āĻļুāĻ•্āϰāĻŦাāϰ, ā§§ āĻĄিāϏেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

3580 (9)

প্রিয়ার চোখে জল

পর্বঃ ১৭

লেখকঃ সাইদা ইসলাম বকুল

আমরা এক দেশের মানুষ এক ধর্মের মানুষ, তাহলে আত্মীয় বললে ক্ষতি কি?  প্রিয়া বললো, আপু আপনারা বড় মনের মানুষ, তাই সব কিছু সহজভাবে মেনে নিতে পারেন। আপনারা আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন, আপনারা যা ভালো মনে করেন আমি তাই করবো। না চাইতেই আপনাদের কাছে অনেক কিছু পেয়েছি, যার ঋণ কোন দিন শোধ করতে পারবো না। গ্রাম ছেড়ে চলে এসেছি, আমার সব ব্যপারে আগে মামা সিদ্ধান্ত নিত। মামা তো আর আসবে না, তাই আপনারাই আমার গার্ডিয়ান। আর আমি জানি আপনারা যা করবেন আমার ভালোর জন্যই করবেন। এই বলে প্রিয়া চলে গেল। বুয়াও খুশি মনে চলে গেল, নীলা ওর ভাষায় আকাশ আর সুমিকে ধন্যবাদ জানালো। তারপর দরজা খুলে ছাদে গেল। সুমি জানে নীলা এখন তার ফুল গাছের সাথে কথা বলবে। নীলা তার সুখ-দুঃখ ফুলের সাথে শেয়ার করে। আকাশ বললো,চল সন্ধ্যার পর গিয়ে খালাম্মার সাথে কথা বলে আসি। সুমি বললো,তাই ভালো হবে। তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও,আমি তোমার জন্য চা নিয়ে আসছি। এই বলে সুমি রান্নাঘরে চলে গেল। আকাশ নিজের রুমে গেল। প্রিয়া নিজের রুমে গেল। বুকের ভেতরটা যেন কেমন করছে। সুমি প্রিয়াকে বিয়ে দেবে, এই কথা যতবার ভাবছে ততবারই বুকের ভেতরে কেমন যেন লাগছে। প্রত্যেকটা মানুষই যখন যৌবনে পা রাখে তখন কাউকে ভালো লাগে, কাউকে ভালোবাসে, কাউকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে। কিন্তু প্রিয়ার জীবনে আজ পর্যন্ত তেমন কেউ নেই,যাকে প্রিয়া ভালোবাসবে, যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখবে। জয় বড়লোক, দেখতে সুন্দর, সে কি প্রিয়াকে ভালোবাসবে?  প্রিয়া আর ভাবতে পারছে না। শীলার কথা আর মামার কথা খুব মনে পড়ছে। প্রিয়া ঢাকায় এসেছে আজ বারো দিন। অথচ মনে হচ্ছে বারো বছর ধরে সবার কাছ থেকে দূরে আছে। মাঝে মাঝে এক সেকেন্ডও এক বছর মনে হয়। আবার মনে হয় সময় যাচ্ছে না। আবার কখনো মনে হয় সময় খুব দ্রুত চলে যাচ্ছে। প্রিয়ার চোখের কোণে পানি জমে গেল। মানুষের মনে মায়ামমতা আছে বলেই তো একজন আরেক জনের শূন্যতা অনুভব করে। প্রিয়া চোখের পানি মুছলো। বুয়া হাসিমুখে এসে প্রিয়ার সামনে দাঁড়ালো। প্রিয়া একটু হাসলো, বুয়া বললো, আফা আপনার বিয়ের কতা হুইনা আমার খুব বালা লাগতাছে, আফা আপনে খুশি অন নাই? মনে অইতাছে আপনের মনডা খারাপ।
বুয়া, হঠাৎ করে এত খুশি আমার জীবনে এসেছে যে,ভাবতেই ভয় লাগছে তাই মনটা অস্থির লাগছে।
আফা মানুষের জীবনে কি সবসময় দুঃখ থাকে?  থাকে না। যে সুখ আইয়া সামনে খাড়াইছে, তারে যতন কইরা ধইরা রাইখেন, দেখবেন দুঃখ আর আপনের আশেপাশেও আইতে পারবো না।
আচ্ছা বুয়া, আপনি যখন গ্রামে যান, তখন আপনার স্বামীর সাথে দেখা হয় না? 
হ আফা অয়,তারে দেখলে আমি মুখ ফিরাইয়া নেই। আমার লগে কতা কইতে চায়, আমি রাজি অইনা। যারে এত ভালোবাসলাম, সে যহন আমারে ছাইড়া গেল, তার লগে আর কি কতা কমু। একটু দেরি কইরা বাড়ি ফিরলে চিন্তায় অস্থির অইয়া পড়তাম, একবেলা যদি তারে রাইখা ভাত খাইতাম, তাইলে বুকের ভেতরটা কেমন  হাহাকার করতো। এক রাইত যদি তারে ছাড়া থাকতাম, তাইলে সারা রাইত ঘুম আইতো না। একটা মাইয়া বিয়ার পর স্বামীর ঘরে যায়। নতুন বাড়ি, নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষজন, নতুন সংসারে গিয়া সবার লগে মিলা চলা, অনেক সময় সহজ অয়। আবার অনেক সময় কঠিন অয়। অনেক সংসারে শাশুড়ি, ননদ, দেবর বালা থাকে। আবার অনেক সংসারে খারাপ থাকে। তারপরও প্রত্যেকটা মাইয়া চায় যে যাই করুক, কিন্তু তার স্বামী তারে বুঝুক, তারে ভালোবাসুক। মাইয়া মানুষ সবার দেয়া দুঃখ সহ্য করতে পারে, কিন্তু তার স্বামীর দেয়া কষ্ট সহ্য করতে পারে না। আফা মাইয়া মাইনষের কপালডাই খারাপ। অনেক সময় দেহা যায় বাপের সংসারে শান্তি পায় না, স্বামীর সংসারেও শান্তি পায় না, তহন চাইয়া থাকে সন্তানের দিকে। এক সময় দেহা যায় হেই সন্তানও মায়ের দুঃখ বুঝে না। আর এইডাই অইলো বাঙালি নারীর কপাল। বাঙালি নারীর মায়া,মমতা, ভালোবাসা বেশি, আবার দুঃখ - কষ্টও বেশি। যে বেশি সুখের আশা করে, হের কপালে দুঃখ থাকে বেশি। আমার স্বামী বেশি সুখের আশায় আমারে ছাইড়া হেই মহিলার কাছে গেছে,ঘর জামাই এর আবার সুখ। বিধবা নারীরে সম্পত্তির লোভে বিয়া করছে, ভাবছে সারা জীবন পায়ের উপর পা দিয়া খাইবো। আর এহন এক বেলা কামে না গেলে বউ শাশুড়ি ঘাড়ে ধইরা কামে পাঠায়। সুখপাখি জীবন থেকা উইড়া গেছে। আমি যখন গ্রামে যাই,তহন আমার কাছে লোক পাঠায়। কয় আমি রাজি থাকলে আমারে আবার তার ঘরে তুইলা নিব। আমি বারবার না কইরা দেই। যে সুতা ছিড়া গেছে, তারে জোড়া লাগাইয়া লাভ কি?  প্রথম প্রথম মানুষটার লাইগা অনেক কষ্ট লাগতো, ইচ্ছা করতো দৌড়াইয়া তার কাছে চইলা যাই। এক ঘরে বসবাস করছি,কত স্মৃতি, কত মায়া,কত ভালোবাসা। একটা মানুষ  মইরা গেলে তারে ভুলতে যতটা কষ্ট না অয়, তার চাইতে বেশি কষ্ট অয় জীবিত মানুষরে ভুলতে। অনেক কষ্টে তারে মন থেকা বিদায় করছি। আমার যত কষ্ট আছিলো, আমার চোখের পানি দিয়া সব ধুইয়া ফালাইছি। এহন আর কষ্ট অয় না,মনও কান্দে না, মায়াও লাগে না। ঘৃণা লাগে। স্বামীর ঘর ছাইড়া যহন বাপের বাড়ি গেলাম, তহন নিজেরে কেমন যেন বোঝা বোঝা মনে অইতো, আমি বুঝতে পাড়লাম বাপ-মা আমারে নিয়া চিন্তায় পড়ছে। আমি সিদ্ধান্ত নিলাম কাম কইরা খামু। তাই ঢাকায় চইলা আইলাম। এহন বালাই আছি।
বুয়া আপনার কথা শুনতে আমার খুব ভালো লাগে।
আফা, যারা শিক্ষিত মানুষ, তারা শিক্ষা অর্জন করে বই পইড়া,আর যারা গরীব -দুঃখী মানুষ , তারা জ্ঞান অর্জন করে জীবন থেকা। আর বাস্তবতার মধ্যে অনেক পার্থক্য আফা।

সুমি বুয়াকে ডাকলো, বুয়া উঠে চলে গেল। প্রিয়া একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো, নারীর কোমল হৃদয়টা যখন আঘাতে আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়, তখন সেই কোমল হৃদয়টা পাথরের চেয়েও বেশি শক্ত হয়ে যায়। প্রিয়া উঠে আয়নার সামনে দাঁড়ালো আর ভাবলো, জয় কি ওকে পছন্দ করবে?  প্রিয়া বুঝতে পেরেছে ছাদের সেই মহিলাই জয় এর মা। প্রিয়া নিজের জীবনটা সব সময় তুচ্ছ মনে করেছে, সেই জীবনটা কি সত্যি সত্যি সুখে ভরে উঠবে! 

প্রিয়ার চোখে জল

পর্বঃ ১৮

লেখকঃ সাইদা ইসলাম বকুল

সন্ধ্যা হয়ে এলো, সুমি আর আকাশ কিছুক্ষণ এর মধ্যেই চলে আসবে। মিসেস চৌধুরী জয়কে ফোন করেছে তাড়াতাড়ি আসার জন্য। জয় চলে এসেছে। মিসেস চৌধুরী খুশিমনে রান্নাঘরে নাস্তা তৈরি করছে। জয় মায়ের খুশির কারণ পুরোপুরি বুঝতে পারলো না। মুন্না কম্পিউটার এর সামনে বসে আছে। জয় এসে পাশে বসলো। মুন্নাকে বললো, কিরে সারাক্ষণ শুধু কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকিস, না কি পড়া লেখাও করিস?
ভাইয়া আমি কি কখনো পরীক্ষায় ফেল করেছি? 
তা করিস নি, তবুও সবসময় কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকা ঠিক নয়, তাতে চোখের ক্ষতি হয়। আর মনের দিক দিয়েও মানুষ একঘেয়ে হয়ে পড়ে।
তুমি ঠিকই বলেছো ভাইয়া, অনেক্ষণ কম্পিউটার এর সামনে বসে থাকলে পরে বাইরে গেলে সব কিছু কেমন যেন অচেনা অচেনা মনে হয়। আস্তে আস্তে আমরা কেমন যেন রোবট হয়ে যাচ্ছি। না ভাইয়া আমরা রোবট হতে চাই না, আমরা  বাংলাদেশের মানুষ ছয় ঋতুর মধ্যে বড় হয়েছি, ছয় ঋতুর  ভালোবাসা আমাদের গায়ে জড়িয়ে আছে, আমরা প্রকৃতিকে ভালোবাসবো।
মুন্না তুই তো অনেক সুন্দর করে কথা বলতে পারিস, আমার ছোট ভাই তো ধীরে ধীরে অনেক জ্ঞান অর্জন করেছে!  একজন মানুষ তখনই প্রকৃত সুন্দর হয়ে উঠে, যখন তার চিন্তা ধারাগুলো সুন্দর হয়ে উঠে। যাক তোকে নিয়ে আমার আর চিন্তা করতে হবে না।
ভাইয়া তুমি আজ এত তাড়াতাড়ি চলে এলে? 
মা বলেছে, তাই চলে এসেছি। কিন্তু কেন তাড়াতাড়ি চলে আসতে বললো বুঝতে পারছি না, তুই কিছু জানিস? 
না ভাইয়া, তবে মা আজ খুব খুশি। মনে হচ্ছে বাড়িতে কোন মেহমান আসছে।
কে আসবে বলতে পারিস?
না ভাইয়া তা তো জানি না।
বাড়িতে থাকিস, অথচ কিছুই জানিস না।
ভাইয়া আমি যদি তোমার ভাই না হয়ে বোন হতাম, তাহলে ভালো হত। কারণ মায়েরা মেয়েদের সাথে সব কথা শেয়ার করে।
থাক তোকে আর মেয়ে হতে হবে না।আমি মায়ের কাছ থেকেই সব কিছু জেনে নেব।
এমন সময় কলিংবেল বেজে উঠলো। মতি দরজা খুলে দিল। সুমি আর আকাশ এলো। মিসেস চৌধুরী হাসিমুখে এসে ওদের নিয়ে ড্রইংরুমে বসলো। আকাশ সালাম দিল,চৌধুরী সাহেব হাসিমুখে জবাব দিল। মিসেস চৌধুরী জয়কে ডাকলো। জয় এসে আকাশের সাথে হাত মেলালো। তারপর এর পাশে বসলো। মিসেস চৌধুরী প্রিয়ার কথা জয়কে বললো। জয় লজ্জা পেয়ে গেল। চৌধুরী সাহেব বললো,তোর মতামত নিয়েই আমরা সব কিছু করবো। মেয়েটাকে তোর মায়ের পছন্দ হয়েছে। এখন তুই দেখ, যদি তোর পছন্দ হয়, তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব। জয় মাথা নিচু করে বললো,মায়ের যখন পছন্দ হয়েছে, তখন আমার আর অমত করার কিছু নেই। এই বলে জয় চলে গেল। জয় এর মতামত শুনে সবাই খুশি হল। মিসেস চৌধুরী বললো, আমি জানতাম আমার ছেলে আমার পছন্দের অমর্যাদা করবে না। তবুও কাল জয় প্রিয়াকে দেখুক, তারপর বিয়ের দিন ঠিক করবো। চৌধুরী সাহেব বললো, তোমার যখন পছন্দ হয়েছে, তখন তোমার ছেলেরও পছন্দ হবে। আকাশ বললো, খালাম্মা আমি বলছিলাম আপনারা আরেকবার ভেবে দেখুন। মেয়ে এতিম, শখ করেও কোন দিন ছেলে শ্বশুর বাড়িতে  বেড়াতে যেতে পারবে না। আপনারা এত বড়লোক, আর প্রিয়ার কিছুই নেই। তাছাড়া আপনাদের আত্মীয়-স্বজন, আমি এই বিয়ের বিরোধিতা করছি না,তবুও চাই আপনারা সব ভেবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। চৌধুরী সাহেব বললো,আকাশ তুমি ঠিকই বলেছো, তবুও আমরা সব ভেবে চিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মেয়েটি এতিম, তবে বিয়ের পর আমাদের পরিচয়েই ও পরিচিত হবে। আকাশ বললো, আপনার কথা শুনে আমি খুব খুশি হয়েছি। আমার মনে একটা চিন্তা ছিল, তা দূর হয়ে গেল। মিসেস চৌধুরী বললো, আমি চাই আমার ছেলের বিয়েতে সবাই আনন্দ ফুর্তি করুক। আমি আগে থেকেই ভেবে রেখেছি, আমার ছেলের বিয়ের সব আয়োজন হবে বাড়িতে। কমিউনিটি সেন্টারে নয়, সেন্টারে সব আত্মীয়-স্বজন আসে, আবার ওখান থেকেই চলে যায়। আমাদের সময় বিয়ে হয়েছে বাড়িতে। বাড়ি ভর্তি মেহমান রয়েছে। কত আনন্দ ফুর্তি করেছে, কত দুষ্টুমি করেছে। সেই আনন্দটাই ছিল অন্যরকম। মা, দাদী, নানী  কত ধরণের রান্না করেছে কত রকমের পিঠা বানিয়েছে, আরো কত কিছু। আর এখন, ঘর খালি পড়ে থাকে, বিয়ে হয় বাইরে। ধীরে ধীরে মানুষ এত অলস হয়ে পড়েছে যে,দুই তিন দিনের ঝামেলা কমাতে গিয়ে মানুষ মনের আনন্দ ভুলেই যাচ্ছে। ঝামেলা কমাতে গিয়ে মানুষ মনের আনন্দকে বিসর্জন দিচ্ছে। কিন্তু আমি তা হতে দেব না,আমার ছেলের বিয়ে হবে বাড়িতে। আমাদের সব আত্মীয় - স্বজন আসবে, আমার ছেলের বিয়েতে। আনন্দ ফুর্তি করবে, এটাই আমার চাওয়া। চৌধুরী সাহেব বললো,তোমার ইচ্ছেমতই সব কিছু হবে, কি বল আকাশ?  সুমি আর আকাশ এক সাথে হ্যাঁ বললো। চৌধুরী সাহেব বললো, কাল সকালে জয় যাবে, তোমাদের বাসায় প্রিয়াকে দেখতে। ওর পছন্দ হলে আমরা প্রিয়াকে আংটি পরিয়ে বিয়ের দিন তারিখ সব ঠিক করে আসবো। সবাই খুশি হল। মিষ্টিমুখ করে আকাশ আর সুমি বিদায় নিয়ে চলে এল। মিসেস চৌধুরী জয় এর কাছে গেল। জয় হাসিমুখে মায়ের পাশে বসলো। মা বললো,জয় তুই কাল সকালে প্রিয়াকে দেখতে যাবি। যদি তোর পছন্দ হয়, তবেই আমরা বিয়ের দিন ঠিক করবো।জয় বললো, মা তুমি তো দেখেছো, আমার আর দেখার দরকার কি?  আমি তো কখনো তোমার কথার অবাধ্য হইনি, আর কখনো হবোও না। মা বললো, না বাবা তা হয় না, আমি চাই তুই ওকে দেখ, কথা বল। যদি তোর ভালোলাগে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নেবো। যে মেয়ে আমার পুত্রবধূ হবে,আমি চাই সেই মেয়ে আমার ছেলেকে আগে ভালোবাসুক। যে তোর স্ত্রী হবে,যাকে নিয়ে তুই বেঁচে থাকা পর্যন্ত সংসার করবি। অনেক লম্বা সময়, অনেক লম্বা পথ। চলার পথে যদি বন্ধু ভালো না হয়, তবে এতটা পথ চলবি কি করে?  মাঝপথে থেমে যাওয়ার নাম জীবন নয়, অভিশাপ। আর আমি মনে প্রাণে চাই আমার সন্তান সেই অভিশাপ থেকে সব সময় মুক্ত থাকুক। জয় বললো ঠিক আছে মা, আমি সকালে সেই মেয়েকে দেখতে যাবো, তার সাথে কথা বলবো। তবে আমি জানি,আমার মায়ের পছন্দ সবার উপরে। মা যাকে পছন্দ করেছে, তাকে আমারও পছন্দ হবে। মায়ের চেয়ে বেশি আপন এই ভুবনে কেউ নেই। জয় মায়ের কোলে মাথা রাখলো। মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিল। মানুষের মনে যত অশান্তিই থাক, জীবনে যত কষ্টই থাক,মায়ের কোলে মাথা রাখলে সব দুঃখ -কষ্ট দূর হয়ে যায়।

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ