āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ŧ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3799

The Road Light
লেখা> Abir Hasan Niloy
.
"চলো আজই আমরা বিয়ে করবো"

কথাটি শোনা মাত্রই চারিদিকটা যেনো কেমন নিরাবতা ভর করেছে। সামনে দাড়িয়ে থাকা কতগুলো লোক এমনকি নেহাও আমার দিকে অবাক হয়ে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। সবার দিকে একবার তাকালাম।
সবাই তাকিয়ে আছে আমার দিকে, হয়ত ভাবছে আমি কি পাগল, নাকি মাথার সমস্যা আছে যে আবির ভাইয়ের সামনে দাড়িয়ে এসব কথা বলছি? সবার চুপ থাকা দেখে বললাম..

- আমি মোটেও পাগল নই, আর মাথারও কোনো সমস্যা নেই। আমি নেহাকে ভালোবাসি বুঝেছেন?

সবাই এবার আরো বেশি অবাক হয়ে তাকালো। কারন স্পষ্ট বুঝতে পারছি আমি তাদের মনের কথাটাই বুৃঝে কথাটি বলেছি তাই। আবির ভাই তখনি উঠে দাড়ালো।
- কি ব্যাপার নেহা, তুমি বসে আছো কেনো? চলো..

নেহার ডান হাত ধরে যখনি টান দিয়েছি তখনি পিছন থেকে কেউ একজন ঘাড়ে হাত রাখলো। আমি ঘুরে তাকিয়ে দেখি আবির ভাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মাথাটা তথনি নিচু করে ফেললাম,
- তুমিই সেই নিলয়?
- হুমম
- আমার বোনকে ডিস্ট্রাব করো?

আবির ভাইয়ের কথা শুনে নেহার হাত ছেড়ে দিলাম। মনে করার চেষ্টা করলাম আমি কবে নেহাকে ডিস্ট্রাব করেছি। কিন্তু সেরকম তো কিছুই মনে পড়ছে না।
- কথা বলো না কেনো? (আবির ভাই)
- ভাইয়া, আপনি মনে হয় একটু ভুল জানেন, আসলে আমি রেহাকে কখনই ডিস্ট্রাব করিনি। বরং ভালোবাসি তাকে।

পাশে থাকা নিশ্চুপ জনতা এইবার কেমন যেন লাফিয়ে উঠল। সবাই সবার দিকে একবার করে তাকিয়ে নিল। ব্যাপারটা কেমন যেন লাগছে। সবাই আমাকে নিয়ে ভাবছে এটা মনে হতেই নিজেকে কেমন একটা রাজা রাজা মনে হল। তবে ওদের চোখ দেখে বুঝলাম, আমার মত একটা ছেলে আবির ভাইয়ের মত গ্যাং লিডার এর কাছে নিজের বোনকে ভালোবাসি বলছি কি করে?
ফিক করে হেসে উঠলাম। সবাই আবারো আমার দিকে তাকাচ্ছে।
আমি মনে মনে বললাম, ভাইয়ারা, আমি কোনো মাস্তান না বা লিডার না, আমি সাধারন একটি ছেলে  তবে ভালোবাসার জোরে আমি যুদ্ধও করতে পারি।

- তা তুমি আমার বোনকে ভালোবাসো? (আবির ভাই)
- হুমম
- কতখানি ভালোবাসো? আর কেনো ভালোবাসো? আর কোনো মেয়ে পাওনি?

আবির ভাইযের কথাশুনে মুচকি হাসলাম। নেহার দিকে একবার তাকালাম। সে ইশারায় বারবার বলছে, তুমি কি পাগল হয়ে গেছো? ভাইয়াকে এসব বলো না প্লীজ। কথাগুলো বুঝে আমি আবারো হাসলাম।
- হাসছো কেনো? (আবির ভাই)
- ভাই এত কথা জিগান কেনো? অর্ডার দেন গুলি করে মেরে দিই। (পাশে থাকা একটি ছেলে)
- চুপপ...

আমি কথাটি শুনে মোটেও ঘাবড়ায়নি। মুখে হাসি হাসি ভাব এনে বোঝালাম, যেন কিছুই হয়নি।
- ভাইয়া, ভালোবাসা হল সংক্রীয় নিউরোটক্সিন ভেনাম জাতীয় পদার্থ। যা শরির ও মন এর মাঝে একবার প্রবেশ করলে তা মস্তিষ্কে এবং বুকের বাঁ পাশে খুব তাড়াতাড়ি চলে যায়। যার ফলে আমরা দূর্বল হয়ে পড়ি, আমাদের অনূভূতিরা ছন্নছাড়া হয়ে যায়। সুতরাং আপনার বোনকে ভালোবাসি এতটাই।
- বুঝলাম, তা কেনো ভালোবাসো?

আবির ভাইয়ের কথা শুনে মনে মনে হেসে নিলাম খানিকটা। নেহার দিকে আবার তাকালাম, সে ভয় পেয়ে কাচুমাচু হয়ে দাড়িয়ে আছে। ইশারাই সে মানা করছে আমায়..
কিন্তু কেনো সে মানা করছে? তার ভাইকি আমাকে মেরে ফেলবে? তবে ক্ষতি কি তাতে.,তবে কদিন আগে তো সে এমন মানা করেনি। তাহলে কেনো সে আজ এমন করছে..
..
- নেহা..
- হুমম..
- আচ্ছা, একটা ছেলে আর একটা মেয়ে, দুজন দুজনকে চেনে, তবে সেই ছেলেটা মেয়েটিকে খুব ভালোবাসে। কিন্তু মেয়েটি যদি আর কথা না বলে এটার ভয়ে ছেলেটি তাকে ভালোবাসি বলতে পারছে না। তাহলে কি করা উচিৎ তার বলো..?
- নিলয়, তুমি এসব কি বলো..? তুমি কি জানো না আমার দ্বারা এসব ভালোবাসা হবে না? তুমি কি জানো না আমার ভাইয়া এই শহরের গ্যাং লিডার,?  তোমার সাথে কথা বলি তার মানে এই নয় যে তোমাকে ভালোবাসবো।

নেহার কথা শুনে অবাক হয়ে ওর দিকে তাকালাম। নেহার সাথে পরিচয় কলেজে এসেই। নেহাকে চিনতাম অনেক আগে থেকেই। কিন্তু কথা বলতে পারতাম না। একদিন এক্সামে তাকে হেল্প করি।  সেদিন থেকেই সে আমার সাথে কথা বলে। তারপর থেকেই নেহার উপর মায়া পড়ে যায় আমার। একসময় ভালোও বেসে ফেলি।

- কি ভাবছো কি তুমি? (নেহা)
- নাহ কিছু না, তবে তোমাকে ভালোবাসি অনেক আগে থেকেই।
- এসব হবে না নিলয়। ভাইয়া জানতে পারলে খুব খারাপ হবে।
-.......

নেহা উঠে চলে যায়। সেদিন খুব খারাপ লাগছিলো। মনের মাঝে যেন কেমন একটা শৃন্যতা বয়ে গেছিলো। সেদিন এর পর থেকে নেহার সাথে আমি আর যোগাযোগ করিনি, এমনকি কথাও বলিনি।
একদিন কলেজ থেকে বাসায় আসার পথে কোথা থেকে হুট করে এসে নেহা আমার হাত ধরে..
- কি ব্যাপার,আপনি?
- চুপ, বেয়াদপ এতদিন কথা বলোরি কেনো?
- কেনো বলবো?
- তুমি খুব পচা,,
-......

দুজন হাটছি, নেহা আমার আঙ্গুলের মাঝে আঙ্গুল ঢুকিয়ে হাটছে, কিছু বলতে যাবো, তখনি সে বলে
- নিলয়, বলতে পারবে আমার ভাইয়ের সামনে যেয়ে ভালোবাসি বলতে? চাইতে পারবে আমার ওনার সামনে দাড়িয়ে?

তখনি বুঝে নিয়েছিলাম নেহা আমাকে ভালোবাসে। সে আমাকে হারাতে চাই না। শক্ত করে ওর হাত ধরেছিলাম।
..

- কি হল বলো..এত কি ভাবছো??? ( আবির ভাই)
- নাহ কিছু না, ভাইয়া একটা কথা বলি..?
- হুমমম, বসে বলো।।
চেয়ারটা টেনে আবির ভাইয়ের সামনে বসলাম। নেহার দিকে তাকালাম। সে খুব ভয়ে আছে। হয়ত সে ভাবছে গ্যাং লিডার এর সামনে বসে তার বোনকে ভালোবাসি বলছি, এতে আমার খবর আছে বেশ। কিন্তু সে তো জানেনা আমি যে তার ভালোবাসার টানে চলে আসলাম।
- ঐ ছেলে, চুপ থাকো কেনো এত??
- ভাইয়া,
যেদিন আপনার বোনকে দেখি সেদিনই বুকের মধ্যে কেমন যেন হয়। কেনো ভালোবাসি বলতে পারবো না। তবে ভালোবাসি এটাই সত্য।

নেহার দিকে তাকিয়ে আবার বললাম..
- নেহার ঐ ঠোটের নিচে একটা তিল, প্রতি রাতে আমার কল্পনাতে এসে ভালোবাসার কথা জানান দেয়।
নেহার ঐ কালো ভ্রু আমার মাঝে ভালোবাসার ছন্দ তৈরি করে। নেহার ঐ চোখের পলক বারবার পড়ে যা আমার অনুভুতিকে অসর, ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সবাই তখন নেহার কথা ভাবে। ওর হাসি আমার মাঝে ছেলেমানুষি তৈরী করে। উন্মাদ হয়ে খুজি তাকে।

কথাগুলো বলে আবির ভাইয়ার দিকে তাকালাম। তিনি চোখ গোল করে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
আমি আবার নেহার দিকে তাকালাম। নেহাও চোখ বড় করে তাকিয়ে আছে। এইবার সবার দিকে তাকালাম, সবাই একই ভাবে তাকিয়ে আছে।
জোরে একটি হাসি দিলাম। সেই হাসিতে সবার যেন স্তম্ভিত ফিরলো।
আমি আবির ভাইয়ের দিকে তাকালাম,,

- ভাইয়া আরেকটা কথা বলি..?
-.....
- ভাইয়া, আমি জানি হয়ত আপনি ভাবছেন, আপনার মত ভয়ংকর লোকের সামনে আপনারই বোনকে ভালোবাসি বলতে এসেছি। নিশ্চয় আমি অসাধারন কেউ? কিন্তু না ভাইয়া, আমি অতি সাধারন একটি ছেলে। তবে সাধারন হওয়াও একটি আর্ট। যা সবাই পারে না।
আর আমি জানি এটাও যে, আপনি মোটেও ভয়ংকর লোক নন। আপনাকে দেখে তা মনে হয় না।
আপনি ভয়ংকর আপনার এই লোকজনদের নিয়ে। একতাই শক্তি বলে একটা কথা আছে।

ভাইয়া জানেন, আপনার এই এত লোকজন, এত নামডাক, সবাই কিন্তু আপনাকে ভালোবেসে নাম নেই। ভালোবেসে পাশে থাকে না। সবাই আপনাকে ভয় পায় বলে, টাকা দেন বলে পাশে থাকে। নাম করে...আপনি পাশে থাকা ওদেরকে বলেন, যে আপনাকে ভালোবাসে কি না? দেখবেন বলবে ভালোবাসে, কারন তারা আপনাকে ভয় পায়।

ভাইয়া নেহাকে দেখেন, সে কিন্তু আপনাকে মোটেও ভয় পায় না। সে কিন্তু আপনাকে অনেক বেশি সম্মান করে, আর ভালোবাসে। তাই আপনি কষ্ট পাবেন বলে সে আমার কথা আপনাকে বলেনি। তাই যদি তার ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়ে সব মেনে নেন। তাহলে অবশ্যই ভালো হবে।
.
আবির ভাই চুপ করে আছে। নিরাবত ভেঙে বললেন..
- আমার বোনের জন্য কি করবে?
- আপনার বোনের জন্য আমি কিছুই করবো না। কারন ভালোবাসা মানে এই নই যে তার জন্য সবকিছুই করতে হবে। তবে আমি সেই কাজগুলো করবো, যে কাজের মাঝে মিশে থাকবে একটু ভালোবাসা। একটু বিশ্বাস, বেচে থাকার প্রেরনা।
আমি আপনার বোনকে ভালোবাসি। কতটা বাসি বলা যাবে না, এতে যদি আমার বড় অপরাধ হয় আমি সবকিছুর জন্য প্রস্তুত। হয়ত আমি লড়াইয়ে হেরে যাবো। তবে বেচে থাকবে আমার ভালোবাসা। আসি...ভালো থাকবেন

কথাগুলো বলে উঠে দাড়ালাম, নেহার দিকে তাকালাম। সে কখন যে কেদে ফেলেছে হয়ত সে বুঝতেই পারিনি। ঘাড় ঘুরে আবির ভাইয়ের দিকে তাকালাম। তিনি আমার দিকেই চেয়ে আছেন।
আমি কিছু না বলে সোজা হাটা শুরু করলাম। হয়ত একটু পরেই আমার ঠিকানা হবে হসপিটালে। গেট থেবে বের হয়ে বড় জোরে হাটছি।

তখনি বুঝলাম পিছনে কেউ একজন আসছে। থেমে, ঘুরে তাকিয়ে দেখি নেহাহা...
- ঐ তুমি এত জোরে কিভাবে হাটো হুমম?
- তুমি??
- না তো কে থাকবে?
- হসপিটালের সিট বুকিং এর জন্য জোরে হাটছি।
- তার আর দরকার নেই। বরং বাসায় যেয়ে বেডরুম সাজাও ফুল।দিয়ে।
- মানে?
- ওরে গাধারাম, একটু পর ভাইয়া যাবেবে তোমাদের বাসায় বিয়ের কথা বলতে.
- সত্যিই..?
- হুমমম

কথাটি শুনে নেহার দিকে তাকালাম। নেহা মুচকি হাসছে। আর আমি ভাবছি আবির ভাইয়ের কথা। তিনি তাহলে তার বোনকে আমার হাতেই তুলে দিলেন অবশেষে?
- আমি তোমাকে একটু এগিয়ে দেয়? (নেহা)

কিছু না বলে হাটা শুরু করলাম। একটু পরই আমার বা হাতের আঙ্গুলের মাঝে নেহার হাতের আঙ্গুল আকড়ে ধরেছে। দুজন হাটছি..
শুরু হতে যাচ্ছে নতুন অধ্যায়...
মনে মনে বললাম..
""কোথায় ভয়.. , যদি ভালোবাসার মানুষটি এভাবেই পাশে থাকে যদি সবসময়..""
(৭০)
--------(সমাপ্ত)-------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ