āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3713

#এই গল্পটি ছিলো জীবনের প্রথম গল্প।
কেমন লাগল জানাবেন।
.

________"ক্রাঁশ"_______
-
-
রাস্তার পাশে তোরিয় আর নাবিল বসে আছে এর মধ্যে অনেক গাড়ি আসা যাওয়া করছে।একটা অটো রিক্সা যাওয়ার সময় নাবিল এর একটু লেগে যায়,ইতি মধ্যে আমার রাগ হয়ে গেলো, আর রিক্সাওলাকে বকা দিতে শুরু করলাম।
খুব বকে ফেলছি রাগের মাথায়।
পরে রিক্সাওলাটা কিছু দূর যেয়ে রিক্সা থামালো, খেয়াল করিনি এর মধ্যে একটা মেয়েলি কন্ঠে ভেষে এলো।
এই বাজে ছেলে কথা বার্তা ভালোভাবে বলতে পারেন না বাবা মা আদব কায়দা শেখায়নি।
আমি শুধু শুনছি এর পর নাবিল এর ধাক্কায় ঘোর ভাঙ্গল,কেরে সালা তোকে মেয়েটা আচ্ছাভাবে বাঁশ দিয়ে গেলো আর তুই হা করে শুনে যাচ্ছিস।
-
অতঃপর
-
-কেরে' মেয়েটা কে?(তোরিয়)
--"আরে সাকিব এর চাচাতো বোন!(নাবিল)
--"সালা আগে বলবিতো।(তোরিয়)
--"কেরে এত্ত খবর নিচ্ছিস কেন রে? ক্রাঁশ খাইলি নাকি?(নাবিল)
--"একটু একটু,বই এর ভাই নাম কিরে মেয়েটার?(তোরিয়)
--"নিলা.!!(নাবিল)
--"তোর ভাবি এইটা বানাবোই ইন্সাআল্লাহ্.!!(তোরিয়)
-
এই বলে বিকালে সেই রাস্তার পাশে বসে আছি আর গান শুনছি তার সাথে ফেসবুক চালাচ্ছি।
এর মধ্যে নাবিল বলছে কেরে সালা কে দেখ,আমি বলছি তুই দেখ আমি আমার র্ভাচুয়াল জগতে লাইন করছি।
নাবিল বলল এটা রিয়ালিটিরে দেখ, চোখটা বাইরে চলে আসবে।
নাহ্ সালার জন্য তাকাতেই হলো।
আরে নিলা!এইবার রড় ধরনের ক্রাঁশ খাইলাম। (মনে মনে ভাবছি এই মেয়ে নাকি কোন এলিয়েন )
এত্ত কিউট মেয়ে ভাবার বাইরে,সর্গের পরির মতো দেখতে।
নাবিল কে বললাম কোথায় যায় রে? নাবিল বলল কোচিং করতে যাচ্ছে।
আমার মনটা তখন কথা বলার জন্য আকুল হয়ে উঠল, কি করব ভেবে পাচ্ছি না, তখন মনে হলো সালারতো সাইকেল আছে (দুরন্ত বাই সাইকেল)
উড়তে উড়তে যাওয়া যাবে।
-
(ওহ্ আপনাদের এখনও বলা হয়নি আমার কথা, আমি নানু বাড়ি বেড়াতে আসছি আর নাবিল হলো আমার মামাতো ভাই)
-
গিয়ার 6 এ উঠালাম চলছি দুরন্তের গতিতে,অবশেষে রিক্সাটার দেখা,আহ্ এর মতো শান্তি নাই,ও মা নিলা আমাকে দেখে ফেলেছে,কি সুন্দর দেখতে লাগছে আজকে(উকি মেরে)।
রিক্সার পেছনে পেছনে চলছি তার সাথে চলছে হিমেল বাতাস যা মনটাকে আরো মুগ্ধ করে দিচ্ছে।
নাহ্ কোন সপ্ন দেখা যাবে না যদি কোন গাড়ি সামনে পরে সমস্যা হবে,বলতে বলতে একটা রিক্সা সামনে,ব্রেক ধরলাম সাথে সাথে এক সাইডে পরে গেলাম।
নিলা দেখে হাসছে,আমি পরে গেছি সেই খেয়াল নেই, নিলার হাসিটা আমাকে মুগ্ধ করে রেখেছে বুঝতেই পারিনি।
নাহ্, সি এন জি এসে হর্ন দিল,তখন দেখি হাবার মতো পরে আছি,নাহ্ তারাতারি উঠে বাসায় রওনা দিলাম।
বাসায় এসে নাবিল কে বললাম "কেরে বউ এর ভাই কখন কোচিং শেষ হবে?
নাবিল বলল 4:00 র দিকে।
কি করার লান্স করে বসে আছি কখন আসবে নিলা।
একটা রিক্সা আসছে।
এইতো নিলা। (সর্গের এলিয়েন)আমি হা করে তাকিয়ে আছি নিলার দিকে,নিলা রেগে জলছে,ভয় পাচ্ছিলাম চোখটা সরাইয়া নিলাম।
এদিকে নাবিল আমাকে বাঁশ দিচ্ছে"কেরে কি করছিস এমন ভাবে তাকিয়ে আছে কেন?
আমি বললাম কই কিছুই করিনি(ভয়ে ভয়ে)
এদিকে সময় গড়িয়ে রাত হয়ে গেলো চিন্তা হচ্ছে খুব,যদি নিলা কাউকে কিছু বলে দেয় তাহলে মামা অনেক বকা দেবে, এই ভেবে রাতটা কোন রকমে পার করলাম, সকালে ব্রাশ হাতে নিয়ে বেড় হলাম আমার নানু বাড়ি আবার রাস্তার পাশেই।
তাই রাস্তায় পা না দিতেই দেখি নিলা রিক্সায় করে আসছে,ভয়ে ভয়ে তাকালাম না।
মন মানছে না কি করি মেয়েটাকে বড্ড ভালোবেসেফেলেছি খুব ইচ্ছে করছে একটু কথা বলতে,নাহ্ কি যে করি নাবিল কে বললাম যে সকালে কোথায় গেল রে? নাবিল বলল সকাল-বিকাল দুই বেলাতেই কোচিং করে।
ওহ্,নাবিল কে বললাম যা সাইকেলটা নিয়ে আয় নাবিল বলল কেন?আমি বললাম কথা বলব নিলার সঙ্গে।
নাবিল বলল আচ্ছা যা তাহলে আর ভয় পাবার কোন দরকার নেই কাল একটু মজা করলাম,সমস্যা নেই।
আমি ছুটলাম দুরন্ত সাইকেল নিয়ে। কিছুদূর গিয়ে দেখি নিলা রিক্সয় করে আসছে আমি নিলা কে ইশারায় বললাম রিক্সায় ধেকে নামতে।
নিলা তখন রিক্সাওলাকে বলল যে মামা থামুন রিক্সাওলা মামা নামিয়ে দিয়ে চলে গেলো।
-
--"কি বলবেন?(নিলা)
--"কিছু না!(তোরিয়)
-"-তো রিক্সা থেকে নামতে বললেন কেন?(নিলা)
-"-এমনিতেই,কেমন আছেন?(তোরিয়)
-"-ভালো, আপনি?-(নিলা)
--"ভালো(ভয়ে),আচ্ছা থাকুন!-(তোরিয়)
--"আরে কই যাবেন,রিক্সাতো চলে গেছে আমি কি এখন এই রোদে দাড়িয়ে থাকব?(নিলা)
-"-দাড়ান,ওই যে একটা রিক্সা আসছে।
এই মামা দাড়াও?নিলাকে রিক্সায় উঠায় দিলাম।
--"ধন্যবাদ।(নিলা)
-
তার পর নিলার রিক্সার পেছনে পেছনে চলছি দুরন্ত গতিতে(খুব জোরে যেতে হচ্ছে কারন এখন কার সব রিক্সার নিচে মটর লাগানো আছে তাই খুব দ্রুত যায়)
-এই ভাবেই চলছিলো প্রতিদিনের কথা এর মধ্যে নিলার ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম। নিলা এখন মাত্র দশম শ্রেণিতে পড়ে।
আর আমি ইন্টার প্রথম বর্ষ।আর এস এস সি পরিক্ষা দিয়ে ছুটিতে নানু বাড়িতে বেড়াতে আসছি।
আর বেশি দিন নেই বাড়ি যেতে হবে।
এর মধ্যে বাড়ি থেকে আব্বু ফোন করল বাড়িতে আয়।তাই হাতে আর মাত্র একদিন আছে আজকেই নিলাকে মনের কথাটা বলতে হবে।
বিকালে সাইকেল নিয়ে বেড় হলাম নিলার সাথে দেখা করতে।
কোচিং শেষ করে আসছে নিলা।
নিলাকে দাড়াতে বললাম।
-
--"কি বলবে বলো?(নিলা)
-"-একটা কথা বলার ছিলো তোমাকে?-(তোরিয়)
--"হুম বলো?(নিলা)
--"মানে মানে।(তোরিয়)
--"মানে মানে করছো কেন, আর ঘেমে যাচ্ছো কেন?(নিলা)
--"না মানে,আমি তোমাকে ভালোবাসি, যেদিন আমাকে রিক্সাওলার ব্যাপার নিয়ে আমাকে উপদেশ দিচ্ছিলে সেদিন থেকে ভালোবাসি তোমায়,অনেকবার বলতে চেয়েছি কিন্তু ভয়ে বলতে পারিনি যদি কথা না বলো।
কাল আমি চলে যাচ্ছি তাই মনে হলো আমার হৃদয়ের কথা গুলো তোমাকে বলা উচিত তাই বললাম।(একদোমে শেষ করলাম)-(তোরিয়)-নিলা কিছু না বলে চলে গেল।
তার পরে বিকালে রাস্তার ধারে বসে রইলাম,নাহ্ নিলা রাগ করলো নাকি ধূর, নাবিল কে বললাম নিলাদের বাসার ওইদিক যাবো সাইকেলটা দে।
সাইকেল নিয়ে গেলাম তবুও নিলা কে পেলাম না,বাড়ি ফিরে মনটা খুব খারাপ লাগছে, নাহ্ সকাল সকাল বাস ধরতে হবে তাই ৭:০০ টার দিকে রওনা হলাম,আর নিলার কথা ভাবতে ভাবতে চলছি, গাড়ির চারপাশ দিয়ে চলছে সবুজঘেরা মাঠ।
নিজের বাসায় চলে এসছি,ভালো লাগছে না নিলার কথা মনে পরছে শুধু।
রাতে ভাত খাইনি রাত11:29 মিনিটে একটা অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসল।
-
--"হ্যালো!-(তোরিয়)
--"ওই তুমি আমাকে না বলে আসছো কেন?-(নিলা)
--"আব্বু ফোন করেছিলো তাই চলে আসতে হলো,আর বাস সকাল 7:00 টার দিকে যায়,তাই বলে আসতে পারিনি,সরি সরি সরি-(তোরিয়)
--"ভয় পেয়েছিলে?(নিলা)-
-"-হুম।-(তোরিয়)-
--"আরে বাবা আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি, যেদিন রিক্সা থেকে নামতে বলছিলে সেই দিন রাতে তোমার কথা খুব মনে পরছিলো তার পর থেকে আমাকে ফলো করা কেয়ারিং দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম,আর তাতেই বুঝে গেছি যে আমি তোমাকে ভালোবাসি।তার পর প্রতিদিনের কথায় কথায় নতুন করে তোমার প্রেমে পরতাম বুজলে।(নিলা)
--"তাই বাবুনি?-(তোরিয়)-
--"হুম বাবু।-(তোরিয়)-
তোরিয় আর নিলার প্রেম চলছে খুব সুন্দর ভাবে,রাগ,অভিমান,খুনসুটি,এই সব মিলিয়ে তাদের প্রেমটা খুব কিউট ভাবে চলছে।
-
-
✍ ToriYo Ahmed Neel(নীল শার্ট)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ