āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ģ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3784

গল্প: #চাশমিশ_বালিকা
লেখা> Abir Hasan Niloy
.....
- "আপনি আমাকে ভালোবাসেন বলে দিলেই তো হয়। আমি কি না করবো নাকি? তবে এভাবে জনে জনে বলে বেড়ানোর কি দরকার"? (রিমি)

পকেটে হাত গুজে সিড়ি দিয়ে নিচে নামছি। ঠিক তখনি এই রিমির সাথে আমার দেখা। আর দেখা হয়েই উপরের কথাটি সে বললো..
- মানে কি? (আমি)
- মানে কিছুই বুঝতেছেন না তাই না? ফোনটা কাছে থাকলে বুঝিয়ে দিতাম।

রিমির দিকে তাকালাম। চোখে মুখে দুষ্টামির হাসি ভরপুর করছে। তবে আমি এই হাসির ছলে কোনো ভাবেই পড়তে চাই না।
- কি হল মি. আবির সাহেব?
- কিছু না..
পাশ কাটিয়ে নিচে চলে আসলাম। রিমি সারাদিন চশমা পরে থাকবে। কিন্তু দেখতে ভদ্র হলে এ যে শয়তানের খালা একটা সেটা প্রথমে কেউ বুঝতে পারবে না।
রিমি হল আমাদের বাড়িওয়ালার মেয়ে। ঠিক এ কারনেই আমি ওকে এড়িয়ে চলি। আমি চাইনা আবার একই ভুলের জন্য আমার পরিবারে সম্মানহানি হোক।
কিন্তু এর জ্বালানো আরো বড় আকার ধারন করেছে জবে থেকে ওর ভাইকে আমি প্রাইভেট পড়ায়..

।।

রাতের বেলা ছাদে দাড়িয়ে আছি। আকাশটকে দেখছি। তারা ভরা আকাশ। দক্ষিনা বাতাস উপভোগ করতে বেশ লাগছে।
- আমাকে ভালোবাসেন তাই না? (রিমি)
চমকে উঠে রিমির দিকে তাকালাম। মেয়েটা বলে কি?
- আপনি এখানে কেনো? (আমি)
- আমাদের ছাদ, আমি আসবো না তা কি হয়?
- ওহ হা,,আচ্ছা থাকেন বাই।
- এই ছেলে শুনুন..
- কি?
- আমাকে ভালোবাসেন না??
- নাহ..
- তাহলে ঐ লেখাটার মানে কি হুমম?
- কোন লেখাটার?
- পরে বলবো,,আগে আরো একটু সিওর হয়ে নেই।

ধুরর বলেই মেয়েটির কাছ থেকে চলে এসেছি। আমি চাই না এই মেয়েটির সাথে কথা বলতে। দেখতে সুন্দর হলেও আমি চাই না রিমি আমার সাথে বা আমি ওর সাথে কথা বলতে। কারন, ও হল বাড়িওয়ালার মেয়ে। তাই এড়িয়ে চলি। অবশ্য আরো একটি কারন আছে। যেটার জন্য আজ আমরা আজ রিমিদের বাড়িতে ভাড়া থাকি।

রুমে চলে এসে, ভাবছি রিমি আমাকে এত কেনো জ্বালায়? অবশ্য আম্মুর দৌলতে আমাকে আরো বেশি জ্বালায়। কারন আম্মুর সাথে সে সবসময় থাকবে।
.
সকালে ঘুমাচ্ছিলাম ঠিক তখনি কানের মধ্যে শুড়শুড়িতে লাফ মেরে উঠলাম..
- হা হা হা হা হা হা হা..(রিমি)
তাকিয়ে দেখি রিমি শয়তানটা দাঁত কেলিয়ে হাসছে।
- এই আপনার সমস্যা কি হুমম?
- আমাকে ভালোবাসলেই তো হয় তাহলে সমস্যা হবে না।
- হুটটট বেয়াদম মেয়ে।

কথাটি বলেই ওয়াশরুমে চলে গেলাম। বাইরে এসে আর ওকে দেখিনি। তবে আম্মুকে দেখলাম।
- আম্মু রিমি কেনো এখানে আসে?
- এমনি আসে।
- আম্মু তুমি ভুলে গেছো সব?
- নাহ,,তবে এদেরকে ঠিক ঐরাকম মনে হয় না।
- তোমার মনে না হলেও আমার হয়। আর রিমি যেনো আমাকে জ্বালাতে না আসে বলে দিলাম।
- আচ্ছা সে পরে দেখা যাবে। আগে তো খেয়ে নে।
চুপচাপ খেয়ে বাইরে বের হলাম।
- এই যে মি. আবির সাহেব...ভালোবাসলেন তাহলে শেষমেষ?
- ঐ এসবের মানে কি? আমি কি আপনাকে বলেছি কখনও ভালোবাসি??
- তাইনা????
- থাকেন আপনি..
.
- ঐ শুনুন,,ভালোবাসেন না তাহলে এটা কি??

সিড়ি দিয়ে আজো যখনি নামছিলাম তখনি রিমি পথ আটকে কথাগুলো বললো...তবে এইবার ওর কথা শুনে খুব অবাক হলাম। কারন, ও ওর ফোন থেকে কি যেনো দেখাচ্ছে।
- কই দেখি কি এটা? (আমি)
হাত থেকে ফোনটা নিয়ে দেখলাম একটি স্ট্যাটাস,,

"যে মেয়ে চশমা পরে তার উপর আমি ক্রাশিত। ভালোবাসলে তাকেই ভালোবাসবো""

স্ট্যাটাস এর উপর আমার নামটা দেখলাম। মানে এই লেখাটি আমারই। কিন্তু কথা হল,, রিমি আমার আইডিতে কিভাবে এড হল?
- আপনি আমার ফ্রেন্ড লিষ্টে কিভাবে?
- সেটা তো বলবো না,,যাই হোক ভালোবাসেন বলে দিলেই তো হত।
- ঐ মেয়ে এখানে কি লেখা আছে আমি আপনাকেই ভালোবাসি?
- নাহ তবে আমি বুঝে গেছি আপনি আমাকেই ভালোবাসেন।
- থাপ্পড় চিনেন? কানের নিচে খাইলে বেশি বোঝা রোগ উড়ে যাবে।
- দিন না দুইটা,,আপনার জন্য সব সইতে রাজি।

ধ্যাত,, বলেই চলে আসলাম সেখান থেকে। কি লিখেছি আর কি মানে বের করলো এই মেয়েটি? তবে কথা হল, সে কিভাবে আমার আইডি জানে?
সেদিন সন্ধ্যায় ওর ভাইকে পড়াইতে গেছি।
- ভাইয়া আমার রিকু টা ঝুলিয়ে রাখছেন কেনো?? (ছাত্র)
- মানে কোন রিকু?
- আরে আজ ১৭দিন হল আমি আপনাকে রিকু দিয়ে রাখছি আর আপনি এক্সেপ্টই করেনি।
- ওহহ

পড়ানোর শেষে বাড়িতে আসলাম। এসে ফেসবুকে ঢুকে চেক করতে লাগলাম।
দেখলাম অপূর্ব হাসান নামে রিকু আছে একটা। প্রোফাইল পিক দেখে চিনলাম এটা আমার ছাত্রের রিকুয়েস্ট। তবে আরো একটি রিকুয়েস্ট দেখলাম নাম হল "মেঘ এনেছি ভেজা""
রিকুটাও এক্সেপ্ট করে নিলাম। তখনি মেসেজ আসলো..

- এত দেরিতে এক্সেট করলেন কেনো হুমম?
মেসেজ সিন করে দেখি মেঘ এনেছি ভেজা আইডি থেকে মেসেজ এসেছে।
- হুমম (আমি)
- ভালোবাসেন বলে দিন মি. আবির সাহেব।
মেসেজ টি দেখে আমি অবাক। কারন এইভাবে আমাকে একমাত্র রিমিই ডাকে।
- মানে কে আপনি?
- এখনো বলতে হবে কে?
(পিক দিয়ে দেখালো)
পিক টা দেখে আমি তো অবাক। এ তো সত্যিই রিমি।
- আপনি কেমনে?
- আমার ভাইয়ের থেকে আপনার আইডি পেয়েছি। আমিই বলেছিলাম আপনার আইডি মেনেজ করে দিতে।
মেসেজটি সিন করে লগ আউট করলাম। কারন, আমি বেশি কথা বলতে চাই না ওর সাথে।

(দুইদিন পর)

ছাদে দাড়িয়ে আছি সন্ধ্যা হয়ে গেছে। এমন সময় রিমির আগমন,,
- আবির আমি তোমাকে প্রথম থেকেই ভালোবাসি।
কোনো কিছু না বলেই মেয়েটি এসে সরাসরি এভাবে কথা বলছে। রিমির কি লাজ লজ্জ্বা নেই?
- আমি বাসি না।
- কেনো?
- এমনি,,,
- প্লীজ বলো না..
- বললাম না এমনি..

আর কিছু না বলেই চলে আসলাম সেখান থেকে। বাড়িতে ঢুকেই আম্মুকে বললাম..
- আম্মু এ বাড়িটাও পাল্টাতে হবে। সেই প্রবলেম শুরু হয়েছে।
- কেনো রিমি কি করেছে?
- জানিনা...তাড়াতাড়ি ব্যাবস্থা করো বাড়ি পাল্টানোর। কেননা,,আমি চাইনা তোমাদের আর সম্মানহানি হোক।
- আচ্ছা দেখছি কি করা যায়।
রুমে চলে আসলাম। এসে পুরোনো দিনের কথা গুলো ভাবছি।
।।

- আপনাদের ছেলে এত খারাপ? (আগের বাড়িওয়ালা)
- মানে? (আব্বু)
- আপনাদের ভাড়া দিয়েছি তার মানে এই নয় যে আমার মেয়েকে ডিস্ট্রাব করবে।
- কি বলছেন এসব? আমার ছেলে এমন হতেই পারে না। (আম্মু)
- তাই না..

চুপচাপ আমি দাড়িয়ে কথা গুলো শুনছিলাম। কিছুই বলার নেই। আম্মু জিগাস করলো তখন..
- কি রে আবির কি বলেছিস ওনাদের মেয়েকে? (আম্মু)
- আম্মু বিশ্বাস করো,, আমি কিছুই বলিনি।

আসলে এ বাড়িতে এসেছিলাম দুইমাসের মত হবে। কিন্তু এখানে রাইসা নামের মেয়েটির জন্য সমস্যা দেখা দেয়। আমাকে নাকি তার পছন্দ হয়নি বলে বাড়িতে থাকতে দিবে না।
একদিন ছাদে দাড়িয়ে আছি। তখনি রাইসা ওর আব্বুকে সাথে নিয়ে আসলো..

- আব্বু এই ছেলেটা রোজ আমাকে টিজ করে
আমি তো কথাশুনেই অবাক। কোনোদিন কথা বলিনি ওনার সাথে। আর বলে কিনা আমি টিজ করি?
- ঐ ছেলে,,টিজ করো আমার মেয়েকে?
- কি বলছেন এসব?
- চুপপ বেয়াদপ,,রোজ আমাকে নানা কথা বলিস,, আমাকে প্রপোজ করিস রোজ,,খারাপ কথা বলিস (রাইসা)
- কি বলছেন এসব?
- ঐ চল তোর বাবা মার কাছে। (ওর আব্বু)

তারপর উপরের কথাগুলো শুনতে হয়েছে আমাদের। শেষে বাড়িওয়ালা বলেগেছে
- বাপ মা যেমন ছেলেও হয়েছে তেমন,,
কথাটি শোনার পর আব্বু আম্মুর মুখের দিকে তাকালাম। মুখটা দেখতে খুব শুকনো মনে হল, হয়ত এর আগে এত বড় কথা তারা শোনিন। নিজেকে আসলেই অপরাধী মনে হয়েছিলো সেদিন।
তারপরই সেখান থেকে রিমিদের বাড়িতে ভাড়া উঠেছিলাম। আর এখানেও সেই মেয়েলি ব্যাপারে জড়াতে হচ্ছে।
..

পরেরদিন বিকালে ছাদে দাড়িয়ে আছি।
- আমি কিন্তু রাইসার মত করবো না।
কথাটি শুনেই চমকে উঠলাম। এ মেয়ে এটা জানে কিভাবে? অবাক হয়ে ওর দিকে তাকালাম।
- আনটি কাল সব বলেছে।
তখনি বুঝলাম আম্মু সবকিছু বলে দিয়েছে।
- ভালো (আমি)
- এখন তো ভালোবাসেন?
- নাহ,,আমার আব্বু আম্মু যা করবে তাই। আমি চাইনা আবার তাদের সম্মানটা আমি নষ্ট করি।

এইবার রিমি চলে গেলো আমাকে কিছু না বলেই। ভালোই হল চলে গেছে।
সন্ধ্যার অনেক পরে যখন আমি বাড়িতে ঢুকতে যাবো তখনি বাড়ির মধ্যে চেচামেচি শুনলাম।
বাড়িতে ঢুকেই আমি অবাক। কারন যাদের কে দেখলাম। তারা হল রিমি ঘোমটা টেনে বসে আছে আর ওর আব্বু আমার আব্বুর সাথে আমাদের বিয়ে নিয়েই কথা বলছে।

- আম্মু কি হচ্ছে এখানে?
সবাই আমার দিকে তাকালো..
- তোমার সাথে আমার মেয়ের বিয়ে। (আংকেল)
- কিন্তু আমার আব্বু আম্মু কি রাজি তাতে?
- হুমম ওনাদের সাথেই তো সেই ব্যাপারে কথা বলতে এলাম। (আনটি)
- ওহহ..আম্মু তোমরা কি বলো..?
- রিমির সাথেই তোর বিয়ে হবে।
কথাটি শুনে সোজা রুমে চলে আসলাম। বিয়েটা এর জন্যই করছি,, কারন আম্মু আব্বু রাজি আছে তাই। কারন, আমি জানি তারা কখনই সন্তানদের খারাপ চান না।
বরং সন্তানদের জন্যই তাদের অনেক সময় মান সম্মানটাও ত্যাগ করতে হয়।
তাই বাবা মা যা করে সেটা আমাদের অবশ্যই ভালোর জন্যই।

যাই হোক,, বিয়ের জন্য তো এখন রেডি হয়। বাসর ঘরে আবার রিমির কাছ থেকে শুনতে হবে তো কীভাবে সব মেনেজ করলো।
(78)
--------(সমাপ্ত)-------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ