āϏোāĻŽāĻŦাāϰ, ā§§ā§§ āϏেāĻĒ্āϟেāĻŽ্āĻŦāϰ, ⧍ā§Ļā§§ā§­

1401

"বাবার ভালোবাসা"
____________________

মাঝি পাড়ার শেষ সীমানায় হিজল গাছের পাশে একচালা একটি ঘর। ঘরখানা কুবের মাঝির। এক মেয়ে এবং স্ত্রী রাহেলা বানুকে নিয়ে তার ছোট সংসার। দিন এনে দিন খাওয়া এ মাঝির ঘরে অভাব থাকলেও একাদশী বয়সী মেয়ের চাঞ্চল্যে ভরে থাকে বাড়ির উঠান।
সুখদুঃখ মিলেই চলে এ পরিবারের অভিগমন।
এবার নদীতে জোয়ার ভাটার আগমন প্রবল ছিল। পুরো উঠান কাঁদাতে স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। এতসব কাজ একা হাতে সামলাতে পারে না রাহেলা বানু। তাই মেয়েকে হাতে হাতে কাজ করতে বলে সে। কিন্তু বাড়ন্ত বয়সী ঝুমা মায়ের কথার কর্ণপাত না করেই সইদের সাথে খেলতে চলে গেল। এতে রাহেলা বানু অগ্নিশর্মা হয়ে উঠে। গজগজ করে মেয়েকে বলতে থাকে, 'আজ আসুক তোর বাপে!'....
কুবের মাঝি নদীর ঘাটে নৌকা নিয়েই পার করে দেয় সারাদিন। বাড়ি ফিরে সে মাঝরাতে। মেয়েকে কখনো বা তার ফিরে আসার আগেই নিদ্রায় দেখে আবার হয়তো যেদিন বাবার কাছে বায়না থাকে সেদিন চোখের পাতা মেলে থাকে অনেক কষ্টে। বাবা মেয়ের কাণ্ড দেখে রাগ করে রাহেলা বানু।
'বলি, মেয়েকে এত ভালোবাসা দিচ্ছেন সে কি কথা শুনে মার?'
সারাদিন তো শুধু ঘুরে বেড়ায়। কাজের কথা কইলেই পালিয়ে যায়। বাড়ির ত্রিসীমানায় তারে আর পাওন যায় না।'
ঝুমা এসে কুবেরর গলা চেপে ধরে। বায়নার সাথে হাজারো ভালোবাসা দেখে রূপালি চাঁদেরও হিংসা হয়। কুবেরও মেয়ের প্রতি অন্ধ। তাই মেয়ের বিরুদ্ধে মায়ের নালিশ কানেই তুললো না সে।
' তুমি খালি খালি মাইয়াডার উপর রাগ করো কেনে? এই বয়সে সে কি তোমার খুন্তি, লাকড়ি ধরবো নাকি?'
রাহেলা বানু যখন বুঝলো বাবা মেয়ের এ শক্তিশালী বন্ধনে নালিশ করা পণ্ডশ্রম তখন বাতি নিয়ে ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়লো।
ভিজে স্যাঁতসেঁতে উঠানের একপাশে পরিষ্কার চাঁদ দেখা যাচ্ছে।
ঝুমা কুবের মাঝিকে বললো, 'বাজান আমি ইস্কুলে যামু না?'
কুবের হাসতে হাসতে বলে, ' হ রে মা তুই ইস্কুলে যাবি। আর কয়ডা দিন সময় দে। হাতে পয়সা কড়ি কিছু আসুক।'
কুবের মেয়ের ইচ্ছা অপূর্ণ রাখে নি কোনোদিন। তাই ঝুমা মনে মনে অনেক খুশি। কারন সে জানে তার বাবা তাকে স্কুলে ভর্তি করাবেই। গ্রামের সকলের সাথে মেঠো পথের রাস্তা ধরে উত্তরের শেষ সীমানায় গিয়ে পড়াশোনা করবে সে।
কিন্তু মেয়ের ইচ্ছের বিপরীতে কুবেরের কপালে চিন্তার ভাঁজ। মেয়ে আলতা,চুড়ি,ফিতার আবদার করলে তা নিজের রোজগার হোক বা কর্য করে হোক মেয়ের মুখে হাসি ফুটাতে পারতো। কিন্তু মেয়ের স্কুলে যাবার আবদার পূরণ করার সামর্থ্য কই তার? সে তো অনেক টাকার ব্যাপার!
.
শুকনো চিড়া আর পানি খেয়ে বৈঠা নিয়ে সকালে বেড়িয়ে গেছে কুবের। রাহেলা বানু হিজল গাছের সাথে বাঁধা মনাকে খাওয়াচ্ছিল তখন। ঝুমা চোখ দুটো ডলতে ডলতে মনার কাছে এসে দাঁড়ালো। অবলা এই জীবের প্রতি ঝুমার ভালোবাসার শেষ নেই। প্রতিদিন সকালে উঠে পরম যত্নে মনার হালচাল জিজ্ঞেস করে সে। মনাও ঝুমার কথায় সাড়া দেয়। বড বড় দুটি শিং নাড়িয়ে ঝুমাকে ভালোবাসার কথা বলে সে। মনার গায়ের রঙ হালকা বাদামী। এক বছর আগে কুবের মাঝি এক জলসায় লটারিতে জয়ী হয়ে মনাকে নিয়ে এসেছিল। সে থেকে মনা এখানেই রয়েছে। বিশেষ আনন্দ পায় ঝুমার সাথে থেকে। ঝুমাও মায়ের মতো আগলে রাখে মনাকে।
দু'কথা বলতেই ঝুমা চলে যায় পুকুর ঘাটে। ঘরে বসে থেকে তার মন টিকবে না। তাই রাহেলা বানুকে স্বজোরে চিৎকার দিয়ে বলে, 'মা আমি জলঘাটে গেলাম।'
রাহেলা বানু তখন মেয়েকে একটি কথাও শুনালো না।। মেয়ে নাছোড়বান্দা। তাছাড়া বাবার আদরের মেয়ে। তাই মুখ ফুলিয়ে উঠানের একপাশের চালা একাই ঠিক করার জন্য আঁচল গুজে নেমে পড়ে।
.
'শিউলি, তোর ইস্কুলে শাড়ি পড়া আপা কি শিখায় রে?'
কৌতূহলপূর্ণ চোখে প্রশ্ন করে ঝুমা।
ঝুমার উত্তরে শিউলি হাসে।
'বলি, হাসছিস কেনো তুই?'
'সে কি তোকে বলে শেষ করা যাবে নাকি! আয় না তুই নিজেই দেখবি। '
ঝুমা মন খারাপ করে। সে জানে শিউলি প্রতিবারের মতো এবারো তাকে উপহাস করছে। তাই বাবার উপর রাগ করে । কবে সে কুবেরকে বলেছিল স্কুলে ভর্তির কথা। সবাই স্কুলে যায় কিন্তু সে যায় না। সবাই বলে টাকা নাই।
আর এ কথাই ছোট্ট ঝুমার আত্মসম্মানে লাগে।
কিন্তু উপহাস হজম করার শক্তি ঝুমার নেই। তাই সোজা বাড়ি চলে গেল সে। আজ তার বাবাকে বলে একটা সমাধান করতে হবে তার।
.
'মা, ভাত দাও।'
চড়া গলায় মার সাথে কথা বলে ঝুমা।
রাহেলা বানু মেয়ের এমন ব্যবহারের কারণ বুঝতে পারছে না।
'কিরে কি অইছে তোর?'
ঝুমার মুখে কথা নেই। রাগে গজগজ করছে সে।
মতিগতি না বুঝেই মেয়ের সামনে পান্তাভাত আর কাঁচা মরিচ নিয়ে এসে দেয় রাহেলা বানু।
ঝুমা চেঁচিয়ে উঠে। 'প্রতিদিন কি পান্তাভাত খাওন যায়! বাজানরে কবা মস্ত বড় মাছ আইনতে।'
রাহেলা বানু ঝুমার হঠাৎ বদলে যাওয়া রূপ দেখে বিস্মিত হলো। মেয়েকে তাদের সাংসারিক অক্ষমতার কথা বুঝাতে লাগলো সে। মায়ের কথা শুনে মরিচ মাখানো পান্তাভাত ঠিকই খেলো ঝুমা কিন্তু তার ছোট মনে বাবার অসচ্ছলতার কথা তখনও বুঝে উঠতে পেরেছে কিনা তা রাহেলা বানু জানে না।
.
রাত নেমেছে। কিছুক্ষণ পরেই কুবের মাঝি চলে আসবে। ঝুমার চোখে ঘুম নেই। আজ তার বাবাকে বলতেই হবে স্কুলে যাওয়ার কথাটা। রাতে কিছু মুখেও তুলে নি সে।
দূর আকাশের চাঁদটাও যেনো তাকে দেখে উপহাস করছে আজ। এক অসহ্য না পাওয়ার বেদনায় ছটফট করছে ঝুমা। প্রকৃতির এ অপার মহিমায় সে কেবলই নিম্ন পরিবারের সন্তান কথাটির মর্মার্থ কতটুকুই বা জানে সে! তবুও মনগড়া ভাবে ভেবে নিয়েছে তার বাবা তাকে একটুও ভালোবাসে না।
কাঁদছে মেয়েটি। গাল ফুলিয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। অভিমান জমেছে বাবার প্রতি। রাহেলা বানু সন্ধ্যা থেকে মেয়েকে থামাতে পারে নি। অবশেষে মেয়েকে তার বাবার হাতেই ছেড়ে দেয় সে।
'একি রে মা, বাইরে কি করিস?'
ঝুমার চোখে প্রতিবারের মতো আজ কোনো উৎসাহ নেই, ভালোবাসা নেই। বাবার গলা ধরে বাজান ডাকটিও শোনা গেল না।
কুবের রাহেলাকে বৈঠা দিলো। এরপর রাহেলা বানু ঝুমার কথা কুবেরকে বলে। কুবের ঝুমার পাশে বসে।
অনেক ভালোবাসা আদরে মেয়ের মন খারাপের কারন জানতে চায়। কিন্তু অভিমানের পাল্লা ভারী। তাতে বৃষ্টি ঝরছে অঝর ধারায়। কুবের মাঝি তা দেখে অস্থির হয়ে পড়ে। কাকুতিমিনতি করে মেয়ের সামনে। ঝুমার তখন রাগ গলা থেকে কিছুটা নেমে গেছে।
হঠাৎই সে বলে উঠে, 'বাজান আমি ইস্কুলে যামু।'
কুবেরের চোখ বড়বড় হয়ে যায়। এ সময় মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর মতো টাকা তার কাছে নেই।
পাশে থেকে রাহেলা বানু বলে উঠে, ' ম্যাইয়ারে আরো বেশি ভালোবাসা দাও। আগে থাইকাই কইছিলাম শাসনেরও দরকার। এহন বুঝেন আপনে।'
কুবের রাহেলা বানুর উপর রেগে যায়। ধমকস্বরে বলে ' তুমি এহন বাপ বেটির থাইকা দূরে যাও। '
রাহেলা বানু কুবের মাঝির মুখে এ কথা শুনতে কি না শুনতেই পায়ের চলন দ্রুত করে ঘরে চলে যায়।
উঠানে কেবল কুবের মাঝি, ঝুমা আর তারা ভরা আকাশের পূর্ণিমা চাঁদ।
চারিদিক নিস্তব্ধ হয়ে আছে। ঝুমা অভিমানে আর কুবের মাঝি দুঃশ্চিন্তায়। ভারী এক মুশকিলে কুবের মাঝি।
.
পরদিন সকালে কুবের বৈঠা নিয়ে ঘাটের দিকে পা বাড়ায়। ঝুমা এসে কুবরকে জড়িয়ে ধরে। হয়তো অভিমান কিছুটা কমে গেছে তার। কুবের মেয়েকে হেসে বলে, 'আইজ তোরে ইস্কুলে ভর্তি করামু।'
স্কুলে ভর্তির কথা শুনেই উৎকণ্ঠা স্বরে ঝুমা বলে ' সত্যি বাজান?'
কুবের মেয়েকে জড়িয়ে ধরে বলে, 'হ রে মা।'
মেয়েকে আশস্ত করে চলে যায় কুবের। এদিকে ঝুমার খুশি বাঁধ ভাঙ্গা।
.
প্রতিদিনের মতো আজ আর কুবের রাতে ফিরে নি। মেয়েকে দেওয়া কথা রাখতেই দুপুর নাগাদ চলে আসে সে। রাহেলা বানু চমকে উঠে বলে, 'সে কি কথা আপনে এতো জলদি আইয়া পড়লেন যে?'
'হ ম্যাইয়া কই? ওরে ইস্কুলে নিয়ে যাওন লাগবো।' বৈঠা নামিয়ে রাহেলা বানুর উত্তর দেয় কুবের।
হকচকিয়ে উঠে রাহেলা বানু। 'কি কন আপনে? পয়সা কড়ি নাই আর ম্যাইয়া রে ইস্কুলে পাঠাইবেন?'
'দেখো ঝুমার মা, আমার ম্যাইয়া পড়তে চায়। তুমি দ্যাখো নাই আইত্রে বেলা কেমনে ক্যাইনলো ম্যাইয়াডা আমার?'
রাহেলা বানু মাড় ফেলতে গিয়ে উত্তর দেয়, আপনার যা খুশি কইরেন। বাপ বেটির মাঝে আমি নাই।'
'ঝুমা.....ঝুমা মা...
জোরে জোরে হাঁক ছাড়ে কুবের। ঝুমা কুবেরর ডাকে সাড়া দিয়ে তার সামনে এসে দাঁড়ায়।
' নে রে মা চল ইস্কুলে যাবি না?'
'আইচ্ছা বাজান।'
.
উত্তরের শেষ সীমানায় স্কুল। তা দেখে নয়ন সার্থক হয় ঝুমার। গ্রামের অনেক ছেলেমেয়ে আছে সেখানে। কুবের মেয়ের দিকে তাকিয়ে বলে, ' মা এবার তুই খুশি তো?'
ঝুমার স্বপ্ন সত্যি হচ্ছে ভেবে মাথা নাড়িয়ে উত্তর দেয় কুবেরকে।
স্কুলের শিক্ষিকা ঝুমাকে ভর্তি করে নেয় সাথে বইও দেয়। আগামীকাল থেকে উনি ঝুমাকে স্কুলে আসতে বলেন।
বেজায় খুশি মেয়ে। তার খুশিতে আত্মহারা বাবা। যতই কষ্ট হোক বাবা চায় তার মেয়ে ভালো থাকুক। মেয়ের কাঁন্না কোনো বাবারই কাম্য নয়। তাই যতটুকু পেরেছে কুবের মাঝি তার মেয়ে ঝুমার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছে।
.
'বাজান, আজ ঘাটে যাইবা না?'
ঝুমার প্রশ্নে উত্তর দেয় না কুবের মাঝি।
ফের বাবাকে প্রশ্ন করে 'কি অইলো বাজান?'
কুবের বিষণ্ণ মনে মেয়েকে উত্তর দেয়, ' না রে মা আইজ যামু না।'
অবাক হয়ে বাবাকে প্রশ্ন করে ঝুমা, 'কেন যাইবা না?'
'শরীল ডা ভালা না রে মা। তুই ইস্কুলে যা।
হুম সূচক শব্দ করে স্কুলের দিকে এগিয়ে গেল ঝুমা। কুবের মাঝির চোখে মুখে ভবিষ্যৎ নিয়ে দুঃশ্চিন্তা। বংশসূত্রে যে নৌকা পেয়েছিল তা মাতাব্বরের কাছে বন্ধক দিয়েছে সে। বিনিময়ে পেয়েছে নগদ টাকা। সে টাকা দিয়েই ঝুমাকে স্কুলে ভর্তি করায় সে। কিন্তু যে নৌকা দিয়ে পুরো সংসার চলতো তা এখন নেই। সংসার চলবে কিভাবে তা নিয়ে রাহেলা বানু গত একবেলা কথা বলে নি কুবের মাঝির সাথে। পরে অবশ্য স্বামীর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবুও দুজনের চোখে মুখে আজ অনিশ্চিত জীবনের পথচলা।
.
বেশ কিছুদিন পর। কুবের মাঝির শারীরিক অবস্থা নাজেহাল। ঘরে খাবার নেই । রাহেলা বানু পরের বাড়ি কাজ করে যা পায় তা দিয়ে সংসার চলে না। ঝুমা এসবের দিকে মন দেয় না। সে এখন পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত। কিন্তু যখন পেটে ভাত পড়ে না তখন কুবের মাঝিকে জিজ্ঞেস করে 'বাজান আমরা আর ভাত পাই না কেনো?'
কুবের মাঝির অনেক জ্বর। কথা বলতেও কষ্ট হয়। তাই মেয়ের সাথে খুব বেশি কথা হয়না তার। শুধু প্রশ্ন উত্তর পর্বেই কথোপকথন সীমাবদ্ধ।
ঝুমা গিয়ে রাহেলা বানুকে জিজ্ঞেস করে, ' মা আগে তাও পান্তাভাত পেটে পড়তো অহন যে না খাইয়া থাইকা লাগে। মা অনেক খিদা লাগছে। খাওন দাও।'
ঘরে চাল নেই। তাই হাড়ি ফাঁকা। সংসারের এমন পরিস্থিতিতে মনার চেহারাও নেই হয়ে যাচ্ছে। শুধু ঘাসের উপর থাকে সে। তাই রাহেলা বানু ঠিক করলো মনাকে বেঁচে কুবের মাঝির চিকিৎসা আর খাওয়ার ব্যবস্থা করবে। কিন্তু ঝুমার কানে কথাটি পৌঁছাতেই সে কান্না শুরু করে। রাহেলা বানুও মনা আর ঝুমার জন্য কষ্ট পায়। কিন্তু নিয়তি বড়ই অদ্ভুত।
রাহেলা বানু কুবের মাঝিকে মনাকে বিক্রির কথা তুলে। পাশে দাঁড়িয়ে ঝুমার কান্না দেখতে পায় কুবের। সে জানে মনাকে ঝুমা কত ভালোবাসে। আর ঝুমাকে ভালোবাসে কুবের। তাই মেয়ের কথা চিন্তা করে মনাকে বিক্রি করতে নিষেধ করে সে। কুবেরের কথা শুনে ঝুমা তার গলা জড়িয়ে ধরে। ভালে চুমু এঁকে দিয়ে বাইরে চলে যায়।
মেয়েকে ভালোবাসে বলেই কুবের আজ তার খুশিকে ধরে রাখতে পেরেছে। আজ সে একজন ভালো বাবা হতে পেরেছে।
কিন্তু ঝুমা যখন জানতে পারে তার জন্য সংসারের একমাত্র উপার্জন করার মাধ্যম মাতব্বের কাছে বন্ধক আছে তখন তার ভাবোদয় হলো যে বাবা তার জন্য নিজের সবকিছু দিয়ে তাকে খুশি করার চেষ্টা করেছে সে বাবাই তার কাছে শ্রেষ্ঠ বাবা।
তাই স্কুল থেকে ঝুমা একেবারেই চলে আসে।
হয়ত কিছু নিয়তি মেনে নিতে না পারলেও মেনে নিতে হয়।
কিন্তু এর ভেতরে বাবা মেয়ের যে ভালোবাসা রয়েছে তা যে সবকিছুকেই হার মানায়।
কুবের তার মেয়েকে ভালোবাসে। তাই নিজের সবটা দিয়ে তার মেয়েকে আগলে রেখেছে। ঝুমাও বুঝতে শিখে গেছে বাবা শব্দটির মানে। এই বাবাই তো মেয়ের জন্য চাঁদ, তারা আকাশ থেকে নিয়ে এসে দিতে পারবে। তাই বাবার জন্য কোনো একদিন যে অভিমান জমে ছিল তা যে ভুল তা মনে করে ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি দিলো সে। হয়তো তার জন্য কুবের মাঝির মতো বাবাই বারবার প্রয়োজন হয়।
.
#লেখা-জান্নাতুল_মমি

āĻ•োāύ āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āύেāχ:

āĻāĻ•āϟি āĻŽāύ্āϤāĻŦ্āϝ āĻĒোāϏ্āϟ āĻ•āϰুāύ