āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§§ā§Ē āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3700 (2)

#গুন্ডী_মেয়ে

পর্বঃ তৃতীয় (৩য়)



---আরে ভয় করিস না ওরা কিছু করতে পারবে না । (নাসির)
---না ওরা কিন্তু সিরিয়াস । (সায়েম)
---ধ্যাত চল তো সেটা পরে দেখা যাবে ।
এই বলে দুজনে কলেজে চলে গেলাম ।

---দেখেছিস শ্রাবণী ছেলেটার কত বড় সাহস আমরা ডাকার পরও সে আসলো না চলে গেল । (ছনিয়া)
---হুম ছেলেটার সাহস আছে বটে বাট পিস্তলের কাছে সবাই হার মানবে । (শ্রাবণী)
---হুম তুই কি মেরে ফেলবি নাকি ।
---আরে না শুধু ভয় দেখাব ।
---ও ।
---ছনিয়া ওই ছেলেটা দেখতে খুব সুন্দর তাই না ।
---না মানে ।
---না মানে কি ।
---একটু কালো ।
---হাহাহা কালকে যে বললি যে খুব সুন্দর দেখতে অনেক ভালো ।
---হুম দেখতে খারাপ না কিন্তু শ্যামলা তাই কিন্তু তুই কি ওই ছেলেটার প্রেমে পরে গেছিস ।
---জানি না বাট কাল থেকে কেমন জানি ওর কথা মনে পরছে ।
---আরে সামথিং সামথিং হুম ।
---এই জন্য কাল শ্রাবণী ওই ছেলেকে আপু বলতে নিষেধ করেছে ।
---ওমা সেদিন যেভাবে ওই ছেলেটার দিকে তাকিয়ে ছিল শ্রাবণী তখনি বুঝেছিলাম ।
---ওই তোরা চুপ থাকবি ।
---আরে লজ্জা লাগে বুঝি হুম ।
---ধ্যাত ।
---শ্রাবণী ওই ছেলের নাম্বার এনে দিব ।
---কিরে কথা বল ।
---বর্ষা দেখ শ্রাবণী কথা বলছে না মনে হয় নাম্বারটা লাগবে ।
---আচ্ছা কলেজ ছুটি হোক তখন যাবার সময় রেখে দিব ।
---রাইট তখন নিয়ে নিব ।
---আচ্ছা শ্রাবণী কথা বলছিস না ক্যা নাকি স্বপ্নের ভেতর ডুবে আছিস ।
---ধ্যাত তোরা না ।
এভাবে ওদের মাঝে কথা হচ্ছে ।

অত্যঃপর
কলেজ ছুটির হয়েছে ।
---নাসির এদিক দিয়ে যাস না । (সায়েম)
---কেন ।  (নাসির)
---আরে সকালে শ্রাবণী আসার সময় যেভাবে তাকিয়ে ছিল হয়তো ওরা কিছু করতে পারে তার চাইতে চল ওই রাস্তা দিয়ে যাই ।
---আরে তোদের জন্য ওরা এতো সুজুক পায় যদি আজ আমরা অন্য রাস্তা দিয়ে যাই তাইলে কাল ।
---আরে সমস্যা নাই কাল এতোটুকু রাগ থাকবেনা ।
---কি রাগ হাহাহা ।
---আরে হাসিস না সালা ।
---চল যাই ।
---আরে অন্য ।
---চুপ সালা আমার সাথে আয় ভয় নাই ।
এই বলে দুজনে সেই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি ।
কিছুখন হাঁটার পর সেই রাস্তার কাছে এসে গেছি যেখানে শ্রাবণীর আড্ডার জায়গা ।
শ্রাবণীদের পিছু ফেলে যাওয়ার সময় পিছন থেকে ডাকছে ।
---এই যে ভাইয়া । (বর্ষা)
আমি হেটে চলেছি ।
দৌড় দিয়ে কাছে এসে বলল ,
---ভাইয়া কখন থেকে ডাকছি ।  (বর্ষা)
---কই আমি তো শুনতে পাই নি । (নাসির)
---ও ভাইয়া আপনার নাম্বারটা কি দেওয়া যাবে ।
---না কেন ।
---একটু দরকার ছিল ।
---আমার বউ অন্য কাওকে আমার নাম্বার দিতে নিষেধ করেছে ।
---মানে ভাইয়া আপনি বিয়ে করেছে বউ আছে আপনার ঘরে ।
---হুম আছে সাথে বাচ্চা আছে একটা । (মনে হাসছি)
---ও মাই গড ।
---কেন ।
---না মানে এমনি আচ্ছা যান তাহলে আপনে যান ।
এই বলে মেয়েটা শ্রাবণীর কাছে গেলো ।
আর কি যেন বলল আমি দাড়িয়ে দেখছি দেখি গুন্ডী কি করে ।
দেখি শ্রাবণী বাইক থেকে নেমে চোখ দুটি বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে ।
এমা ভাবসাপ ভালো না তারাতারি এখান থেকে যেতে হবে না হলে কপালে দুঃখ আছে এটা ভেবে পথ চলা শুরু করলাম ।
তখনি গুন্ডী মেয়ের ডাক শুনতে পেলাম ।
আমাকে তারাতারি যেতে হবে নাহলে আমি শেষ ।
আমি আরও তারাতারি হাঁটতে থাকি ।
কিন্তু শ্রাবণী দৌড়ে এসে সামনে ধারায় ।
---কি রে ছেমরা ডাকি কানে শুনিস না । (হাঁপাতে হাঁপাতে চোখটা বড় বড় করে বলল শ্রাবণী)
---কি ভদ্র ভাষায় কথা বল । (নাসির)
---ভদ্র ভাষায় কথা বলবো হ্যা সালা ।
---কি আমি সালা ।
---তোর বউ আছে ।
---হুম আছে ।
---ওই তোর ফোন দে ।
---ফোন দে মানে ।
---মানে তোর ফোনটা দে ।
এই বলে প্যান্টের পকেট থেকে ফোন বের করে নিলো ।
---এই এটা কি করছো ভালো হবে না কিন্তু ।
---কি বললি ভালো হবে না ।
---হুম ভালো হবে না ।
---এই নি তোর ফোন ।
---আমার ফোন নাম্বার নিয়ে কোন লাভ নাই এটা আমার বউ ব্যবহার করে ।
---কি বললি তুই ।
---কই কি বললাম ।
---ও আচ্ছা আমাকে যেতে দিন ।
---যদি না যেতে দেই ।
---প্লিজ যেতে দাও ।
---হুম যা কিন্তু তোর বাসার ঠিকানা দে তো ।
---আমি কোন গুন্ডী মেয়েকে বাসার ঠিকানা দেই না ।
---কি আমি গুন্ডী মেয়ে ।
---না তো কি ছেলেদের পোশাক পরে ঘুরে বেরাও আর রাস্তার মোড়ে বসে থাকো ।
---আমি গুন্ডী হ্যা থাক দেখাচ্ছি মজা । (কি যেন খুঁজে)
আমি একটু দূরে গিয়ে দারালাম ।
কিছু ইটের টুকরা ছিল তাই দিয়ে ঢেল ছুড়ছে ।
---আরে এটা কি করছো লাগবে তো ।
---আমি গুন্ডী তাই যা করার কথা তাই করছি ।
---ওহ্ নো খুব জোরে লেগেছে । এটা কি হলো  । (জোরে বললাম)
---তোর কপালটা ফাটিয়ে দিব সালা আমারে কয় গুন্ডী মেয়ে ।
---তুমি তো আসলে একটা গুন্ডী মেয়ে ।
---কি আমি... থাক দেখাচ্ছি । (বড় একটা ইটের টুকরা নিয়ে)
---ওমা ওটা কি নিয়ে আসছেরে বাবা ।
দিলাম বৌঁ দৌড় ।
আরে যদি না দৌড় দিতাম তাইলে আমি শেষ ।


---দেখ শ্রাবণী ছেলেটার মনে হয় কপাল টা ফেটে গেছে । (ছনিয়া)
---ফেটে গেছে ভালো হয়েছে সালা আমাকে বলে আমি নাকি গুন্ডী মেয়ে । (শ্রাবণী)
---হুম ঠিক বলেছে । বর্ষা
---কি ।
---আরে কিছু না ।
---চল কাল দেখা যাবে ।
এই বলে শ্রাবণীর গাংগ চলে গেল ।


ইস্ সালা কেন যে বলতে গেলাম ও কথা ।
মেডিসিন নিয়ে বাসায় যাচ্ছি ।
বাসায় ঢুকে মামনি জিঙ্গেস করল ।
---এত দেরি হলো যে , আর কপালে ওখানে কি হয়ছে । (আম্মু)
---কিছু না মামনি ল্যামপোষ্টের সাথে ধাক্কা খেয়ে এরকম হয়েছে ।
---চোখে দেখিস না রাস্তায় কি আছে আর এটাতো ল্যামপোষ্টের সাথে লাগে নাই ।
---আরে মামনি আমি কি আপনার কাছে কখনো মিথ্যে বলেছি ।
---না আর ঘরে মেডিসিন আছে আয় লাগিয়ে দেই ।
---না মামনি লাগবে না মেডিসিন লাগিয়ে নিয়েছি ।
এই বলে কথা না বাড়িয়ে সোজা রুমে চলে এলাম ।
এখন একটু ঘুম দিতে হবে ।
যে ঝড় হয়ছে রে বাবা গুন্ডী মেয়ে ।
ওহ্ ধ্যাত নিজেই ব্যথা পাইলাম ।
না আজকে রাগাইছি ।
অতঃপর
ঘুম দিলাম ।


রাতে খাবার খেয়ে শুয়ে আছি একটু রেশ নিয়ে পড়তে বসতে হবে তখনি ফোন বেজে উঠলো ।
ফোনটা বের করে দেখি আনকমন নাম্বার ফোনটা রিসিভ করে বললাম ,
---হ্যালো । (নাসির)
---নিচে আয় । (শ্রাবণী)
কথাটা শোনার পর চুমকে উঠলাম আর বুঝতে বাকি নাই এটা গুন্ডী মেয়ে ছাড়া কেউ না ।
তবুও বললাম।,
---কে বলছেন ।
---আসতে বলছি আয় ।
---না যাব না ।
---থাক আমি আসতেছি ।
---ওই একদম আসবে আমার বাসায় ।
---তাহলে নিচে আয় ।
---ওকে আমি নিচে আসছি ।
আল্লাহু জানে আজকে আমার কপালে কি আছে ।



চলবে পরবর্তী পর্বে ।।।



লেখকঃ নাসির ইসলাম মাহিম ( মাহাদির আব্বু )



★★★আল্লাহ হাফেজ★★★

#গুন্ডী_মেয়ে

পর্বঃ চতুর্থ  ( ৪র্থ )



ফোনটা কেটে জানালা দিয়ে নীচের দিকে তাকালাম দেখি বাইক থেকে নেমে দাড়িয়ে আছে ।
রাতে মামনি কোথাও যেতে দেয়না আজ কি বলে নিচে যাব ধ্যাত এতো দেরি করা যাবে না তা নাহলে আবার বাসায় ভেতর ঢুকে যাবে ।
অত্যঃপর
রুম থেকে বের হয়ে দেখি মামনি বসে আছে সোফায় যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত পহায় ।
---এতো রাতে কোথায় যাওয়া হচ্ছে । (আম্মু)

দেখুন ভাইয়া/আপ্পি রাত এখন ৮টা বাজে তাই বলছে এতো রাত ।
---জ্বী মামনি সায়েম এর কাছে একটা নোট আছে সেটা এনে পড়তে হবে । (নাসির)
---তুমি থাকো আমি এনে দিচ্ছি ।

এখন আমি কি করি কি করি ,
---মামনি আপনার যাওয়ার দরকার নাই আর একটা দরকার ছিল সায়েম এর সাথে ।
---আচ্ছা যাও ।
---হুম যাচ্ছি ।

এই বলে দরজা খুলে বের হব তখন আবার ডেকে বলল ,
---তারাতারি এসো কিন্তু ।
---জ্বী মামনি ।

ইস্ আর একটু হলে শেষ হয়ে যেতাম ।
সিঁড়ি দিয়ে সোজা নিচে গিয়ে গেট খুলে কাছে গেলাম ।
---এতখন লাগে আসতে হুম । (শ্রাবণী)
---আরে আমি তো আর আপনার মতো স্বাধীন না যে যখন ইচ্ছে তখন বের হবো । (নাসির)

কথাটা শুনে কিছু বললো না ।
কিছুখন পর ।
---এটা ওখানে লাগিয়ে নিও ।
---মানে ।
---এটা মেডিসিন । (এগিয়ে দিয়ে)

( এ এখন দরদ দেখাতে এসেছে সালার গুন্ডী মেয়ে যেন কোথাকার কথা গুলি মনে বললাম )
---কি হলো ধর এটা ।
---ও হ্যা । হুম তাহলে আমি যাই ।
---না ।
---কেন আর মামনি দেখে ফেললে অসুবিধা হবে ।
---কিছু হবে না ।
---মানে ।
---তোর এতো মানে জানা লাগবে না বাইকে ওঠ ।
---না আমি কোথাও যাবো না ।
---তাহলে আমি তোর বাসায় যাচ্ছি ।

এই বলে যেতে লাগলো ।
আমি পেছন থেকে হাতটা ধরে ফেলি ।
এই প্রথম বার কোন মেয়ের হাত ধরেছি ।
আমি হাত ধরাতে থেমে গিয়ে আমার দিকে কেমন করে তাকিয়ে আছে ।
আমি বললাম
---ওহ্ সরি সত্যি বলছি আমি ইচ্ছে করে আপনার হাত ধরেনি রেলি ।

শ্রাবণী আরও কেমন করে তাকিয়ে আছে ।
আমি আবার বললাম ,
---সরি ভুল হয়ে গেছে আর বাসায় গেলে আমাকে মেরে ফেলবে আমি মুখ দেখাতে পারবো না মামনির কাছে ।

এইটা শুনে মনে মনে কেমন যেন হাসল ।
তারপর শ্রাবণী বাইকে উঠে বললো ,
---বাইকে ওঠ ।
---না মানে ।
উঠে পরলাম বাইকে ।
---এমন করে বসে আছো কেন ভালো করে বস ।
---এমনি আর আমি কখন মেয়ে মানুষের বাইকে উঠি নাই তো তাই ।
---ও আর কোন মেয়ের বাইকে চড়ার ইচ্ছে আছে নাকি ।
---না মানে এটা বলছি না তো ।
---ও ।
---গাড়ি থামালে কেন ।
---ভালো করে বস ।
---আচ্ছা ।
---আরে আমাকে ঝরিয়ে ধরে বস ।
---হয়াট ।
---কিছু না ।
---ও ।
অত্যঃপর
রাস্তার মোড়ে এক মেডিসিন দোকানের কাছে গিয়ে থামালো ।
আমাদেরকে দেখে কেমন চোখে তাকালো বুঝতে বাকি নাই যে এই খবর টা মামনি পাবে না ।
---এই কি ভাবছো হ্যা তখন থেকে ।
---আরে কিছু না আপনি আগে যান আমি আসছি ।

এই কথাটা শুনে আরও বড় বড় করে তাকালো যার অর্থ আপনি করে বলছি আর তাকে আগে যেতে বলছি ।
আমি গাড়ি থেকে নেমে শ্রাবণীর পাশে দারালাম ।
---চলো ।
---জ্বী চলেন । ওহ্ সরি চলো ।

এই বলে দুজনে মেডিসিন দোকানে গেলাম ।
কেমন জানি লাগছে আর চিন্তা হচ্ছে মামনির কথায় তারাতারি যেতে বললো ।

ভাইয়া নাপা , ডাইক্লোফেন ইত্যাদি  ওষুধ দিন ।
ওর কথা শুনে চুমকে গেলাম বাহ্ দেখি ডাক্তার মতো ওষুধ এর নাম জানে ।

---আরে ম্যাডাম টাকা লাগবে না ।(লোকটি)
---আরে টাকা লাগবে না মানে । (শ্রাবণী)
---না মানে আপনার ভাইয়া যদি শোনে ।
---আরে এটা নিন কোন সমস্যা হবে না ।

শ্রাবণী টাকাটা দিয়ে আবার গাড়িতে উঠে আমাকে উঠতে বললো ।
আমি আবার বাইকে উঠলাম ।

---শুনুন ওই ওষুধ ভাত খাওয়ার আগে খাবেন আর ওই টা খাবার এর খাওয়ার পর ।
---জ্বী ।
---হুম এখন বাইক থেকে নামেন ।
---ও হ্যা ।
---আর ।
---কি ।
---কিছু না যাও ।
---ওকে বাট আপনি এতো রাতে কেমনে যাবেন ।
---আরে ওখানে দেখ । (হাত দিয়ে দেখিয়ে)
---ও ।
---আমি আসার সময় বলেছিলাম এখানে আসতে ।
---ও ।
আর বেশি কথা না বলে সিঁড়ি দিয়ে উঠে দরজায় কাছে বেল বাজিয়ে দাড়িয়ে আছি ।
কিছুখন পর মামনি এসে দরজা খুলে দিয়ে শুরু ,
---এতো দেরি হলো যে ।
---আন্টি খেতে দিয়েছিল সেজন্য ।
বলে রুমে গেলাম আর এদিকে শুরু হলো রেডিও সেন্টার ।


আজ কলেজে যেতে শ্রাবণী কে দেখলাম না ।
আর সেদিন কেন যে আবারও বলতে গেলাম যে বউ আছে ।
---কি রে ওদিকে কি দেখিস ।(সায়েম)
---কই কিছু না ।(নাসির)
---হুম বুঝেছি ।
---কি ।
---পরে কমু নি ।
এরকম অনেক কিছু বলতে বলতে কলেজে পোঁছে গেলাম ।

এভাবে দুই দিন কেটে গেল ।

শুয়ে শুয়ে ভাবছি শ্রাবণীর কোন দেখা পাচ্ছি না । আচ্ছা শ্রাবণী কি কোথায় গেছে নাকি কোন সমস্যা হয়েছে ।
ধ্যাত এটা কি ভাবছি আমি ।
আমি কি শ্রাবণীকে না আমি তো এরকম মেয়েকে পছন্দ করি না বাট এটা মনে হলো কেন ।
এরকম ভাবছি কেন ।
একটু ঘুমাতে চেষ্টা করলাম ।
ধ্যাত ঘুম আসছে না তো ।
এরকম পাঁচ সাত ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি মনে নাই ।

সকালে মামনির ডাকে ঘুম ভেংগ্গে গেল ।
---কি রে নামায পড়ে কি একটু বই নিয়ে বসতে পারিস না ।(মামনি)
---মামনি প্রতিদিন এভাবে ঢেকে যাও ভালো লাগে না ।(নাসির)
---কি ।
---কই কি কি ই কিছু না ।
---আচ্ছা তারাতারি উঠে ফ্রেশ হয়ে খেতে আয় ।
---জ্বী মামনি আপনি যান আমি আর একটু ঘুমিয়ে পরে উঠি ।
---কি একটু ঘুমিয়ে মানে ।
---না কিছু না এই যে উঠেছি । (খাটে থেকে নেমে)
---তারাতারি আয় খেতে অনেক কাজ আছে ।
এই বলে চলে গেল মামনি ।

আমি ওয়াশ রুমে ফ্রেশ হতে গেলাম ।

অত্যঃপর

ফ্রেশ হয়ে খেতে গেলাম ।

---আরে আজকে ছুটি বলে নামায পড়ে লম্বা ঘুম দিতে হবে একটু আগে ঘুম থেকে উঠতে পারিশ না । (আব্বু)
---তা উঠবে ক্যানো ঘুম পারা ছাড়া কিছু বোঝেনা । (মামনি)
---মামনি এ কথা বাদ দাও তো । (নাসির)
---আর শোন আজকে মেহমান আসবে বাসায় থেকো ।
---মানে কে আসবে আব্বু ।
---আরে তুমি কিছু বলোনি ।
---ও হ্যা বলেনি মনে ছিল না কাল রাতে বলতে ।
---কি মামনি ।
---ওই যে একদিন বলেছিলাম না যে আমার বান্ধবী আছে ।
---হ্যা তাই ।
---ওর মেয়েকে বিয়ে দিবে ।
---হুম কিন্তু সবে মাত্র কলেজে পরে ।
---হ্যা কিন্তু ।
---কিন্তু কি মামনি ।
---ওর দাদু নাকি বেঁচে থাকতে নাতিন জামাই দেখতে চায় ।
---ও সেজন্য ।
---হুম ।
---রাতে কি বলতে চাইছিলে মামনি ।
---ওরা দেখতে আসবে ।
---ওরা কারা মানে কে কাকে দেখতে আসবে মামনি ।
---মানে তোর আন্টি তো....



চলবে পরবর্তী পর্বে ।।।



শীঘ্রই আসবে পরবর্তী পর্ব ।।।।



লেখকঃ নাসির ইসলাম মাহিম ( মাহাদির আব্বু )



★★★আল্লাহ হাফেজ★★★

#গুন্ডী_মেয়ে

পর্বঃ পঞ্চম ( ৫ম )



---মানে তোর আন্টিরা তোকে দেখতে আসবে । (আম্মু)
---মানে আমাকে দেখতে আসবে কেন । (নাসির )
---কি বলছো আর আমি..
আমাকে কথাটা বলতে না দিয়ে মামনি বলতে লাগলো ,
---তোর পড়ার কোন ক্ষতি হবে না আর এখন তো বিয়ে হবে না শুধু এনগ্রেজ মেন হবে যখন তোদের পড়াশোনা শেষ করে তোদের বিয়ে হবে ।
---মানে এগুলি কি বলছো আমি তো কিছু বুঝতে পারছি না ।
---তোর কিছু বুঝতে হবে না তারাতারি খেয়ে নি ।

আমি আর কিছু না বলে খেয়ে রুমে এলাম ।
এটা কি হচ্ছে বুঝতে পারছিনা ।
আচ্ছা শ্রাবণী কি আমাকে পছন্দ করে নাকি নাকি ভালোবাসে ।
ধ্যাত এটা আমি কি ভাবছি এটা কখনো হতে পারে না । আর আমার মতো কালো ছেলেকে পছন্দ করবে বা কেন ।
আমিও কি না এটা হবে না মামনি এরকম মেয়ে একদম পছন্দ করে না আর কখনো ওই মেয়ের সাথে আমার বিয়ে দিবে না ।
ধ্যাত আমি আর ভাবতে পারছিনা ।

আর বিয়ের খবর যদি শ্রাবণী জানে তাহলে আবার পাগলামী করবে মনে হয় ।
না এখন এগুলি ভাবলে চলবে না ফ্যামেলি যেটা সিদ্ধান্ত নেয় সেটা করতে হবে । আর মামনি কে কখন কষ্ট দিবো না ।
কখন যে ঘুমিয়ে গেছি মনে নাই ।
মামনির ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম ,
---কি রে আজকে কি হয়ছে আর নামাজ পড়তে যাবি না । ( আম্মু )
---না মামনি কিছু হয়নি আর এখন গোসল করে নামাজ পড়তে যাবো । ( নাসির )
---আর নামাজ পড়ে তারাতারি আসবি ।
---কেন মামনি ।
---ওরা নামাজ পর আসবে আর কিছু কাজ আছে সেটা করতে হবে ।
---হুম চেষ্টা করবো আসতে ।
---চেষ্টা করবি মানে আসতে হবে ।
---আচ্ছা এখন যান আসবো ।

আর কিছু বললো না ।
আমি বিয়ে করবো না এটা কি করে বলি ।

অতঃপর

নামাজ পড়ে আসলাম ।
বাসার সামনে একটা গাড়ি দেখতে পাচ্ছি মনে হচ্ছে মেহমান আসছে ।
আমি বাসায় ঢুকে গেলাম ।
বাহ্ অনেক মেহমান ।
আমি সোজা রুমে চলে গেলাম ।
আমি আবার লজ্জা বেশি পায় ।

অতঃপর

ছেলেকে দেখানো হলো মানে আমাকে ।

আমি সবার মাঝে বসে আছি ।
কেমন যেন লাগছে আমার ।
এমনিতে লজ্জা লাগছে ।

একটা মহিলা বলল ,
---তোমার নাম কি বাবা ।  ( মহিলাটি )
---জ্বী মোঃ রাসেল ইসলাম নাসির  । ( নাসির )
---কোন ক্লাস এ পড় ।
---জ্বী অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ।
---ও খুব ভালো আচ্ছা লজ্জা পাচ্ছো ।
---জ্বী না মানে ।

আরও কিছু কথা জিঙ্গেস করল সব কিছু বলে দিলাম ।

অতঃপর

---এখন তুমি রুমে যাও বাবা ।
---জ্বী যাচ্ছি ।
সালাম দিয়ে চলে এলাম ।

আরে আগে জানতাম না যে ছেলেদেরকে এত প্রশ্ন করে ছেলে দেখতে আসছে নাকি মেয়ে তখন মেজাজ টা অনেক খারাপ হয়ে গেছিল ধ্যাত বিয়ে নাকি ইন্টারভিউ ।

আরে আপনারা ভাবছেন যে মেয়ে না দেখে ছেলে দেখতে আসছে ।
আরে তা না আব্বু আর মামনি তারা নাকি মেয়েকে দেখে এসেছে ।

আমার নাকি দেখার প্রয়োজন নাই ।

আমিও বলেছিলাম থাক আমার দেখা লাগবে না ।
এভাবে কেটে গেল দিনটা ।

পরের দিন কলেজে যাচ্ছি কিন্তু শ্রাবণীকে দেখতে পাচ্ছি না কেন যে শ্রাবণীকে মিস করছি কেন ।
আর শ্রাবণীর বান্ধবীদের বলতেও পারছিনা যে শ্রাবণী কোথায় গেছে গত কয়েক দিন ধরে । ধ্যাত কেন যে বলতে পারছি না ।

প্রতিদিন গুন্ডী মেয়ের জারি আর রাগি চোখের ভাষা মিস করে করে এভাবে কেটে যাচ্ছে দিন গুলি ।

---কি হয়েছে নাসির আজ কলেজে যাবি না । ( মামনি )
---না মামনি আজকে যেতে ইচ্ছে করছে না । ( নাসির )
---কেন কি হয়ছে শরীর খারাপ নাকি ।
---না মামনি এমনি ।
---ও । তোর ফোন বাজছে ।
---ও হ্যা । আচ্ছা আপনি যান আমি কথা বলি ।
---ওকে যাচ্ছি ।

মামনি চলে গেল তখন অবধি ফোনটা কেটে গেল ।
ফোনটা হাতে নিয়ে দেখি আনকমন নাম্বার কে দিতে পারে ফোন এটা ভাবতে আবার ফোনটা বেজে উঠলো ওমনি ধরে ফেলি ।
---হ্যালো । ( নাসির )
---ওই ছেমরা ফোন ধরতে এতো লেট কেন আর প্রথম বার ফোন ধরলি না ক্যা । (  শ্রাবণী )
কথাটা শুনে বুঝতে পারলাম এটা শ্রাবণী ।

---না মানে ।
---না মানে কি হুম । আর হ্যা শোন এটা আন্টির নাম্বার বুঝলি ফোন দিবি না।
---জ্বী ।
---কেমন আছিস ।
---আলহামদুল্লিল্লাহ ভালো আপনি ।
---ভালো না ।
---কেন কি হয়েছে ।
---একা একা ভালো লাগছেনা ।
---তাহলে এবার একটা বিয়ে করেন ।
---কি বিয়ে আর একবার বল ।
---কই কি বলছি কিছু না ।
---ও তাহলে কে বলল ।
---কই কে বলেছে আমি জানি না ।
---হুম কলেজে যাও ।
---না আজকে যায় নাই ।
---কেন ।
---এমনি ।
---শরীর খারাপ নাকি ।
---না এমনি ভালো লাগছে না তাই ।
---ও ।
---আচ্ছা আপনি কোথায় এখন গত কয়েক দিন ধরে দেখতে পাচ্ছি না যে ।
---না মানে নানুর বাড়ি আসছি নানুর অনেক শরীর খারাপ তাই ।
---তা আসবেন কবে ।
---আমি অলরেডি বের হয়েছি ।
---বের হয়েছেন মানে ।
---আরে গাধা বের হয়েছি মানে আমি বাড়ি আসতেছি ।
---ও ভালো ।
---আর শোন বিকালে ওই লেকের পাড়ে দেখা করিস ।
---আমি দেখা করতে পারবো না ।
---মানে তুই আসবি না ।
---না ।
---তুই আসবি তোর বাপ আসবে আর যদি না আছিস তাহলে আমি তোর বাসায় গিয়ে তোর আম্মুরে বলবো যে আমার সাথে প্রেম করিস ।
---কি বলছো এ এগুলি হ্যা ।
---আসবি কি না বল ।
---হ্যা আসবো ।
---ওকে গুড বয় । বিকেল ৪টায় মনে থাকে যেন ।
---হুম গুন্ডী ।
---কো কই কিছু না ।

এই বলে ফোনটা কেটে দিলাম ।
হাহাহা খেপে গেছে ।
এখন একটু ভালো লাগছে শ্রাবণীর সাথে কথা বলে ।

আচ্ছা আব্বুকে কি শ্রাবণীর কথা বলবো নাকি ওই মেয়েকে বিয়ে না , না এটা সম্ভব না ওই মেয়েকে বিয়ে করা ।
সব কিছু মাথার ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে কিছু বুঝতে পারছি না ।
না এখন একটু ঘুম দিতে হবে না হলে মনটা ফ্রেশ হবে না ।
একটু ঘুম দিলাম ।

অতঃপর

বিকালে লেকের পাড়ে একা একা বসে আছি ।
৪টা বেজে ১০ মিনিট এখনো আসার কোন নাম গন্ধ নাই ।
ধ্যাত আর দশ মিনিট লেট করে চলে যাবো ।

---এতো লেট কেন হ্যা মামনি ফোন দিতেছে কখন থেকে । ( নাসির )
---চুপ বিয়েটা কার । ( শ্রাবণী )
---মানে কাকে কি বলছেন ।
---ওই চুপ তোর বিয়ে করা বের করছি সালা...



চলবে পরবর্তী পর্বে ।



ইনশা আল্লাহ পরের পর্বটি শীঘ্রই আসবে ।।।



লেখকঃ নাসির ইসলাম মাহিম (মাহাদির আব্বু)



= = =আল্লাহ হাফেজ= = =

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ