āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ģ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3780

গল্প: আমার বিয়ের বাঁশ
লেখা> Abir Hasan Niloy
..

"আজ বাড়িতে গেলে যে নিশ্চিত পিটুনি আছে কপালে সেটা আমি এই পার্কে বসেই বুঝতে পারছি। পিটাবে আমাকে বাড়ির আর কেউ না যে পিটাবে সে হল আমার মহান আম্মাজি। কারন তার মতে আমার মত হারামি আর ফাজিল আর একটাও নেই। ফলে আমাকে নাকি ২৪ ঘন্টাই পেটানো উচিৎ। তবে আজকে আর মনে হয় কেউ বাচাবে না আমাকে"

বাড়িতে যাওয়ার আগে বোনের কাছে একবার ফোন করা দরকার পরিস্থিতি কেমন আছে। অবশ্য সেও হয়ছে আম্মুর মতই।
- হেলো টুনটুনি..
- ঐ চুপ হারামি। তোকে না আমি খুন করবো। (বোন)
- কেনো ডিয়ার টুনটুনি?
- দুইটা কারনে, এক আমাকে টুনটুনি বলে ডাকা আর দুই...বাড়িতে আই তারপর বোঝাচ্ছি কত গমে কতটুকু আটা হয়।

যাহ বাবা,,এটা কী হল? হুটট করেই লাইনটা কেটে দিলো। তবে বুঝলাম বাড়িতে এখনো যাওয়া নিষেধ আছে। গেলেই কোরবানি হয়ে যাবো। আমার আম্মুটাও যে রাগী..তবে সবসময় রাগেন না বলেই বেচে যায় বারবার। আর রক্ষে নেই আমার।

সন্ধ্যার সময় বাড়িতে গেলাম। বাসার পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রনে বুঝতে পারছি। হয়ত আব্বুই ঠান্ডা করেছে। যাক ভালোই হবে। বাড়িতে ঢুকেই সবার চোখ আমার দিকেই। যাক বিয়েটা যে হবে না এই ভেবেই বাচলাম।

- বাবু, তুমি একটা কাছে আসবা? (আম্মু)
- এই রে,,আম্মুর তো এটা ঝাড় দেয়ার পূর্ব লক্ষন। আদর করে ডাকবে। পরে ঝেড়ে সাফ করে দেবে পিঠের চামড়া।
- হ্যা আম্মু বলো..
- আজ তোর খাওয়া বন্ধ।
- জানি আমি.
- শয়তান ছেলে কোথাকার,,জানিস তো আবার বলিস কেনো?
- এরাকম তো আর আজকে না তাই আরকি। তকে বাইরে থেকে খাইয়া আইছি।
- ধুর হ তুই চোখের সামনে থেকে

কোনো কথা না বলেই রুমে এসে শুয়ে পড়লাম। আর ভাবতে লাগলাম আজকের বিকালের ঘটনাটা। বিকেলে আজ যা হলো তা নিয়ে যে অল্পের উপর ঝড় গেছে তাতেই খুশি আমি।
আজ গেছিলাম বুশরা কে দেখতে। মানে মেয়ে দেখতে আরকি। আমাদের পরিবারের সবাই গেছিলাম। মাকে সবার আগেই রেখেছিলাম। যেহেতু বাড়ির চেয়ারম্যান বলে কথা। বাবা অবদি সালাম দেয় মাঝে মাঝে।

আব্বুর বন্ধুর মেয়ে। সবার মতে দেখতে নাকি পরীর মতই। নেহাত ডানা নেই। না হলে কোন ভূতের সাথে প্রেম করতো কে জানে? তখন সেই ভূতটাও মানুষের মত মদের বোতল হাতে নিয়ে "পরান যায় জ্বলিয়া রে গান গাইত"। মেয়েরা তো আর একটা প্রেম করে না। করে অনেকগুলো তাই বললাম আরকি।

- বাবা তোমার মেয়ে পছন্দ হয়েছে তো? (বুশরার বাপ)
- একটা কথা বলার ছিলো। (আমি)
- হ্যা বাবা বলো..
কথাটি বলতে আমি উঠে দাড়ালাম। কারন যেই কথাটি বলতে যাচ্ছি সেটা বসে বলতে গেলে পালানো যাবে না। তাই দাড়িয়ে বলাটাই শ্রেয় মনে হল।

- আসলে এই যে বুশরা....মুখে এত আটা ময়দা কেনো? দেখতে জানি পেতনির মত মুখে আটা ময়দা গুড়ো লাগিয়েছেন যা, তা দেখে বুঝতেই পারছি না কেমন আপনি।
শুনুন মুখটা ধুয়ে আসেন তো মিস পেতনি, ব্যস এইটুকু বলেই সেখান থেকে পালালাম।

পরে কি হয়েছিলো জানিনা। কিন্তু যতদুর জানি পালানোর আগে বুশরার চোখে পানি এসে পড়েছিলো। আচ্ছা আপনারই বলেন তো বিয়ে করলে করবো তবে এমন মেকাম বক্স সুন্দরীর কেনো বিয়ে করবো?
এসব ভাবতে ভাবতেই কখন যে ঘুমিয়ে গেছি বুঝতে পারিনি। সকালে তাড়াতাড়ি উঠে অবশ্য আম্মুই ডেকে দিছিলো। কিছু খেয়ে অফিসে চলে গেছিলাম।
বুশরা যে বিয়ে করবে না এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারন এ রকম অপমান আর কোথাও হয়নি সে এটা আমি নিশ্চিত।

দুইদিন ভালোও সময় কাটলো।
দুইদিন পর প্যারয় পড়লাম অফিস থেকে বিকালে বাসায় এসে। রুমে এসে তো আমি অবাক। আমার রুমটা এত সুন্দর করে গোছানো হতে পারে ভাবিনি। মনে মনে আম্মুকে আজ ফুসকা খাওয়ার অফার করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আচ্ছা আম্মুরা ফুসকা খাই তো?

- মি. অপু সাহেব..
- ঘুরে তাকিয়ে শালা আমি তো অবাক। আরে এ তো বুশরা। কিন্তু এ ছেমড়ি এখানে কেনো?
আর আমি খালি বিছান পত্রই এতক্ষনে দেখেছি। আনলাতে যে তার কাপড় চোপড় তা এতক্ষন খেয়াল করিনি। তখনি মনে হল ড্রেসিং টেবিলে তাকায় সেখানে আবার মেকাম, আটা, ময়দার বাক্স আছে কি না।
আরে না তো সেখানে এসব কিছুই নেই।

- কি ভাবছেন?
- ভাবছি মেকাম বাক্স কোই?
- কই মানে? মেকাপ কেনো বক্স কেনো থাকবে? আর আপনি তো দেখি আচ্ছা মানুষ এখানে আমি কেনো রয়েছি সেটা জিগাস না করে আপনি মেকাপ নিয়ে পড়ে আছেন? আপনাকে মেকাপ করাতে হবে বুঝতে পারছি..
মেয়েটা চলে গেলো। আর আমি ভাবছি এটা কি হল? এটা কোনো ভাবেই সম্ভব না।
- ভাইয়া জানিস,,বুশরা আপু না সব মেকাপ জিনিষ বাইরে ফেলে দিছে।
- কেনো??
- কেনো আবার? তুই পছন্দ করিস না তাই।
- এই রে এটা কোনো কথা??
রাত ১০ টা বাজে। বেলকনির গ্রীল ধরে দাড়িয়ে ভাবছি আজ এটা কি হল। কখন যে বুশরা পাশে এসে দাড়িয়েছে বুঝতে পারিনি

- জানেন আমি খুব সাজতে পছন্দ করতাম।
- ওও,,তা এখনো সাজেন মানা করেছে কে শুনি?
- কেউ বলেনি। তবে আপনি যে পছন্দ করেন না।
- তো আমি করিনা তাই কি? আমি কে যে আমার কথায় সব হবে?
- কারন হল আমি আপনাকেই বিয়ে করছি।
- এ্যা...কেনো?
- এ্যাঁ না হ্যা.. কারন আমি ভাবতেই পারিনি আমাকে কেউ ফিরিয়ে দেবে। সবাই কে আমি বিয়ে থেকে তাড়িয়েছি। বাট আপনি আমাকেই অপমান করে বুঝায় দিলেন, কারো অপমান করলে কেমন লাগে?
- ও ও বুঝলাম..
- আর শুনুন মি. অপু। বিয়ে আপনাকেই করছি। তাই সকাল থেকে এখানেই আছি। শ্বশুর বাড়িতে অগ্রীম বেড়াতে আসলাম।

-...
- আর বিয়ের পর গাদাখানি মেকাপ বক্স কিনবো।
তবে এইবার আপনাকেই মেকাপ লাগবো সব জায়গায়। দেখি কে বাচায় আপনাকে।
- ইয়া আল্লাহ.. এটা কেমন বিচার? তবে আজ কিন্তু বুশরাকে সাজুগুজু বাদেই অনেক সুন্দর লাগছিলো। চোখদুটো কিন্তু আসলেই মায়াবী।
যাকগে এ বিষয়, এখন কিভাবে মেকাপ ওয়ালীর মেকাপ করা থেকে নিজেক বাচাবো সেইটা ভাববার বিষয়।
(৩৭)
----------(সমাপ্ত)----------

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ