্নাতকে বারবার দেখছি। সে বুঝেও না বোঝার ভান করে বসে আছে। নিরাবতা ভেঙ্গে বললাম..
- জান্নাত
- হুম
-চল
- কোথায়?
- কাজী অফিস..
- ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিবে কুত্তা। চুপপ..

আমি আবারো চুপ। জান্নাত রাগ নিয়ে বসে আছে। ইচ্ছে করছে ওর নাকটা টেনে ধরি। কিন্তু ভয়ে সেটা পারছি না।
আবার নিরাবতা ভেঙ্গে বললাম..
- এই পথ যদি না শেষ হয় তবে কেমন হত বলতো..
- রিকশা মামার পা ব্যাথা হত, আর আমাদের ক্ষুধা লাগতো।
- একটু রোমান্টিক হ না জান্নাত।
- ঐ আমি এসে গেছি। নামবো ভাড়াটা দিয়ে দিস।

আর কিছু না বলে জান্নাত হুট করে নেমেই হাটা শুরু করলো। আমাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে হনহন করে চলে গেল।
এই হল জান্নাত। আজ অবদি জানিনা সে কোথায় থাকে। নিয়ে যায়নি কোনদিন ওর বাসায়। যতবারই বাড়ির কথা জানতে চেয়েছি ততবারই সে কথা এড়িয়ে গেছে। সে চাই না আমি তাকে ভালোবাসি,  সে চাই না তার বাড়িতে আমি যাই। কিন্তু কেনো?
.
- জান্নাত...
- হুমম
- কবিতা শুনবি?
- বল
- কবিতা না, এক প্রকার আকুতি বলে এটা।
- তোর কাব্যিকতা ভালো লাগে। সো সেইরকম কিছু বল।
নিরব হয়ে জান্নাতের দিকে তাকালাম। মুখটা কেমন যেন সবসময় শুকনো থাকে ওর। সেই শুকনো মুখে কেন জানিনা আমি ভালোবাসার এক অবিশ্রান্ত নদী খুজে পেয়েছি। যার স্রোত আমার অপেক্ষাতেই আছে।
চুপ করে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে বললাম..
""মাঝে মাঝে বিপ্লবী প্রেপিক হতে ইচ্ছে করে। সর্বস্ব চিৎকার করে বলি তোকে ভালোবাসি। এরপর আলতো করে তোর হাতটি ধরি, তুই আমার দিকে ভালোবাসার মমতায় তাকাবি। আমি তখন বলবো, ধরেছি তোর হাতখানি। সব বাধা আসলেও ছাড়বো না কখনই। তুই শুধু একটু ভালোবেসে পাশে থাকিস আমায়। আমি আগলে রাখবো তোকে আমার আলিঙ্গনের মমতায়।""

- ওয়াও,, হেব্বি সুন্দর হয়েছে।
- তাহলে ভালোবাসবি তো?
- আবার বললি? তোকে না মানা করেছি আমি। তুই কি বুঝিস না?
- আচ্চা সমস্যাটা কোথায়? যা বেশি ভালোবাসতে হবে না তোর, সামান্য একটু ভালোবাসা দিলেও হবে।
- ঐ যা তো আমার সামনে থেকে।
- জান্নাত, ভালোবাসি রে তোকে।
- ধুরর হ..
- তুই কি কাউকে ভালোবাসিস?
- তোকে কি বলেছি কখনও?
- ভালোবাসি রে..
- ধুরররর

জান্নাত চলে গেল। আমি হাবার মত দাড়িয়ে আজো তার চলে যাওয়া দেখছি। সে হয়ত আমাকে ভালোবাসে না। কিন্তু তাকে আমার চাই। তাই তার পরিবারের সাথে কথা বলতে হবে এই ব্যাপারে..

ক্লাস শেষ হওয়ার পর,দুজনে রিকশা করে যাচ্ছি..
- জান্নাত
- হুমমম
- তোদের বাসায় যাবো।
- নাহ
- কেনো?
- এমনি, বাদ দে কিছু ভালো লাগছে না।
- আচ্ছা তোর বাসার ঠিকানা বল, আমি পরে যাবো।
- চুপপ (জোরে ঝাড়ি দিয়ে)
আমিও আর কিছু বললাম না। অন্যদিকে তাকিয়ে বসে আছি। এমন যদি হত সে আমার হাতটি ধরে আমার অভিমানটা ভাঙাবে। কিন্তু না, সেও অন্যদিকে তাকিয়ে আছে। ধুররর
- আমি নামবো, এসে গেছি।
রোজ রোজ এই মোড়ে এসে জান্নাত নেমে যায়। তারপর কখন যে চলে যায় তাকে আর খুজেই পাই না।

(পরেরদিন)

আজ একটু দেরি করেই কলেজে গেলাম। রিকশা থেকে নামতেই আমি অবাক। কেমন যেন পা টা অসর হয়ে গেল। রিকশা থেকে নেমে দেখি জান্নাত অন্য একটি ছেলের সাথে পাশে দাড়িয়ে হেসে হেসে কথা বলছে। আমি অনেক্ষন দাড়িয়ে সেটা দেখলাম। জান্নাত আমার দিকে আড় চোখে তাকাতেই, আমি জোরে হেটে ক্যামপাসের মধ্যে চলে গেলাম।
ক্যামপসার বসতেই একটু পর জান্নাত আসলো।
- কি রে আজ এত লেট?
- এমনি।
- কি হয়েছে তোর? এমন শুকনো লাগছে?
- ছেলেটা কে?
- কোন ছেলে?
- বাইরে দাড়িয়ে যার সাথে এতক্ষন কথা বললি..
- ওহ, কেউ না এমনি।
- ভালো, চল

হৃট করেই জান্নাতের হাত ধরে বললাম যেতে। কিন্তু সে আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।
- কোথায় যাবো? আর হাত ছাড়.
- আজই আমরা বিয়ে করবো, কাজি অফিসে যাচ্ছি।
- কিহহহ,,,ঠাসসসস
হাতটি ঝটকা মেরে ছাড়িয়ে নিয়ে কষে একটি চড় মারলো গালে। সবাই যেন আমার দিকে তাকিয়ে আছে সেটা বুঝতে পারলাম।
- তোকে বন্ধু বানিয়েছি তার মানে এই নই যে তোকে ভালোবাসবো। ঠিক এটার জন্য আমি কোনো ছেলের সাথে কথা বলতাম না। তোকে বন্ধু বানিয়েছি কিন্তু তার মুল্য রাখলি না। আর কখনই যেন তোকে আমার সামনে না দেখি।

মাথাটা নিচু করে পাশ কাটিয়ে চলে আসলাম আমি। কখন যে কেদে ফেলেছি বুঝতেই পারিনি। নিজেকে বড্ড একা লাগছে। কেনো যে তাকে ভালোবাসতে গেলাম? বন্ধৃত্বটাও হারালাম শেষে। সবাই তো আর ভালোবাসা পায় না।
বাড়িতে এসে খুব কান্না করি।  জীবনে ইপর্টেন্ট কিছু হারালাম আজ।
(তিন দিন পর)

নিজেকে সামলিয়ে তিনদিন পর কলেজে আসলাম।।উদ্দেশ্য জান্নাতকে সরি বলার। যা হয়েছে সে ব্যাপারে মাফ চেয়ে নেবো। কিন্তু জান্নাতকে কোথাও পেলাম না। গেল কই মেয়েটা? সারা কলেজে, ক্যামপাস খুজেও মেয়েটাকে পেলাম না।
ক্লান্ত হয়ে শহীদ মিনারটাই বসতেই..
- ভাইয়া,
ডাক শুনে পিছনে ঘুরে তাকালাম। এ হল বাদাম বিক্রি করে আমাদের ক্যামপাসে। 
- কিরে তুই..?
- ভাইয়া এটা নিন।

পকেট থেকে একটি খাম বের করলো..? হাতে নিয়ে জিঙ্গাসা করলাম
- কি এটা?
- তাতো জানিনা, তবে জান্নাত আপু আপনাকে দিতে বললো..?
- জান্নাত, কোথায় ও?
- সেটাও তো জানিনা, আজ দুইদিন হল দিয়েছে।  তারপর থেকে তো আর ওনাকে খুজেই পাইনি।
- আচ্ছা যা..

খামটি খুলতেই দেখি সাদা কাগজ, মনে হচ্ছে এটা একটি চিঠি।
""নিলয়,
কেমন আছিস? জানি ভালো নেই, আমিও ভালো নেই রে।
নিলয় আমি বুঝিরে তুই আমাকে ভালোবাসিস। আমিও তোকে ভালোবাসি। কিন্তু তোকে কেনো ফিরিয়ে দিতাম জানিস? এটা পড়লেই বুঝতে পারবি কেনো তোকে ফিরিয়ে দিতাম।
জানিস নিলয়, তোকে কেনো আমি আমার বাড়িতে নিয়ে যেতাম না? কারন, আমার যে থাকার মত কোনো বাড়িই নেই। তোকে কেনো ভালোবাসতাম না জানিস?
কারন, আমার মত মেয়ে যে কাউকেই ভালোবাসতে পারে না। আমাকে ভালোবাসলে যে তোর সমাজ মানবে না।
কেনো মানবে না জানিস? কারন আমি হলাম রাতের পরী। রাতের পরী মানেটা বুঝিস নাই তাই তো? আমি হলাম একজন কর্ল গার্ল। যাকে কিনা সবাই টাকার জন্য ব্যবহার করে ভালোবাসে না রে।

তোকে আমি অনেক আগে থেকেই ভালোবাসতাম। কিন্তু তোকে বুৃঝতেই দিতাম না শুধু মাত্র ঐ কারনে। জানিস, আমি কেনো কর্ল গার্ল? সেই ছোট বেলাতে বাবা মারা যায়। পরে মা আমাকে খুব কষ্টে বড় করে। কিন্তু তিনি খুব অসুস্থ। তাই তার জন্য এই পথটা বেচে নিতে হয়েছে। চেয়েছিলাম একটা চাকরি করবো। কিন্তু এই সমাজের কিছু নামধরী ভদ্র লোক আমাকে হতে দেয় নি। কাজের নাম করে আমাকে ব্যবহার করতো।

এখন তুই বল কি করে তোকে ভালোবাসবো আমি? কি করে তোর পবিত্র ভালোবাসা গ্রহন করবে? সবাই আমাকে কামনান দৃষ্টি দিয়ে দেখলেও তুই ভালোবাসা দিয়ে দেখতি আমায়। সেদিন সেই লোকটি ছিলো আমার ক্লাইন্ট। সেদিন তুই একটু বাড়াবাড়ি করেছিলি বলে তোকে থাপ্পড় দিই। সরি রে, সমাজ আমাদের মেনে নিবে না রে
ভালো থাকিস, ইচ্ছে ছিল পড়াশোনা চালিয়ে যাবো। কিন্তু আর হল না। তুই যখন চিঠিটা পড়বি তখন আমি আর থাকবো না এই শহরে। থাকবো না আর এই এলাকায়। চলে গেলাম রে তোর থেকে নতুন শহরে। পারলে মাফ করে দিস।
জান্নাত"

চিঠিটা পড়ে চোখ দিয়ে অনবরত কখন যে নোনতা জল পড়ে চিঠি টা ভিজিয়ে দিয়েছে টেরই পেলাম না। আজ বুঝলাম, জান্নাত কেনো ফিরিয়ে দিত আমায়?

চিঠিটি পকেটে পুরে বের হলাম। ফুটপাত বেয়ে হাটছি আর কাদছি। সবাই আমার দিকে তাকাচ্ছে। কিন্তু আমি যে হারিয়েছি আজ তাকে। এই ভদ্র সমাজ তাকে মিনে নিলো না। বড়ই নিষ্ঠুর এরা। রাত হলে রাত পরীর খোজে বেরর হয় তারা আর দিন হলে তারাই সমাজে ভালো মানুষ হয়ে ফতুয়া দেয়।
জান্নাত যেমনই হোক না কেনো ভালোবাসবো তাকে আজীবন।
""নির্লিপ্ততায় মিশে বয়ে গেছে ভরাট নদিটি
সে বসে ছিলো পাড়ে, দুর থেকে দেখেছি তাকে,
সে তাকিয়ে ছিলো আমার দিকে তার রিক্ত চাহনিটি দিয়ে""
(৬৮)
-------(সমাপ্ত)------

লেখা> Abir Hasan Niloy (ভিনগ্রহের এলিয়েন)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ