āĻŦৃāĻšāϏ্āĻĒāϤিāĻŦাāϰ, ā§¨ā§Ž āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

2703

#প্রপোজ_ডে
#_হাসান_চৌধুরী

স্কুল লাইফে আমার যত সংখ্যক ফ্রেন্ড ছিলো - তার থেকে বেশি সংখ্যক ছিলো তাদের গার্ল ফ্রেন্ড !
তবেঁ আশ্চর্য হলেও সত্যি, আমার কোনো গার্ল ফ্রেন্ড ছিলো না !
একদিন তো এক আড্ডায় সরাসরি বলেই ফেল্ল এক ফ্রেন্ড, "দোস্ত । তোর কি কোনো শারীরিক প্রব্লেম আছে? "
কথাটা শোনা মাত্ত হাসির রোল পড়ে গেল আড্ডায় । লজ্জা মিশ্রিত নিজের লাল গালটা লুকাবার জন্য আমিও তাদের সাথে তাল মেলালাম ।
এমন কথার পর আর কিভাবে নিজেকে লুকিয়ে রাখি ? প্রেম করবার জন্য না হলেও নিজের ইজ্জত রক্ষার সার্থে এবার একটা প্রেম করতেই হবে !

যেই ভাবা সেই কাজ !
পরদিন থেকেই মেয়ে দেখা শুরু করলাম প্রেম করবার উদ্দেশ্যে ! কিন্তু বর্তমান প্রেম বাজারে সিংেল মেয়ের বড়ই অভাব ! কাউকে সিংেল পেয়ে গেলেও সে এমন হয়, যার সাথে প্রেম করলে আর বন্ধু মহলে চেহারা দেখানো যাবে না !
তিনদিন ধরে পুরো স্কুল খুঁজে দেখার পর পেয়ে গেলাম নিজের মনের মতো একটা মেয়ে । দেখতে খারাপ না । কাজ চালানোর জন্যে যথেষ্ট । কিন্তু প্রব্লেম একটাই ! মেয়ের মা প্রতিদিন স্কুলে দিয়ে যায় আবার যাবার সময় এসে নিয়ে যায় ! এই কারনেই বোধহয় এতোদিন কোনো ছেলে চান্স নেয় নি ।
কিন্তু আমি নাছোড় বান্দা ! ইজ্জত রক্ষার্থে প্রেম এবার একটা করতেই হবে  ।

ওহ ! বলা ই হয় নি !
মেয়েটার নাম ফাহিমা । দেখতে পুরো ফর্শা না হলেও সুন্দর । ফ্রেন্ডসরা দেখে বলল, "যাক ! এতো দিনে তুই আমাদের লাইনে আসলি ! এবার তাড়াতাড়ি প্রপোজ এর কাজটাও শেরে ফেল । বাকিটা আমরা দেখবো । "

তাদের কথা মতো ২ দিন প্রস্তুতি নিয়ে মনের মধ্যে সাহস জুগিয়ে একদিন তার সামনে হাজির....
"হাই! "
"হুম্ম।"
"একটা কথা বলার ছিলো।"
"হুম্ম। বলেন... "
"আমার সাথে প্রেম করবা? আই মিন, আই লাভ ইউ ! " কথা গুলো বলছিলাম মাটির দিকে তাকিয়ে । আই লাভ ইউ বলে তার দিকে তাকালাম।
"জানতাম এটা ই বলবেন । শুনেন, আমি আমার মায়ের আড়ালে এইসব করতে পারবো না । আর, আমি আমার মায়ের  অনুমতি ছাড়া কিছু করি ও না । তো, আমার সাথে প্রেম করতে হলে আগে আমার মায়ের মন জয় করেন । তার পর আমায় পাবেন । বাই ! " কথা গুলো বলেই হন হন করে হেটে ক্লাসের ভিতর চলে গেলো ফাহিমা !
কি আজিব পেঁচালে পড়লাম! এখন তার মায়ের মন জয় করি কিভাবে? আগে যদি জানতাম এমন কিছু হবে, তোবে এই মেয়ের পিছনে না ঘুরে অন্য মেয়ের পেছনে ছুটতাম ।
যাইহোক! ডিল একবার ছুড়ে ফেলেছি । এখন আর তা ফিরিয়ে আনা যাবে না ।
বুদ্ধি চাইলাম এক অভিজ্ঞ ফ্রেন্ডের কাছে । সে তো শুনেই বলে, "আরে দোস্ত চিন্তা করিস না। এটা কোনো ভেপার ই না। তুই প্রতিদিন কয়েকটা কাজ করবি ।
ওর আম্মুতো প্রতিদিন ই আসে । তুই সকালে আর বিকেলে তার মায়ের সামনে দিয়ে একবার যাবি । খুব ভদ্র ভাবে যাবি । প্রথম ৩-৪ দিন শুধু সালাম দিবি । তার পর সালাম এর সাথে ভালো আছেন আন্টি বলবি। এভাবে ধীরে ধীরে আরো ক্লোজ হবি । এতে মেয়ের মা ও তোর উপর খুশি হবে, সাথে মেয়েও পটবে । "
পরদিন থেকেই শুরু করে দিলাম বুদ্ধি অনুযায়ী কাজ । সকালে রাস্তায় দারিয়ে থাকতাম ফাহিমা আর তার মায়ের অপেক্ষায় । দেখলে এমন একটা ভাব ধরতাম, যেন এখান দিয়েই যাচ্ছিলাম । তার পর সালাম। আবার ছুটির সময় তাদের সামনে । আবার সালাম !
এভাবেই চলল কিছু দিন। ফাহিমা এখন আমায় দেখলেই হাসে । বুঝতে পারছি সে লাইনে আসছে। তার মা এখন আমাকে দেখলেই সালামের জবাবে মিষ্টি একটা হাসি উপহার দেয় । এভাবে চলতে চলতে সম্পর্কটা অনেক ভালো হয়ে গেছে । ফাহিমার সাথে তেমন কথা না হলেও তার আম্মুর সাথে প্রায় প্রতিদিন ই কথা হয় । এখন তার আম্মু অনেক আগেই চলে আসেন আমার সাথে কথা বলার জন্য ।  ইদানীং বন্ধু মহলেও গুণ গান হচ্ছে আমার ।

এভাবেই বোধহয় চলতো আরো অনেকটা দিন । কিন্তু "মানুষ যাহা চায়, তাহা কি পায়? "

প্রতিদিনের মতো আজ ও ফাহিমার আম্মুর সাথে কথা বলে স্কুলে আসলাম। ফাহিমা বোধহয় আমার অপেক্ষায় ই ছিল !
"আমি যেমনটা চেয়েছিলাম, তুমি তা পেরেছ । আমার আম্মু এখন সবসময় তোমার কথাই বলে । আমি ও তোমায় ভালোবাসি । কিন্তু আমায় প্রপোজ করতে হবে । কাল তুমি দশটা গোলাপ ফুল এনে আমায় প্রপোজ করবা । তার পর ই আমি তোমার সাথে সম্পর্ক শুরু করবো । " কথা গুলো বলেই লজ্জা মিশ্রিত ভাব নিয়ে ক্লাসে চলে গেলো সে। আমার তো খুশিতে লাফাতে ইচ্ছে করতেছে! দৌড়ে গেলাম ফ্রেন্ডদের কাছে !
"দোস্ত ! আমি পারছি ! কাল আমার প্রপোজ ডে ! " তোদের মতো কাল থেকে আমার ও গার্ল ফ্রেন্ড হবে । "
সেই রাতে আমার আর ঘুম হলো না । বন্ধুদের সাথে অনেক মজা করে একটু রাত করেই বাড়ি ফিরেছি। তার পর কালকের কথা আর ফাহিমাকে নিয়ে চিন্তা করতে করতেই রাত পার হয়ে গেল ।

রাতে না ঘুমালেও মনের ভিতর ভালবাসা আর সাহস নিয়ে যথা সময়ে হাজির হলাম স্কুলের সামনে । গোলাপগুলো শরীরের পেছনে ।

এইতো!
সে আসছে !
প্রতিদিন এর মতো মা মেয়ে দুজনেই আমাকে দেখে ভূবন ভুলানো একটা হাসি উপহার দিলো। আমিও বিনিময়ে তাদেরকে একি হাসি উপহার দিলাম। ফাহিমা স্কুলে চলে গেলো আর তার আম্মু আমার সাথে কথা বলা শুরু করলো ।
"তোমার হাতে কি? "
"কিছু না আন্টি। "
"লুকাচ্ছ কেনো? বের করো! আমি দেখতে পাচ্ছি এগুলা ফুল । "
কি আর করা । পিছন থেকে সামনে আনলাম ।
"আমি ছাড়া আর তো কেউ নেই এগুলো দেবার মতো । আমার জন্যই তো এনেছ এগুলো, তাই না? "
এখন তো আর অন্য কিছু বলতে পারিনা । তাই বললাম, "হে, আপনার জন্যই এনেছি । নেন । "
বলে ফুল গুলো বাড়িয়ে ধরলাম । উনি এমন একটা ভাব ধরলেন, যেন উনি কোনো স্কুল পড়ুয়া মেয়ে । অনেক লজ্জা পেয়ে চুপিসারে আশে পাশে তাকিয়ে ফুলগুলো হাতে নিলো এবং এমন কিছু বললো যা আমার আজকের এই প্রপোজ ডে টা সারা জীবনের জন্য স্বরনীয় করে রেখেছে,
" আমি জানি তুমি আমাকে অনেক ভালবাস । তাই আমার জন্য প্রতিদিন রাস্তায় ধারিয়ে থাকো । আজ বোধহয় আমাকে প্রপোজ করার জন্যই ফুল গুলো এনেছিলে । কিন্তু আমি তোমার অনেক বড় বলে লজ্জায় বলতে পারছনা । আমি ই বলি

-আই লাভ ইউ টু ............. "

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ