āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3732

গল্প:- কুড়িঁয়ে পাওয়া ভালোবাসা'
-'
রাতের আঁকাশে তো সব সময় আলোড়ন কারী চাঁদ,তারা দেখা যায় না,কিছু কিছু সময় স্তব্ধতা ভরা কালো আধারে ভরে থাকে নীল আঁকাশটা।
তখন কোন আলো ছায়া দেখা যায় না।
তারই মাঝে আজ,এক অস্রয্য যন্তনা ভরা বুক নিয়ে বসে আছি।
তবে অস্হায়ী আলোড়ন করীরদের মাঝে একটা আলোড়ন কারী হলো ল্যাম্পপোস্ট।
ব্যস্তঘেরা এই ইট পাথর আর ক্রংকিটের মায়া আবদ্ধ ঘেরা এই শহরে শুধু এই ল্যাম্পপোস্টিই মাত্র জেগে থাকে একাকিত্ত বুকে নিয়ে,আর কিছু সিমাহীন আলো।
ঠিক একই ভাবে সঙ্গি হিসেবে জলন্ত সিগারেট নিয়ে কষ্টগুলো বাস্পিয় করার এক প্রচেষ্টা,
একা সময়টা কটানোর জন্য সিগারেটই শ্রেয়।
এইভাবে এক পেকেট ব্লাক সিগারেট এর প্যাক শেষ,আর একটি মাত্র বাকি,আগের সিগারেটটা কোন এক সৃতিতে আবদ্ধ থাকার কারনে পুরে ছাই হয়ে গেছে,তাই পকেট থেকে ম্যাচটা বের করতে যাবো সেই সময় ফোনটা বেজে উঠল,ম্যাচটা আর বের করা হলো না,বাধ্য হয়ে ফোনটা বের করে স্কিনে তাকিয়ে দেখি তিতলির ফোন।
তিতলি হলো আমার ভালোবাসার মানুষ,প্রায় একটি বছর ধরে আমাদের সম্পর্ক,মেয়েটা কেমন জানি,বুঝতে পারি না কিছুতেই।
তিতলি শুধু চায় তার সাথে একটু সময় কাটাই,তাই যখন সময় কাটানোর সময় হয়,তখনই ফোন আসে,কিন্তু আজ এতো রাতে কেন ফোন করেছে...
হ্যালো.!!-(তোরিয়)-
বাবু তুমি কই?-(তিতলি)-
বাসার বাইরে ল্যাম্পপোস্ট এর কাছে বসে.!!-(তোরিয়)-
সিগারেট খাচ্ছ বুঝি.??-(তিতলি)-
হুম,ওইটাইতো আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে.!!-(তোরিয়)-
উফ এসব বোরিং কথা বাদ দাও ত,কাল একটু দেখা করতে পারবে??-(তিতলি)-
হুম.!!-(তোরিয়)-
ওকে তাহলে কাল দেখা হচ্ছে বাই.!!-(তিতলি)-
অতঃপর ফোনটা কেটে দিলো।
-
ফোনটা কেটে দিয়ে আঁকাশের দিকে তাকিয়ে বললাম,আমায় কি শুধু খেলবার জন্য তৈরি করা হয়েছে,যে যেমন পারছে তেমন ভাবে খেলছে,এমন কি,কাউকে কখনও "না"শব্দটি ব্যবহৃত করলাম না..!!
কিন্তু আমার আবদারগুলো সব সময় "না"শব্দেই চালিত হয়েছে,সবার কাছেই..!!
মায়া আর না বাড়িয়ে শেষ একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে টানতে বন্ধ কুঠোরির দিকে চললাম..!!
-
সকাল সকাল আমার ঘুম ভাঙে পাখির কলোরবে,তাই খুব সকালেই উঠে বিছানার পাশে থাকা ব্লাক এর প্যাকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে ছাদে গেলাম..!!
সকালের সুখ টাও সিগারেট এর ধোয়ায় শুরু,হয়তো এই সিগারেটই একদিন গ্রাস করে নেবে আমাকে!!
তবুও খাই,কারন কষ্টগুলো চাপা দেবার জন্য সিগারেটই অন্যতম।
সিগারেট শেষ করে ফ্রেশ হয়ে,হালকা কিছু খেয়ে তিতলির দেয়া ঠিকানার উদ্দেশ্য রওনা হওয়া..!!
-
গন্তব্য স্হলে গিয়ে দেখি তিতলি দাড়িয়ে..!!
অগঃপর কাছে যেতেই বলে উঠল..
তুমি কি কখনও সঠিক সময়ে আসতে পারবে না অস্রয্য কর একটা তুমি..!!-(তিতলি)-
তুমি ত যে সময়টা ট্রেক্স করে দিছো,সেই সময়টাতে আসছি.!!-(তোরিয়)-
তর্ক করবা না বলছি.!!-(তিতলি)-
আর্চয্য আমি কই তর্ক করছি.!!-(তোরিয়)-
তোমার সাথে আমি এখন আজাইরা ঝগরা করতে চাচ্ছি না,চলো এবার.!!-(তিতলি)-
কই যাবো.??-(তোরিয়)-
জাহান্নাম, যেখানে নিয়ে যাচ্ছি চলো.!!-(তিতলি)-
-
অতঃপর একটা পার্কে নিয়ে গেলো,সেখানে একটা বেঞ্চে গিয়ে দু'জন বসলাম.!!
বসে থাকতে ভালো লাগছিলো না বলে বাদাম কিনি আনলাম।
তিতলি কিছু বলতে যাবে ঠিক সেই সময় কে যেন এসে বলল..
ভাইয়া ভাইয়া আমাকে কয়টা বাদাম দিন না,সারা দিন কিছুই খাইনি.!!-(ছোট্ট মেয়ে,দেখতে অনেকটাই মায়াবী,সবার থেকে আলাদা,সুন্দর একটা ড্রেস পরা,সম্ভবতো কেউ দিয়েছে,আর পরিছন্নতা আছে মেয়েটার)
এই নাও.!!-(আমি)-
এই ফকিন্নির বাচ্চা এখানে কেন তুই,ভিক্ষা অন্য কোথাও গিয়ে কর,এখানে কি.!!-(তিতলি)-
তিতলি মেয়েটাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো,অতঃপর সেই ছোট্ট মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো..!!
তিতলি কে বললাম কেন তার সাথে এমন ব্যবহার করলে?তিতলি বলে এসব আজাইরা মানুষদের আমার পছন্দ না।
তাই বলে তাকে তুমি ধাক্কা দিবা?
তোমার কোথায় লাগছে শুনি,পুড়ছে খুব তাই না,দরদ দেখাতে আসছে.!!
হুম দরদ,কারন আমিও ওদের মতো অনাথ,আমিও ওই মেয়েটির মতো ছোট্ট বেলায় মা কে হাড়িয়েছি,আর বাবা..বাবাতো থেকেই নাই,তাই একদিন না খেয়ে থাকলে কেমন লাগে আমি জানি..!!
আমাকে জ্ঞান দিচ্ছ,আমি কে জানো,আমার ষ্টান্ডার আর তোমার ষ্টেন্ডার এর কোন মিল নাই, তবুও তোমাকে আমি ভালোবেসেছি,সেটা তোমার অসীম ভাগ্য,আর হ্যা কে তোমাকে ভালোবাসবে শুনি,কি আছে তোমার???
হুম কিছুই নেই,ওই মেয়েটার মতো আমিও অনাথ,গরিব ফকিন্নি..!!
ঠিকই বলতো তুমি(দাড়িয়ে)তোমার মতো ফকিন্নি,ক্ষ্যত,আনর্স্মাট ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক করাই উচিত হয় নাই,থাকো তোমার উদাসিন মন নিয়ে, আমি গেলাম,আর হ্যা আমার সাথে কখনও কোন রকম যোগাযোগ করার চেষ্টা করবে না..!!
-
তখন কিছু বলতে পারিনি, শুধু তিতলির চলে যাওয়া দেখছিলাম,ভূল করেও একটি বার তিতলি পিছু তাকায়নি..!!
আমার আঁকাশে তখন কালো মেঘে ঢেকে গেলো,সব কিছু যেন থমকে গেলো,মেঘের গর্জন দিয়ে উঠল,অতঃপর বৃষ্টির আহবান..!!
তখন আর চোখের জল দেখা যায় নি,মেঘের অশ্রু আর আমার অশ্রু এক হয়ে গিয়েছিলো..!!
মাথাটা নিচু করে বসে ছিলাম,ঠিক সেই সময়টাতে বৃষ্টি পরা বন্ধ হয়ে গেলো,বুঝতে পারলাম, কে যেন ছাতা মাথার ওপর ধরেছে..!!
তাকিয়ে দেখি সেই বাচ্চা মেয়েটা।
আচ্ছা ভাইয়া ওই আপু আপনাকে ছেড়ে চলে গেলো কেন??-(মেয়েটি)-
তোমার মতো অনাথ বলে.!!-(আমি)-
কেন আপনি কেন অনাথ হবেন?আপনি ত কত্ত ভালো জামা কাপর পড়ে আছেন.!!-(মেয়েটি
)-
আরে বাবা ভালো কাপর পরলেই বুঝি অনাথ হওয়া যায় না,তোমার মতো আমারও কেউ নাই.!!-(আমি)-
ও তাই.!!আমর নাম আদিবা,তোমার নাম কি??-(আদিবা)-
তোমার মতই তোমার নামটা খুব কিউট.!!আমার নাম তোরিয়.!!-(আমি)-
বাহ খুব সুন্দর নামতো তোমার.!!-(আদিবা)-
তুমি কোথায় থাকো?-(আমি)-
আমার কোন যাওয়ার জায়গা নেই,তবে রাস্তায়,পার্কে রাত কাটাই.!!-(আদিবা)-
মনটা তখন খুব খারাপ হয়ে গেলো,এত্ত সুন্দর একটা মেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে,মেয়েটির দিকে তাকালেই অন্য রকম একটা মায়া কাজ করে..!!
অতঃপর বৃষ্টি থেমে গেলো,ছাতাটা বন্ধ করল মেয়েটা,আদিবার দিকে তাকাতেই মনে হলো মেয়েটি বোধ হয় কিছুই খাইনি..!!
আদিবাকে এখানে বসে থাকতে বলে,কিছু কিনে আনলাম,তার পর নিজের হাতে খাইয়ে দিলাম,তখন আদিবা কাঁদতে শুরু করল,জানতে চাইলাম কেন আদিবা কাঁদছে?আদিবা বলল,এমন করে তাকে কেই কখনও খাইয়ে দেয় নি,তাই সুখের কান্না করছে..!!
মেয়েটার চোখের জল মুছে দিলাম,খাওয়াও শেষ..!!
দু'জনই চুপ চাপ বসে আছি,আমি ভাবছি তিতলির কথা,পাগলের মতো ভালোবাসতাম,যখন যা করতে বলতো তাই করতাম,কই কখনও ত একটু আগলে রাখেনি,অনেক বার বৃষ্টিতে ভিজে বাসায় গেছি,তিতলির কাছে ছাতা থাকা শর্তেও ছাতা দিয়ে বলেনি,আমি কোন এক ভাবে চলে যাব তুমি এই ছাতাটা নিয়ে যাও,ঠান্ডা লেগে যাবে.!!
আর এই বাচ্চা মেয়েটা আমাকে বৃষ্টিতে ভিজতে দিলো না.!!
-
আদিবা বলে উঠল..
ভাইয়া আপনি থাকেন আমি এখন যাই.!!-(আদিবা)-
কই যাবে??-(আমি)-
দু'চোখ যে দিক যায়, কারন কোন ঠিকানা ত নেই আমার.!!-(আদিবা)-
অতঃপর মেয়েটি কিছু দূর চলে গেলো..
মেয়েটার জন্য কেমন জানি এই দু ঘন্টা সময়ে অনেক মায়া পরে গেছে..
আদিবা দাড়াও..!!-(আমি)-
কিছু বলবেন ভাইয়া?-(আদিবা)-
হয়,তুমি আজ থেকে আমার কাছে থাকবে চলো.!-(আমি)-
কি বলেন ভাইয়া,আপনার বাড়ির মানিষ কি বলবে,রাস্তার মেয়েকে কুড়িয়ে বাড়িতে মিয়ে আসছেন.!!-(আদিবা)-
কেউ কিচ্ছু বলবে না,কারন আমি একাই থাকি.!!
চলো এবার.!!
আদিবাকে কোলে উঠিয়ে নিয়ে বাসায় গেলাম.!!
-
এখন আর সিগারেট তেমন একটা খাই না,কারন আদিবা অনেক রাগ করে,বকে..!!
তাই বেশি কষ্ট হলে দু'একটা খাই..!!
এখন আর নিজেকে বেশি একা লাগেনা,আর ল্যাম্পপোস্ট এর আলোয় আলোকিত হতে যাই না,আদিবা সব সময় আমায় আগলে রাখে,খাইয়ে দেয়, চুলগুলা ঠিক করে দেয়,এক কথায় সব সময় খেয়াল নেয় আমার..!!
তাই আর তিতলির কথা মনে হয় না তেমন একটা,কিন্তু রাত হলে চোখের অশ্রু আটকাতে পারিনা..!!
-
আজ এক সপ্তাহ ধরে আদিবার সাথে বাসাই কাটিয়ে দিয়েছি,তাই আজ সেই পার্কে বেড়াতে নিয়ে যাবো,আদিবাও বায়না ধরেছে যাবে.!!
অতঃপর দুজন রওনা দিলাম সেই পার্কের উদ্দেশ্য.!!
সেখানে গিয়ে বসে বসে দুজন বাদাম খাচ্ছি.!!
কারন সেই দিন তিতলির থাক্কায় আদিবা আমার দেয়া বাদাম গুলা খাইতে পারেনি..!!
তাই আজ পুনোনায় দুজন বসে গল্প করছি,আর বাদামের খোসা এড়িয়ে কে কতো দূরে ফেলতে পারে তাই চেষ্টা করছি..!!
আমি ইচ্ছে করেই বাদামের খোসা গুলো দূরে দিচ্ছি না,আদিবা আমার চেয়ে দূরে ফেলছে,তাই অনেক খুশি হচ্ছে.!!
এমন সময় কে যেন এসে বলছে..
আদিবা তুমি এখানে,আর তোমাকে আমি কত্ত খুজে বেরাচ্ছি..!!-(মেয়েলি কন্ঠ পেতেই তাকিয়ে দেখি,একটা লাল ড্রেস পরা অসম্ভব সুন্দর একটা মেয়ে)
আরে তিথি আপু আপনি,কেমন আছেন?-(আদিবা)-
ভালো তুমি কেমন আছো আদিবা,আর বলছি না তুমি করে বলবে আমাকে.!!-(তিথি)-
আচ্ছা আপু.!!-(আদিবা)-
এই চলো আদিবা,তুমি আজ থেকে আমার কাছে থাকবে,আর আপনাকে অনেক ধন্যবাদ,আদিবাকে খাবার দেবার জন্য,এই নিন(টাকা).!!-(তিথি)-
এটা আমার কতব্য,টাকা দিয়ে ছোট করার প্রোয়জন খুব কি দরকার ছিলো.!!-(তোরিয়)-
না তা নায়,আচ্ছা আমি আদিবাকে নিয়ে গেলাম,এইতো আদিবা কোলে আসো..!!
-
অতঃপর আদিবাকে নিয়ে গেলো তিথি নামের মেয়েটা,আদিবাও কিছু বলতে পারল না,আমার দিকে শুধু মায়া ভরা মুখ নিয়ে তাকিয়ে ছিলো.!!
সবাই কেন আমাকে ছেড়ে চলে যায় বলতে পারো বিধাতা?
সবাই কি আমায় একা রেখে চলে যেতে ভালোবাসে.!!
-
গোধুলির বিকেল গড়িয়ে রাত এলো,আমি সেই বেঞ্চে বসে আছি..!!
অতঃপর উঠে এক প্যাক ব্যন্চন সিগারেট নিলাম কারন ব্লাক নেই,তাই বাধ্য হয়ে ব্যান্চনই নিতে হলো.!!
রাত ১২ টা বাজে শহরটা স্তব্ধ দূর থেকে ল্যাম্পপোস্ট এর আলো ছাড়া দ্বিতীয় কোন আলো নেই,আর সেই ল্যাম্পপোস্ট এর পাসেই আমার বাসা,তাই গন্তব্য স্হান হিসেবে সেই জায়গায়ই বসবো.!!
অতঃপর সেই ল্যাম্পপোস্ট এর পাশেই বসে,কানে ইয়ারফোনটা লাগিয়ে নিলাম,যাতে কোন ক্রু শব্দ কানে না পৌছায়.!!
দিয়াশলাই দিয়ে সিগারেটটা ধরিয়ে নিলাম.!!
মনের কষ্ট নেভানোর জন্য নিকোটিন নামক নেশাটা বেছে নিয়েছি,কিন্তু কষ্ট ততক্ষন কমে থাকে,যতক্ষন নিকেটিন বাস্পিয় করে উড়াতে থাকি..!!
দু'টা শেষ,আরেকটা ধরাবো ঠিক সেই সময় কে যেন সিগারেটটা টান দিয়ে ফেলে দিলো.!!
তাকিয়ে দেখি আদিবা,আমি ত একটু অবাক,কারন এতো রাতে আদিবে এখানে, যাই হোক...
আদিবা তুমি এখানে?-(আমি)-
তুমি না বলেছিলে আর সিগারেট খাবে না,এখন খাচ্ছ কেন?-(আদিবা)-
একা থাকলে ত সঙ্গি হিসেবে এটাই থাকে আমার.!!-(আমি)-
তাই বলে এটা..!!-(আদিবা)-
তুমি এখানে কেন,তোমার না তোমার তিথি আপুর বাসায় থাকবার কথা.!!-(আমি)-
হুম থাকার কথা ছিলো,কিন্তু এখন আদিবা আর আদিবার তিথি আপু এখানে,আপনার পাশে.!![কই থেকে যেন ভূত এর মতো এসে]-(তিথি)-
আপনি...এখানে??-(তোরিয়)-
হুম!!আদিবা আমাকে সব বলেছে.!!-(তিথি)-
কি বলছে??-(তোরিয়)-
আপনার কষ্টের কথা,আর আদিবাকে আপনি নিজের কাছে রেখেছিলেন.!!তখন বললেন না কেন?-(তিথি)-
না"শব্দটা বলি না কাউকে.!!-(তোরিয়)-
ও.!!-(তিথি)-
-
কিছুক্ষন চুপ করে তিন জনই দাড়ায়ে রইলাম..!!
দু মিনিট পার হাবার পর হুট করেই তিথি আমাকে জড়িয়ে ধরল..!!
আমি খুব অবাক হয়ে হতব্ম হয়ে গেলাম।
অতঃপর তিথি কন্না স্বরে বলতে শুরু করল..!!
আপনার কষ্টগুলো আমায় আজ অনেক কাঁদিয়েছে,আর আজ নয়,আমি আপনাকে অনেক আগে থেকেই এই ল্যাম্পপোস্ট এর পাশে কাঁদতে দেখেছি,(এবার ছেড়ে দিয়ে) আর আমার বাসা ওইটা(ল্যাম্পপোস্ট এর সামনের বাসা) আমি প্রতিটি রাত আপনার কষ্টে কেঁদেছি,গতো সাত দিন দেখতে না পেয়ে অনেক ছটফট করেছিলাম,আর এতেই বুঝেছি আপনকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি, বলুন আপনার কষ্টগুলো আমাকে দেবেন বলুন?(জড়িয়ে ধরিয়ে) এই জরিয়ে ধরছেন না কেন হুম,ধরুন.!!
জোর করেই জরিয়ে নিলো পাগলি মেয়েটা.!!
-
এর পর থেকে আর তেমনটা সিগারেট খাইনি,তিথি আর আদিবা মিলে আমাকে অনেকটা আগলে রাখত.!!
এভাবেই একটি মাস কেটে গেলো।
এর মাঝে তিথি কেউ আমি সেই ভাঙা জায়ার দায়িত্ব দিয়ে দিয়েছি,মেয়েটি সফল হয়েছে,আমার ভাঙা বুকের ক্ষতোটা সাড়িয়ে তুলতে পেরেছে,এখন আমিও তিথিকে অনেক ভালোবাসি,আর সারা জীবন বেসে যেতে চাই...!!!
-
[ভূল ক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন]
-
লেখা':-ToriYo Ahmed Neel(নীল- শার্ট)
-

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ