তুলি......
তুলি আমার তিন বছরের মেয়ের
নাম...সারাদিন এই রুমে থেকে ওই রুমে
ছোট ছোট পায়ে দৌড়ে
বেড়াবে,টিভিতে কার্টুন দেখে যত
রকমের দুষ্টুমি শিখেছে,তার সব বাসায়
প্রয়োগ করবে.... দিন শেষে আমি
বাসায় আসার পর আমেনা খালা তুলির
বিরুদ্ধে নালিশের জুড়ি নিয়ে
বসবে....
তুলি এটা ভেঙ্গেছে,তুলি ওটা
ভেঙ্গেছে, তুলি রান্না ঘরের
জিনিষপত্র এলোমেলো করে
রেখেছে.....
|
|
আমি যখন তুলিকে ডেকে জিগ্যেস করি
আম্মু তুমি নাকি এইগুলা করেছো?
তুলি নাথা নেড়ে না বোধক বুঝাবে....
আমি যদি জিগ্যেস করি তাহলে কে
এইগুলা করেছে?
তুলি আঙ্গুল দিয়ে ইশারায় আমেনা
খালাকে দেখাবে..
তখন আমেনা খালা চোখ কপালে তুলে
বলে,কি বিচ্ছু মেয়ে....
|
|
যেদিন অফিস থেকে ফিরতে দেরী
হবে,সেদিন বাসায় এসে দেখবো তুলি
গাল ফুলিয়ে বসে আছে,ঠিক ওর আম্মুর
মত...ওর আম্মুও অফিস থেকে দেরী করে
আসলে গাল ফুলাতো...তখন অনেক কষ্টে
ওর রাগ ভাঙ্গাতে হতো.তুলি অবশ্য
ওতো রাগে না...গাল ফুলানো
দেখলে আমি কাছে গিয়ে বলি
আম্মু,আব্বুর অনেক ক্ষুধা লেগেছে চল
খাবো....তুলি মুখ ঘুরিয়ে রাখে
অন্যদিকে..
তখন আমি বলি,না খেলে আমিও কিন্তু
তোমার আম্মুর কাছে দূরে চলে
যাবো....
|
|
এই একটা কথাই তুলির রাগ ভাঙ্গানোর
জন্য যথেষ্ট...তুলি দৌড়ে আমার কোলে
এসে কেঁদে দিয়ে বলবে আব্বু
খাবো...আব্বু চল খাবো,আম্মু ভালো
না,আম্মুর কাছে যাবেনা..
খাবার টেবিলে আমার পুতুলটা
আমাকে তার ছোট্ট ছোট্ট হাতে
খাইয়ে দেয়....
|
|
ছুটির দিনে আমি আর তুলি লুকোচুরি
খেলি,আমি লুকালে যখন তুলি খুজে
পায়না,তখন এত্ত জোরে কান্না শুরু
করে...আমি বের এসে জিগ্যেস করি
আম্মু কি হয়েছে কাঁদছো কেন?
তুলি ফিক করে হেসে দিয়ে আমাকে
ধরে বলে আব্বু ধরেছি...
|
|
আমার জীবনটা বাসা-তুলি আর
অফিসের মাঝে সীমাবদ্ধ... যদিও এর
মাঝে আরেকজন আছে..তুলির
খালামনি তুবা...
তুবা আমার স্ত্রী তুলনার ছোট বোন....
|
|
মনে পড়ে সেই দিনগুলোর কথা...সদ্য
চাকরি পাওয়া এলোমেলো এক যুবক আর
এক পরীর কথা...যেদিন তুলনা আমার এক
কথায় বাসা থেকে বের আমার কাছে
চলে এসেছিলো...কিছুই ছিলো না
আমার,তবুও মেয়েটা বিশ্বাস
রেখেছিলো..
|
|
তুলনাকে বিয়ের করার পর,আমার মনে
হয়েছে এই বিয়ে তুলনার বাবা
কিছুতেই মেনে নিবেন না..মনে
হয়েছে বলতে আমি সিওর
ছিলাম..তুলনার জন্য তুলনার বাবা
আমার চেয়ে ভালো জামাই ডিজার্ভ
করেন..তবুও তুলনার কথায় তুলনাকে
নিয়ে তুলনার বাসায় গিয়েছিলাম...
তুলনার বাবা আমাকে অবাক করে
দিয়ে কিছুক্ষণ ভেবে তিনি বিয়েটা
মেনে নিয়েছিলেন..
|
|
সেদিনের মত খুশি আমি তুলনাকে আর
কোনদিন হতে দেখেনি.....পাগলিটা
সারারাত খুশিতে কেঁদে আমার বুক
ভাসিয়ে ছিলো..
|
|
ভালোই চলছিলো আমার আর তুলনার
সংসার জীবন,একদিন বাসায় ফিরতে
তুলনা এসে লজ্জা মাখা মুখে বলল তুমি
বাবা হতে চলেছো...
পাক্কা পাঁচ মিনিট তুলনাকে কোলে
তুলে নেচেছিলাম....
|
|
তুলনা বলতো তুমি কি চাও,মেয়ে
নাকি ছেলে?
আমি বলতাম মেয়ে""...তোমার মত এত
মিষ্টি একটা মেয়ে হবে আমাদের...
কেন জানি তুলনাও বলতো দেখবা
আমাদের মেয়ে হবে..
এরজন্য নামও ঠিক করে রেখেছিলো
তুলনা...
তুলি নামটা ওর ঠিক করা...
|
|
তুলনার মা হবার খবরটা শুনার পরের দিন
তুলনা আমাকে এসে বললো,বাবাকে
আর তুবাকে আমি নিজে গিয়ে সুখবরটা
দিবো...তুমি সন্ধার পর আমাদের
বাসায় চলে যাবে..আমি বললাম আচ্ছা
ঠিক আছে সাবধানে যাও...
|
|
বিকেলে তুলনা ফোন করে বললো আমি
বাসায় চলে এসেছি,তুমি ওইখানে
যেও না,বাসায় চলে আসো..ওর কথা
গুলো কেমন আটকে আটকে
আসছিলো...আমার তখনি মনে হয়েছে
কিছু একটা হয়েছে..
|
|
বাসায় আসার পর দেখলাম তুলনা
কাঁদছে, আমি তুলনার কাছে গিয়ে
বসে জিগ্যেস করলাম,কাঁদছো কেন?
তুলনা আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো
আমি আর কখনো ওই বাসায় যাবোনা...
আমি জিগ্যেস করলাম কেন যাবেনা?
কি হয়েছে?
তুলনা বললো তুমি আমাকে ক্ষমা করে
দাও,আমি তোমার থেকে অনেক কিছু
লুকিয়েছি,বাবা সেদিন বিয়ে ঠিকি
মেনে নিয়েছিলো,কিন্তু তা শুধু তার
মুখের কথা ছিলো..বিয়ের পরের দিন
বাবা আমাকে বলেছিলো তোমাকে
ডিভোর্স দিয়ে দিতে...আমি বাবার
কথা শুনিনি..তারপরও বাবা অনেকবার
আমাকে বিভিন্ন ভাবে
বুঝিয়েছিলো তোমাকে ডিভোর্স
দিতে..তুমি শুনলে কষ্ট পাবে ভেবে
আমি কখনো কথা গুলো বলিনি...আজ
বাবা যখন বলল আমার সন্তান নষ্ট করে
তোমাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে
যেতে তখন আর মানতে পারিনি...
আমার বাবা আমার স্বপ্নকে খুন করতে
বলেছে....
|
|
তুলনাকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোন
ভাষা সেদিন আমার জানা ছিলো
না,তবুও বলেছিলাম চিন্তা
করোনা,দেখবে একদিন সব ঠিক হয়ে
যাবে..
|
|
|
আসলেই একদিন সব ঠিক হয়ে
গিয়েছিলো,তুলনার ওর বাবার উপর
অনেক অভিমান ছিলো,কিন্তু আমার
উপর কিসের এত অভিমান ছিলো জানা
হয়নি,জানার সুযোগও তুলনা আমাকে
দেয়নি..
তুলিকে জন্ম দিয়ে তুলনা এতটা দূরে
চলে গিয়েছে,যেখান থেকে আর কেউ
ফিরে আসেনা..
|
|
তখন ছোট্ট তুলিকে নিয়ে এতটাই
দিশেহারা ছিলাম যে,কি করবো
কিছুই ভেবে পাচ্ছিলাম না,সেই সময়ে
তুবা পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলো..
আজকের তুলির বড় হওয়ার পিছনে
একজনরি অবদান ছিলো'' সে তুবা....
আমাকে অনেকে তুলির জন্য আবার
বিয়ে করতে বলেছিলো,কিন্তু আমি
করিনি..সত্যি বলতে তুবা থাকাতে
প্রয়োজন বোধ করিনি...
|
|
সেই ছোট থেকে তুবা এই বাসায় এসে
তুলিকে দেখাশুনা করতো..কলেজ
যাওয়ার আগে,আবার কলেজ থেকে
ফিরে সারাক্ষণ তুলিকে নিয়ে
থাকতো......তুবার বাবা এটা নিয়ে
তুবাকে কিছু বলে কিনা কখনো জানা
হয়নি..জানতে ইচ্ছেও করেনি....
|
|
একদিন বাসার দারোয়ান এসে বলল
স্যার আমাকে মাফ করে দেন..আমি
একটা অন্যায় কাজ অনেকদিন থেকে
করছি..
আমি জিগ্যেস করলাম কি অন্যায় কাজ?
দারোয়ান বলল...স্যার আপনি অফিস
যাওয়ার পর তুলনার মার বাবা এসে
তুলি মামনীকে দেখতে আসে,আমাকে
কিছু টাকা দেয় যেন আপনাকে না
বলি....
আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে আপনি
জান...
|
|
তুবা তুলির জন্য এতকিছু করলেও আমার
সাথে তেমন কথা হতো না...অনেক সময়
ও কথা বলতে আসলেও আমি বলতাম
না...এটা নিয়ে তুবাকে কখনো রাগ
হতে দেখিনি...তুলি বড় হওয়ার পর প্রায়
তুবা ওকে নিয়ে ঘুরতে যায়,আমার ভয়
হয়....
|
|
একদিন রাতে খাওয়ার সময় তুলি হঠাৎ
বলে উঠলো আম্মু আর খাবোনা....
আমি তুলির দিকে অবাক হয়ে
তাকিয়ে বললাম,তুমি কাকে আম্মু
বলছো?
তুলি আঙ্গুল দিয়ে তুবাকে দেখালো...
আমি তুলিকে বললাম উনি তোমার
খালামণি..ওনাকে খালামণি ডাকবে
ঠিক আছে?
তুলি দুপাশে মাথা দুলিয়ে হ্যা
বুঝালো....
তুবার দিকে চেয়ে দেখলাম এই প্রথম
ওকে কষ্ট পেতে...চোখেতে পানি
চিকচিক করছে......
|
|
মাঝে মাঝেই রাতে ঘুমোতে
যাওয়ার আগে তুলি জিগ্যেস করে,আব্বু
আম্মু আসবেনা...?
আমি বলি আসবে...
তুলি তখন বলে আম্মুকে তুমি বকে দিতে
পারোনা...?আম্মু এত দূরে থাকে কেন?
আম্মু দেখেনা আমাদের অনেক কষ্ট হয়!!
আমি কিছুই বলিনা,তুলির কথা শুনে
চোখে পানি চলে আসে...নীরবে তা
মুছে ফেলি...তুলি যেন না দেখে..
|
|
অফিস থেকে ফিরে প্রতিদিনই
তুলিকে জিগ্যেস করি আজকে আমার
আম্মুটা কি কি করেছে?
তুলি তখন সব বলে....ওর সব কথাই তুবাকে
নিয়ে.....আজকেও যখন তুলিকে জিগ্যেস
করলাম আম্মু আজ কি কি করেছো?
তুলি তখন বলে কি কি করেছে...
আব্বু'' আজকে আম্মু খালামণি বলেছে
তুমি যখন বাসায় থাকবেনা তখন আম্মু
খালামণিকে আম্মু বলে
ডাকতে..আবার বলেছে তুমি যখন
থাকবে,তখন আম্মু খালামণিকে
খালামণি বলে ডাকতে..
|
|
তুবা দিন দিন মায়ার বন্ধনে বেঁধে
যাচ্ছে,তুবার মাঝে এখন অনেক কিছু
চেন্জ দেখা যায়,আগে আমি কথা
বলতে না চাইলে কথা বলতো না,এখন
প্রায় সময় কথা বলতে চেষ্টা করে,আমি
কথা না বললেও এটা ওটা জিগ্যেস
করে...
আগে আমেনা খালা রান্না
করতো,এখন তুবা নিজে রান্না করে...
আমি চাইনা নতুন করে কিছু হোক...
|
|
সকালে তুবা বাসায় আসলে,তুবাকে
ডেকে বললাম, তুমি তুলির জন্য যা
করেছো তার ঋণ শোধ করার মত নয়...শোধ
করার ক্ষমতাও আমার নেই..আমি
তোমার কাছে চিরকৃতজ্ঞ... তুলি এখন বড়
হয়েছে..ওকে আমিই দেখতে
পারবো.তুমি যদি এ বাসায় আর না
আসো আমি খুশি হবো..তার চেয়ে বড়
কথা তুমি এ বাসায় না আসলে আমার
চেয়ে তোমার বাবা বেশী খুশি
হবেন..আমি চাইনা তুমি আর এ বাসায়
আসো..
তুবা কিছুই বললো না,শুধু কয়েল ফোটা
অশ্রু বিসর্জন দিয়ে দ্রুত হেটে চলে
গেলো..
|
|
সাময়িক কষ্টের জন্য কেউ যদি
সারাজীবন সুখে থাকে,তাহলে তার
কাছে খারাপ মানুষ সাজতে আপত্তি
নেই..
|
|
গত দুদিন ধরে তুবা এই বাসায়
আসেনা,তুলি বারবার জিগ্যেস করে
আব্বু'' আম্মু খালামণি আসে না কেন?
আমি কিছু বলতে পারিনা...
আমার নীরবতা দেখেই তুলি জিগ্যেস
করে,আম্মু খালামণিও কি আম্মুর মত দূরে
চলে গেছে??
আমি তুলিকে কোলে নিয়ে তুলির
মাথায় বুলাই, তুলিও যেন সব বুঝার মত
করে চুপটি করে শুয়ে থাকে....
|
|
অফিস যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের
হয়ে রাস্তার পাশে আসতেই দেখলাম
তুলনার বাবার দাঁড়িয়ে আছেন,আমি
দেখেও না দেখার ভান করে যখন চলে
যাচ্ছিলাম তখন তুলনার বাবা পিছন
থেকে ডাক দিলো...
কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে জিগ্যেস
করলাম কেমন আছেন?
আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি
সোজা আমার হাত ধরে বললেন....
..........
.................
বাবা আমি যে পাপ করেছি তার
ক্ষমা নেই,বাবা তুমি,তুলি আর তুবা
ছাড়া এই পৃথিবীতে আমার আর কেউ
নেই.....আমি আমার একটা মেয়েকে খুন
করেছি,আজ আমার আরেকটা মেয়ে
দুদিন ধরে না খেয়ে আছে..বাবা
প্লিজ আমার মেয়েটাকে
বাঁচাও....বাকী জীবনটা আমি
তোমাদের নিয়ে বাঁচতে চাই..
|
|
তুলনার বাবা কথা গুলো এমন ভাবে
বললেন,আজ তার চোখে অনুশোচন
স্পষ্ট.....তুলনা যদি আজ বেঁচে
থাকতো,তুলনার চেয়ে কেউ বেশী
খুশি হতো না...
|
|
অফিস না গিয়ে বাসায় ফিরে এসে
তুবাকে ফোন দিয়ে জিগ্যেস করলাম
এমন পাগলামির মানে কি?
তুবা শুধু বলল,আপনি ফোন দিয়েছেন
কেন?আপনি তো একটা পাষণ্ড, আপনি
আমার মেয়ের থেকে আমাকে দূরে
রাখতে চান....
আমি বললাম তুমি ছোট নেই,তুমি যে এই
বাসায় এসে পড়ে থাকো মানুষ জন কি
বলে?সমাজ কি বলে?সবাই খারাপ
চোখে দেখছে...
আমি সারাজীবনের জন্য তুলির মা হয়ে
থাকতে চাই....তাহলে তো আর কেউ
কিছু বলতে পারবেনা..
|
|
বিয়ের প্রথম রাতে আমি একপাশে আর
তুবা একপাশে শুয়ে আছি,মাঝখানে
তুলি..
তুলি একবার আমার দিকে
তাকায়,একবার তুবার দিকে তাকায়..
আমি বললাম আম্মু তোমার আম্মু ফিরে
এসেছে..
তুলি ফিক করে হেসে বলল এটা তো
আম্মু খালামণি...
তুবা তুলির কপালে চুমু খেয়ে বলে,না
আম্মু আজ থেকে আমি শুধু তোমার আম্মু..
তুলি আমার দিকে তাকিয়ে বলল..আম্মু
বললে বকা দিবে না তো?
আমি আর তুবা একসাথে হেসে দিলাম
তুলির কথা শুনে..
না আম্মু বকা দিবো না...
তুলি ছোট্ট হাতে তুবার মুখ কাছে এনে
বললো..আম্মু চলো লুকোচুরি
খেলবো..আব্বু লুকাবে,আমি আর তুমি
আব্বুকে খুঁজবো...
আমি বললাম আজকে না খেলি আম্মু?
কাল খেলবো....
তুলি কোমরে হাত দিয়ে বুড়ির মত
বললো না এখনি খেলবো....
|
|
কি আর করার........আমি লুকানোর
জায়গা খুঁজছি.....
Tarique Hasan
āĻāϞ্āĻĒ āϏংāĻ্āϰāĻš āĻāϰা āĻāĻŽাāϰ āύেāĻļা। āϰোāĻŽাāύ্āĻিāĻ, āĻৌāϤিāĻ, āϰāĻŽ্āϝ, āĻৌāϤুāĻ āϏāĻš āĻšাāĻাāϰো āĻāϞ্āĻĒ āĻāĻে āĻāĻŽাāϰ āϏংāĻ্āϰāĻšে।
āĻļāύিāĻŦাāϰ, ā§Ģ āĻāĻāϏ্āĻ, ⧍ā§Ļā§§ā§
631
āĻāϰ āĻĻ্āĻŦাāϰা āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰা
Rahathossain1010100@gmail.com
āĻāĻ āϏāĻŽā§ে
⧧⧍:ā§Ģā§Ģ AM
āĻāϤে āϏāĻĻāϏ্āϝāϤা:
āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝāĻুāϞি āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ (Atom)
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ