āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2762

কাব্যের ফোনটা বেজেই চলেছে
তাকিয়ে দেখে শ্রাবনী ফোন দিয়েছে
গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকা সর্ত্যেও
অনেক বিরক্তি নিয়ে সে ফোনটা
রিসিভ করল।
কাব্য: হ্যালো ( ঘুমের ঘোরে) শ্রাবনী:
তুমি এখনো ঘুমাচ্ছো,কয়টা বাজে
তোমার খেয়াল আছে? কাব্য:কয়টা
বাজে,আর ফোন দিসো কেন।
শ্রাবনী:কি????সকাল ১১টা বাজে আর
তুমি এখনো ঘুমাচ্ছো আজ আমাদের না
দেখা করার কথা।
কাব্য:ও ১১টা বাজে,আর কিছুক্ষন
ঘুমাই না বিকেলে দেখা করি?
শ্রাবনী:না তুমি এখনি আসবা
২০মিনিটের মধ্যে এসে আমার সাথে
দেখা করবা নাতো তোমার খবর আছে
এই বলে শ্রাবনী ফোনটা কেটে দিল।
কাব্য বুঝতে পারল শ্রাবনী অনেক
রেগে আছে এখন যদি তার সাথে দেখা
না করে তাহলে সত্যি তার খবর আছে।
তাই সে ভয়ে ও রাগে বিছানা ত্যাগ
করে ফ্রেশ হতে গেল।কাব্য এবার নিউ
গভ: ডিগ্রি কলেজে অনার্র ২য় বর্ষের
ছাত্র,আর শ্রাবনী মহিলা কলেজে
ইন্টার 2nd ইয়ারের ছাত্রী আর
তাদের দুজনের বাসাও হল
রাজশাহীতে।তাদের পরিচয়টা
হয়েছিলএকটু ভিন্ন ভাবে কাব্য তার
এক ফ্রেন্ড কে ফোন দিতে যেয়ে ভুল
করে শ্রাবনীর নাম্বারে ফোন দিয়ে
দেয়। শ্রাবনীর সাথে কিছুক্ষন কথা
বলে তার অনেক ভাল লেগে যায়।এরপর
কাব্য শ্রাবনীকে মাঝে মাঝে ফোন
দিত এবং তাদের মধ্যে টুকটাক কথা
হত। পরে আসতে আসতে কথার মাত্রা
বেড়ে যাই আর এর ফলে তাদের মাঝে
খুব সুন্দর একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে
উঠে।তারা মাঝে মাঝে দেখা করত আর
এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পরে তারা
বুঝতে পারে যে তারা একে অপরকে
ভালোবেসে ফেলেছে কোন এক পরন্ত
বিকেলে কাব্য তার ভালোবাসার কথা
শ্রাবনীকে জানাই শ্রাবনী এতে খুব
খুশি হয় কারন শ্রাবনী ও কাব্যকে
মনে মনে অনেক ভালবাসতো তাই সে
খুব সহজে রাজি হয়ে যায়।আর তখন
থেকেই শুরু হয়েছে তাদের রাগ-
অভিমান আর খুনসুটির ভালোবাসা।
তারা দুজন দুজনকে প্রচুর ভালবাসে
কিন্তু সেটা সামনাসামনি প্রকাশ
করেনা প্রকাশ করলে নাকি ভালবাসা
কমে যাই আর আসলেই কথাটা সত্য।
কাব্য ফ্রেশ হয়ে এসে হালকা কিছু
খেয়েই বেরিয়ে পড়ল রিক্সাই উঠতে
যাবে ঠিক তখনি পিছন থেকে কে যেন
কাব্য ভাইয়া বলে ডাক দিল।কাব্য
পিছনে ঘুরে দেখে নিধি হাপাচ্ছে
নিধি হল শ্রাবনীর বান্ধবী আর সে
সুবাদে কাব্যের সাথে তার পরিচয়
কাব্যকে সে তার নিজের ভাইয়ের মতই
দেখে আর কাব্যও তাকে নিজের বনের
মতোই। কাব্য:কি ব্যাপার নিধি তুমি
এমন হাপাচ্ছ কেন।
নিধি:ভাইয়া আব্বু মেডিকেলে ভর্তি
আছে তার জরুরি পর্যায়ে এক ব্যাগ ও
পজেটিভ রক্ত লাগবে ডাক্তার বলেছে
খুব শিঘ্রই রক্ত দিতে না পারলে
প্রবলেম হবে।
কাব্য:তা কি রক্ত জোগাড় হয়েছে?
নিধি:না ভাইয়া এখনো হইনি,এখন কি
হবে ভাইয়া।
হটাৎ কাব্যের মনে পরল তার রক্তের
গ্রুপ ও তো ও পজেটিভ তাই সে নিধিকে
বললো
কাব্য:আরে আমার রক্তও তো ও পজেটিভ
তাড়াতাড়ি রিক্সাই উঠো। নিধি:হুম
ভাইয়া চলেন।
কাব্য নিধির সাথে যেয়ে তার আব্বুকে
রক্ত দিলো রক্ত পেয়ে এখন নিধির
আব্বু বিপদ থেকে মুক্ত।রক্ত দেয়ার পর
কাব্য বিছানা থেকে উঠতে যেয়ে
দেখল তার মাথা ঘুরছে সে কেবিন
থেকে বের হতে যাবে ওমনি দরজার
সাথে ধাক্কা খেল নিধি দৌড়ে এসে
কাব্যকে ধরল আসলে রাতে ঠিকমত ঘুম
না হওয়াই আর সকালে ঠিকমত না
খাওয়ার কারনে এমনটা হয়েছে।
নিধি:ভাইয়া আপনি ঠিক আছেন তো ।
কাব্য:আমি ঠিক আছি সমস্যা নাই।
নিধি:আমিকি আপনাকে বাসাই পৌছে
দিয়ে আসবো?
কাব্য:না না আমি ঠিক আছি,আমি এখন
বাসাই যাবনা শ্রাবনীর সাথে দেখা
করতে হবে সে আমার জন্য অনেকক্ষন
ধরে ওয়েট করছে হয়তো অনেক রেগে
আছে।
নিধি:ভাইয়া এই অবস্তায় আপনি যেতে
পারবেন পরে দেখা করলেও তো হবে?
কাব্য:না আমি ঠিক আছি যেতে পারব
সমস্যা নাই তুমি তোমার আব্বুর কাছে
যাও ওখানে তোমার থাকা দরকার।
নিধি:আচ্ছা ঠিক আছে সাবধানে
যেয়েন।
আর এইদিকে শ্রাবনী কাব্যকে ফোন
করেই চলেছে কিন্তু কাব্যের ফোন
ধরার কোন নাম নাই সে ফোন ধরবে
কিভাবে সে তো তারাহুরো করে বের
হতে যেয়ে ফোনটা ভুলে বাসাই রেখে
আসছে।কাব্য অনেক কষ্ট করে মেডিকেল
থেকে বের হয়ে একটা রিক্সা নিয়ে
তাদের সেই পরিচিত জাইগা পদ্মা
গার্ডেন যেখানে তারা প্রায়ই দেখা
করে সেখানে চলে গেল।গিয়ে দেখল
শ্রাবনী চুপচাপ বসে আছে আর রাগে
ফুসছে কাব্য তার পাসে এসে বললো
কাব্য:সরি শ্রাবনী অনেক দেরি হয়ে
গেল আসলে......
শ্রাবনী:থাক তোমাকে আর কিছু বলতে
হবেনা আমি সেই কখন থেকে তোমার
জন্য ওয়েট করছি আর তুমি এখন আসছো
এই তোমার ২০মিনিট পুরো দের ঘন্টা
পরে আসছো।আমি সেই কখন থেকে একা
একা তোমার জন্য বসে আছি আমার
কথাকি তোমার একবারো মনে হয়নি?
কাব্য:আসলে আমি ঠিক সময়ে বাসা
থেকে বের হয়েছি রিক্সাই উঠতে
যাবত তখনি নি........।
এবারো কাব্যকে কিছু বলতে না দিয়ে
শ্রাবনী বললো শ্রাবনী:বললাম না
তোমাকে আর কিছু বলতে হবেনা আর
তুমি ফোন ধরছিলা না কেন আমার কত
টেনশন হচ্ছিলো জানো।
কাব্য পকেটে হাত দিয়ে দেখল তার
মোবাইল নাই হঠাৎ তার মনে পড়ল সে
তারাহুরো করতে যেয়ে বাসাই ফোন
ভুলে রেখে আসছে।
কাব্য:আসলে তাড়াতাড়ি আসার কারনে
ফোনটা ভুলে বাসাই রেখে আসছি।
শ্রাবনী:তুমি এত কেয়ারলেস কেন
আমার খুব রাগ উঠছে তুমি আমার
সামনে থেকে যাওতো।
কাব্য:তুমি আমার পুরো কথাটা একবার
শোন।
শ্রাবনী:আমি তোমার কোন কথা শুনতে
ইচ্ছুক না তুমি যাও এখান থেকে।কাব্য
জানে এখন তাকে হাজার কিছু বলেও
কোন লাভ হবেনা কারন শ্রাবনি রেগে
গেলে কোন কথায় শুনেনা আর এদিকে
কাব্যর শরীর ভিষন খারাপ লাগছে
তাই সে না পেরে বললো কাব্য:তুমিকি
আমাকে একটু রিক্সা ওবদি পর্যন্ত
এগিয়ে দিয়ে আসতে পারবা?(করুনার
সুরে)
:থাক আর ঢ়ং করা লাগবেনা একা আসছো
একাই যাও।(অতিরিক্ত রেগে) কথাটা
শুনে কাব্যের অনেক খারাপ লাগে।
কাব্য অনেক কষ্টকরে সেখান থেকে
হেটে আসছে একটা রিক্সার
উদ্দেশ্যে। শ্রাবনী তার দিকে একবার
তাকালো দেখল হাটার সময় কাব্য
কেমন জানি টোল খাচ্ছে কাব্যের জন্য
তার খুব খারাপ লাগলো পরক্ষনে তার
রাগটা আবার বেড়ে গেল এজন্য সে
কাব্যের দিক থেকে মুখটা সরিয়ে
নিলো এরপর কাব্য একটা রিক্সা নিয়ে
সেখান থেকে বাসায় চলে গেল আর
বাসাই যেয়েই সে অসুস্থ হয়ে পড়ল।
পরেরদিন শ্রাবনীর সাথে নিধির
দেখা হল নিধি শ্রাবনীকে বললো
নিধি:কাব্য ভাইয়ার শরীর এখন কেমন
আছে?
শ্রাবনী:কেমন আছে মানে তুই কি
বলতে চাচ্ছিস।( অবাক হয়ে)
নিধি:কেন তুই কিছু জানিস না (সেও
অবাক হয়ে বললো)
শ্রাবনী:না তো তুই একটু খুলে বলতো।
নিধি:আসলে গত কালকে আব্বু হঠাৎ
করে খুব অসুস্থ হয়ে পরে ডাক্তার
বলেছিল খুব শিঘ্রই একব্যাগ রক্ত
দিতে হবে কিন্তু কথাও রক্ত পাওয়া
যাচ্ছিলনা আমি মেডিকেলে
যাচ্ছিলাম তখন রাস্তায় কাব্য
ভাইয়ার সাথে দেখা।কাব্য ভাইয়াকে
এই কথা বলতেই কাব্য ভাইয়া বললো
তার রক্তের গ্রুপও নাকি আব্বুর রক্তের
গ্রুপের তাইতো কাব্য ভাইয়া আব্বুকে
রক্ত দিল আর আব্বু এখন মোটামুটি সুস্থ
কিন্তু রক্ত দেওয়ার পরে কাব্য ভাইয়া
কেমন জানি করছিল মনে হই মাথা
ঘুরছিলো তাইতো আমি বললাম আমিকি
আপনাকে বাসায় পৌছে দিয়ে আসবো সে
বললো তোর সাথে নাকি দেখা করবে
দিয়ে চলে গেল।আমার জন্য তোকে
অনেক ওয়েট করতে হয়েছে তাইনা
দোস্ত।শ্রাবনী কথা গুলো শোনার পর
নিজেকে সামলাতে পারছেনা সে কি
করেছে সে কাব্যের কথা না শুনে
তাকে অনেক কথা শুনিয়েছে।না আর
ভাবতে পারছেনা নিজেকে খুব অপরাধী
লাগছে তার।সে আর কিছু না ভেবে
ফোন বের করে কাব্যকে ফোন দিল কিন্তু
কাব্যের ফোন বন্ধ পেয়ে তার ভয়টা
আরও বেরে গেল সে আর কিছু না ভেবে
নিধিকে বললো শ্রাবনী:তাড়াতাড়ি চল
( তারাহুরো করে)
নিধি:কোথায় ( অবাক হয়ে)
শ্রাবনী:গেলেই বুঝতে পারবি। তারা
দুইজন কাব্যের বাসার সামনে চলে
আসল।দরজার সামনে দাড়িয়ে
কলিংবেল বাজাতেই কাব্যের মা এসে
দরজা খুলে দিল শ্রাবনী:আসসালামু
আলাইকুম আন্টি। কাব্যর মা:ওয়ালাইকুম
আসসালাম,কে মা তোমরা।
শ্রাবনী:আসলে আন্টি আমরা কাব্যের
ফ্রেন্ড।
কাব্যর মা:ও আসলে কাব্য একটু অসুস্থ,ঐ
ওর রুমেই আছে তোমরা যাও মা।
শ্রাবনী:ওকে আন্টি। শ্রাবনী আর
নিধি কাব্যের রুমে গিয়ে দেখল কাব্য
শুয়ে আছে শ্রাবনী কিছু না ভেবেই
দৌড়ে গিয়ে কাব্যের পাশে বসে তার
হাত ধরে কাঁদতে লাগল কাব্য
শ্রাবনীকে দেখে একটু অবাক হল
কাব্য:আরে তুমি এখানে আর তুমি কাঁদছ
কেন।
শ্রাবনী:সরি কাব্য আমি না বুঝে
তোমাকে অনেক কিছু বলে ফেলেছি
প্লিজ তুমি আমাকে মাফ করে দাও।
কাব্য:আরে পাগলি আমি কিছু মনে
করিনি প্লিজ তুমি কান্না থামাও।
শ্রাবনী:আগে বলো তুমি আমাকে মাফ
করে দিয়েছো।
কাব্য:হুম পাগলিটা আমিকি তোমার
উপরে রাগ করে থাকতে পারি বলো।
শ্রাবনী:গত কালকে অনেক কষ্ট পেয়েছ
তাইনা এই বলে শ্রাবনী কাব্যকে
জরিয়ে ধরল আর কাব্য ও পরম মমতায়
শ্রাবনীকে জরিয়ে ধরে বললো
কাব্য:হুম,কিন্তু এখন অনেক ভাল
লাগছে তোমাকে কাছে পেয়ে।
শ্রাবনী:আর কখনো তোমাকে এমন কষ্ট
পেতে দিবনা,ভালবাসি তোমায় অনেক।
কাব্য:আমিও তোমায় অনেক ভালবাসি
পাগলিটা।
নিধি দুর থেকে দাড়িয়ে তাদের এই
ভালবাসাটা দেখছিল আর মিটিমিটি
হাসছিল আসলে সত্যি কারের ভালবাসা
গুলো এমনি হয় ভালবাসায় তো মান-
অভিমান খুনসুটি থাকবেই কারন এগুলো
ভালবাসার একটা অংশ আর কিছু ভুল
যদি ভালবাসার মানুষ গুলোকে আরও
কাছে এনে দেই তাহলে মাঝে মাঝে
এমন ভুল করা মন্দ নয়।

Collected

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ