āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2716

******* পাগলি *******
.
-- এই বিয়েটা যদি ভাঙ্গিস, তাহলে পরে তুই চাইলেও আর তোকে বিয়ে দিব না বলে দিলাম। (মা)
-- হিহিহ, বিয়ে কি আর সাধে ভাঙ্গি? তোমাদের জন্যই তো ভাঙ্গি। (আমি)
-- আমাদের জন্যই মানে?
-- কোথাকার কোন বোতলগুলোকে ধরে নিয়ে আস। আমার একদম পছন্দ হয়না তাই ভাঙ্গি। সবক'টা হাবাগোবা।
-- হাবাগোবা ছেলেরাই বউকে সবচেয়ে ভালবাসে।
-- ভো হো ভো (ভেংচি কেটে)
-- ভেংচি কাটা হচ্ছে? তোর বাবাও তো হাবাগোবা। বাবাকে ছাড়া তো থাকতে পারিস না। (আমার কান টেনে ধরে)
-- আমার বাবা হাবাগোবা?? একটুও না।
-- হুম হাবাগোবা। শোন মা আজকের ছেলেটা ভাল একটা জব করে, দেখতে সুন্দর আর অনেক ভদ্র। এই বিয়েটা ভাঙ্গিস না মা আচ্ছা।
-- এই ভদ্রগুলাকে কেন নিয়ে আস তোমরা? আচ্ছা যাও যদি ভাল লাগে বিয়ে ফাইনাল আর যদি না লাগে এই পোলাও আমার থেরাপি খাবে সিওর। হিহিহ।
-- আর বিয়েই দিব না তোকে। (বলেই মা চলে যাচ্ছিল)
-- আমি এই বছরে বিয়ে করবই। (বলেই হাসলাম)
.
আমার নাম নিথুয়া। এবার গনিত নিয়ে অনার্স থার্ড ইয়ারে পড়ছি। পড়ালেখায় একধাপ এগিয়ে। দেখতে মোটামুটি ভালই। সেই সুবাদে দু-একটা প্রেম প্রস্তাবও এসছিল। কিন্তু এক্সেপ্ট করিনি। কারণ আমি প্রেমে ওতটা ইন্টারেস্টেড ছিলাম না। তাছাড়া প্রেম ট্রেম করিনা বলে আমার একটা সুনাম আছে এবং আমার সাথে কথা বলার সময় আমার বন্ধু-বান্ধবীরা তাদের শব্দের সাথে একটু রেসপেক্ট মেখে নেয়। এত বড় একটা স্ট্রং সাইট একটা ছ্যাচড়া মার্কা প্রেম করে নষ্ট হতে দেইনি। তবে প্রেম করতাম। কল্পনায় হবু বরের সাথে চুটিয়ে প্রেম করতাম। কল্পনার প্রেম বাস্তবের প্রেমের চেয়ে অনেক রোমান্টিক হয়। নিজের মত করে সাজানো যায় যে তাই। আমার কল্পনার প্রেমই ভালো লাগত।
সে যাইহোক আসল ঘটনায় আসি। বিয়ের বয়স হয়ে গেছে দেড় বছর ধরে ছেলে দেখাচ্ছে আমাকে। কিন্তু কোন ছেলেই আমার কল্পনার বরের মত ছিল না। তাই রুমে ডেকে থেরাপি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি। এইত কিছুদিন আগে একটা পানখোর ব্যবসায়ী বিয়ে করার জন্য এসছিল। বাবা মায়ের মুখ দেখে বুঝেছিলাম এই ছেলে তাদেরও পছন্দ না তাই মনে মনে ঠিক করেছিলাম এই পানখেরটাকে রুমে ডেকে সুপার ডুপার থেরাপি দিব। যা ভাবা তাই কাজ। দেখাশোনার পর। সুন্দর করে রুমে ডাকি। ডেকে ক্লাস নাইন পড়ুয়া চাচতো বোন আর আমি পানখোরকে এমন আদমটিজিং(Adam teasing) করেছি যে হাঁপাতে হাঁপাতে রুম থেকে বের হয়ে পালাইসে। আমার চেয়ে আমার চাচাতো বোন মানুষের ওপর মানষিক অত্যাচার একটু বেশি করতে পারে। তাই আমার থেরাপিগুলা জমেও বেশ।
.
তো আজ বিকালবেলা ছেলে দেখতে আসল। শাড়ি পরে মেহমানদের সামনে গেলাম।কিন্তু কোথায় কোন মেহমান? একটা ছেলে একাই বসে আছে। মেয়ে দেখতে আসছে বাবা-মাকে নিয়ে আসবে না? নিশ্চয় বাবা-মাকে সম্মান করে না। এই বিয়ে ক্যান্সিল। এই কাইল্লারে আজ সুপার ডুপার থেরাপি দিব। ছেলে বেশ লম্বা। গায়ের রং না কালো না শ্যামলা। মানে একটু কম কালো টাইপের। চুল ছোট স্পাইক করা। চোখগুলো হ্রদয় খানের মত। হাসিটা টম ক্রুসের মত। মুখের গড়নটা ক্রিকেটার সাব্বিরের মত। একদম কালা-হ্যান্ডসাম। সবকিছুই ভিআইপিদের মত কিন্তু চরিত্র মনে হয় খারাপ। না হলে বাবা-মা ছাড়া নিজের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে আসে? ওহহ হ্যা, কালা-হ্যান্ডসামের একটা ভালো নাম আছে। আদ্রিয়ান করিম রাজ্য। তবে থেরাপি খাবেই এ। চাচাতো বোনকে ইশারা করলাম থেরাপির জন্য প্রস্তুত হওয়ার জন্য। কিন্তু ও চোখ পাকালো। মুখ দেখে মনে হচ্ছে ওর দুলাভাই পছন্দ হয়ে গেছে। বাবা-মার তো ছেলে মহাপছন্দ।
-- তো বাবা বিয়ের তারিখ কি আজকে ঠিক করবে না অন্যদিন?(বাবা)
শুনে তো আমার রক্ত মাথায় উঠে গেল।আমার মতামত না জেনে বিয়ের ডেট ঠিক করতে চাচ্ছে। মুখে এক কেজি রাগ জমিয়ে ছেলের দিকে তাকালাম। একটু ভয়ের চিন্হ দেখলাম না কালা-হ্যান্ডসামের মুখে। উল্টে হাসতে হাসতে বাবাকে বলল, " আঙ্কেল নিথুয়ার সাথে একটু আলাদা কথা বলতে চাই।"
-- অবশ্যই বাবা। নিথু যা রাজ্যকে তোর বেডরুম দেখিয়ে নিয়ে আয়।
-- আসুন আমার সাথে। (ভদ্রভাবে বললাম) এটাই তো চেয়েছিলাম চান্দু। আয় রুমে, তোর ওপর আজ আদমটিজিং এর চরম পর্যায় প্রয়োগ করব।
.
রুমে....
-- বিয়ে করবি চান্দু আমাকে? (আমি)
-- হাহাহ। (রাজ্য)
-- হাসিস কেন হাহ্?
-- এমনি হাহাহ( পাগলের মত হাসছে)
-- আমি প্রেম করি জানিস কি তুই?
-- না জানিনা, এখন জানলাম।
-- তবুও বিয়ে করবি?
-- হুম করব।
কি ঘ্যাড়ত্যাড়া ছেলেরে বাবা? দ্বারা দেখাচ্ছি।
-- আমার বয়ফ্রেন্ড আর আমি কিন্তু অনেকবার যা তা করেছি। (আমি)
-- "যা তা" টা আবার কি? (মুখে দুষ্টুমির হাসি)
-- এহহহমমম যাআআ তাআ মানে যা তা আরকি।( একটু অস্বস্তি হচ্ছে)
-- ওহহ আচ্ছা, তাও বিয়ে করব সমস্যা নাই হাহাহ।
এই ছেলের ওপর থেরাপি কাজ করবে না বুঝতে পারছি। তাই সহজ বাংলায় বুঝাতে লাগলাম।
-- দেখেন আমি আপনাকে বিয়ে করব না।
-- হইই, তুই থেকে আপনি? বিশাল ডেভলাপমেন্ট।
-- এতো কথা বলেন কেন? আব্বুকে বলবেন আমার আপনাকে পছন্দ হয়নি আপনি আমাকে বিয়ে করবেন না।
-- বিয়ে তো আমি তোমাকেই করব।
-- আমি করব নাহহহহ....... কথাটা শেষ করতে পারলাম না। কেমনে পারব ঠোঁটদুটোই তো বন্ধ হয়ে গেছে। আকস্মিক এবং জিবনে প্রথম আমারসাথে কেউ এতবড় একটা বেয়াদবি করায় কান্না পেল খুব। আমার পিঠ দেয়ালে আটকে আছে। আর ইতরটা আমার সাথে সেঁটে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি কাঁদতে কাঁদতে আস্তে করে বললাম," আপনাকে দেখেই বুঝেছিলাম আপনার চরিত্র ভালো না। নাহলে বাবা-মা কে ছাড়া কেউ নিজের জন্য মেয়ে দেখতে আসে নাকি?" ও এখনো আমার শরীরের সাথে সেঁটে আছে। ওর মুখমন্ডল আর আমার মুখের দুরত্ব এক ইঞ্চিও হবে না। দুজনেরই গরম প্রশ্বাস দুজনের মুখমন্ডলকে ছুয়ে দিচ্ছে। ও আমার চোখের পানি ডান হাত দিয়ে আলতো করে মুছে দিতে দিতে নীচু স্বরে বলল,
-- বাবা-মা থাকলে তো সাথে আনব। যখন পাঁচবছর বয়স তখনই রোড এক্সিডেন্ট এ বাবা-মা একসাথে মারা যায়। তারপর থেকে মামার কাছেই বড় হই। মামা মামিও গত দুইবছরে মারা যায়। মামাতো ভাই কিছুদিন আগে সিঙ্গাপুরে চলে যায়। আপন বলতে কেউই নেই। তাই তো বিয়ে করতে এসছি পাগলি।
ওর চোখদুটো আমার চোখের একদম কাছে। ওর চোখে একটু জল জমেছে। সেই চোখদুটো যেন অনেক গভীর পুরোটাই শুদ্ধতায় পরিপুর্ণ। কেন জানিনা মুখ দিয়ে কিচ্ছু বের হচ্ছিল না। একটু আগেই খুব অস্বস্তি লাগছিল এভাবে সেঁটে থাকতে। এখন লাগছে না। খুব ইচ্ছে করছে ওরও চোখদুটো মুছে দেই। কিন্তু বাম হাত দিয়ে ও নিজে মুছে আবার বলা শুরু করল,
-- তোমার বাবার সাথে অফিসের একটা মিটিংয়ে দেখা হয় আমার। আমাকে তোমার কথা বলে তোমার বাবা। তারপর থেকে তোমাকে ফলো করা শুরু করি। তোমার বিষয়ে খোজ নিই। তোমার কাজিনের কাছে তোমার থেরাপির বিষয়ে জেনে নিই। খুব হাসি পেয়েছিল তোমার থেরাপির কথা শুনে পাগলি।
বলেই মৃদু হাসতে লাগল। নিজের অজান্ত আমিও মুচকি হেসে ফেলি। এবার কপালে আলতো করে একটা চুমু দিয়ে বলল পাগলি হাহাহ।
ওর মুখের পাগলি ডাকটা বুকে মোচড় দিয়ে ওঠে। আমার কল্পনার বরটাও আমাকে পাগলি বলে ডাকত।
-- তোমাকে লাস্ট বিশ দিন ফলো করেছি। এই বিশদিনে তোমার সবকিছুর প্রেমে পরে গেছি পাগলি। তোমার হাসি, তোমার পাগলামি, তোমার থেরাপি সবকিছু সবকিছুরই। হয়েই দেখো না আমার সবকিছু? অনেক ভালবাসব।
আপনি যেই হোন কন্ট্রোল করতে পারতেন না নিজেকে। আমিও পারিনি শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছি। কেন জানিনা মিশে যেতে ইচ্ছে করছিল সদ্য পরিচয় হওয়া মানুষটার বুকে।
-- চল, তোমার বাবাকে বিয়ের ডেট ঠিক করতে বলি।(রাজ্য)
-- আরেকটু থাকি? (আস্তে করে বললাম। আসলে যাওয়ার একদম ইচ্ছা করছিল না।)
-- আচ্ছা আরেকটু। (রাজ্য)
-- কবিতা পার? (আমি)
-- উহু.. কেন শুনবে?
-- হুম।
-- গানের দুটো লাইন বলি?
-- হুম বল।
-- ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু।
-- আরে বলই না।
আমি তোর চোখের দিকে তাকিয়ে, কিছু বলতে চাই তোকে।
আমি তোর মনটা ছুয়ে, স্বপ্ন দিয়ে আঁকব যে তোকে।
তুই থাকলে রাজি ধরব বাজি, কোন কিছু না ভেবে।
ওহহহ একটু নয় অনেক বেশি ভালবাসি তোকে।
.
লেখকঃ ছেঁড়া টি-শার্ট(সৌরভ)

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ