āĻŽāĻ™্āĻ—āϞāĻŦাāϰ, ⧍ā§Ļ āĻĢেāĻŦ্āϰুāϝ়াāϰি, ⧍ā§Ļā§§ā§Ž

4393

will you marry me?
:-Hosain Ahmed(আমি হিমু)

--
আজ দুদিন প্রচন্ড গরম পড়ছে,তারউপর রাতে ঠিকমত বিদ্যুৎও থাকেনা।সারারাত গরমে ছটফট করে শেষ রাতে একটু ঘুম আসে।তবে ঘুমাটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না।বেশিক্ষণ ঘুম স্থায়ী না হওয়ার পিছনে সবথেকে ভূমিকা পালন করে মা জননি।সারারাত ঘুম হলো কী হলোনা মা জননি সেটা দেখেন না।তার কথা হলো সকাল সকাল ওঠতে হবে এই হলো কথা।

:-আবির এই আবির ওঠ তুই নাকি কলেজে যাবি। (আবিরের আম্মু)
:-আম্মু মাএতো ৬টা বাজে এত সকালে কিসের কলেজ।(ঘুম ঘুম কন্ঠে জবাব দিলো আবির)
:-১০ টা বাজে আর তুই বলছিস এখনো ৬টা বাজে।
১০টা বাজার কথা শুনে আবির বিছানা থেকে লাফ দিয়ে ওঠে বললো
:-তুমি আগে ডাকবেনা।
:আমিতো সেই কখন থেকেই ডাকছি কিন্তু তুই বারবার বলছিস একটু পরে ওঠবো একটু পরে ওঠবো।
:-আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি তুমি তাড়াতাড়ি টেবিলে খাবার দাও।
আবির বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হতে চলে গেলো।তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করে মায়ের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কলেজের দিকে রওনা।

ও আপনাদেরতো পরিচয় দেওয়া হয়নি।ছেলেটার নাম আবির। ইন্টার ফাষ্ট ইয়ারে এবার ভর্তি হয়ে।আজ তার কলেজের প্রথম দিন।আবির ভেবেছিলো প্রথমদিন কলেজে তাড়াতাড়ি যাবে কিন্তু ঘুমের জন্য তার দেরী হয়ে গেলো।আবিরের বাসা থেকে কলেজ যেতে ১০ মিনিটের মত লাগে।কলেজে পৌঁছে দেখলো ১টা ক্লাস শেষ।আবির দ্বিতীয় ক্লাস করার জন্য রুমে ঢুকলো।আবিরের বন্ধুর অভাব নেই। আবিরের স্কুল থেকে যারা এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলো সবাই এই কলেজেই ভর্তি হয়েছে।আবিরকে ক্লাস রুমে ঢুকতে দেখে আবিরের বন্ধুরা ইয়ার্কি করে বললো
:কিরে সারারাত কী চুরি করেছিস যার কারণে এক ক্লাস পরে ক্লাসে এলি।
এই কথা শুনা মাএ ক্লাসে হাঁসির রোল পড়ে গেলো।আবিরও কম নয়।সে বললো
:-নারে চুরি করিনি। তোদের শালিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছিলাম তাই ওঠতে দেরী হলো।(আবির)
আবিরের কথা শুনে সবার নাক কাটা গেলো।আবির একটা বেন্চে বসে পড়লো।
আবিরদের স্কুল থেকে বাদেও আরো অনেক জায়গা থেকে ছেলে মেয়ে এই কলেজে ভর্তি হয়েছে।আবির একটানা ৩টা ক্লাস করে ক্লাস রুম থেকে বের হলো।সাথে আবিরের বন্ধুরাও।ক্লাস থেকে বেড়িয়ে সবাই মিলে আড্ডা দেওয়ার জন্য মাঠের মাঝে বসে গেলো।
:-দোস আমি একটা নীল পরীকে পছন্দ করেছি।(ফকরুল)
:-তাহলে আজ সবাইকে তুই খাওয়াবি।(আবির)
:-শালা এখনো মেয়েটার সম্পর্কে কিছু জানলামই না আর আগেই খাওয়ার জন্য অস্থির।(ফকরুল)
:-কোনকিছু শুরু করার আগে মিলাদ দিতে হয়।মিলাদ না দিলে সেই কাজে সফলতা আসেনা।(শান্ত)
:ঠিক বলেছিস(শিপন)
সবার মতামত একদিকে হলো।অবশেষে ফকরুলের মানিব্যাগের বারোটা বাজলো।
বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া শেষে আবির বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা দিলো।আবির সাইকেলে করে কলেজে যাওয়া আসা করে।কলেজ থেকে বাড়িতে যাওয়ার পথে একটা জায়গায় গিয়ে আবিরের চোখ আটকে গেলো।আবিরের মনে হচ্ছে এই মুহুর্তে সে স্বপ্ন দেখছে।এত সুন্দর কোন মানুষ হতে পারে তাঁর জানা ছিলোনা।রাস্তা থেকে একটু দুরে ফাঁকা মাঠে একটা মেয়ে সাইকেল চালানো শিখছে আর তাঁকে সাহায্য করছে তাঁর পাশে থাকা আরো ২টা মেয়ে।যেই মেয়েটা সাইকেল চালানো শিখছে আবির তাঁকে দেখেই এমন অদ্ভুদ দৃষ্টিতে তাঁকিয়ে আছে। আবিরের ইচ্ছা হচ্ছে মেয়েটাকে কাছ থেকে দেখার তাই আবির মেয়েটার পাশ দিয়ে যাওয়ার জন্য সাইকেল চালানো শুরু করলো।আবির সাইকেল চালিয়ে মেয়েটার কাছ দিয়ে চলে যাচ্ছিলো তখনি ভাগ্যক্রমে মেয়েটা এসে আবিরের সাইকেলে ধাক্কা খেলো।আবির ছুটে গিয়ে পড়লো একদিকে আর মেয়েটা অন্যদিকে।মেয়েটার বান্ধবীরা এসে মেয়েটাকে তুললো।আবিরও ওঠে দাঁড়ালো।পকেট থেকে রুমাল বের করে কাটা জায়গায় বেঁধে নিলো।তার কেটে রক্ত বের হচ্ছে।রক্ত বের হতে দেখে মেয়েটা আবিরের কাছে এগিয়ে গিয়ে বললো
:-আমি ইচ্ছা করে আপনাকে ধাক্কা দেয়নি।আমি নতুন সাইকেল চালানো শিখছি তাই ব্রেক কন্টোল করতে পারিনি।।(মেয়েটি)
আবির আবারো মেয়েটার উপর ক্রাশ খেলো।কোন মেয়ের কন্ঠ এত সুন্দর হতে পারে এটাও তার জানা ছিলোনা।আবির মেয়েটার দিকে মুগ্ধ হয়ে তাঁকিয়ে আছে।মেয়েটা যে তাকে কী বলছে এসবের কিছুই তার মাথায় ঢুকছে না।
:-এইযে কিছুতো বলুন(মেয়েটি)
আবির এবার বাস্তবে ফিরলো।
:-আপনার কোথাও লাগেনিতো(আবির)
:না আমার কোন সমস্যা হয়নি।আপনার হাত কেটে গিয়েছে।আমাদের বাড়িতে ওষুধ আছে আসুন লাগিয়ে দিচ্ছি।(মেয়েটি)
:-না লাগবেনা।আমি ডাক্টারের দোকান থেকে ওষুধ নিয়ে নিবো।
:-আচ্ছা আপনি একটু দাড়ান আমি বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসছি।
:-টাকা কিসের জন্য?
:-আমার জন্য আপনার হাত কেটে গিয়েছে।তাই ডাক্টার দেখানোর টাকাটা আমিই দিবো।
:-না লাগবেনা।আমি এখন যাই।
আবির সাইকেল নিয়ে চলে এলো।আসার সময় বারবার মেয়েটার দিকে তাকাচ্ছিলো।আর মেয়েটিও আবিরের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো।আবির ওখান থেকে সোজা ডাক্টারের কাছে গেলো।ডাক্টার দেখিয়ে সোজা বাড়িতে চলে এলো।আবিরের আম্মু আবিরকে এ অবস্থায় দেখে বিচলিত হয়ে জিঙ্গেস করলো
:-তোর হাতে কী হয়েছে?বেন্ডেজ কেনো?(আবিরের আম্মু)
:-ও কিছুনা।আসার সময় একটা সাইকেলের সাথে ধাক্কা লেগে কেঁটে গেছে।(আবির)
:-তুই যে কী।কত করে বলি দেখে শুনে সাইকেল চালাবি কিন্তু আমার কোন কথাই শুনিস না।যদি আজ বড় কিছু একটা হয়ে যেতো।
:-কিছু হয়নিতো। ক্ষুদা লেগেছে খেতে দাও।
:-যা ফ্রেশ হয়ে আয় আমি টেবিলে খাবার দিচ্ছি।

আবির ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে তাঁর রুমে গিয়ে বসলো।বসে বসে মেয়েটার কথা ভাবছে।মেয়েটাকে তার অনেক বেশি ভালো লেগেছে।বিশেষ করে মেয়েটার কন্ঠ।মেয়েটার মুখটা এখনো তার সামনে ভাসছে।আবির ভাবলো বিকেলে আবার ওই জায়গায় যাবে যেখানে মেয়েটাকে দেখলো।ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো ৩ টা বাজে।৫ টার দিকে ওখানে যাবে।আবিরের অনেক ক্লান্ত লাগছিলো তাই ভাবলো এখন একটু ঘুমিয়ে নেওয়া যাক।সে ঘুমানোর চেষ্টা করলো কিন্তু কিছুতেই তার ঘুম আসছেনা।বারবার শুধু মেয়েটার মায়াবি মুখটা তার সামনে ভেসে ওঠছে।মেয়েটার কথা ভাবতে ভাবতে ৫ টা বেঁজে গেলো।আবির তার ফ্রেন্ড শান্তকে ফোন দিলো
:-দোস কইরে তুই(আবির)
:-এইতো বাড়িতে।(শান্ত)
:-এখন রেডি হয়ে আমার বাসার সামনে আয় টক জায়গায় যেতে হবে।
:-কোথায় যাবি।
:-আগে আয়তো তারপর বলছি।
:-আচ্ছা।
শান্ত আসলে দুজন মিলে বের হলো।আসার পথে শান্তকে সবকিছু খুলে বললো আর অন্য সবাইকে ব্যাপারটা এখনি জানাতে নিষেধ করলো।আবির মাঠের কাছাকাছি আসতেই দেখতে পেলো সকালের ওই মেয়েগুলো মাঠের পাশের বাড়ির শিঁড়িতে বসে আছে।মেয়েটা হাসছে আর কথা বলছে।সেই হাসি দেখে আবির আবারো মেয়েটির প্রেমে পড়ে গেলো।আবির ইশারা করে শান্তকে মেয়েটাকে দেখালো।
:-তুই ওই মেয়ের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দে।(শান্ত)
:-তুই এমন কথা বলছিস কেনো?ভুলে যাবো কেনো(আবির)
:-কারণ ওই মেয়েটাকে এখানকার নেতার ছেলে রুমন পছন্দ করে।এ পর্যন্ত যত ছেলে মেয়েটার পিছনে গিয়েছে সব ছেলের স্থান হয়েছে হাতপাতালের বেডে।এতটুকু বলেই থামলো আবির
:-কিন্ত আমিতো মেয়েটাকে প্রথম দেখাতেই ভালবেসে ফেলেছি ওকে ভুলে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
:-প্লিজ দোস পাগলামি করিস না।জেনেশুনে নিজেকে বিপদের দিকে নিয়ে যাস না।
:-কিন্তু
:-কোন কিন্তু নয় এখান থেকে চল
শান্ত আবিরের হাত ধরে টেনে নিয়ে চলে আসলো।শান্ত আবিরকে অনেক বুঝিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলো।আবির বাড়িতে এসে ভাবছে কী করবে।মেয়েটিকে প্রথম দেখাতেই অনেক ভালবাসে ফেলেছে।আবির নিজের ফ্যামিলির কথা চিন্তা করে মেয়েটিকে ভালবাসার চিন্তা মাথা থেকে ঝেঁড়ে ফেললো কিন্তু তার মনের এক কোণায় মেয়েটির জন্য অনেকটা ভালবাসা থেকে গেলো।
এরপর কেটে গেলো ৪ দিন।এই চারদিনে আবির মেয়েটাকে অনেক ভুলার চেষ্টা করেছে কিন্তু পারেনি।যতবারই মেয়েটাকে ভুলতে চেয়েছে ততই বেশি মেয়েটার মায়াবি মুখ তাঁর চোখের সামনে ভেসে ওঠছে।
--
:-এইযে শুনুন
আবির কলেজ থেকে বের হচ্ছিলো এমন সময় পিছন থেকে কারো ডাক শুনে দাঁড়িয়ে গেলো।পিছনে তাঁকিয়ে দেখলো সেই মেয়েটি।মেয়েটি আবিরের কাছে এসে বললো
:-কেমন আছেন?আর আপনার হাতের কী অবস্থা?(মেয়েটি)
আবির কোন জবাব না দিয়ে হাঁটা শুরু করলো।আবিরকে এভাবে চলে যেতে দেখে মেয়েটি আবিরের সামনে এসে দাঁড়ালো।
:-আপনি আমার প্রশ্নের উওর না দিয়ে চলে যাচ্ছেন কেনো?(মেয়েটি)
:-আমি আপনার সাথে কথা বলতে চাচ্ছিনা।(আবির)
কথাটি বলতে আবিরের খুব কষ্ট হচ্ছিলো কিন্তু তবুও বললো।
:-আমি কী অপরাধ করেছি যার কারণে আমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছেন না?
আবির মেয়েটার কথার আর কোন জবাব না দিয়ে চলে আসলো।মেয়েটি পিছন থেকে আবিরকে অনেক ডাকলো কিন্তু সে শুনলো না।
এভাবে প্রায় প্রতিদিনই আবিরের সাথে মেয়েটা কথা বলতো আসতো কিন্তু আবির প্রতিবারই মেয়েটাকে ফিরিয়ে দিয়েছে।আবির এতদিনে আরেকটা জিনিস আবিষ্কার করেছে সেটা হলো মেয়েটা আবিরের ক্লাসমেট।আর নাম নিশী।আবিরও চাইতো নিশীর সাথে কথা বলতে কিন্তু ভয়ে বলতো না।আবির ক্লাসে নিশীর দিকে তাকিয়ে থাকতো।নিশী তাকালেই আবির চোখ নামিয়ে নিতো।এভাবেই কাঁটছিলো তাদের দিনগুলি।

সেদিন ছিলো রবিবার।আবির কলেজের পুকুর পাড়ে একা একা বসে আছে।এখনো কলেজে তেমন কেউ আসেনি।আবিরের কানে এলো পিছন থেকে কে যেন চিৎকার করে ডাকছে। আবির পিছন ফিরে দেখলো নিশীকে কয়েকটা ছেলে ঘিরে ধরে।আশেপাশের মানুষগুলো চেয়ে চেয়ে দেখছে কিন্তু ভয়ে কিছু বলছে না।একসময় একটা ছেলে নিশীর ওড়না টান দিয়ে ফেলে দিলো।নিশীর বাঁচার জন্য চিৎকার করছে কিন্তু কেউ এগিয়ে আসছেনা
আবির নিশীর সাথে এমন ব্যবহার সহ্য করতে পারলো না।যতই ভয়ে নিশীর সাথে কথা না বলুক তবুও ভালবাসেতো।
আবির আঁশেপাশে কিছু একটা খুজছে।কিছুটা দুরেই দেখতে পেলো বাঁশের গাদি।আবির ওখান থেকে একটা বাঁশ হাতে তুলে নিলো।তারপর ছেলেগুলোর দিকে এগিয়ে গিয়ে পিছন থেকে একটা ছেলের মাথায় বাঁশ দিয়ে আঘাত করলো।সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটা মাটিতে পড়ে গেলো।বাকি দুজন আবিরকে ধরে মারতে শুরু করলো।একজন আবিরের হাত থেকে বাঁশের লাঠিটা নিয়ে আবিরের মাথায় আঘাত করলো।সঙ্গে সঙ্গে আবিরের মাথা ফেটে রক্ত বের হতে থাকলো। আবির মাটিতে পড়ে গেলো।রক্তে চারপাশ ভরে যেতে লাগলো।আবিরের মাথা থেকে এভাবে রক্ত বের হতে দেখে ছেলেগুলো ভয় পেয়ে চলে গেলো।কিছুক্ষণের মধ্যেই আবির জ্ঞান হারালো।


আবির জ্ঞান ফেরার পর নিজেকে তার রুমে আবিষ্কার করলো।তার মানে জ্ঞান হারানোর পর সবাইমিলে তাকে বাসায় এসেছে চারপাশ ঘিরে তার বাবা মা,ফ্রেন্ডরা দাঁড়িয়ে আছে।আবির ঠিকমত চোখ মেলে তাকাতে পারছেনা তাই আবার চোখ বুজে রইলো।সে এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি।ডাক্তার বলেছে আরো কয়েকদিন বিশ্রাম নিতে।আবিরকে যারা মেরেছিলো তারা আবিরের কলেজেই পড়ে।আবিরের থেকে ২ইয়ার বড় তারা।কলেজ কতৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে।


আবির আজ ৫দিন পর আবার কলেজে যাচ্ছে।এখন সে মুটামুটি সুস্থ।কলেজের গেট দিয়ে ঢুকতেই পিছন থেকে কেউ একজন আবিরের হাত ধরে কলেজের পিছন দিকে টেনে নিয়ে চললো।মানুষটা আর কেউ নয় নিশী।
:-এভাবে আমাকে টেনে নিয়ে আসলেন কেনো?(আবির)
:-তো কী করবো? সবার সামনে জরিয়ে ধরবো।(নিশী)
:-মানে কী?
:-কিছুনা।আজ ক্লাস না করে দুজন ঘুরতে যাবো।
:-আমি পারবোনা।
:-কেনো পারবেনা?
:-এতকিছু ঘটার পর আমি চাইনা আমাদের মাঝে কিছু থাকুক?
নিশী আবির চোখে চোখ রেখে বললো
:-আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলো তুমি আমাকে ভালোবাসো কিনা?
:-আমি পারবোনা তোমার চোখের দিকে তাকাতে।(চোখ নামিয়ে)
নিশী আবিরকে জরিয়ে ধরে বললো
:-প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিওনা।আমি বাঁচবোনা তোমাকে ছাড়া।
:-প্লিজ পাগলামি করোনা।
:-তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিলে প্রমিস করছি আমি নিজেকে শেষ করে দিবো।(কাঁদতে কাঁদতে)
আবিরের ক্ষমতা নেই নিশীর চোখের পানিকে উপেক্ষা করে চলে যাওয়ার।আবির নিশীকে শক্ত করে জরিয়ে ধরলো।নিশীও জরিয়ে নিলো আবিরকে।

৭বছর পর।
আজ আবির আর নিশীর বিয়ে।পারিবারিক ভাবেই তাদের বিয়েটা হচ্ছে।এতদিনের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে তাদের প্রতিনিয়ত অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে কিন্তু তারা কেউ কারো হাত ছাড়েনি।শক্ত করে ধরে রেখেছে।

নিশী লম্বা ঘোমটা দিয়ে খাটের উপর বসে আছে।আবির দাঁড়িয়ে আছে খাটের একপাশে।কেনো জানি নিশীর ঘোমটা উঠানোর সাহস তার হচ্ছেনা।এতদিনের চেনা পরিচিত মানুষটাকে আজ কেনো জানি তার অপরিচিত লাগছে।হয়তো এতদিন নিশী ছিলো আবিরের প্রেমিকা আর আজ বিয়ে করা বউ।

নিশীর খুব রাগ হচ্ছে আবিরের উপর।অনেক্ষন হলো আবির দাঁড়িয়ে আছে কিন্তু কিছু বলছেনা। নিশী নিজের ঘোমটা ফেলে খাট ছেড়ে ওঠে দাঁড়ালো।এরপর কোমড়ে কাপড় বেঁধে আবির সামনে দাঁড়ালো।আবির নিশীর এমন রুপ দেখে কিছুটা ঘাবরে গেছে।
:-ওই তোর সমস্যা কী? (নিশী)
:-ক-ক -কোনো সমস্যা নেই।(আবির)
নিশী আবিরকে তোতলাতে দেখে ফিক করে হেসে ফেললো।বউয়ের সাজে এমনিতেই নিশীকে খুব সুন্দর লাগছিলো তার উপর আবার হাসছে।আবির এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে নিশীর দিকে।আবিরকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে নিশী লজ্জা পেলো।
আবির চোখ এড়ালোনা দৃশ্যটা।সাহস করে নিশীকে কাছে নিয়ে বললো
:-will you marry me?
আবিরের কথা শুনে নিশী হাসতে হাসতে বললো
:-বিয়া করা বউকে আবার বিয়ে করবে নাকি?
:-করবো।
:-তাই বুঝি?
:-হু।
:-এত ভালোবাসা আমার কপালে সইবেতো?
:-ওই বাজে কথা বলবেনা একদম।
:-না আবির।আমার কেনো জানি মনে হয় তোমাকে হারিয়ে ফেলবো।
:-দাঁড়াও যাতে আর হারিয়ে না যাই সেটাই করছি।
আবির নিশীর খুব আসলো।নিশীর ঠোট কাপছে।আবির নিশীর কাপা কাপা ঠোট জোরা নিজের ঠোটের মাঝে বন্দি করে নিলো।আর নিশী চোখ করে রইলো।আস্তে আস্তে দুজন হারিয়ে যেতে লাগলো অচেনা এক ভালোবাসায়।
*সমাপ্ত*

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ