ছেলেটার খুব মন খারাপ। এইচএইসি তে প্লাস পায় নি।ঐদিকে তার প্রিয়তমা সোনালি পাই বসে আছে।কিছুই বোঝার আগেই তার প্রিয়তমা তাকে বাটার পুরনো ছেড়া জুতার চেয়েও নিকৃষ্ট ভাবে বিসর্জন দিল।যাক চলে আসল খেলা-ভর্তি যুদ্ধ।ছেলেটি মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।এদিকে তার প্রিয়তমার লুডুতে তিন ছক্কা উঠায় আনন্দিত।তার প্রিয়তমা সাদা এপ্রোন গায়ে দিয়ে ইতোমধ্যে বহুদূরে পাড়ি জমিয়েছে।এর মধ্যে তাদের মধ্যে ২বার দেখা হয়েছিল।তার প্রিয়তমা তাকে দেখে এমন ভান করল যেন কোন তার কোন মূল্যই নেই।ছেলেটা কোন মতে ঢাবির ঘ ইউনিটের অপেক্ষমান থেকে ডাক পেল।সবাই কাছায় কুছায় নেওয়ার পর যা পায় আর কি-স্বাস্থ্য ও অর্থনীতি বিভাগ।তার ঘর বন্ধুমহল এমনকি আত্মীয়স্বজন তাকে কম গুরুত্ব দিতে লাগল। ধীরে ধীরে সে বুঝতে পারল তার অবস্থান।কোন মতে তালি জোড়া দিয়ে পাঁচটি বছর সে কাটিয়ে দিল।এরপর বিসিএসের জন্য নিজেকে তৈরি করল।প্রথম বার প্রিলিতে ঝড়ে পরল।২য় বার কোন মতে ঠাই পেল।তখনই অক্ষরে অক্ষরে সত্যি হল বাংলা প্রবাদ,"রাখে আল্লাহ মারে কে।"ভাইভাতে তার অনুষদের এক শিক্ষক পরল।সে তার দক্ষতা ও পারদর্শিতায় মুগ্ধ হল। তার চাকুরি হল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে।এদিকে তার প্রিয়তমার চাকুরী হল।সকলের মত প্রথমবার তার পোস্টিং বনে বাদাড়ে।ঐ জায়গা থেকে ফিরে আসতে হবে সভ্যতায়। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কিছু মানে ইয়ে আর কি!!!!!গেল সে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের ছায়াতলে।গিয়ে হাজির উত্তরাঞ্চল স্বাস্থ্য কর্মকতার রুমে।ঢুকার আগে নেইম প্লেট দেখাটা উচিত ছিল না।।হা হা.... ঠিক ধরেছেন পরল ঐ রোস্টেড মুরগির হাতে।ইট মারছেন,পাটকেল খাবেন না ঐইটা হবে নাকি?????
নরম গলায় প্রিয়তমাকে প্রশ্ন, "কি খবর???ঠান্ডা নিবা না গরম????তো ডাক্তার সাহেবা টাকা পয়সা ছাড়া আর কিসের সমস্যা????
-না মানে পোস্টিংটা একটু ঢাকার আশেপাশে চাচ্ছি-এজন্য এখানে আসা।৮ বছর পর দেখা, কেমন যাচ্ছে দিনকাল????
এইভাবে ঠিক আধঘণ্টা আলোচনা চলল।মেয়েটা হারে হারে টের পেতে লাগল।
বাসায় এসে শঙ্কা জাগল আগামী ১০বছরেও পোস্টিং শিফট হয় কিনা।।
প্রতিবারের মত এবারও বালক তাকে চমকে দিল।এক সপ্তাহে চলে আসল তার বদলির চিঠি।।।
দেখুন ভাগ্য কি জিনিস????
- ফয়সাল আনওয়ার
āĻোāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāĻ:
āĻāĻāĻি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āĻ āĻāϰুāύ